ঢাকা রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩

পঞ্চগড়ে কলেজ অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে জালিয়াতির অভিযোগ

পঞ্চগড় প্রতিনিধি, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২১ জুলাই ২০২৬, ০৪:৫৭ পিএম
ছবি: আরটিভি

পঞ্চগড়ে সনদ-সংক্রান্ত জটিলতা থাকা সত্ত্বেও কর্তৃপক্ষকে ম্যানেজ করে অনুমোদনহীন বিশ্ববিদ্যালয়ের এমবিএ সনদ ব্যবহার করে এমপিওভুক্ত হওয়ার অভিযোগ উঠেছে একটি বিএম কলেজের অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে। কলেজটি প্রতিষ্ঠার ২২ বছর ধরে সনদ জটিলতার কারণে এমপিওভুক্ত না হলেও চলতি বছরের জুন মাসে একই সনদের ভিত্তিতে এমপিওভুক্ত হয়েছেন ওই কলেজের অধ্যক্ষ। এ ঘটনায় জনমনে নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগটি পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলার শালবাহান উচ্চ মাধ্যমিক বিএম অ্যান্ড টেকনিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ একরামুল হকের বিরুদ্ধে।

জানা গেছে, ২০০৪ সালে কলেজটি প্রতিষ্ঠার পর অধ্যক্ষ একরামুল হক এমপিওভুক্তির জন্য কয়েক দফায় আবেদন করেন। আবেদনের সঙ্গে তিনি রাজধানী ঢাকার কুইন্স ইউনিভার্সিটি থেকে অর্জিত এমবিএ ডিগ্রির সনদ দাখিল করেন। কিন্তু ২০২০ সালের ২৬ জুলাই কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের ৫৭.০৩.০০০০.০২৮.১৮.০১১.১৮-৫৭৭ নম্বর স্মারকের অফিস আদেশে উল্লেখ করা হয়, অধ্যক্ষ একরামুল হকের প্রয়োজনীয় শিক্ষাগত যোগ্যতা নেই এবং তার এমবিএ সনদটি বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) অনুমোদিত নয়। একই সঙ্গে তার প্রয়োজনীয় অভিজ্ঞতাও ছিল না।

এমপিও নীতিমালা-১৯৯৫ অনুযায়ী, স্বীকৃত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রভাষক পদে কমপক্ষে ১০ বছরের অভিজ্ঞতা থাকতে হয়। এছাড়া স্নাতক পর্যন্ত শিক্ষাগত সনদ যাচাইকৃত ছিল না, পূর্ববর্তী প্রতিষ্ঠানের অভিজ্ঞতার প্রমাণপত্র ও ছাড়পত্রও ছিল না। এসব কারণে সে সময় অধ্যক্ষ একরামুল হক এমপিওভুক্ত হতে পারেননি।

কিন্তু আশ্চর্যজনকভাবে পরবর্তীতে একই সনদের ভিত্তিতে তিনি কীভাবে এমপিওভুক্ত হলেন, তা নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছে।

সরেজমিনে শালবাহান উচ্চ মাধ্যমিক বিএম অ্যান্ড টেকনিক্যাল কলেজে গিয়ে অভিযুক্ত অধ্যক্ষ একরামুল হকের সঙ্গে কথা হলে তিনি বলেন, সমস্ত কাগজপত্র সঠিকভাবে যাচাই-বাছাই করেই অধিদপ্তর থেকে আমি এমপিওভুক্তির চিঠি পেয়েছি।

আরও পড়ুন

তবে ২০২০ সালে তার এমবিএ সনদটি ইউজিসি অনুমোদিত নয় বলে উল্লেখ থাকার পরও কীভাবে তিনি এমপিওভুক্ত হলেন— এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বিষয়টি এড়িয়ে যান। তিনি দাবি করেন, পরে অধিদপ্তর থেকে কিছু বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্ষেত্রে শর্ত শিথিল করা হয়েছে। তবে এ দাবির পক্ষে তিনি কোনো পরিপত্র বা দালিলিক প্রমাণ দেখাতে পারেননি।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের উপপরিচালক (এমপিও) মো. খোরশেদ আলম মুঠোফোনে বলেন, বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে মন্তব্য করব।

