ঢাকা শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩

ইউএনওর আহ্বানে মোবাইল ব্যবহার না করার অঙ্গীকার করলেন শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা

হাতিয়া প্রতিনিধি, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:১৭ পিএম
ছবি: আরটিভি

নোয়াখালী হাতিয়ায় মফিজিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের সব শিক্ষার্থী ও অভিভাবক একসঙ্গে হাত তুলে মোবাইল ব্যবহার না করার অঙ্গীকার করেছেন।

মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে পড়ালেখার মান উন্নয়ন, বাল্যবিবাহ রোধ ও মাদক প্রতিরোধে বিদ্যালয়ে আয়োজিত অভিভাবক সমাবেশে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) পরামর্শে এই অঙ্গীকার করেন তারা।

বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি মোকাররম বিল্যাহ শাহাদাতের সভাপতিত্বে সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন ইউএনও রাসেল ইকবাল।

এতে বক্তব্য রাখেন হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কবির হোসেন, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এ এস এম মুজাহিদুল ইসলাম, শিক্ষক কামরুজ্জামান, অভিভাবক মো. ফাহিম উদ্দিন, প্রবাসী কামরুল ইসলাম নুর প্রমুখ।

সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপজেলা ইউএনও রাসেল ইকবাল বলেন, শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ গড়তে বিদ্যালয়ের পাশাপাশি পরিবারের ভূমিকাও অপরিহার্য। সন্তানরা কোথায় যায়, কী করে— সর্বোপরি তাদের চলাফেরার দিকে অভিভাবকদের গুরুত্বের সঙ্গে নজর রাখতে হবে।

তিনি আরও বলেন, সমাজে মোবাইল ব্যবহার এখন ব্যাধিতে রূপ নিয়েছে। বিশেষ করে নবম ও দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা পড়ালেখা ফাঁকি দিয়ে মোবাইল ব্যবহারে আসক্ত হচ্ছে। এতে তাদের পড়ালেখার ক্ষতির পাশাপাশি উগ্রতা ও বিভিন্ন মানসিক রোগে আক্রান্ত হচ্ছে তারা। আমাদের অভিভাবকদের তাদের সন্তানদের মোবাইল ব্যবহার বন্ধে কঠোর হতে হবে।

পরে তিনি উপস্থিত শিক্ষার্থী, অভিভাবক, শিক্ষক ও ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্যদের সম্মতিতে বিদ্যালয়ে পড়ালেখা চলা অবস্থায় মোবাইল ব্যবহার করা যাবে না বলে সবাইকে অঙ্গীকার করার আহ্বান জানান। এ সময় সবাই উপজেলা তার আহ্বানে সাড়া দিয়ে হাত তুলে অঙ্গীকার করেন। এই অঙ্গীকার ভঙ্গ করলে উক্ত শিক্ষার্থীকে শাস্তির আওতায় আনা হবে বলে সিদ্ধান্ত করা হয়।

অনুষ্ঠানে অভিভাবক, ছাত্র-ছাত্রী, শিক্ষক, সুশীল সমাজের লোকজনসহ বিভিন্ন পেশার প্রায় ৫ শতাধিক মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

