ঢাকা রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩

কুমিল্লায় অপ্রতিম হত্যাকাণ্ড: আদালতে ৩ ঘাতকের স্বীকারোক্তি

স্টাফ রিপোর্টার (কুমিল্লা), আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৪৬ পিএম
ছবি : সংগৃহীত

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. নাহিদা বেগমের ছেলে ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিম (১৩) হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন তিন আসামি।

রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে কুমিল্লার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বেগম আবিদা সুলতানা মলির আদালতে তুহিন, ফাহাদ ও কামরুল স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

তবে গ্রেপ্তারকৃত আরেক আসামি সিয়াম হত্যার দায় স্বীকার করেনি।

কুমিল্লা আদালতের পরিদর্শক সাদেকুর রহমানসহ সংশ্লিষ্ট সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আদালতসংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, জবানবন্দিতে তিন আসামিই অপ্রতিমকে বাঁশ দিয়ে পিটিয়ে হত্যার কথা স্বীকার করেছেন। মায়ের আইফোনটি দিতে রাজি না হওয়ায় অপ্রতিমের সঙ্গে তাদের ধস্তাধস্তি হয়। একপর্যায়ে তার কাছ থেকে আইফোনটি ছিনিয়ে নেওয়া হয়। পরে বাঁশ দিয়ে পিটিয়ে অপ্রতিমের মৃত্যু নিশ্চিত করা হয় বলে জবানবন্দিতে তারা উল্লেখ করেন।

এর আগে রোববার রাত ৮টার দিকে তিন আসামিকে আদালতে সোপর্দ করে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। পরে আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

কুমিল্লা আদালতের পরিদর্শক সাদেকুর রহমান বলেন, অপ্রতিম হত্যার ঘটনায় তুহিন, ফাহাদ ও কামরুল স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। রাত পৌনে ৯টার দিকে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত শুক্রবার সন্ধ্যায় কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের ১৩ বছর বয়সী একমাত্র ছেলে ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিমকে হত্যা করা হয়। মায়ের আইফোন ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যে তাকে হত্যা করা হয়েছে বলে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