আরটিভি/এমএইচজে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ছুটি ছাড়াই ৪২ শিক্ষককে নিয়ে কক্সবাজার ভ্রমণে দুই সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকদের উপস্থিতিতে বিশেষ কর্মসূচি পালনের নির্দেশনা দেওয়া হলেও ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলার বিভিন্ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৪২ জন শিক্ষক বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত রয়েছেন।  তারা বিদ্যালয়ে উপস্থিত থেকে নির্ধারিত কর্মসূচি পালনের পরিবর্তে কক্সবাজারে আনন্দ ভ্রমণে গেছেন। তাদের সঙ্গে রয়েছেন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয়ের দুই সহকারী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (এটিও)। সরকারি নির্দেশনা উপেক্ষা করে শিক্ষকদের এমন ভ্রমণে যাওয়ার ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অভিভাবকেরা। অভিভাবকদের অভিযোগ, সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী বিদ্যালয়ে উপস্থিত থেকে বিশেষ কর্মসূচি পালনের কথা থাকলেও সংশ্লিষ্ট শিক্ষকরা দায়িত্ব পালন না করে আনন্দ ভ্রমণে গেছেন। শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে উপস্থিত থাকার কথা থাকলেও শিক্ষকরা নিজেরাই অনুপস্থিত। এতে তাদের দায়িত্বশীলতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।  এক অভিভাবক বলেন, আমাদের সন্তানদের বিদ্যালয়ে আসতে বলা হয়েছে, অথচ শিক্ষকরা নিজেরাই বিদ্যালয়ে না এসে আনন্দ ভ্রমণে গেছেন। এটা কেমন কথা? শিক্ষকদের এমন দায়িত্বহীনতা মেনে নেওয়া যায় না। জানা গেছে, গত ৫ নভেম্বর বিকেলে সদরপুর থেকে কক্সবাজারের উদ্দেশে রওনা হন শিক্ষক ও শিক্ষা কর্মকর্তারা। তাদের এ ভ্রমণ শেষ হবে ৯ নভেম্বর সকালে।  ভ্রমণে অংশ নেওয়া বিভিন্ন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকরা হলেন— চর বিষ্ণুপুর কলাডাঙ্গী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের লুৎফুন্নেছা, জরিপের ডাঙ্গী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নওরোজ আল ফারুকী, ৩২ নম্বর ডিক্রীর চর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক রেজাউল করিম বাবুল, আমিরাবাদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক নুরুজ্জামান, নলেটেক-২ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কবির উদ্দিন মোল্লা, চর বলাসিয়া মোল্লা গ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মশিউর রহমান, রাজারচর ওযাবউল্লাহ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জিন্নাত আলী এবং হাকিমনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এটিএম আইয়ুব আলী। ভ্রমণে অংশ নেওয়া সহকারী শিক্ষকদের মধ্যে রয়েছেন— মধ্য চর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের আমিনুল, মুন্সি চর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মশিউর রহমান, নতুন সাহেবের চর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের আজাহার, পশ্চিম রামনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাহবুব হাসান, বালিয়ারচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সজিব, চর গজারিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জাকির হোসেন, সতের রশি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের আনোয়ার হোসেন ও সাইফুজ্জামান, চর বিষ্ণুপুর চৈতের কোলপাড় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সালাম, সুকদেব নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মনির হোসেন, হকিয়তপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জালাল, ৩২ নম্বর ডিক্রীর চর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের আব্দুল কুদ্দুস, দক্ষিণ চর ডুবাইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের আবু সাইদ এবং বৈদ্য ডাংগী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাহমুদুল হাসানসহ আরও ২০ জন। এ ছাড়া ভ্রমণে রয়েছেন— সহকারী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা হাফিজুর রহমান। তিনি আকোটেরচর ও সদরপুর ক্লাস্টারের দায়িত্বে আছেন। অন্য কর্মকর্তা ঝিল্লুর রহমান চর নাসিরপুর ক্লাস্টারের দায়িত্ব পালন করেন। উল্লেখ্য, জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে ৭ নভেম্বর দেশের সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। তবে দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের জন্য প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে বিশেষ কর্মসূচি পালনের নির্দেশনা দেওয়া হয়। নির্দেশনা অনুযায়ী, সকালে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, শিক্ষার্থীদের