ঢাকা সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩

‘জলে কুমির, ডাঙায় বাঘ’ এই পল্লী বিদ্যুৎ কর্মকর্তা

মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:৫৭ এএম
হবিগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার জিল্লুর রহমান। ছবি: সংগৃহীত

হবিগঞ্জের মাধবপুরে সম্প্রতি অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল ও ঘন ঘন লোডশেডিং নিয়ে প্রতিবাদের জেরে দায়ের হওয়া একাধিক মামলায় ৮০ হাজার টাকা নেওয়ার মাধ্যমে আপোশ-মীমাংসার আলোচনা এবং মামলা চলমান থাকা অবস্থায় ভুক্তভোগীদের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন রাখার অভিযোগ উঠেছে হবিগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার (জিএম) জিল্লুর রহমানের বিরুদ্ধে।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে বিরোধের ঘটনায় মামলা হওয়ার পর তাদের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়। পরে মামলা মীমাংসা ও জরিমানার নামে ৮০ হাজার টাকা পরিশোধ করতে বলা হয়।

এমন অভিযোগ করেছেন মাধবপুর উপজেলার আন্দিউরা গ্রামের ইউপি সদস্য প্রার্থী সোহেল মিয়া, বাঘাসুরা গ্রামের কৃষক রুমন মিয়াসহ নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন ভুক্তভোগী।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির এক কর্মচারী দাবি করেন, বিভিন্ন ঘটনায় এভাবে অনেক গ্রাহকের কাছ থেকে জরিমানা বা অর্থ আদায়ের ঘটনা ঘটেছে। তবে এসব অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা হয়েছে কিনা, সে বিষয়ে তার কাছে স্পষ্ট তথ্য নেই। ভুক্তভোগীদের প্রশ্ন, ফৌজদারি মামলায় আদালতের বাইরে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির একজন জিএম কীভাবে মামলা মীমাংসার অর্থ নির্ধারণ করেন। এ ধরনের ঘটনায় সরকারি কর্মকর্তার ভূমিকা নিয়েও তারা তদন্ত দাবি করেছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ১২ সেপ্টেম্বর মাধবপুরের বাঘাসুরা গ্রামের সাজু মিয়ার ছেলে রোমান মিয়ার সঙ্গে তেলিয়াপাড়া অভিযোগ কেন্দ্রের পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মীদের বিরোধ ও মারামারির ঘটনা ঘটে। অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল নিয়ে প্রতিবাদের একপর্যায়ে এ ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ রয়েছে। এ ঘটনায় মামলা হয়। পরে জিএম জিল্লুর রহমান ও পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির সদস্য সচিব জহিরুল ইসলামের মাধ্যমে ৮০ হাজার টাকার বিনিময়ে মামলা আপোশের সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। এ সংক্রান্ত একটি নথি প্রতিবেদকের কাছে সংরক্ষিত রয়েছে বলে জানা গেছে।

ভুক্তভোগীর অভিযোগ, মামলা হওয়ার পরও তার বাড়ির বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন রাখা হয়েছে।

অন্যদিকে গত ১২ আগস্ট অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদ করাকে কেন্দ্র করে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মচারী দেলোয়ার মিয়ার সঙ্গে স্থানীয় ইউপি সদস্য প্রার্থী সোহেল মিয়ার বিরোধ ও মারামারির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায়ও মামলা হয়।

সোহেল মিয়ার দাবি, তার বাবার নামে থাকা বিদ্যুৎ সংযোগে নতুন করে সংযোগ দেওয়া হচ্ছে না। এমনকি তার স্ত্রী ও ভাইয়ের নামে সংযোগের জন্য আবেদন করলেও তা গ্রহণ করা হচ্ছে না। পল্লী বিদ্যুতের পক্ষ থেকে মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত সংযোগ দেওয়া হবে না বলে জানানো হয়েছে।

