ঢাকা শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩

কক্সবাজার পৌরসভাকে সিটি করপোরেশনে উন্নীত করার নির্দেশ

কক্সবাজার প্রতিনিধি, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২১ জুলাই ২০২৬, ০৭:১৯ পিএম
ছবি: আরটিভি

কক্সবাজার পৌরসভাকে সিটি করপোরেশনে উন্নীত করার কার্যক্রম ত্বরান্বিত করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। গত ১৩ জুন কক্সবাজার জেলা সফরকালে আয়োজিত এক সভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কক্সবাজার পৌরসভাকে সিটি করপোরেশনে উন্নীতকরণের বিষয়ে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, তা বাস্তবায়নে এবার প্রশাসনিক তৎপরতা শুরু হয়েছে।

​প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের এক চিঠির মাধ্যমে জানানো হয়েছে যে, কক্সবাজার পৌরসভাকে সিটি করপোরেশনে উন্নীত করার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে এবং এ বিষয়ে গৃহীত কার্যক্রমের অগ্রগতি প্রতিবেদন জরুরি ভিত্তিতে প্রেরণের জন্য স্থানীয় সরকার বিভাগকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন

এই চিঠিতে প্রধানমন্ত্রীর প্রটোকল অফিসার-১ ও 'সংসদ সদস্যগণের প্রতিশ্রুতি ও প্রত্যাশিত কর্মসূচি বাস্তবায়ন সমন্বয় সেল’-এর সদস্য সচিব মো. উজ্জ্বল হোসেন স্বাক্ষর করেন।

এর আগে কক্সবাজার-০৩ আসনের সংসদ সদস্য লুৎফুর রহমান কাজল গত ২ এপ্রিল কক্সবাজার পৌরসভাকে সিটি করপোরেশনে উন্নীত করতে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে ডিও লেটার দেন এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কক্সবাজার সফরকালে এ দাবি তুলে ধরেন।

১৮৬৯ সালে প্রতিষ্ঠিত কক্সবাজার পৌরসভাকে ১৫৭ বছর পর সিটি করপোরেশনে উন্নীত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

​সিটি করপোরেশনে উন্নীত হলে পর্যটন নগরী কক্সবাজারের নাগরিক সেবা ও অবকাঠামোগত উন্নয়নে এক নতুন মাত্রা যোগ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