উপস্থিতিতে সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা এবং রচনা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতাসহ বিভিন্ন কর্মসূচি আয়োজনের কথা রয়েছে। নিয়মিত পাঠদান বন্ধ থাকলেও এসব কর্মসূচি বাস্তবায়নে বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নির্ধারিত সময়ে উপস্থিত থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়। এ অবস্থায় সংশ্লিষ্ট শিক্ষক ও শিক্ষা কর্মকর্তাদের অনুপস্থিতিতে বিদ্যালয়গুলোতে নির্ধারিত কর্মসূচি কীভাবে পালিত হয়েছে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষক বলেন, তারা গাড়িতে ‘শিক্ষা সফর’ লেখা ব্যানার লাগিয়েছেন। কিন্তু তারা তো পরিবার-পরিজন নিয়ে আনন্দ ভ্রমণে গেছেন। শিক্ষা সফরে সাধারণত শিক্ষার্থীরা যায়। শিক্ষকরা পরিবার নিয়ে ভ্রমণে গেলে সেটিকে শিক্ষা সফর বলা কতটা যৌক্তিক? আমরা বিদ্যালয়ে উপস্থিত থেকে সরকারি কর্মসূচি পালন করছি, আর তাঁরা আনন্দ ভ্রমণে ব্যস্ত। বিষয়টি সত্যিই দুঃখজনক। এ বিষয়ে সহকারী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা হাফিজুর রহমান ও ঝিল্লুর রহমানের সাথে ফোনে যোগাযোগ করা হলেও তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মামুনুর রহমান বলেন, তারা প্রতিবছরই ভ্রমণে যান। অনেক আগেই তাঁরা ভ্রমণের প্রস্তুতি নিয়েছিলেন। আমি প্রজ্ঞাপনটি পেয়েছি ৫ তারিখ বিকেল ৩টার দিকে। ওই দিন জেলায় আমার একটি সভা ছিল। এরপরও বিষয়টি তাঁদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে জানিয়ে দিয়েছি। কিন্তু অবহিত করার পরও তাঁরা ভ্রমণে গেছেন। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শরীফ শাওন বলেন, এটি তাদের নিজস্ব দায়িত্বের বিষয়। তাদের ভ্রমণের অনুমতি দেওয়ার এখতিয়ার আমার নেই। এ জন্য আমার কাছ থেকে অনুমতি নেওয়ারও প্রয়োজন নেই। তবে ভ্রমণের নিরাপত্তার জন্য তাঁরা গত ৪ নভেম্বর একটি আবেদন নিয়ে এসেছিলেন। আমি ওই আবেদনে স্বাক্ষর করে দিয়েছি। আরটিভি/এসআর
ছুটি ছাড়াই ৪২ শিক্ষককে নিয়ে কক্সবাজার ভ্রমণে দুই সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা
শেরপুরে নিষিদ্ধ যুবলীগের মশাল মিছিল
শেরপুরে বিক্ষোভ ও মশাল মিছিল করেছে কার্যক্রম নিষিদ্ধ বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ, শেরপুর পৌর শাখা।
শেরপুরে নিষিদ্ধ যুবলীগের মশাল মিছিল
জয়পুরহাটে আলুর বাজারে ধস, হিমাগারে পড়ে আছে ৪৫ শতাংশ
জয়পুরহাটে আলুর বাজারে অব্যাহত দরপতনে বিপাকে পড়েছেন কৃষক ও ব্যবসায়ীরা। উৎপাদন খরচের চেয়ে অনেক কম দামে বিক্রি হচ্ছে আলু। এতে লোকসানের আশঙ্কায় হিমাগার থেকে আলু উত্তোলন করছেন না অনেকে। জেলার ২২টি হিমাগারে সংরক্ষিত আলুর প্রায় ৪৫ শতাংশ এখনো পড়ে রয়েছে। আগামী ১৫ নভেম্বর সংরক্ষণ মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে আলু বিক্রি করতে না পারলে কৃষক, ব্যবসায়ী ও হিমাগার মালিকদের বড় ধরনের লোকসানের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
জয়পুরহাটে আলুর বাজারে ধস, হিমাগারে পড়ে আছে ৪৫ শতাংশ
কুড়িগ্রামে পৌর কর্মচারী হত্যায় ব্যবহৃত কাঁচি উদ্ধার, মাদক সেবনে বাধা দেওয়াই কাল হয় মনসুর আলীর!
কুড়িগ্রাম পৌর টাউন হলের কেয়ারটেকার মনসুর আলীকে (৬০) হত্যায় ব্যবহৃত কাঁচি উদ্ধার করেছে পুলিশ। ছুরি নয় কাচি দিয়েই তাকে হত্যা করা হয়েছিল বলে নিশ্চিত হয়েছে পুলিশ।
কুড়িগ্রামে পৌর কর্মচারী হত্যায় ব্যবহৃত কাঁচি উদ্ধার, মাদক সেবনে বাধা দেওয়াই কাল হয় মনসুর আলীর!
শহীদ জিয়ার নেতৃত্বেই দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্রের সূচনা হয়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল বলেছেন, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর জাতির এক ক্রান্তিলগ্নে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশের দায়িত্বভার গ্রহণ করে বাংলাদেশকে একটি বিপজ্জনক রাজনৈতিক পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে ভূমিকা রাখেন। তার নেতৃত্বে দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্রের সূচনা হয় এবং দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব অক্ষুণ্ণ থাকে। জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে শহীদ জিয়াউর রহমান জাতির স্মৃতিতে অমর হয়ে থাকবেন।
শহীদ জিয়ার নেতৃত্বেই দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্রের সূচনা হয়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
আরও পড়ুন
স্কুল ফিডিংয়ের পাউরুটিতে ধারালো ব্লেড
এনআইডি সংশোধনে জালিয়াতি, কঠোর অবস্থানে ইসি 
‘পাপ বাপকেও ছাড়ে না’ প্রবাদের সত্যতা প্রমাণ হলো পঞ্চগড়ে
ব্রাজিল-কিউবার ১৩ নাগরিকের বিরুদ্ধে ভিসা-বিয়ে নিয়ে জালিয়াতির অভিযোগ