
রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া যৌনপল্লীতে কথিত স্বামীর হামলায় গুরুতর আহত সোনিয়া আক্তার নামের এক যৌনকর্মীর মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় জুয়েল নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টার দিকে রাজধানীর ধানমন্ডি এলাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোনিয়ার মৃত্যু হয়।
গোয়ালন্দ ঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সফিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, হামলার ঘটনায় একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ২৯ আগস্ট রাতে দৌলতদিয়া যৌনপল্লীতে সোনিয়া আক্তারের ওপর হামলা চালান তার কথিত স্বামী। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে গোয়ালন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। পরে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাকে। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার সকালে তার মৃত্যু হয়।
সোনিয়া আক্তার দৌলতদিয়া যৌনপল্লীর তোফাজ্জেল হোসেনের বাড়ির ভাড়াটিয়া ছিলেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
এ ঘটনায় বাড়ির মালিক তোফাজ্জেল হোসেন তপু বাদী হয়ে গোয়ালন্দ ঘাট থানায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। তবে মামলা দায়েরের আগেই জুয়েলকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল বলে জানিয়েছে পুলিশ।
ওসি সফিকুল ইসলাম বলেন, জুয়েলকে গ্রেপ্তারের পর জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। আদালতের মাধ্যমে রিমান্ডে নিয়ে তাকে আরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
এদিকে সোনিয়া আক্তারের মৃত্যুর ঘটনায় দৌলতদিয়া যৌনপল্লীর বাসিন্দাদের মধ্যে ক্ষোভ ও আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
আরটিভি/এসকে