সোহেল মিয়া বলেন, আমি যদি কোনো অপরাধ করে থাকি, আদালত তার বিচার করবে। কিন্তু মামলা চলমান থাকার কারণে আমার বাড়ির বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ রাখা অন্যায় বলে মনে করি। এতে আমার স্কুলপড়ুয়া সন্তানসহ পরিবারের সদস্যরা ভোগান্তিতে পড়েছেন। আমি পল্লী বিদ্যুতের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে ন্যায়বিচার চাই।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, জিএমের ঘনিষ্ঠ একজনের মাধ্যমে মামলা মীমাংসা ও জরিমানার নামে ৮০ হাজার টাকা দেওয়ার বিষয়ে তার কাছে কিছু প্রমাণ রয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আরেকজন অভিযোগ করেন, তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে মামলা করে পরে মামলা মীমাংসার নামে অর্থ আদায়ের অভিযোগগুলো তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। কেউ অপরাধ করলে আদালত বিচার করবে। পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি নিজে মামলা মীমাংসার নামে অর্থ আদায় করতে পারে কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা দরকার।

এদিকে জিএম জিল্লুর রহমানের বিরুদ্ধে হবিগঞ্জের মাধবপুর, চুনারুঘাট ও নবীগঞ্জে চারটি স্থানে সাবস্টেশন নির্মাণের জন্য প্রায় ১২০ শতাংশ জমি ক্রয়ে অনিয়মের অভিযোগও উঠেছে বলে স্থানীয়ভাবে আলোচনা রয়েছে। ভূমির মালিকদের সঙ্গে গোপনে সমঝোতা করে কমিশন নেওয়ার মাধ্যমে সরকারকে জমি বিক্রির অভিযোগ নিয়েও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লেখালেখি হয়েছে। এছাড়া দালালের মাধ্যমে খুঁটি ও নতুন সংযোগ দেওয়ার ক্ষেত্রে কমিশন বাণিজ্য এবং বড় অঙ্কের বকেয়া থাকা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও কোম্পানির সংযোগ বিচ্ছিন্ন না করার অভিযোগও রয়েছে বলে দাবি করেছেন স্থানীয়রা।

মাধবপুরের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও কোম্পানির বিপুল অঙ্কের বিদ্যুৎ বিল বকেয়া থাকার অভিযোগের মধ্যেই সম্প্রতি সুরমা চা বাগানের হতদরিদ্র চা শ্রমিক রবি লাল গৌড়ের বিদ্যুৎ সংযোগ মাত্র ৫১১ টাকা বকেয়ার কারণে বিচ্ছিন্ন করে দেওয়ার ঘটনা ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দিয়েছে।

স্থানীয়দের প্রশ্ন, একজন দরিদ্র চা শ্রমিকের সামান্য বকেয়ার কারণে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হলেও বড় অঙ্কের বকেয়া থাকা প্রতিষ্ঠানগুলোর ক্ষেত্রে একই ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে কি না, তা তদন্ত করা প্রয়োজন।

হবিগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির মাধবপুর জোনাল অফিসের এটিএম আবুল হাসানের কাছে মামলা চলমান থাকা অবস্থায় গ্রাহকের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন রাখা এবং এ বিষয়ে আদালতের কোনো নির্দেশনা রয়েছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, বিষয়টি জিএম জিল্লুর রহমান স্যার দেখছেন।

স্থানীয় সমাজসেবক ও মাধবপুর মডেল প্রেসক্লাবের সভাপতি ফরাশউদ্দীন বলেন, কারো বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন রেখে মামলা মীমাংসায় বাধ্য করা হলে বিষয়টি তদন্ত করা প্রয়োজন। মামলা মীমাংসা করা সরকারি কর্মকর্তার কাজ কিনা, সেটিও খতিয়ে দেখা দরকার। কতজনের সঙ্গে এমন ঘটনা ঘটেছে, তা তদন্তের মাধ্যমে বের করা উচিত। একই সঙ্গে চারটি সাবস্টেশনের জমি ক্রয়ে অনিয়মের অভিযোগও তদন্ত করা প্রয়োজন।

