ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩

রাজশাহীতে চলন্ত ট্রেন থেকে তেল চুরির ভিডিও ভাইরাল

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৮ আগস্ট ২০২৬, ০৮:৫২ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

রাজশাহীর হরিয়ান রেলওয়ে স্টেশনে চলন্ত ট্রেনের ওয়াগন থেকে তেল চুরির ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনার ১ মিনিট ১২ সেকেন্ডের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) সকাল ১০টার দিকে ‘ঢাকা মেল সিক্স ডাউন’ ট্রেনের পেছনে ঈশ্বরদীর উদ্দেশে যুক্ত করা ওয়াগন থেকে তেল নেওয়ার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ওয়েম্যানসহ ৭ জন জড়িত ছিলেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

বিষয়টি পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের কন্ট্রোলরুমের নজরে এসেছে। নিরাপত্তাকর্মীরা বলছেন, তেল নেওয়া ব্যক্তিদের চিহ্নিত করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে মামলা হবে।

রেলওয়ের একটি সূত্র জানায়, রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশনে আন্তঃনগর ঢাকাগামী ট্রেনগুলোর পাওয়ারকারে তেল দেওয়ার জন্য ওয়াগনগুলো নিয়ে আসা হয়েছিল। তেল দেওয়ার পর দুটি ওয়াগন ‘ঢাকা মেইল সিক্স ডাউন’ ট্রেনের সঙ্গে যুক্ত করা হয়। সেগুলো আবার ঈশ্বরদীতে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। লোকাল ট্রেন হওয়ায় হরিয়ান স্টেশনে ট্রেনটি যাত্রাবিরতি দেয়। যাত্রাবিরতির মাত্র তিন মিনিটের মধ্যে ওয়াগন থেকে তেল চুরির ঘটনা ঘটে। তবে কতটুকু তেল চুরি হয়েছে, তা সঠিকভাবে জানা যায়নি।

হরিয়ান স্টেশন এলাকার স্থানীয়রা জানান, তেল চুরির ঘটনা নতুন নয়। দীর্ঘদিন ধরে হরিয়ান স্টেশন এলাকায় তেল চুরির ঘটনা ঘটছে। বেশিরভাগ সময় রাতে এসব ঘটনা ঘটে। কখনো কখনো দিনেও চুরি হয়। মঙ্গলবার তেল চুরির সময় অন্যদের মধ্যে ছিলেন ওয়েম্যান কিরন আলী, তার ভাই নয়ন ও মিলন। তারা ওয়াগনে উঠে জার, বোতল ও জগে করে তেল নিয়ে ট্রেন থেকে নেমে পড়েন।

হরিয়ান স্টেশনে ট্রেন থেকে তেল চুরির ১ মিনিট ১২ সেকেন্ডের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এতে হরিয়ান রূপসীডাঙ্গার রিপন, হরিয়ান সাজিপাড়ার নাহিদ, হরিয়ান বাজারের আলামিন, হরিয়ান রেলওয়ে স্টেশন এলাকার কিরন, রক্সি ও মিলনকে দেখা গেছে। তাদের মধ্যে কেউ কেউ নিচে ছিলেন, আবার কেউ কেউ ওয়াগনের ভেতরে ছিলেন।

ভিডিওটির শুরুতে দেখা যায়, কিরন মুখে মাস্ক পরা অবস্থায় একটি সাদা বস্তা নামিয়ে দিচ্ছেন। সেই বস্তা তিনজন মিলে নিচ্ছেন। তাদের একজনের হাতে ব্যাগ ছিল। ট্রেন এগিয়ে গেলে তারা দ্রুত রেললাইনের কাছ থেকে সরে যান। ব্যাগ নিয়ে তাদের হাঁটার ধরন দেখে বোঝা যায়, ব্যাগে ওজনদার কিছু ছিল। এরপর কিরন আবার ওয়াগনে উঠে যান। সেখানে কিরন ছাড়া আরও তিনজন ছিলেন। তারা ওয়াগন থেকে তেল বের করছিলেন।