আরটিভি/এমএইচজে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
গভীর রাতে শিক্ষার্থীকে জোর করে শয়নকক্ষে নিয়ে গেলেন শিক্ষক, অতঃপর...
পাবনায় একটি আবাসিক মহিলা মাদরাসার চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগ ওই মাদরাসার শিক্ষক কাম পরিচালক আবু ইউসুফকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। 
গভীর রাতে শিক্ষার্থীকে জোর করে শয়নকক্ষে নিয়ে গেলেন শিক্ষক, অতঃপর...
‘আমার মৃত্যুর একমাত্র কারণ শুধু তুমি’—যুবকের ফেসবুক পোস্ট, অতঃপর...
"আমার মৃত্যুর একমাত্র কারণ শুধু তুমি" বন্ধু হাবিবুর রহমানের যৌথ ছবি দিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক পোস্ট করার কিছুক্ষণ পরেই প্লাবন সরকার (২২) নামের এক যুবেকর রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। তাঁর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। প্লাবন সরকার সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলার আটগাঁও ইউনিয়নের মামুদনগর গ্রামের বাসিন্দা। তিনি মামুদনগর বাজারে টেইলার ব্যবসায়ী ছিলেন। বন্ধু হাবিবুর রহমান তার প্রতিবেশী মুদি দোকানদার। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) বিকেল আনুমানিক ৩টার দিকে ফেসবুকে পোস্ট দেওয়ার কিছুক্ষণ পরেই এই যুবকের মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়। পরে আত্মীয়-স্বজন ও স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তার লাশ উদ্ধার করে। এদিকে প্লাবনের আত্মহত্যার জন্য হাবিবুর রহমান দায়ী বলে দুই লাইনের দুইটি চিরকুটের ছবি পাওয়া গেছে। ওই দুই চিরকুটে লেখা রয়েছে, আমার মৃত্যুর একমাত্র কারণ শুধু হাবিবুর ভাই। হাতের লেখাটি প্লাবন সরকারের বলে জানিয়েছেন তার পরিচিতজনরা। স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার বিকেল আনুমানিক তিনটার দিকে প্লাবন সরকার তার নিজ ফেসবুক আইডিতে একই গ্রামের হাবিবুর রহমানসহ তার দুই জনের বিভিন্ন স্থানের যৌথ কয়েকটি ছবি দিয়ে ক্যাপশনে লিখেন "আমার মৃত্যুর একমাত্র কারণ শুধু তুমি"। এই পোস্ট দেওয়ার কিছুক্ষণ পরেই খবর পাওয়া যায় প্লাবন সরকার মারা গেছে। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গতকাল বিকেলে প্লাবন সরকারের ফেসবুক পোস্টের পর হাবিবুর রহমান ও একই গ্রামের মঈনুল ইসলাম প্লাবন সরকারের বসত ঘরের দরজা ভেঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থা থেকে তার লাশ নিচে নামান। পরে গ্রামের বাজার থেকে একজন পল্লী চিকিৎসককে সাথে নিয়ে প্লাবনের রক্ত সঞ্চালন আছে কি-না চেক করেন। পল্লী চিকিৎসক প্লাবনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করলে হাবিবুর রহমান ও মঈনুল ইসলাম প্লাবনের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি নিয়ে ঘটনাস্থল থেকে দ্রুত পালিয়ে গিয়ে এলাকা ছাড়া হয়ে যান। পল্লী চিকিৎসক প্রদীপ সরকার জানান, হাবিবুর, মঈনুল ও প্লাবন তিনজনই বাজারের ব্যবসায়ী। তাদের মধ্যে ভাল সম্পর্ক ছিল। বৃহস্পতিবার বিকেল আনুমানিক সাড়ে ৩টার দিকে হাবিবুর ও মঈনুল এসে প্লাবনদের বাড়িতে নিয়ে একটি জিনিস দেখানোর কথা বললে আমি তাদের সাথে যাই। মোটরসাইকেলে করে