ঢাকা শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪ আশ্বিন ১৪৩৩

নিষিদ্ধ যুবলীগের মিছিলের ভিডিও ভাইরাল, স্থান-কাল জানে না পুলিশ

মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৩৯ পিএম
যুবলীগের মিছিল। ছবি: আরটিভি

মানিকগঞ্জ জেলা যুবলীগের আহ্বায়ক আব্দুর রাজ্জাক রাজার নেতৃত্বে বিক্ষোভ মিছিলের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

নিষিদ্ধ যুবলীগের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ থেকে শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) বেলা ৩টার দিকে ভিডিওটি আপলোড করা হয়। তবে মিছিলটি মানিকগঞ্জের কোথায় এবং কখন হয়েছে, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

ভিডিওতে নেতাকর্মীদের বিভিন্ন স্লোগান দিতে দেখা যায়। এর মধ্যে রয়েছে, ‘শেখ হাসিনার কিছু হলে, জ্বলবে আগুন ঘরে ঘরে’, ‘পরশ ভাইয়ের কিছু হলে, জ্বলবে আগুন ঘরে ঘরে’ এবং ‘নিখিল ভাইয়ের কিছু হলে, জ্বলবে আগুন ঘরে ঘরে’। এ ছাড়া ‘মানিকগঞ্জ জেলা যুবলীগ, নেতা মোদের শেখ মুজিব’ স্লোগানও দিতে শোনা যায়।

এ বিষয়ে মানিকগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনির হোসেন বলেন, এ ধরনের কোনো মিছিলের বিষয়ে আমাদের জানা নেই। সারারাত আমি, সার্কেল এসপিসহ পুলিশের আটটি টহল দল দায়িত্বে ছিল। সদর থানা এলাকায় এমন মিছিল হওয়ার তথ্য আমাদের কাছে নেই।

এ বিষয়ে যুবলীগের আহ্বায়ক আব্দুর রাজ্জাক রাজার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকের মেসেঞ্জারে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। মিছিলের ভিডিওটি কবে ও কোথায় ধারণ করা হয়েছে, তা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