আরও পড়ুন

ট্রেন যাত্রা শুরু করলে ওয়াগন থেকে দুজন দ্রুত নেমে পড়েন। কিরন ও আরও একজন ওয়াগনে থেকে যান। এরপর তারা একটি ছোট বালতি নিচে ফেলে দেন। ট্রেন চলতে থাকায় নীল রঙের টি-শার্ট পরা এক যুবক পেছন পেছন দৌড়ে আসছিলেন। এ সময় তেলভর্তি একটি জার নিচে নামিয়ে দেওয়া হয়। দৌড়ে আসা ওই যুবক মাটি থেকে জারটি তুলে নেন। তখনও কিরনসহ আরও একজন যুবক ওয়াগনের ওপরে ছিলেন। পরে ওই যুবক চলন্ত ট্রেনের কাছ থেকে সরে গেলেও কিরন ওয়াগনে থেকে যান। সবশেষে কিরন একটি জগে করে তেল নিয়ে দ্রুত নেমে পড়েন।

তবে তেল নেওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করেছেন ওয়েম্যান কিরন আলী। তিনি বলেন, তেল নেওয়ার ঘটনায় তার মতো তার ছোট ভাই নয়নও ছিলেন। তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় স্টেশন এলাকায় কাজ করছিলেন। তার ছোট ভাইসহ অন্যরা তেল চুরি করেছেন। তবে কিরন বলেন, বিষয়টি যাচাইয়ের জন্য মেট কামরুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ করতে।

হরিয়ান স্টেশন মাস্টার আরিফ হোসেন বলেন, ‘ঢাকা মেইল সিক্স ডাউন’ ট্রেন হরিয়ান স্টেশনে মাত্র তিন মিনিট দাঁড়ায়। তখন পাবনা থেকে ঢালারচর এক্সপ্রেস ট্রেন আসছিল। ওই ট্রেন ক্রসিং নিয়ে ব্যস্ত ছিলাম। কারণ ঢালারচর এক্সপ্রেস ট্রেনে রেলওয়ের কর্মকর্তারা ছিলেন। ঢাকা মেইল সিক্স ডাউন ছেড়ে দেওয়ার সময় চিৎকার শুনতে পাই। বাইরে এসে দেখি, তিনজন ছেলে ট্রেনের সঙ্গে দৌড়াচ্ছে। পরে কন্ট্রোলরুম থেকে ফোন করে জানানো হয়, ওয়াগন থেকে তারা কিছু নামিয়েছে। আসলে সেগুলো দেখভালের দায়িত্বে আরএনবি ও জিআরপি পুলিশ আছে। তারাই বিষয়টি ভালো বলতে পারবে।

পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের (আরএনবি) চিফ কমান্ড্যান্ট আশাবুল ইসলাম বলেন, আইনগত পদক্ষেপ নিতে ফোর্স পার্টি ঘটনাস্থলে ছিল। তবে তাদের আটক করা সম্ভব হয়নি। ভিডিওটি দেখেছি, তাদের চেনা যাচ্ছে। এ বিষয়ে মামলা হবে। তাদের আটকের অভিযান অব্যাহত আছে।