আরটিভি/এমএইচজে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
সোনারগাঁয় বাকপ্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণ, ফুফা গ্রেপ্তার
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয় ১৩ বছর বয়সী এক বাকপ্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে তার আপন ফুফা আক্তার হোসেন ওরফে খাজাকে (৪৫) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
সোনারগাঁয় বাকপ্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণ, ফুফা গ্রেপ্তার
এইচএসসি পরীক্ষায় অকৃতকার্য, চিরকুটে শিক্ষককে দায় দিয়ে না ফেরার দেশে শিক্ষার্থী
সাতক্ষীরার তালা উপজেলায় এইচএসসি পরীক্ষায় অকৃতকার্য হওয়ার পর হৃদয় সরদার (১৯) নামের এক শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।  শনিবার (৩১ অক্টোবর) দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার ধানদিয়া ইউনিয়নের দক্ষিণ সারসা গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত হৃদয় দক্ষিণ সারসা গ্রামের রইচউদ্দীন সরদারের ছেলে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সদ্য প্রকাশিত এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে প্রত্যাশিত ফল না পেয়ে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন হৃদয়। পরিবারের সদস্যদের অজান্তে আজ দুপুরের দিকে নিজ বাড়িতে গলায় ফাঁস দেন তিনি। পরে বিষয়টি জানাজানি হলে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। এদিকে মরদেহের পাশ থেকে একটি চিরকুট উদ্ধার করা হয়েছে। সেখানে নিজের পরীক্ষার ফলাফল নিয়ে হতাশা ও শিক্ষককে দায় এবং মা-বাবার প্রতি অনুশোচনার কথা লিখেছে হৃদয়। চিরকুটে তিনি উল্লেখ করেছেন, পরীক্ষার ফলাফলের জন্য নিজেকে ক্ষমা করতে পারছে না। মা-বাবা তার জন্য অনেক ত্যাগ স্বীকার করেছেন এবং তিনিও ভালো ফলাফলের জন্য চেষ্টা করেছে। তবে ফলাফলের পেছনে পরীক্ষার হলের দায়িত্বরত শিক্ষকের ভুলের বিষয়টিও চিরকুটে উল্লেখ করেছেন এই শিক্ষার্থী। চিরকুটের শেষে মা-বাবার কাছে ক্ষমাও চেয়েছেন। স্থানীয় বাসিন্দা শেখ ইয়াসিন বলেন, খবরটি ছড়িয়ে পড়ার পর পুরো গ্রাম শোকে স্তব্ধ হয়ে গেছে। হৃদয় ভালো ছেলে ছিল। তার মৃত্যুর ঘটনায় এলাকায় শোকের পরিবেশ বিরাজ করছে। মরদেহের পাশ থেকে একটি চিরকুটও পাওয়া গেছে। পাটকেলঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তোফাজ্জল হোসেন জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করেছে। প্রাথমিক তদন্ত ও উদ্ধার করা চিরকুট পর্যালোচনা করে ঘটনাটি আত্মহত্যা বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। থানায় অপমৃত্যুর মামলা (ইউডি) দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। আরটিভি/এসআর
এইচএসসি পরীক্ষায় অকৃতকার্য, চিরকুটে শিক্ষককে দায় দিয়ে না ফেরার দেশে শিক্ষার্থী
৫০ লাখ চেয়ে হুমকি, ‘শরীর বোলতার বাসা বানিয়ে খেলা শুরু হবে’
সাব্বির ফোন করে নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে চাঁদার জন্য সময়সীমা বেঁধে দিতেন। চাঁদা দিতে রাজি না হলে লোক পাঠিয়ে হামলা কিংবা গুলির হুমকি দিতেন তিনি; হুমকি অনুযায়ী সশস্ত্র হামলাও করতেন।
৫০ লাখ চেয়ে হুমকি, ‘শরীর বোলতার বাসা বানিয়ে খেলা শুরু হবে’
সাজেকে দু’পক্ষের তীব্র গোলাগুলি, আতঙ্কে বাসিন্দারা
রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেকে জেএসএস ও ইউপিডিএফের সশস্ত্র কর্মীদের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে এ সংঘর্ষ চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। শনিবার (৩১ অক্টোবর) দুপুর ১টার দিকে কলাবুনিয়া এলাকার দুর্গম পাহাড়ে এ গোলাগুলি শুরু হয়। এতে আশপাশের এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। এর জেরেই শনিবার দুপুরে গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। উভয়পক্ষের মধ্যে থেমে থেমে গুলিবিনিময় হয়। তবে দুর্গম পাহাড়ি এলাকা হওয়ায় এখন পর্যন্ত হতাহতের কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে সাজেক থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তোফাজ্জল হোসেন বলেন, শনিবার দুপুর ১টা থেকে সাজেকের কলাবুনিয়ার দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় জেএসএস ও ইউপিডিএফের মধ্যে গোলাগুলি হয়। এলাকাটি অত্যন্ত দুর্গম হওয়ায় তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে পৌঁছানো সম্ভব হয়নি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশ ও যৌথ নিরাপত্তা বাহিনী ঘটনাস্থলে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। এদিকে গোলাগুলির ঘটনায় আশপাশের এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনী পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যেও উদ্বেগ ও আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। সর্বশেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত গোলাগুলিতে হতাহতের কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। আরটিভি/এসআর
