গাছ থেকে ফোঁটায় ফোঁটায় ঝরে পড়ছে সাদা কষ। যা বদলে দিয়েছে শেরপুরের পাহাড়ি জনপদের অর্থনীতির গল্প। ভোর হতেই গারো পাহাড়ের এসব রাবার বাগানে শুরু হয় শ্রমিকদের ব্যস্ততা। ঝিনাইগাতী উপজেলা সদর থেকে প্রায় ৮ কিলোমিটার উত্তরে, মেঘালয় সীমান্তঘেঁষা পাহাড়ে গড়ে উঠেছে এই রাবার প্রকল্প। প্রায় ৮০ একর জমিতে শুরু হওয়া এই বাগানে এখন রয়েছে প্রায় ৮ হাজার গাছ। যেখান থেকে প্রতিদিন সংগ্রহ হয় প্রায় ১৮০ থেকে ২০০ কেজি কষ।
১৬ জন স্থায়ী কর্মীর পাশাপাশি এই রাবার বাগানে প্রতিদিন কাজ করেন আরও অনেক শ্রমিক। অনেকের সংসারই চলে এই কষ সংগ্রহের আয় দিয়ে। তবে বিদেশি রাবারের কারণে দেশীয় রাবার উৎপাদনে পিছিয়ে পড়ছে বলে অভিযোগ উদ্যোক্তাদের। তাদের আশা, সরকারি সহায়তা ও প্রশিক্ষণ মিললে এই সবুজ পাহাড় একদিন রাবার শিল্পের পাশাপাশি হয়ে উঠতে পারে পর্যটনের নতুন গন্তব্য।
সারি সারি রাবার গাছের পাশাপাশি কাছ থেকে কষ সংগ্রহ ও প্রক্রিয়াজাতকরণ দেখার সুযোগ রয়েছে এখানে। তাই পাহাড়ি প্রকৃতিকে ঘিরে পর্যটনকেন্দ্র গড়ে উঠলে তৈরি হতে পারে নতুন সম্ভাবনা। এতে একদিকে বাড়বে দর্শনার্থী অন্যদিকে কর্মসংস্থান হবে স্থানীদের।
সঠিক পৃষ্ঠপোষকতা, বাজার নিশ্চিতকরণ আর পরিকল্পিত উদ্যোগের মাধ্যমে গারো পাহাড়ের এই রাবার বাগান হয়ে উঠতে পারে অর্থনীতি, কর্মসংস্থান ও পর্যটনের এক নতুন ঠিকানা।
আরটিভি/এআর