আরটিভি/এমএইচজে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ফাঁসির দড়ির ভয়ে শেখ হাসিনা কখনো বাংলাদেশে ফিরবেন না: রাশেদ খাঁন
ফাঁসির দড়ির ভয়ে শেখ হাসিনা আর কখনো বাংলাদেশে ফিরে আসবেন না মন্তব্য করে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর গণহত্যার নির্দেশদাতা হিসেবে তার অপরাধকে চিরতরে ‘ক্ষমার অযোগ্য’ বলে আখ্যা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন।
ফাঁসির দড়ির ভয়ে শেখ হাসিনা কখনো বাংলাদেশে ফিরবেন না: রাশেদ খাঁন
মুসল্লিদের ১৫ লাখ টাকা নিয়ে উধাও মসজিদের ইমাম
জামালপুরের মেলান্দহে সোনার হার দেওয়ার কথা বলে এবং ব্যক্তিগত আর্থিক সংকটের কথা জানিয়ে মুসল্লিদের কাছ থেকে ১৫ লাখ টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক ইমামের বিরুদ্ধে। মসজিদের ইমাম হঠাৎ উধাও হয়ে যাওয়ার ঘটনায় ওই এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) এই ঘটনায় ঐতিহ্যবাহী মালঞ্চ কেন্দ্রীয় মসজিদভিত্তিক মক্তব শিক্ষক মাওলানা জোবায়ের (৩০) বাদী হয়ে ভুক্তভোগীদের পক্ষে মেলান্দহ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযুক্ত মিজানুর রহমান ঢাকার ৩১২ দক্ষিণ যাত্রাবাড়ির ফরিদাবাদ এলাকার বাসিন্দা। ভুক্তভোগীরা জানান সূত্রে জানা গেছে, মুফতি মিজানুর রহমান তিন মাস আগে ৪০ হাজার টাকা মাসিক সম্মানির শর্তে মালঞ্চ কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব হিসেবে যোগদান করেন। যোগদানের পর থেকেই তিনি মসজিদের নির্দিষ্ট আবাসনে সপরিবারে অবস্থান করছিলেন। হংকং থেকে তার এক আত্মীয়র পাঠানো সোনা এয়ারপোর্ট থেকে ছাড়িয়ে আনতে টাকার প্রয়োজনের কথা বলে গত মঙ্গলবার তিনি ১৪ থেকে ১৫ জন বাসিন্দার কাছ থেকে প্রায় ১৫ লাখ টাকা ধার নেন। পরে সেদিন রাতেই সপরিবারে তিনি নিরুদ্দেশ হন। পরে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টাসহ নানা মাধ্যমে তার খোঁজ না পেয়ে থানায় অভিযোগের সিদ্ধান্ত নেন ভুক্তভোগীরা। স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের পরামর্শ অনুযায়ী ভুক্তভোগীদের পক্ষে মালঞ্চ কেন্দ্রীয় মসজিদের মক্তব শিক্ষক মাওলানা জোবায়ের বাদী হয়ে এই অভিযোগ করেন। এসব অভিযোগ প্রসঙ্গে জানতে চেয়ে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে অভিযুক্ত মিজানুর রহমানের মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া গেছে। এতে তার বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি। মেলান্দহ থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এটিএম হক বলেন, মালঞ্চ কেন্দ্রীয় মসজিদের ইমাম ও খতিব মুফতি মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে একটি প্রতারণার অভিযোগে করা হয়েছে। অভিযোগগুলো তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্তপূর্বক এ বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আরটিভি/টিআর
মুসল্লিদের ১৫ লাখ টাকা নিয়ে উধাও মসজিদের ইমাম
ফ্যামিলি কার্ডের জন্য সরকারি কর্মকর্তার কাছে নারী, অন্তরঙ্গ ভিডিও ভাইরাল
ভাইরাল হওয়া ৪ মিনিট ৪১ সেকেন্ডের ভিডিওতে দেখা যায়, এক নারীর সঙ্গে আপত্তিকর অন্তরঙ্গ মুহূর্ত কাটাচ্ছেন মফিজুর রহমান।
ফ্যামিলি কার্ডের জন্য সরকারি কর্মকর্তার কাছে নারী, অন্তরঙ্গ ভিডিও ভাইরাল
বিয়ের চার মাস পর জানলেন ‘স্ত্রী’ একজন পুরুষ
সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ফেসবুকে ভুয়া নারী পরিচয়ে প্রথমে গড়ে ওঠে বন্ধুত্বের সম্পর্ক। এরপর তা ধীরে ধীরে গড়ায় প্রেমের সম্পর্কে। প্রায় চার মাস আগে মোবাইল ফোনে ‘বিয়ে’ করে স্বামী-স্ত্রীর মতো সম্পর্ক বজায় রাখতে থাকেন ইতালি প্রবাসী এক ব্যক্তি ও ‘সুমাইয়া আক্তার’। এরই মধ্যে বিকাশের মাধ্যমে ওই প্রবাসীর কাছ থেকে নেওয়া হয় ৩ লাখেরও বেশি টাকা।  বুধবার (৭ সেপ্টেম্বর) পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হওয়ার পর ফাঁস হয় প্রতারণার পুরো রহস্য। ‘সুমাইয়া’ আসলে কোনো নারী নন, তিনি নাটোরের লালপুর উপজেলার গন্ডবিল গ্রামের শহিদুল ইসলামের ছেলে শান্ত আলী (২০) নামের এক তরুণ। ভুক্তভোগী ৪৮ বছর বয়সি প্রবাসী ঢাকার বাসিন্দা। তিনি দীর্ঘদিন ধরে ইতালিতে বসবাস করছেন। প্রায় ছয় মাস আগে ফেসবুকে এক নারী পরিচয়ে তার সঙ্গে যোগাযোগ শুরু হয়। ‘সুমাইয়া আক্তার’ নামের ওই ভুয়া পরিচয় ব্যবহার করে ধীরে ধীরে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, চার মাস আগে শান্ত আলী ওই প্রবাসীর সঙ্গে বিয়ের একটি ভুয়া সম্পর্ক তৈরি করেন। মোবাইল ফোনের মাধ্যমে তারা বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হন। এরপর কথিত স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক বজায় রেখে চলতে থাকে শান্তর প্রতারণা। সম্পর্কের সুযোগে বিভিন্ন অজুহাতে ওই প্রবাসীর কাছ থেকে বিকাশের মাধ্যমে তিন লাখেরও বেশি টাকা নেন শান্ত। প্রতারণার বিষয়টি আরও বিশ্বাসযোগ্য করতে শান্ত তার বাবাকে ওই প্রবাসীর সঙ্গে ‘শ্বশুর’ পরিচয়ে কথা বলাতেন বলে জানা গেছে। বুধবার (৭ অক্টোবর) সকালে গন্ডবিল গ্রামে শান্ত আলীর বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাকে ও তার বাবা শহিদুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এ সময় প্রতারণার কাজে ব্যবহৃত দুটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়। গ্রেপ্তারের পর থানায় জিজ্ঞাসাবাদের সময় শান্তর মোবাইলে হঠাৎ ফোন করেন ওই ইতালি প্রবাসী। তখন পুলিশের মাধ্যমে তিনি জানতে পারেন, এতদিন যার সঙ্গে প্রেম ও বিয়ের সম্পর্ক বজায় রেখে আসছিলেন, সেই ‘সুমাইয়া আক্তার’ আসলে একজন পুরুষ। বিষয়টি জানতে পেরে তিনি পুলিশের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানান। লালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শফিকুল ইসলাম পলাশ বলেন, গ্রেপ্তার শান্ত আলী ও তার বাবা শহিদুল ইসলাম ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ, মেসেঞ্জার ও ইমো আইডি হ্যাকিং ও প্রতারণার সঙ্গে জড়িত একটি চক্রের সক্রিয় সদস্য। তাদের গ্রেপ্তারের পর ইতালি প্রবাসীর সঙ্গে প্রতারণার বিষয়টি জানা যায়। এ ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে সাইবার সুরক্ষা আইনে মামলা হয়েছে। পরে তাদের আদালতে সোপর্দ করা হয়। আরটিভি/টিআর
বিয়ের চার মাস পর জানলেন ‘স্ত্রী’ একজন পুরুষ
বাংলাদেশে এটাই প্রথম সফর, পরিস্থিতি খুব একটা ভালো নয়: জার্মান পর্যটক
বুধবার (৭ অক্টোবর) নাটোর রেলওয়ে স্টেশনে ট্রেনের টিকিট কেনার জন্য এটিএম বুথে টাকা তুলতে যাচ্ছিলেন কিরিল। তখন নিজের জিনিসপত্র বিশ্বাস করে একজনের কাছে রেখে যান তিনি।
বাংলাদেশে এটাই প্রথম সফর, পরিস্থিতি খুব একটা ভালো নয়: জার্মান পর্যটক
আরও পড়ুন
বন্ধ সরকারি কারখানায় ফিরেছে উৎপাদন
রাবিতে সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন বৃহস্পতিবার
বিশ্বসেরা ২ শতাংশ গবেষকের তালিকায় রাবির ১৬ গবেষক 
রাইস মিল থেকে রক্তাক্ত অবস্থায় বাড়ি ফেরে ৪ বছরের শিশু