ঢাকা রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩

অসময়ের তরমুজ চাষ করে তাক লাগিয়েছেন আতিয়ার

হিলি প্রতিনিধি, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:০৮ পিএম
ছবি: আরটিভি

দিনাজপুরের হিলিতে মাচায় অসময়ের তরমুজ চাষ করে তাক লাগিয়েছেন আতিয়ার রহমান নামের এক কৃষক। প্রথমবার তরমুজ চাষ করে হয়েছেন লাখপতি। লাভজনক হওয়ায় আগামী দিনে বড় পরিসরে তরমুজ চাষ করার ইচ্ছা তার। এদিকে তাকে দেখে গ্রামের অনেক কৃষক তরমুজ চাষে আগ্রহী হয়ে উঠছেন। তাদের সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে স্থানীয় কৃষি অফিস।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, দিনাজপুরের হিলির খট্টামাধবপাড়া ইউনিয়নের বলরামপুর গ্রামের কৃষক আতিয়ার রহমান স্থানীয় কৃষি অফিসের প্রদর্শনী হিসেবে প্রথমবারের মতো ৪০ শতাংশ জমিতে মাচায় তরমুজ চাষ করেন। সবুজ বর্ণের, উচ্চ তাপমাত্রা ও বৃষ্টি সহনীয় ‘বেঙ্গল টাইগার’ জাতের তরমুজ চাষ করেছেন তিনি। আবহাওয়া ভালো থাকায় ইতোমধ্যেই গাছে ভালো তরমুজ ধরেছে। পাকতে শুরু করায় বাজারজাতও শুরু করেছেন তিনি। লাগানোর ৭০ দিনের মধ্যেই ফলন পাওয়া যায়। বিক্রি নিয়ে কোনো টেনশন নেই; ক্ষেত থেকেই পাইকাররা তরমুজ কিনে নিয়ে যাচ্ছেন।

কথা হয় তরমুজচাষি আতিয়ার রহমানের সঙ্গে। তিনি জানান, জমিতে তরমুজ লাগানো থেকে শুরু করে কর্তন পর্যন্ত তার খরচ হয়েছে ৫০ হাজার টাকা। বর্তমানে তরমুজ ১ হাজার ৬০০ টাকা মণ দরে বিক্রি করছেন। প্রথম চালানেই তরমুজ বিক্রি করে তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ২৫ হাজার টাকা। প্রথমবার চাষেই লাখপতি হয়েছেন কৃষক আতিয়ার রহমান। এখনো অনেক তরমুজ রয়েছে। সব মিলিয়ে বিক্রি দুই লাখ টাকা ছাড়িয়ে যাবে। ধানের চেয়ে অধিক লাভজনক হওয়ায় আগামীতে বড় পরিসরে তরমুজ চাষের ইচ্ছা তার।

কথা হয় কয়েকজন স্থানীয় যুবকের সঙ্গে। তারা জানান, তার এই তরমুজের বাগানে কাজ করে এলাকার অনেক বেকার যুবকের কর্মসংস্থান হয়েছে। এদিকে তাকে দেখে গ্রামের অনেক কৃষক তরমুজ চাষে আগ্রহী হয়ে উঠছেন। তারা বাগান পরিদর্শন করছেন এবং পরামর্শ নিচ্ছেন। আগামীতে তাদেরও তরমুজ চাষের ইচ্ছা রয়েছে। তরমুজ ভালো মানের হওয়ায় পাইকাররা ক্ষেত থেকেই কিনে নিয়ে যাচ্ছেন বলেও জানান স্থানীয় বাসিন্দারা।

হাকিমপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোছা. আরজেনা বেগম জানান, মাচায় তরমুজ চাষে কৃষকদের সব ধরনের সহযোগিতা ও পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। অসময়ের ফল হওয়ায় কৃষকেরা লাভবান হবেন, তেমনি পুষ্টির চাহিদাও পূরণ হবে। হিলিতে ৩ হেক্টর জমিতে মাচায় তরমুজ চাষ হয়েছে। লাভজনক হওয়ায় আগামীতে এর আবাদ আরও বাড়বে বলে জানান এই কৃষি কর্মকর্তা।