আরটিভি/এমএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
মিরসরাইয়ে সিজার ছাড়াই একসঙ্গে ৩ সন্তানের জন্ম
চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে কোনো ধরনের সিজারিয়ান অপারেশন ছাড়াই নরমাল ডেলিভারির মাধ্যমে একসঙ্গে তিন সন্তানের জন্ম দিয়েছেন এক প্রসূতি মা।
মিরসরাইয়ে সিজার ছাড়াই একসঙ্গে ৩ সন্তানের জন্ম
ঝিনাইদহে সাপের কামড়ে কৃষকের মৃত্যু
​ঝিনাইদহের মহেশপুরে সাপের কামড়ে ওহিদুল ইসলাম নামের এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার নওদা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। 
ঝিনাইদহে সাপের কামড়ে কৃষকের মৃত্যু
নীলফামারীতে সড়ক দুর্ঘটনায় স্বামী-স্ত্রীসহ তিনজন নিহত
নীলফামারীতে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় স্বামী-স্ত্রীসহ তিনজন নিহত হয়েছেন। রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে জেলার জলঢাকা ও কিশোরগঞ্জ উপজেলায় এসব দুর্ঘটনা ঘটে। জলঢাকা উপজেলার খারিজা গোলনা দিঘীরপাড় এলাকায় কোল্ড স্টোরেজসংলগ্ন সড়কে পিকআপ ভ্যানের সঙ্গে মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে ডোমার উপজেলার দক্ষিণ গোমনাতি গ্রামের পলাশ (১৯) ও তার স্ত্রী মনি রানী (১৮) নিহত হন। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পলাশ ও মনি রানী মোটরসাইকেলে করে ডোমার থেকে জলঢাকার কালীগঞ্জে যাচ্ছিলেন। পথে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি পিকআপ ভ্যানের সঙ্গে তাদের মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ হলে ঘটনাস্থলেই দুজনের মৃত্যু হয়। অন্যদিকে, একই দিন বিকেলে কিশোরগঞ্জ উপজেলার ধরেয়ার বাজার এলাকায় ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে নিহত হয় রনচন্ডী স্কুল অ্যান্ড কলেজের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী হুমায়ুন কবির (১৩)। সে গাড়াগ্রাম ইউনিয়নের নয়ভাইপাড়া গ্রামের আতিকুল ইসলামের একমাত্র ছেলে। সাইকেলে করে বাজারে যাওয়ার পথে একটি ট্রাক তাকে চাপা দিলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। দুর্ঘটনার পর স্থানীয়রা ট্রাকটি আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেন। পরে পুলিশ ট্রাকের চালক ও হেলপারকে থানায় নিয়ে যায়। কিশোরগঞ্জ থানা-পুলিশ বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। জলঢাকা থানার ওসি নাজমুল আলম জানান, ঘাতক পিকআপ ভ্যানটি আটক করা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে নিহতদের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। আরটিভি/টিআর
নীলফামারীতে সড়ক দুর্ঘটনায় স্বামী-স্ত্রীসহ তিনজন নিহত
শরীয়তপুরে আড়াই বছর পর নড়িয়ার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চালু
নানা জটিলতায় প্রায় আড়াই বছর বন্ধ থাকার পর অবশেষে উদ্বোধন করা হয়েছে শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলার নবনির্মিত ৫০ শয্যাবিশিষ্ট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে নড়িয়া পৌরসভার বৈশাখীপাড়া এলাকায় হাসপাতালটির উদ্বোধন করেন শরীয়তপুর-২ (নড়িয়া-সখিপুর) আসনের সংসদ সদস্য শফিকুর রহমান কিরণ। জানা গেছে, নড়িয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স আগে মূলফৎগঞ্জ এলাকায় ছিল। ২০১৮ সালে পদ্মা নদীর ভয়াবহ ভাঙনে পুরোনো হাসপাতাল ভবনের অধিকাংশ অংশ নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়। এতে উপজেলার ১৪টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার মানুষের চিকিৎসাসেবা ব্যাহত হয়। পরে নতুন হাসপাতাল নির্মাণের উদ্যোগ নেয় সরকার। নড়িয়া পৌরসভা এলাকায় উপজেলা পরিষদের কাছাকাছি প্রায় ছয় একর জমির ওপর প্রায় ৫৪ কোটি টাকা ব্যয়ে হাসপাতালটির নির্মাণকাজ শুরু হয় ২০২০ সালে। স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে নির্মাণকাজ শেষ হয় ২০২৪ সালের ১ সেপ্টেম্বর। তবে ভবন নির্মাণ শেষ হলেও নানা জটিলতায় হাসপাতালটি চালু করা সম্ভব হয়নি। কেদারপুর এলাকার বাসিন্দা মাসুদুর রহমান দেওয়ান পুরোনো স্থানেই হাসপাতাল চালুর দাবিতে উচ্চ আদালতে রিট আবেদন করেন। রিটের নিষ্পত্তি না হওয়ায় নতুন হাসপাতাল চালু নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়। দীর্ঘদিন হাসপাতালটি বন্ধ ও অব্যবহৃত থাকায় একপর্যায়ে বিভিন্ন মালামাল চুরির ঘটনাও ঘটে। এতে চালুর প্রক্রিয়া আরও পিছিয়ে যায় এবং প্রায় ছয় মাস অতিরিক্ত সময় হাসপাতালটি বন্ধ থাকে। সবশেষে আইনি ও প্রশাসনিক জটিলতা কাটিয়ে রোববার হাসপাতালটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। এর মধ্য দিয়ে নড়িয়াবাসীর জন্য উপজেলা পর্যায়ে ৫০ শয্যার আধুনিক চিকিৎসাসেবার সুযোগ তৈরি হলো। স্থানীয় বাসিন্দা কাশেম বেপারি বলেন, পদ্মা নদীর ভাঙনে পুরোনো হাসপাতালটি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর থেকেই নড়িয়ার মানুষ চিকিৎসাসেবা নিয়ে নানা দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। নতুন হাসপাতালটি চালু হওয়ায় এখন আমাদের চিকিৎসাসেবা পাওয়ার পথ সহজ হবে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সিভিল সার্জন ডা. রেহান উদ্দিন আহমেদ, নড়িয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আব্দুল কাইয়ুম খান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মুহাম্মদ মহিউদ্দিন মিরাজ, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) লাকী দাস, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক ফারহানা কাদির লাবন্য, নড়িয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি মুন্সি সামসুল আলম দাদন, সাধারণ সম্পাদক ফরিদ আহমেদ রয়েল মাঝিসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী এবং স্থানীয়রা উপস্থিত ছিলেন। সংসদ সদস্য শফিকুর রহমান কিরণ বলেন, স্থানীয় কিছু মানুষের প্রতিবন্ধকতার কারণে গত দুই বছর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি চালু করতে দেরি হয়েছে। এতে স্থানীয়দের চিকিৎসাসেবা পেতে দুর্ভোগ হয়েছে। অবশেষে বহুল প্রত্যাশিত স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটির উদ্বোধন করা হয়েছে। আগামীকাল থেকেই পুরোদমে চিকিৎসাসেবা দেওয়া হবে। তিনি আরও বলেন, সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি ১০১ শয্যায় উন্নীত করতে সয়েল টেস্টসহ প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আরটিভি/টিআর
শরীয়তপুরে আড়াই বছর পর নড়িয়ার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চালু
এক নারীর দুই স্বামী, হাসপাতালে তুমুল মারামারি 
এক গৃহবধূ নিজের রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসক দেখাতে এসেছিলেন হাসপাতালে। সঙ্গে ছিলেন তার স্বামী বলে দাবি করা এক প্রবাসী। খবর পেয়ে ওই নারীকে স্ত্রী দাবি করা আরেকজন সেখানে আসেন। এরপর বেধে যায় লঙ্কাকাণ্ড। দুই ব্যক্তিই ওই নারীকে স্ত্রী বলে দাবি করতে থাকেন।
এক নারীর দুই স্বামী, হাসপাতালে তুমুল মারামারি 
আরও পড়ুন
অপ্রতিমকে নিয়ে ফেসবুক পোস্টে যা বললেন দুদু
অপ্রতিম হত্যার বিচারের বিষয়ে যা জানাল পুলিশ
অপ্রতিমের বাবাকে ফোনে সমবেদনা জানালেন জামায়াত আমির
অপ্রতিম হত্যাকাণ্ড নিয়ে যা বললেন রাশেদ খান