সাজেকে দু’পক্ষের তীব্র গোলাগুলি, আতঙ্কে বাসিন্দারা
লোনাপানি কেন্দ্রের গবেষণা কার্যক্রম পরিদর্শন করলেন মহাপরিচালক
খুলনার পাইকগাছায় বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিএফআরআই) লোনাপানি কেন্দ্রের চলমান গবেষণা কার্যক্রম পরিদর্শন করেছেন প্রতিষ্ঠানটির মহাপরিচালক ড. মো. লতিফুল ইসলাম। শনিবার (৩১ অক্টোবর) সকালে তিনি কেন্দ্রের বিভিন্ন গবেষণা প্রকল্প ও চলমান কার্যক্রম ঘুরে দেখেন। এ সময় গবেষণার অগ্রগতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেওয়ার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞানীদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন। পরিদর্শনকালে মহাপরিচালক ড. মো. লতিফুল ইসলাম বলেন, লোনাপানি কেন্দ্রের চলমান গবেষণাগুলো সফলভাবে বাস্তবায়ন করা সম্ভব হলে অদূর ভবিষ্যতে দেশের মৎস্য চাষে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসবে। মৎস্যসম্পদের টেকসই উন্নয়ন, উৎপাদন বৃদ্ধি এবং চাষিদের জন্য নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবনে গবেষণার বিকল্প নেই। এ জন্য গবেষণার মান ও গতি বাড়ানোর পাশাপাশি উদ্ভাবিত প্রযুক্তির কার্যকর প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে। তিনি গবেষণা কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও ফলপ্রসূ করতে বিজ্ঞানীদের বিভিন্ন বিষয়ে পরামর্শ দেন। একই সঙ্গে চলমান গবেষণার ধারাবাহিকতা বজায় রাখা এবং নতুন নতুন গবেষণার মাধ্যমে দেশের মৎস্য খাতের সম্ভাবনাকে কাজে লাগানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন। এ সময় মহাপরিচালকের সফরসঙ্গী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইনস্টিটিউটের পরিচালক (প্রশাসন ও অর্থ) ড. মো. আমিরুল ইসলাম। আরও উপস্থিত ছিলেন লোনাপানি কেন্দ্রের কেন্দ্রপ্রধান ও প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. আজহার আলী, ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. দেবাশীষ কুমার মণ্ডল, ড. গোলাম সাজেদ রিয়ার ও ড. নূর-এ-রওশন। এ ছাড়া বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা গোলাম মোস্তফা, সায়মা সুলতানা সোনিয়া, মাসুদুর রহমান ও ফাল্গুনী বিশ্বাস, কম্পিউটার অপারেটর রাশেদুল হাসান, ক্ষেত্র সহকারী আব্দুল মতিন, খন্দকার সাকির হোসেন, মুশফিকুর রহমান ও সুকেশ বিশ্বাস, হিসাবরক্ষক শাহিনুর রহমান এবং কেয়ারটেকার হাশেম আলী উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, মহাপরিচালকের দায়িত্ব গ্রহণের পর ড. মো. লতিফুল ইসলামের এটি লোনাপানি কেন্দ্রের প্রথম পরিদর্শন। তবে এ কেন্দ্রের সঙ্গে তার সম্পর্ক দীর্ঘদিনের। মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ার আগে তিনি এ কেন্দ্রের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত ছিলেন। দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি এ কেন্দ্রের গবেষণা কার্যক্রমের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। তাঁর দীর্ঘ অভিজ্ঞতা ও গবেষণায় অবদানের মাধ্যমে কেন্দ্রটির গবেষণা কার্যক্রম এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। দীর্ঘদিনের কর্মস্থল লোনাপানি কেন্দ্রে মহাপরিচালক হিসেবে তার এ সফরকে কেন্দ্রের গবেষণা কার্যক্রমের জন্য তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা আশা করছেন, তার দিকনির্দেশনা ও অভিজ্ঞতার আলোকে ভবিষ্যতে এ কেন্দ্রের গবেষণা কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে এবং দেশের মৎস্যসম্পদ উন্নয়নে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হবে। আরটিভি/এমএইচজে
লোনাপানি কেন্দ্রের গবেষণা কার্যক্রম পরিদর্শন করলেন মহাপরিচালক
আরও পড়ুন
চার দিনেও নিয়ন্ত্রণে আসেনি কক্সবাজারের সেই নলকূপের আগুন, ১৪৪ ধারা জারি
ইনানী সৈকতে গোসলে নেমে মাদরাসাছাত্রের মৃত্যু, উদ্ধার ১৫
টুপটুপ রিসোর্টে আগুন: ১০ দিন পর গলার লকেটে মিলল নিখোঁজ শিক্ষিকা মুক্তার পরিচয়
ঢাকা-কক্সবাজার ট্রেনের নতুন ভাড়া নির্ধারণ