আরটিভি/টিআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
২০ মাসের কন্যাসন্তানকে বিক্রির চেষ্টা মাদকাসক্ত বাবার
চট্টগ্রাম মহানগরীর সদরঘাট থানার পশ্চিম মাদারবাড়ি এলাকা থেকে ২০ মাস বয়সী এক শিশুকে উদ্ধার করেছে পুলিশ।
২০ মাসের কন্যাসন্তানকে বিক্রির চেষ্টা মাদকাসক্ত বাবার
মাদকবিরোধী অভিযানে গিয়ে হামলার শিকার পুলিশ
চাঁদপুরের কচুয়ায় মাদকবিরোধী অভিযান চালাতে গিয়ে পুলিশের এক কর্মকর্তার ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় কচুয়া থানার এএসআই শহিদুল ইসলাম মাথায় আঘাত পেয়ে রক্তাক্ত হয়েছেন।
মাদকবিরোধী অভিযানে গিয়ে হামলার শিকার পুলিশ
যুবলীগকর্মীকে ধরতে বাসায় অভিযান, না পেয়ে বাবাকে গ্রেপ্তার
ঢাকার ধামরাইয়ে নিষিদ্ধ যুবলীগের কর্মী রিফাত আহমেদকে খুঁজতে গিয়ে তার বাবা মোহাম্মদ কলিম উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পরিবারের দাবি, কলিম উদ্দিন রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত নন এবং কৃষিকাজ ও গরু পালন করে জীবিকা নির্বাহ করেন। তবে পুলিশ বলছে, তার কোনো দলীয় পদ না থাকলেও তিনি আওয়ামী লীগের সমর্থক এবং তার ছেলে নিষিদ্ধ যুবলীগের নেতা হওয়ায় তাকে একটি পেন্ডিং মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ১২টার দিকে বালিয়া ইউনিয়নের ভাবনহাটি এলাকায় কলিম উদ্দিনের বাড়িতে অভিযান চালায় পুলিশ। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলার পর তাকে বাড়ির বাইরে ডেকে নেওয়া হয়। পরে তাকে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। রোববার সকালে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। ৬০ বছর বয়সী মোহাম্মদ কলিম উদ্দিন ভাবনহাটি এলাকার বাসিন্দা। তার ছেলে প্রকৌশলী রিফাত আহমেদ নিজেকে নিষিদ্ধ যুবলীগের সক্রিয় কর্মী হিসেবে পরিচয় দিয়েছেন। তবে রিফাতেরও কোনো দলীয় পদ নেই। তার বিরুদ্ধে থানায় কোনো মামলা আছে কি না, সে তথ্যও পাওয়া যায়নি। রাতে বাড়িতে অভিযান কলিম উদ্দিনের পরিবারের সদস্যদের ভাষ্য, শনিবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে ১০ থেকে ১২ জন ব্যক্তি তাদের বাড়িতে যান। তাদের মধ্যে কয়েকজন পুলিশের পোশাক পরেছিলেন। পুলিশ পরিচয় দেওয়ার পর কলিম উদ্দিন দরজা খুলে দেন। সে সময় বাড়িতে কলিম উদ্দিন, তার স্ত্রী হাসিনা বেগম, মেয়ে হ্যাপী আক্তার ও ছেলের বউ ছিলেন। পুলিশ রিফাতের বিষয়ে জানতে চাইলে পরিবারের সদস্যরা জানান, তিনি প্রায় দুই থেকে তিন বছর ধরে বাড়িতে নেই। রাজনীতি করার কারণে তার সঙ্গে পরিবারের সদস্যদের যোগাযোগও নেই। পরে ‘কথা আছে’ বলে কলিম উদ্দিনকে বাড়ির বাইরে নিয়ে যাওয়া হয়। পরিবারের সদস্যদের ভাষ্য, এরপর তাকে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। কলিম