ঢাকা বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩

সড়কের বেহাল দশা, প্রতিনিয়ত বাড়ছে দুর্ঘটনা

কচুয়া (চাঁদপুর) প্রতিনিধি, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৬ জুলাই ২০২৬, ০৭:০৫ পিএম
সড়কটি বেহাল দশা, ঝুঁকি নিয়ে যানবাহনের চলাচল। ছবি: আরটিভি

চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ সাচার-পাথৈর সড়ক এখন যেন জনদুর্ভোগের আরেক নাম। দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারের অভাবে সড়কটির বিভিন্ন স্থানে বড় বড় গর্ত সৃষ্টি হয়েছে। সামান্য বৃষ্টিতেই গর্তগুলো পানিতে তলিয়ে যায়। ফলে সড়কটি পরিণত হয় মৃত্যুফাঁদে। প্রতিদিনই ঘটছে ছোট-বড় দুর্ঘটনা। এতে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে শিক্ষার্থী, চালক, পথচারী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের।

সবচেয়ে বেশি বেহাল অবস্থা সাচার পশ্চিম বাজার ডিগ্রি কলেজসংলগ্ন অংশে। এ সড়ক দিয়ে প্রতিদিন শত শত শিক্ষার্থী বিভিন্ন স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসায় যাতায়াত করে। পাশাপাশি রয়েছে ঐতিহ্যবাহী সাচার জগন্নাথ মন্দির, যেখানে প্রতিদিনই ভক্ত ও দর্শনার্থীদের আনাগোনা থাকে। কিন্তু বৃষ্টি হলেই রাস্তার গর্তে পানি জমে যাওয়ায় যানবাহন চলাচল যেমন ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে, তেমনি শিক্ষার্থীদেরও চরম দুর্ভোগে পড়তে হয়। অনেক সময় পা পিছলে পড়ে আহত হওয়ার ঘটনাও ঘটছে।

স্থানীয় চালক ও এলাকাবাসীর অভিযোগ, বছরের পর বছর ধরে সড়কটির এমন বেহাল অবস্থা বিরাজ করলেও কার্যকর কোনো সংস্কার হচ্ছে না। শুধু সাচার-পাথৈর সড়কই নয়, সাচার উত্তর বাজার থেকে নয়াকান্দি-রাগদৈল পর্যন্ত সড়কটিও একইভাবে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। দ্রুত দুই সড়কের সংস্কার না হলে বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে বলে তারা জানান।

আরও পড়ুন

কলেজশিক্ষার্থী মালিহা, শাহিনুর ও সবুজসহ একাধিক শিক্ষার্থী বলেন, একটু বৃষ্টি হলেই রাস্তার দুই পাশে ও গর্তে পানি জমে যায়। তখন কাদা ও পানির কারণে আমাদের পোশাক নষ্ট হয়। অনেক সময় পড়েও যেতে হয়। দ্রুত রাস্তা সংস্কার করা জরুরি।

সাচার ডিগ্রি কলেজের উপাধ্যক্ষ নওশির আলম বলেন, এ কলেজের অধিকাংশ শিক্ষার্থী এই সড়ক ব্যবহার করে। বৃষ্টির সময় রাস্তার গর্তগুলো পানিতে ঢেকে যায়। এতে যানবাহন চলাচল ব্যাহত হয় এবং শিক্ষার্থীরা প্রায়ই পা পিছলে আহত হয়। শিক্ষার স্বার্থে সড়কটি দ্রুত সংস্কার করা অত্যন্ত জরুরি।

এদিকে সাচার জগন্নাথ মন্দিরের দপ্তর সম্পাদক রণজিৎ সরকার জানান, কিছুদিন আগে ভারতীয় উপমহাদেশের ঐতিহ্যবাহী রথযাত্রা উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে লক্ষাধিক ভক্তের সমাগম হয়। কিন্তু সড়কের বেহাল অবস্থার কারণে অনেক ভক্ত দুর্ঘটনার শিকার হয়েছেন। তাই তিনি দ্রুত সড়কটি সংস্কারের দাবি জানান।