আরটিভি/টিআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ডিভোর্সি নারীকে বিয়ে করায় ‘অপরাধ’, সাড়ে ৫ লাখ জরিমানা
আইন ও ধর্মীয় বিধান মেনে এক ডিভোর্সী নারীকে বিয়ে করায় কাল হলো শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার রতন সরদারের (৪৫) জন্য। কোনো অপরাধ প্রমাণিত না হওয়া সত্ত্বেও তথাকথিত সালিশ বৈঠকে তাকে দেওয়া হয়েছে সাড়ে ৫ লাখ টাকার অর্থদণ্ড। শুধু জরিমানা করেই ক্ষান্ত হয়নি মাতব্বররা; রামদা, ছেনদা ও লোহার রড উঁচিয়ে বাড়ি ঘেরাও করে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ায় রাতের আঁধারে সাঁতরে নদী পার হয়ে গ্রাম ছেড়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন এই ভুক্তভোগী। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ঘটেছে জাজিরা উপজেলার মনাই ছৈয়াল কান্দি গ্রামে। ঘটনার বিবরণ থেকে জানা গেছে, রতন সরদারের বন্ধু রুবেল শিকদারের সাথে তার স্ত্রী রুবিনা আক্তারের পারিবারিক কলহ চলছিল। এর জের ধরে ২০২৫ সালের অক্টোবরে রুবেল তার স্ত্রী রুবিনাকে আনুষ্ঠানিকভাবে ডিভোর্স দেন। বিচ্ছেদের প্রায় ১০ মাস পর রুবিনাকে বিয়ে করেন রতন সরদার। রতনের প্রথম স্ত্রী হোসনে আরা বেগমেরও এই বিয়েতে পূর্ণ সম্মতি ছিল। তবে এই বৈধ ও আইনি বিয়ে মেনে নিতে পারেনি রুবেল ও এলাকার একটি প্রভাবশালী মহল। গত ৮ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় মাতব্বররা মনাই ছৈয়াল কান্দি গ্রামে এক সালিশ বৈঠকের (ক্যাঙ্গারু কোর্ট) আয়োজন করে। প্রায় পাঁচশ মানুষের উপস্থিতিতে বিচার বসানো হলেও রতন বা রুবিনার বিরুদ্ধে কোনো পরকীয়া বা অনৈতিক কাজের প্রমাণ উপস্থাপন করতে পারেনি কেউ। কিন্তু অভিযোগ প্রমাণিত না হলেও জুরি ভোটের অজুহাতে জোরপূর্বক রতনকে সাড়ে ৫ লাখ টাকা জরিমানা করা হয় এবং সূর্য ওঠার আগেই গ্রাম ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। পরবর্তীতে জোর করে একটি 'আপোষনামা' তৈরি করা হয়। নথির হিসাব অনুযায়ী, নগদ ১০ হাজার টাকা ও বন্দকি জমির ১ লাখ টাকা কেটে নেওয়ার পরও শান্ত হয়নি প্রভাবশালী সমাজপতিরা। বাকি টাকা আদায়ে বেঁধে দেওয়া হয়েছে একের পর এক কিস্তির তারিখ। অত্যাচারের মাত্রা এখানেই শেষ হয়নি। সালিশের পর রামদা ও লোহার রড নিয়ে রতনের বসতবাড়িতে হামলা ও তাণ্ডব চালানোর চেষ্টা করে প্রভাবশালীরা। উপায় না পেয়ে নিজের জীবন বাঁচাতে রাতের আঁধারে সাঁতরে নদী পার হয়ে আত্মগোপনে যান রতন। রতনের প্রথম স্ত্রী হোসনে আরা বেগম জানান, রতনের সাথে তার সম্মতিতেই এই বিয়ে হয়েছে। আর দ্বিতীয় স্ত্রী রুবিনা আক্তার বলেন, আগের স্বামীর অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে আইনি উপায়েই বিচ্ছেদ হয়েছিল। কোনো পরকীয়া নয়, পরিবারের সম্মতিতে স্বেচ্ছায় রতনকে বিয়ে করেছি। এদিকে সালিশ বৈঠকে জরিমানার বিষয়টি স্বীকার করেছেন অভিযুক্ত সমাজপতিরা। তবে কোন আইনের বলে তারা এমন সিদ্ধান্ত ও অর্থদণ্ড দিলেন, সে বিষয়ে কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি। এ বিষয়ে প্রাণভয়ে পালিয়ে বেড়ানো রতন সরদার জাজিরা থানায় ৪ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ১০ জনের বিরুদ্ধে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। জাজিরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সালেহ আহাম্মদ জানান, আমরা একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। ঘটনার সত্যতা মিললে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আরটিভি/টিআর
ডিভোর্সি নারীকে বিয়ে করায় ‘অপরাধ’, সাড়ে ৫ লাখ জরিমানা
শেখ হাসিনার রায়ের প্রতিবাদে মধ্যরাতে নিষিদ্ধ যুবলীগের মশাল মিছিল
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাত ১টার দিকে জেলা শহরের চালাপাড়া পাইলিং রোডে ঝটিকা মশাল মিছিলটি অনুষ্ঠিত হয়।
শেখ হাসিনার রায়ের প্রতিবাদে মধ্যরাতে নিষিদ্ধ যুবলীগের মশাল মিছিল
এক্সপ্রেসওয়েতে গাছ ফেলে দুই ঘণ্টায় একাধিকবার ডাকাতি
শুক্রবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাত ৩টা ও ভোর ৫টার দিকে উপজেলার হাঁসাড়া হাইওয়ে থানার বিপরীত পাশে পশ্চিম পাশের সার্ভিস লেনে এ ঘটনা ঘটে।
এক্সপ্রেসওয়েতে গাছ ফেলে দুই ঘণ্টায় একাধিকবার ডাকাতি
