ঢাকা বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩

পাঁচ দিনের যমজ মেয়ে ফেলে উধাও মা, দিশাহারা বাবা

টাঙ্গাইল প্রতিনিধি, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৯ আগস্ট ২০২৬, ০১:৩৪ পিএম
ছবি: আরটিভি

পাঁচ দিন বয়সী যমজ দুই মেয়ে সন্তানকে রেখে উধাও হয়েছেন মারিয়া নামে এক নারী। বর্তমানে শিশুদুটির বেঁচে থাকা নিয়ে আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। দিশেহারা হয়ে পড়েছে নবজাতকের বাবা সাকিব হোসেন।

ঘটনাটি ঘটেছে টাঙ্গাইলের ঘাটাইল পৌরশহরের ধারিয়াল গ্রামে। বিষয়টি জানাজানি হওয়ায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। নবজাতক দুই সন্তানের নাম রাখা হয়েছে মাহা এবং মানহা।

স্থানীয়রা জানান, আড়াই বছর আগে ঘাটাইল পৌর এলাকার ব্যবসায়ী ময়েন উদ্দিনের মেয়ে মারিয়ার সঙ্গে ধারিয়াল এলাকার সোলায়মান হোসেনের ছেলে সাকিবের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। একপর্যায়ে তারা বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। তখন সাকিবের বয়স ছিলো ১৭ আর মারিয়ার ১৫ বছর। অসম এই বাল্যবিবাহ তাদের উভয় পরিবারের সদস্যরা মেনে না নিলে একপর্যায়ে তারা পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে সাকিবের পরিবার বিয়ে মেনে নিয়ে তাদের ঘরে তুলে নেন।

আরও পড়ুন

গত ১৩ আগস্ট স্থানীয় হাজী খোরশেদ আলী মেমোরিয়াল হাসপাতালে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে যমজ দুই মেয়ে সন্তান প্রসব করেন মারিয়া। পরে দুই সন্তানসহ মারিয়াকে সাকিব নিজ বাড়ি ধারিয়ালে নিয়ে আসেন। কিন্তু গত ১৭ আগস্ট রাত থেকে কাউকে কিছুই না জানিয়ে নবজাতক দুই সন্তানকে বাড়িতে একা রেখে নিরুদ্দেশ হয়ে যান মারিয়া। এখনো মা ফিরে না আসা নবজাতক দুটির বেঁচে থাকা নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়েছে।

নবজাতকের বাবা সাকিব হোসেন বলেন, যমজ শিশু নিয়ে চরম বিপাকে পড়েছি। নবজাতকের জন্য অনেক সমস্যার সমাধান করা গেলেও মায়ের অভাব কোনোভাবেই পূরণীয় নয়।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, মারিয়া কোথায় চলে গেছে তা আমি জানি না। নবজাতক দুটিকে বাঁচাতে মায়ের খুবই প্রয়োজন। আমাদের বিয়ের বিষয়টি শ্বশুর-শাশুড়ি মেনে নেয়নি। তাদের প্ররোচনায় এই ঘটনা ঘটে থাকতে পারে।

মারিয়ার বাবা ময়েন উদ্দিন জানান, তার মেয়ে এখন কোথায় কী অবস্থায় আছে সেটি তার জানা নেই।

এ বিষয়ে ঘাটাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোকছেদুর রহমান বলেন, এ বিষয়ে একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে। শিশুদুটির মাকে খুঁজে বের করে তাদের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা চলছে।

আরটিভি/এমএইচজে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী 
নেত্রকোনায় মিথ্যা ধর্ষণ মামলা করে এক ব্যক্তিকে কারাভোগে বাধ্য করার দায়ে লিপি আক্তার (৩৯) নামের এক নারীকে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও তিন মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিকেলে নেত্রকোনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ কে এম এমদাদুল হক এ রায় ঘোষণা করেন। ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট নুরুল কবির রুবেল রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত লিপি আক্তার আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন। তিনি জেলার বারহাট্টা উপজেলার বিক্রমশ্রী গ্রামের বাসিন্দা। আদালত ও মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০০৮ সালে একই গ্রামের কামাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেন লিপি আক্তার। মামলায় নিজেকে আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা দাবি করলে পুলিশ কামাল উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে। পরে প্রায় দুই মাস কারাগারে থাকতে হয় তাকে। লিপি আক্তারের সন্তান জন্মের পর শিশুটির পিতৃত্ব নির্ধারণে ডিএনএ পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষার প্রতিবেদনে কামাল উদ্দিনকে শিশুটির জৈবিক পিতা হিসেবে শনাক্ত করা হয়নি। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ২০১৯ সালে আদালত ধর্ষণের অভিযোগ থেকে কামাল উদ্দিনকে খালাস দেন। এরপর মিথ্যা অভিযোগে মামলা করে তাকে কারাভোগে বাধ্য করার প্রতিকার চেয়ে ২০২০ সালে লিপি আক্তারের বিরুদ্ধে পাল্টা মামলা করেন কামাল উদ্দিন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় সাক্ষ্যপ্রমাণ পর্যালোচনা শেষে আদালত লিপি আক্তারকে দোষী সাব্যস্ত করে এ দণ্ডাদেশ দেন। আরটিভি/এসকে
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী 
চার মাস ধরে ছাত্রকে বলাৎকার, প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি
সিলেটের গোলাপগঞ্জে এক ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
চার মাস ধরে ছাত্রকে বলাৎকার, প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল ছাত্র
চট্টগ্রামের রাউজানে পরীক্ষার হলে চুল লম্বা রাখার কারণ জানতে চেয়ে শাসন করায় এক শিক্ষককে কলম দিয়ে একাধিক আঘাত করে রক্তাক্ত করেছে নবম শ্রেণির এক ছাত্র। আহত শিক্ষককে হাসপাতালে নেওয়া হলে তাঁর মাথায় সেলাই দিতে হয়।
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল ছাত্র
বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধ, প্রাণ গেল একজনের
নওগাঁর মান্দায় বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধের জেরে শহিদুল ইসলাম (৪২) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় তার ছোট ভাই সাইফুল ইসলাম ও স্ত্রী সাথী আক্তার আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে সাইফুল ইসলামের মাথায় গুরুতর আঘাত লেগেছে বলে জানা গেছে।
বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধ, প্রাণ গেল একজনের
সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড়, কে এই ‘বাংলার কৃষ’
দিনে জীবিকার তাগিদে কাজ করেন এসএস পাইপ মিস্ত্রি হিসেবে। আর অবসর পেলেই মেতে ওঠেন সুপারহিরো হওয়ার স্বপ্ন পূরণের সাধনায়। বোনের পুরোনো বোরকাকে কৃষের পোশাকে রূপ দিয়ে নানা কসরত ও স্টান্ট দেখানোর চেষ্টা করেন তিনি।
সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড়, কে এই ‘বাংলার কৃষ’
আরও পড়ুন
ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ, ১০ কিলোমিটার যানজট 
ছাত্রীর মাকে নিজের ‘আসল রূপ’ দেখালেন মাদরাসাশিক্ষক
প্রতিবেশীর সঙ্গে বিরোধে রাস্তা বন্ধ, ঘর ভেঙে মরদেহ দাফন
নাট্যকার মামুনুর রশীদের গ্রামের বাড়িতে চুরি