এ বিষয়ে কচুয়া উপজেলা প্রকৌশলী মো. আব্দুল আলীম লিটন বলেন, উপজেলায় অনেক রাস্তা ভাঙা ও বেহাল অবস্থায় রয়েছে। তালিকা তৈরি করে সড়কগুলো সংস্কারের জন্য ইতোমধ্যে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। বরাদ্দ অনুমোদন পেলেই দ্রুত সংস্কারকাজ শুরু করা হবে।

আরটিভি/টিআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী 
নেত্রকোনায় মিথ্যা ধর্ষণ মামলা করে এক ব্যক্তিকে কারাভোগে বাধ্য করার দায়ে লিপি আক্তার (৩৯) নামের এক নারীকে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও তিন মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিকেলে নেত্রকোনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ কে এম এমদাদুল হক এ রায় ঘোষণা করেন। ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট নুরুল কবির রুবেল রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত লিপি আক্তার আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন। তিনি জেলার বারহাট্টা উপজেলার বিক্রমশ্রী গ্রামের বাসিন্দা। আদালত ও মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০০৮ সালে একই গ্রামের কামাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেন লিপি আক্তার। মামলায় নিজেকে আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা দাবি করলে পুলিশ কামাল উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে। পরে প্রায় দুই মাস কারাগারে থাকতে হয় তাকে। লিপি আক্তারের সন্তান জন্মের পর শিশুটির পিতৃত্ব নির্ধারণে ডিএনএ পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষার প্রতিবেদনে কামাল উদ্দিনকে শিশুটির জৈবিক পিতা হিসেবে শনাক্ত করা হয়নি। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ২০১৯ সালে আদালত ধর্ষণের অভিযোগ থেকে কামাল উদ্দিনকে খালাস দেন। এরপর মিথ্যা অভিযোগে মামলা করে তাকে কারাভোগে বাধ্য করার প্রতিকার চেয়ে ২০২০ সালে লিপি আক্তারের বিরুদ্ধে পাল্টা মামলা করেন কামাল উদ্দিন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় সাক্ষ্যপ্রমাণ পর্যালোচনা শেষে আদালত লিপি আক্তারকে দোষী সাব্যস্ত করে এ দণ্ডাদেশ দেন। আরটিভি/এসকে
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী 
চার মাস ধরে ছাত্রকে বলাৎকার, প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি
সিলেটের গোলাপগঞ্জে এক ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
চার মাস ধরে ছাত্রকে বলাৎকার, প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল ছাত্র
চট্টগ্রামের রাউজানে পরীক্ষার হলে চুল লম্বা রাখার কারণ জানতে চেয়ে শাসন করায় এক শিক্ষককে কলম দিয়ে একাধিক আঘাত করে রক্তাক্ত করেছে নবম শ্রেণির এক ছাত্র। আহত শিক্ষককে হাসপাতালে নেওয়া হলে তাঁর মাথায় সেলাই দিতে হয়।
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল ছাত্র
বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধ, প্রাণ গেল একজনের
নওগাঁর মান্দায় বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধের জেরে শহিদুল ইসলাম (৪২) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় তার ছোট ভাই সাইফুল ইসলাম ও স্ত্রী সাথী আক্তার আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে সাইফুল ইসলামের মাথায় গুরুতর আঘাত লেগেছে বলে জানা গেছে।
বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধ, প্রাণ গেল একজনের
সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড়, কে এই ‘বাংলার কৃষ’
দিনে জীবিকার তাগিদে কাজ করেন এসএস পাইপ মিস্ত্রি হিসেবে। আর অবসর পেলেই মেতে ওঠেন সুপারহিরো হওয়ার স্বপ্ন পূরণের সাধনায়। বোনের পুরোনো বোরকাকে কৃষের পোশাকে রূপ দিয়ে নানা কসরত ও স্টান্ট দেখানোর চেষ্টা করেন তিনি।
সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড়, কে এই ‘বাংলার কৃষ’
আরও পড়ুন
সকালে হাঁটতে বেরিয়ে গাড়িচাপায় প্রাণ গেল স্বামী-স্ত্রীর
কাজ শেষে বাসায় ফেরা হলো না ফালু মিয়ার
স্বামীর মোটরসাইকেলে স্কুলে যাচ্ছিলেন শিক্ষিকা, মুহূর্তেই পিষে দিলো ট্রাক
মা ইলিশ রক্ষায় জেলেদের পাশে ‘ক্লিন চাঁদপুর’