উদ্দিনের স্ত্রী হাসিনা বেগম (৫০) বলেন, ‘গতকাল রাত সাড়ে ১২টার দিকে ১০-১২ জন ব্যক্তি আমাদের বাড়িতে এসে দরজায় কড়া নাড়ে। আমার স্বামী দরজা খুলে দেন। তখন বাইরে পুলিশের পোশাক পরা ও গেঞ্জি-প্যান্ট পরা কয়েকজনকে দেখতে পাই। আমাদের বাড়িতে আমি, আমার স্বামী, মেয়ে ও ছেলের বউ ছিলাম। পুলিশ আমার ছেলের কথা জানতে চায়। আমরা বলি, সে প্রায় দুই-তিন বছর ধরে বাড়িতে নেই। রাজনীতি করে, তাই তার সঙ্গে আমাদের যোগাযোগ নেই। এই কথা বলার পর পুলিশ ‘কথা আছে’ বলে আমার স্বামীকে বাড়ি থেকে রাস্তায় নিয়ে যায়। এরপর তাকে থানায় নিয়ে যায়। আজ তাকে আদালতে নিয়েছে। তিনি আরও বলেন, আমার স্বামী কৃষিকাজ করেন, গরু পালন করে জীবিকা নির্বাহ করেন। ছেলে রাজনীতি করে, তাই তার সঙ্গে যোগাযোগ রাখি না। আমার স্বামী কোনো রাজনীতি করেন না। বাড়িতে থাকেন, কাজ করেন। তার নামে কোনো মামলা নেই। ছেলে রাজনীতি করে, তাই আমার স্বামীকে অন্যায়ভাবে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। আমার স্বামী তো কোনো দোষ করেননি। পরিবারের দাবি, ‘বাবা রাজনীতি করেন না’ কলিম উদ্দিনের মেয়ে হ্যাপী আক্তার বলেন, আমি প্রায় এক সপ্তাহ আগে বাবার বাড়িতে বেড়াতে এসেছি। আমার ভাই রাজনীতি করে, কিন্তু আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর সে কখনো বাড়িতে আসেনি। আমাদের সঙ্গেও যোগাযোগ নেই। আমার বাবা রাজনীতি করেন না। তিনি কাজ করেন, কৃষিকাজ করেন, গরু দেখাশোনা করেন। গতকাল পুলিশ আমার ভাইকে ধরতে আসে, না পেয়ে আমার বাবাকে ধরে নিয়ে যায়। সে তো রাজনীতি করে না, তাকে কেন এই মামলায় দেওয়া হবে? আমার বাবাকে দেখতে যাওয়ার কেউ নেই। আদালতে সঙ্গে যাবে কেউ নেই। আমাদের ওপর এই জুলুম কে দেখবে? আমার বাবা তো কোনো অন্যায় করেননি। পরিবারের সদস্যরা বলছেন, কলিম উদ্দিনের বিরুদ্ধে কোনো মামলা নেই। তিনি বাড়িতেই থাকেন এবং কৃষিকাজ ও গরু পালনের সঙ্গে যুক্ত। পুলিশের ব্যাখ্যা কী কলিম উদ্দিনকে গ্রেপ্তারের বিষয়ে জানতে ধামরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাজমুল হুদা খানের সঙ্গে কথা বলা হয়। তিনি বলেন, ওই ব্যক্তির (কলিম উদ্দিন) ছেলে রিফাত আহমেদ নিষিদ্ধ যুবলীগের নেতা। তার নেতৃত্বেই কিছুদিন আগে মিছিল হয়েছে। কাওয়ালীপাড়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জের নেতৃত্বে একদল পুলিশ রিফাতের বাড়িতে অভিযান চালিয়েছে। কাওয়ালীপাড়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ বলেছেন, রিফাত নিষিদ্ধ যুবলীগ নেতা এবং তার পুরো পরিবার কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সমর্থক। সেই কারণে কলিম উদ্দিনকে পেন্ডিং একটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। কলিম উদ্দিনের নামে