ঢাকা বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩

ঝড়ে ভেঙে পড়েছে ঘর, তবু লেখাপড়া থামায়নি অদম্য তিন কন্যা

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ৩০ জুলাই ২০২৬, ০১:১১ পিএম
অদম্য তিন কন্যা। ছবি: সংগৃহীত

প্রাকৃতিক দুর্যোগ আর চরম আর্থিক অনটন—কোনো কিছুই দমাতে পারেনি কক্সবাজারের রামুর তিন বোনের পড়াশোনার অদম্য স্পৃহাকে। সাম্প্রতিক টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে মাটির ঘর ধসে গেলেও ছেঁড়া পলিথিনের নিচে বসেই নিয়মিত পড়াশোনা চালিয়ে যাচ্ছে উম্মে হাবিবা, উম্মে সালমা ও জান্নাতুল মাওয়া।

কক্সবাজারের রামুর গর্জনিয়া ইউনিয়নের খাসজমিতে বাস করা এই পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি বাবা দিল মোহাম্মদও (৬৭) পাঁচ বছর আগে সড়ক দুর্ঘটনায় পঙ্গু হয়ে অটোরিকশা চালানো বন্ধ করতে বাধ্য হন।

অন্যদিকে মা রোকেয়া বেগম (৪০) জন্মগতভাবেই এক চোখে দৃষ্টিহীন, রোদ উঠলে অন্য চোখেও ঝাপসা দেখেন।

সম্প্রতি বাকখালী নদীর পানি উপচে পুরো রামু এলাকা প্লাবিত হলে পাহাড়ি ঢলে ভেঙে পড়ে তাদের মাটির তৈরি বসতঘরের তিন পাশের দেয়াল। বর্তমানে মাথার ওপর ছেঁড়া পলিথিন টাঙিয়ে ভেজা জামাকাপড় ও বই-খাতা আঁকড়ে ধরে দিন পার করছে পরিবারটি। বৃষ্টি থামলেই বাড়ির উঠানে পলিথিন বিছিয়ে বই নিয়ে বসে পড়ে তিন বোন। উম্মে হাবিবা মাদরাসায় অষ্টম শ্রেণিতে, উম্মে সালমা পঞ্চম শ্রেণিতে এবং জান্নাতুল মাওয়া নার্সারিতে পড়ে। তাদের ছোট আরও একটি চার বছরের বোন রয়েছে।

সন্তানদের আগ্রহ সত্ত্বেও অভাবের কারণে ঠিকমতো বই কিনে দিতে না পারায় বুকফাটা কান্না আর অপরাধবোধ গ্রাস করে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী মা রোকেয়া বেগমকে। পঙ্গু বাবা দিল মোহাম্মদও সন্তানের এমন কষ্টে নিজেকে অসহায় বোধ করছেন।

আরও পড়ুন

জানতে চাইলে রামু উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জিল্লুর রহমান বলেন, রোকেয়া বেগমের পরিবারটির বিষয়ে খোঁজখবর নেওয়া হয়েছে। প্রতিবন্ধী ভাতা, নিরাপদ বাসস্থান ও মেয়েদের লেখাপড়ার সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। আশা করি দ্রুত সমাধান হবে।

আরটিভি/এসএস

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী 
নেত্রকোনায় মিথ্যা ধর্ষণ মামলা করে এক ব্যক্তিকে কারাভোগে বাধ্য করার দায়ে লিপি আক্তার (৩৯) নামের এক নারীকে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও তিন মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিকেলে নেত্রকোনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ কে এম এমদাদুল হক এ রায় ঘোষণা করেন। ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট নুরুল কবির রুবেল রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত লিপি আক্তার আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন। তিনি জেলার বারহাট্টা উপজেলার বিক্রমশ্রী গ্রামের বাসিন্দা। আদালত ও মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০০৮ সালে একই গ্রামের কামাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেন লিপি আক্তার। মামলায় নিজেকে আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা দাবি করলে পুলিশ কামাল উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে। পরে প্রায় দুই মাস কারাগারে থাকতে হয় তাকে। লিপি আক্তারের সন্তান জন্মের পর শিশুটির পিতৃত্ব নির্ধারণে ডিএনএ পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষার প্রতিবেদনে কামাল উদ্দিনকে শিশুটির জৈবিক পিতা হিসেবে শনাক্ত করা হয়নি। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ২০১৯ সালে আদালত ধর্ষণের অভিযোগ থেকে কামাল উদ্দিনকে খালাস দেন। এরপর মিথ্যা অভিযোগে মামলা করে তাকে কারাভোগে বাধ্য করার প্রতিকার চেয়ে ২০২০ সালে লিপি আক্তারের বিরুদ্ধে পাল্টা মামলা করেন কামাল উদ্দিন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় সাক্ষ্যপ্রমাণ পর্যালোচনা শেষে আদালত লিপি আক্তারকে দোষী সাব্যস্ত করে এ দণ্ডাদেশ দেন। আরটিভি/এসকে
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী 
চার মাস ধরে ছাত্রকে বলাৎকার, প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি
সিলেটের গোলাপগঞ্জে এক ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
চার মাস ধরে ছাত্রকে বলাৎকার, প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল ছাত্র
চট্টগ্রামের রাউজানে পরীক্ষার হলে চুল লম্বা রাখার কারণ জানতে চেয়ে শাসন করায় এক শিক্ষককে কলম দিয়ে একাধিক আঘাত করে রক্তাক্ত করেছে নবম শ্রেণির এক ছাত্র। আহত শিক্ষককে হাসপাতালে নেওয়া হলে তাঁর মাথায় সেলাই দিতে হয়।
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল ছাত্র
বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধ, প্রাণ গেল একজনের
নওগাঁর মান্দায় বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধের জেরে শহিদুল ইসলাম (৪২) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় তার ছোট ভাই সাইফুল ইসলাম ও স্ত্রী সাথী আক্তার আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে সাইফুল ইসলামের মাথায় গুরুতর আঘাত লেগেছে বলে জানা গেছে।
বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধ, প্রাণ গেল একজনের
সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড়, কে এই ‘বাংলার কৃষ’
দিনে জীবিকার তাগিদে কাজ করেন এসএস পাইপ মিস্ত্রি হিসেবে। আর অবসর পেলেই মেতে ওঠেন সুপারহিরো হওয়ার স্বপ্ন পূরণের সাধনায়। বোনের পুরোনো বোরকাকে কৃষের পোশাকে রূপ দিয়ে নানা কসরত ও স্টান্ট দেখানোর চেষ্টা করেন তিনি।
সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড়, কে এই ‘বাংলার কৃষ’
আরও পড়ুন
কক্সবাজার সৈকত বেলাভূমিতে ৫০ ফুটের প্লাস্টিক দানব
১৩ কোটি টাকার সেতুতে উঠতে কাঠের সিঁড়ি, ভোগান্তিতে লাখো মানুষ
কেন ভুল সময়ে বাসে উঠেছিল তাজমিন
কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর উদ্বোধনের সময় জানালেন মন্ত্রী