আদালতের নির্দেশের পর চাঁদপুরের মতলব উত্তর থানার ওসি বদলি
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বিষয়টি নিশ্চিত করে চট্টগ্রাম রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি (প্রশাসন) নাজিমুল হক জানান, আদালতের নির্দেশনার পাশাপাশি রুটিন প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবেই এ বদলি সম্পন্ন হয়েছে।
আদালতের নির্দেশের পর চাঁদপুরের মতলব উত্তর থানার ওসি বদলি
বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীকে চুল কেটে নির্যাতন ও পিটিয়ে হত্যা
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) হলরোড-সংলগ্ন ইসলামনগর সড়কে এক শিক্ষার্থীকে পিটিয়ে আহত করার পর হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়েছে। নিহত মো. আজমুল হোসেন (২২) নগরীর নর্থ ওয়েস্টার্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। তার বাড়ি চুয়াডাঙ্গার দর্শনায়। শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) রাত ১২টার দিকে ওই সড়কের একটি চারতলা ভবনের ছাদে চুরির অভিযোগে তাকে মারধর ও চুল কেটে দেওয়া হয়। পরে খুবির অ্যাম্বুলেন্সে করে আহত আজমুলকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার কিছুক্ষণ পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত ১টা ৩০ মিনিটের দিকে কয়েকজন যুবক গুরুতর আহত অবস্থায় আজমুলকে খুলনা মেডিকেল কলেজ (খুমেক) হাসপাতালে নিয়ে আসেন। হাসপাতালে নেওয়ার সময় তারা কর্তৃপক্ষকে জানান, আজমুল খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকার একটি ভবনের চতুর্থ তলা থেকে লাফিয়ে পড়ে আহত হয়েছেন। ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকা খুবির সাবেক এক শিক্ষার্থী বলেন, ওই ছাত্রকে (আজমুল হোসেন) খাবারসহ বিভিন্ন জিনিস চুরির অভিযোগে ধরা হয়। এরপর তার কাছ থেকে জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে বিভিন্ন তথ্য বের হচ্ছিল। তিনি রুম থেকে গেঞ্জি, শার্ট, প্যান্ট, জুতা এবং টাকা নেওয়ার কথাও স্বীকার করেছিলেন। তিনি বলেন, প্রথমে লাউডস্পিকারে ওই ছাত্রকে তার বাবার সঙ্গে কথা বলতে বলা হয়। তখন তিনি তার বাবাকে জানান যে, তিনি সেখানে থাকেন এবং টাকা ও অন্যান্য জিনিস চুরি করতে গিয়ে ধরা পড়েছেন। তার বাবা তাকে জিজ্ঞেস করেন, কেন তিনি এসবের মধ্যে গেছেন। এরপর ফোনটি রিফাতের কাছে দেওয়া হয়। তিনি ওই ছাত্রের বাবাকে বলেন, আপনার ছেলে এই কাজ করছে, আপনার তো আসা উচিত। আপনি কালকে আসেন, এসে একটা ব্যবস্থা করেন। এখানে তো আর রাখা যাবে না।  এরপর ফোনটি অন্য এক-দুজনের হাতেও চলে যায়। চারদিকে তখন অনেক লোকজন, আওয়াজ ও বিশৃঙ্খলা থাকায় পরে কে ফোনে কথা বলেছেন, তা তিনি খেয়াল করেননি। ওই মেসের একাধিক শিক্ষার্থীর সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, চুরির বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য তাকে ভবনের ছাদে নিয়ে যাওয়া হয়। শুরুতে সেখানে ১০-১২ জনের মতো শিক্ষার্থী ছিলেন। পরে আরও অনেক লোকজন চলে আসেন এবং তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। ওই সময় তাকে চড়-থাপ্পড় ও মারধর করা হয় এবং তার চুল কেটে দেওয়া হয়। পরে আরও লোকজন চলে আসায় পরিস্থিতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায় এবং টুকটাক বাড়াবাড়িও হয় বলে জানান শিক্ষার্থীরা। ছাদে থাকাবস্থায় তার বাবার সঙ্গে ফোনে কথা বলেন ওই মেসের শিক্ষার্থীরা। কথা বলার পর আবার তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছিল। তখন তিনি হঠাৎ ছাদের যে কর্নার বা কার্নিশের দিকে যান, সেখানে বৃষ্টির পানি জমে জায়গাটি কিছুটা পিচ্ছিল ছিল। তিনি সেখানে গিয়ে সরাসরি লাফ দেন। তাকে ধরার কোনো সুযোগ ছিল না বলে জানান তারা। এদিকে, মারধরের পর নিহত আজমুলের পিতার কাছে ফোন করে চুরির ক্ষতিপূরণ হিসেবে এক লাখ টাকা দাবি করা হয় বলে পরিবার সূত্রে জানা যায়। নিহত ওই ছাত্রের বাবা কুতুবউদ্দিন দাবি করেন, রাতে আমাকে কল দিয়ে জানায়, এখানে একটা ঘটনা ঘটেছে, খরচ। পরে ফোনেই এক লাখ টাকা চাওয়া হয় ক্ষতিপূরণ হিসেবে। পরে আমি বলি, ঠিক আছে, তোমাদের আন্ডারে রাখো। পরে আমি ফোনের ওপর ফোন দিই, কিন্তু ফোন ধরে