আমাকে নিয়ে যাওয়ার পর তারা প্লাবনের ঘরের পেছনের দিকে যায়। পরে দেখি তারা প্লাবনের লাশ নিচে নামিয়ে খাটের উপরে রাখে। আমাকে তারা বিপি (ব্লাড প্রেসার যন্ত্র) নিয়ে আসার কথা বলে। পরে বিপি লাগিয়ে দেখি তার রেসপন্স নাই। এই কথা বলতেই তারা দুই জন প্লাবনের মোবাইল ফোনটি নিয়ে  দ্রুত পালিয়ে যায়। এ বিষয়ে কথা বলতে চাইলে হাবিবুর রহমান ও মঈনুলের ব্যক্তিগত মোবাইল ফোন বন্ধ থাকায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। মঈনুলের বড় ভাই জহিরুল ইসলাম জানান, আমার ভাই ওদের সাথে বাজারে হাঁস খাইত। প্লাবনের মৃত্যুর ঘটনার সাথে আমার ভাই জড়িত থাকলে তারও শাস্তি হোক। তবে আমরা জানতাম প্লাবন ও হাবিবুর রহমানের মধ্যে একটা খারাপ সম্পর্ক আছে। যা মুখে প্রকাশ করার মত না। কয়েক বার ওদের মধ্যে ঝগড়া বিবাদ হয়েছে। প্লাবনের বড় ভাই প্রণয় সরকার বলেন, হাবিবুর, মইনুল ও প্লাবন এক সাথে চলাফেরা করত। হাবিবুরের কাছে প্লাবনের টাকা পয়সা ছিল। কয়েক দিন তারা প্লাবনকে মারপিট করেছে। গতকাল বিকেলে প্লাবনকে মেরে তার মোবাইল নিয়ে পালিয়ে গেছে। আমরা এই ঘটনার সঠিক তদন্ত চাই। এ বিষয়ে শাল্লা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সোহেল বলেন, স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে প্লাবনের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্ত করা হয়েছে । থানায় অপমৃত্যুর মামলা করা হয়েছে। তার মৃত্যুর পেছনে কি রহস্য রয়েছে এবং এটি প্ররোচিত আত্মহত্যা কি-না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ঘটনার তদন্ত চলছে, আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আরটিভি/ এসকেডি
‘আমার মৃত্যুর একমাত্র কারণ শুধু তুমি’—যুবকের ফেসবুক পোস্ট, অতঃপর...
ডিসেম্বরে শেখ হাসিনার আগমন ঘিরে বরগুনায় ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) সকাল ১০টার দিকে বামনা-পাথরঘাটা সড়কের চাড়াখালী এলাকায় বামনা উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি হাসিবুর রহমানের নেতৃত্বে এ ঝটিকা মিছিল বের করা হয়।
ডিসেম্বরে শেখ হাসিনার আগমন ঘিরে বরগুনায় ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল
গাজীপুরে আবাসিক মাদরাসায় টানা তিন রাত নিপীড়নের শিকার ৮ বছরের ছাত্র
এ ঘটনায় ওই মাদরাসার শিক্ষকসহ তিনজনের বিরুদ্ধে একটি মামলা করেছেন ভুক্তভোগী শিশুর মা।
গাজীপুরে আবাসিক মাদরাসায় টানা তিন রাত নিপীড়নের শিকার ৮ বছরের ছাত্র
ফজরের আগমুহূর্তে ছাত্রীকে ধরে রুমে নিয়ে যান পরিচালক, মাদরাসায় আগুন
ছাত্রীর অভিযোগ, এর আগেও তাকে একাধিকবার অচেতন করে ধর্ষণ করা হয়েছে। এজন্য চেতনানাশক পদার্থ ব্যবহার করা হতো বলেও দাবি তার। ঘটনার পর তাকে জন্মনিয়ন্ত্রণের ওষুধ খাওয়ানো হতো বলেও অভিযোগ করেন ওই ছাত্রী।
ফজরের আগমুহূর্তে ছাত্রীকে ধরে রুমে নিয়ে যান পরিচালক, মাদরাসায় আগুন
আরও পড়ুন
লিবিয়ায় জিম্মি করে ২৫ লাখ টাকা আদায়, দেশে ফিরেও হামলার শিকার প্রবাসী
শিশুটিকে নিজের ঘরে নিয়ে যান সোহরাব, অতঃপর...
নোয়াখালীতে ভাড়া বাসা থেকে ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার
ড্রেনের পাশে পড়ে ছিল নবজাতক, অতঃপর...