কোনো মামলা আছে কি না এবং তিনি আওয়ামী লীগের কোনো পদধারী নেতা কি না, জানতে চাইলে ওসি বলেন, না, তার নামে কোনো মামলা নেই। তিনি আওয়ামী লীগের সমর্থক, এই তথ্যের ভিত্তিতেই তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। রিফাত কী বলছেন হোয়াটসঅ্যাপে যোগাযোগ করা হলে রিফাত আহমেদ নিজেকে নিষিদ্ধ যুবলীগের কর্মী বলে পরিচয় দেন। তবে তিনি জানান, দলে তার কোনো পদ নেই। রিফাত আহমেদ বলেন, আমি যুবলীগের সক্রিয় কর্মী। আমার কোনো পদবি নেই। আমার বাবা ও পরিবারের সদস্যরা আমাকে রাজনীতি করতে নিষেধ করেছেন। তারপরও রাজনীতি করি। আমাকে না পেয়ে আমার কৃষক বাবাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আমার বাবা কোনো রাজনীতি করেন না। আমার জন্য পুলিশ আমার বাবাকে হয়রানি করতে গ্রেপ্তার করেছে। রিফাতের দাবি, ওই রাতে তার এক প্রতিবেশীকেও পুলিশ নিয়ে গেছে। তিনি বলেন, শুধু আমার বাবাকেই নয়, রাতে পুলিশ আমার পাশের বাড়ির প্রতিবেশী ইন্টারমিডিয়েট পড়ুয়া শাহীন নামে এক শিক্ষার্থীকে তুলে নিয়ে গেছে। শাহীন কোনো রাজনীতির সঙ্গে জড়িত নয়। একটা নিরীহ ছেলে। পুলিশ যা ইচ্ছা এখন তাই করছে। তবে শাহীনকে গ্রেপ্তারের বিষয়ে পুলিশের বক্তব্য ভিন্ন। ওসি নাজমুল হুদা খান বলেন, অপরাধীরা কখনোই অপরাধ স্বীকার করে না। শাহীনকে যথেষ্ট প্রমাণ সাপেক্ষে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। রিফাতের নেতৃত্বে যে মিছিলটি হয়েছে, সেই মিছিলে শাহীনকে দেখা গেছে। আরটিভি/টিআর
যুবলীগকর্মীকে ধরতে বাসায় অভিযান, না পেয়ে বাবাকে গ্রেপ্তার
টাঙ্গাইল মেডিকেলের ইন্টার্ন চিকিৎসকদের ধর্মঘট প্রত্যাহার
টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ইন্টার্ন চিকিৎসকের ওপর হামলার ঘটনায় চলমান কর্মবিরতি ও আন্দোলন প্রত্যাহার করেছেন ইন্টার্ন চিকিৎসকেরা। রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে হাসপাতাল প্রশাসন, মেডিকেল কলেজ কর্তৃপক্ষ ও সংসদ সদস্য আব্দুস সালাম পিন্টুর সঙ্গে বৈঠকের পর তাঁরা আন্দোলন প্রত্যাহারের ঘোষণা দেন। এর আগে ধর্মঘটের খবর পেয়ে দুপুরে টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ছুটে যান টাঙ্গাইল-২ (গোপালপুর-ভূঞাপুর) আসনের সংসদ সদস্য ও খাদ্য মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম পিন্টু। সেখানে তিনি আন্দোলনরত ইন্টার্ন চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাঁদের দাবিগুলো শোনেন। বৈঠকে হামলার ঘটনায় অভিযুক্ত ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার, ইমার্জেন্সি মেডিকেল অফিসার ও মিড-লেভেল চিকিৎসক পদায়ন, দর্শনার্থীদের প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ এবং নিরাপদ কর্মস্থলের জন্য আনসারদের ডিউটি রোস্টারসহ পাঁচ দফা