না। পরে ফোন অফ পাই। সকালে ট্রেনে করে খুলনায় এসে পৌঁছাই ৬টার পরে। সেখানে যাওয়ার পরে কয়েকজন বলে, চাচা, আপনার ছেলেরে পিটিয়ে মেরে ফেলছে। কিন্তু শিক্ষার্থীরা বলে, আপনার ছেলে ছাদ থেকে লাফ দিয়েছে। মেসের ওরা বলল, চাচা, আপনার ছেলে ২৫০ বেড হাসপাতালে আছে। তিনি দুঃখপ্রকাশ করে বলেন, তারপরে দেখলাম, অতিরিক্ত ওরা মারধর করে মেরে ফেলছে। আমি আল্লাহর কাছে বিচার দিলাম। আমি চাচ্ছি না কোর্ট-কাচারি করব, বিচার করবেন তিনি। আমার কোনো অভিযোগ নাই, আমি চাচ্ছি না আমার ছেলেরে কাটাকুটি করুক। টাকা-পয়সা দাবি করার বিষয়টি অস্বীকার করে ঘটনাস্থলে থাকা এক সাবেক শিক্ষার্থী বলেন, তিনি এ ধরনের কোনো কথা শুনেননি। তার মতে, তাদের কেউ টাকা-পয়সা দাবি করার মতো কথা বলবে—এটা অসম্ভব। তিনি জানান, ওই সময় ঘটনাস্থলে ছিলেন এবং পরিকল্পনা ছিল ছাত্রটিকে সেখান থেকে নিয়ে পুলিশে দিয়ে দেওয়া। তিনি আরও বলেন, ঘটনার সময় ছাদে ১৫-২০ জনের মতো মানুষ ছিলেন। ছাত্রটি লাফ দেওয়ার পর সবাই হতবিহ্বল হয়ে যান। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ক্যাম্পাসের কোনো মানুষ, সে যত খারাপই হোক, কাউকে ছাদ থেকে ফেলে মেরে ফেলার মতো মানসিকতা রাখবে—এটা তিনি বিশ্বাস করেন না। তিনি ফেসবুকে এ ধরনের আলোচনা দেখতে পেয়ে বিষয়টিকে দুঃখজনক বলেও উল্লেখ করেন। স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, শুক্রবার দিবাগত রাত ১টার দিকে একটি ভবনের চতুর্থ তলার ছাদে আজমুলকে কয়েকজন মারধর করেন। পরে তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় নিচে পড়ে থাকতে দেখা যায়। বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাম্বুলেন্সে করে তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। তবে কী কারণে তাকে মারধর করা হয়েছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। হাসপাতাল সূত্র জানায়, রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র পরিচয় দেওয়া কয়েকজন যুবক গুরুতর আহত অবস্থায় আজমুলকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসেন। হাসপাতালে নেওয়ার ১০-১৫ মিনিট পর তার মৃত্যু হয়। এ সময় সঙ্গে থাকা যুবকেরা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে জানান, বিশ্ববিদ্যালয় এলাকার একটি ভবনের চতুর্থ তলা থেকে চুরি করে পালানোর সময় লাফিয়ে পড়ে আজমুল আহত হয়েছেন। হাসপাতাল সূত্রের ভাষ্য, আজমুলের শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন ছিল। তার মাথার চুলও এক পাশ দিয়ে কাটা ছিল। মৃত্যুর পর তাকে হাসপাতালে নিয়ে আসা যুবকেরা দ্রুত সেখান থেকে সরে পড়েন। স্থানীয় কয়েকজন বাড়ির মালিক জানান, রাত সাড়ে ১২টা থেকে ১টার দিকে পাশের একটি ভবন থেকে চিৎকার-চেঁচামেচির শব্দ শুনে তারা বাইরে আসেন। এ সময় ভবনের চতুর্থ তলায় একজনকে মারধর করতে দেখা যায়। পরে ওই ব্যক্তিকে নিচে পড়ে থাকতে দেখেন কয়েকজন এলাকাবাসী ও শিক্ষার্থী। এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রবিষয়ক পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. সালাউদ্দিন বলেন, ঘটনা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরে ঘটেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরের ঘটনায় আমাদের কোনো এখতিয়ার নেই। তবে আমরা পুলিশ প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলেছি, তাদের সহায়তা করছি এ বিষয়ে। হরিণটানা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইকবাল হোসেন বলেন, ঘটনাটি তারা জানতে পেরেছেন। মরদেহ খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রয়েছে। তার পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় অভিযোগ দেওয়া হলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আরটিভি/টিআর
বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীকে চুল কেটে নির্যাতন ও পিটিয়ে হত্যা
আরও পড়ুন
শেখ হাসিনার রায়ের প্রতিবাদে মধ্যরাতে নিষিদ্ধ যুবলীগের মশাল মিছিল
অপ্রতীমের প্রকৃত হত্যাকারীকে গ্রেপ্তার না করা পর্যন্ত ননস্টপ কাজ করে যাবো
মেঝেতে পড়ে ছিল স্ত্রী-সন্তানের মরদেহ, ফ্যানে ঝুলছিলেন স্বামী
পুলিশের তৎপরতায় নিষিদ্ধ সংগঠনের ঝটিকা মিছিল পণ্ড, আটক ৬