
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জনবল সংকট ও অব্যবস্থাপনার কারণে ব্যাহত হচ্ছে সাধারণ রোগীদের পরীক্ষা-নিরীক্ষা। পরীক্ষা করার জন্য পর্যাপ্ত টেকনিক্যাল স্টাফ না থাকায় রোগীদের বাইরে থেকে অতিরিক্ত খরচে পরীক্ষা করাতে হচ্ছে বলে জানা গেছে। হাসপাতাল থেকে বিভিন্ন অবৈধ ডায়াগনস্টিক সেন্টারে রোগীদের নিয়ে যাওয়ারও অভিযোগ উঠেছে দালাল চক্রের বিরুদ্ধে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, হাসপাতালটির ল্যাবরেটরি ৮টি পদের বিপরীতে মাত্র একজন মেডিকেল টেকনোলজিস্ট দিয়ে পরিচালিত হচ্ছে। ল্যাব ও অন্যান্য কারিগরি কাজের জন্য অনুমোদিত ৮টি পদের মধ্যে ৭টিই দীর্ঘদিন ধরে শূন্য রয়েছে। মাত্র একজন টেকনোলজিস্টের পক্ষে প্রতিদিন শত শত রোগীর রক্ত, মল-মূত্র ও অন্যান্য পরীক্ষা করা অসম্ভব হয়ে পড়েছে।
এ বিষয়ে মঠবাড়িয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. সৌমিত্র সিনহা রায় জানান, প্রতিদিন বহির্বিভাগে ৭০০ থেকে ৮০০ রোগী আসে। একজন চিকিৎসককে গড়ে ১০০ জন রোগী দেখতে হয়। এসব রোগীর পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য হাসপাতালে মাত্র একজন টেকনিশিয়ান রয়েছেন। একমাত্র এই টেকনিশিয়ান ছুটিতে থাকলে যক্ষ্মা পরীক্ষার জন্য ব্র্যাক থেকে নিয়োজিত ল্যাব সহকারীকে দিয়ে হাসপাতালের পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালু রাখা হয়। তাছাড়া বর্তমানে যে টেকনিশিয়ান রয়েছেন, তিনিও এখানে স্থায়ী নন; তাকে নাজিরপুর থেকে নিয়ে আসা হয়েছে।
মঠবাড়িয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জনবল সংকটের বিষয়ে সিভিল সার্জন ডা. মতিউর রহমান বলেন, হাসপাতালের জনবল সংকটের বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু না হলে আমাদের কিছু করার নেই।
আরটিভি/এমএইচজে