দাবি নিয়ে আলোচনা হয়। দাবিগুলো সমাধানের আশ্বাসের পর ইন্টার্ন চিকিৎসকেরা আন্দোলন প্রত্যাহার করে কাজে যোগ দেওয়ার ঘোষণা দেন। আন্দোলনরত চিকিৎসকদের উদ্দেশে আব্দুস সালাম পিন্টু বলেন, আমার বাবা একজন চিকিৎসক ছিলেন, আমার মেয়েও একজন চিকিৎসক। এত প্রতিকূলতার মধ্যেও চিকিৎসকেরা সেবা দিয়ে যাচ্ছেন। তবে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন স্থানে চিকিৎসকেরা হামলার শিকার হন। এখানে যে ঘটনাটি ঘটেছে, সেটি অত্যন্ত দুঃখজনক। এটি শুধু এখানে নয়, বাংলাদেশের কোথাও না ঘটুক—আমি সেটি কামনা করি। তিনি বলেন, আমার ছোট ভাই, টাঙ্গাইল সদর আসনের সংসদ সদস্য ও মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বর্তমানে সরকারি কাজে বিদেশে রয়েছেন। তিনি এই হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি। আমি আজই ডিসি ও এসপির সঙ্গে কথা বলব, যাতে এ ঘটনায় দ্রুত ও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়। আপনারা কাজে ফিরে যান। যেকোনো সমস্যায় আমি আপনাদের পাশে থাকব। পিন্টু আরও বলেন, আমি কথা দিচ্ছি, আপনাদের অন্য সমস্যাগুলো মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে এবং জাতীয় সংসদে উপস্থাপন করব। আপনারা চেষ্টা করুন, আমরাও চেষ্টা করি—সমন্বিতভাবে চেষ্টা করলে হাসপাতালসহ টাঙ্গাইল এগিয়ে যাবে। এর আগে বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকালে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন এক রোগীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে কর্তব্যরত ইন্টার্ন চিকিৎসক ডা. মো. আল-আমিন সিদ্দিকীর ওপর হামলার অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় হাসপাতালের পরিচালক ডা. মো. আব্দুল কুদ্দুছ টাঙ্গাইল সদর থানায় লিখিত অভিযোগ দেন। অভিযোগে মোছাদ্দেক আলী খানসুর তুহিন, পলি খানসুর ও খন্দকার বদরুল রহমান বাবুলসহ অজ্ঞাতনামা আরও ২-৩ জনকে অভিযুক্ত করা হয়। আরটিভি/টিআর
টাঙ্গাইল মেডিকেলের ইন্টার্ন চিকিৎসকদের ধর্মঘট প্রত্যাহার
সাতক্ষীরায় যুবদলের নতুন কমিটি বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) নতুন কমিটি ঘোষণার পর জেলার বিভিন্ন স্থানে নেতা-কর্মীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। একদিকে নবগঠিত কমিটির নেতাকর্মীরা আনন্দ মিছিল করেছেন, অন্যদিকে কমিটি বাতিলের দাবিতে কলারোয়ায় বিক্ষোভ ও সড়ক অবরোধের ঘটনা ঘটেছে।
সাতক্ষীরায় যুবদলের নতুন কমিটি বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ
আরও পড়ুন
২৮ আঙুল নিয়ে নবজাতকের জন্ম, দুশ্চিন্তায় পরিবার
‘দিনাজপুরের মানুষ নিজেদের বঞ্চিত ভাবার সুযোগ নেই’
বারবার ধসে পড়ে ছাদের পলেস্তারা, এবার রোগীসহ আহত ৫
দিনে কোটি টাকার কলা বিক্রি হয় যে হাটে