অভিযোগগুলোর বিষয়ে হবিগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার (জিএম) জিল্লুর রহমান বলেন, পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের গায়ে হাত তোলার ঘটনায় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা হিসেবে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন রাখা হয়েছে।

তার ভাষ্য, সরকারি কর্মচারীদের ওপর হামলার ঘটনায় এমন ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। জরিমানা আদায়ের বিষয়টিও নিয়ম মেনে করা হচ্ছে বলে তিনি দাবি করেন।

তবে এ পর্যন্ত কতজনকে এ ধরনের ব্যবস্থার আওতায় আনা হয়েছে এবং কত টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে— এ বিষয়ে তিনি সুনির্দিষ্ট তথ্য দিতে পারেননি। পরে তাকে একাধিকবার ফোন দেওয়া হলেও তিনি আর ফোন রিসিভ করেননি।

হবিগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির সভাপতি শাহ আলম বলেন, সোহেল মিয়ার বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করছি। আমরা অনেক সময় জিএমকে অনুরোধ করি এসব ঝামেলা সমাধানের জন্য। এখানে খারাপ কিছু দেখি না। আর জমি ক্রয়ে কোনো অনিয়ম হয়নি।

এ বিষয়ে পল্লি বিদ্যুৎ সমিতির উপপরিচালক জুলহাস উদ্দিন বলেন, আমরা বিষয়গুলো খোঁজখবর নিয়ে দেখব। কেউ অন্যায়ের সঙ্গে জড়িত থাকলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আরটিভি/এমএইচজে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
‘জোড়াতালিতে’ চলছে আখিরা নদীর সৌন্দর্যবর্ধন কাজ
রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার চতরা ইউনিয়নের ইকলিমপুর এলাকায় আখিরা শাখা নদীর তীর সংরক্ষণ ও সৌন্দর্যবর্ধনের কাজ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার আগেই নদীর তীরের ব্লক ধসে পড়েছে। কোথাও ব্লক দেবে গেছে, কোথাও তৈরি হয়েছে ফাঁকা জায়গা। এরই মধ্যে ভাঙন ঠেকাতে নদীর পাড় থেকে প্রায় ২০০ মিটার দূরে ড্রেজার বসিয়ে নদী থেকে বালু তোলার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, নদী থেকে বালু তুলে তা দিয়েই ধসে যাওয়া অংশে জোড়াতালি দিয়ে মেরামতের কাজ চলছে। এতে নদীর তীর আরও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ছে। তাদের দাবি, নিম্নমানের কাজের কারণে বৃষ্টির পানি ও নদীর স্রোতে নির্মাণ করা ব্লক ধসে পড়ছে। আখিরা নদীর তীব্র ভাঙনে এরই মধ্যে নদীতীরবর্তী আশ্রয়ণ প্রকল্পের কয়েকটি ঘর নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। প্রকল্পের আরও শতাধিক ঘর ঝুঁকিতে রয়েছে। যেকোনো সময় এসব ঘরও নদীতে চলে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বাসিন্দারা। স্থানীয় বাসিন্দা রাসেদা বেগম বলেন, নদীর বাম তীরের অনেক ব্লক দেবে গিয়ে ফাঁকা হয়ে গেছে। কয়েকটি পরিবারের ঘরের অর্ধেক নদীতে চলে গেছে। ঘর রক্ষায় ঠিকাদারের লোকজন বাঁশ দিয়ে ঠেকনা দিয়েছেন। তারা এসে দেখে গেলেও এখনো স্থায়ী সমাধান হয়নি। কাওছার রহমান কাফী বলেন, নদীর বাম পাশে প্রায় ২০০ মিটার ব্লক দুইবার ধসে পড়েছে। ঠিকাদারের লোকজন পরে এসে সেগুলো মেরামত করছেন। নদীর পানিতে যথাযথভাবে ব্লক ডাম্পিং না করায় পানির তোড়ে সেগুলো সরে যাচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দা সাইফুল ইসলাম ও বাচ্চু মিয়া বলেন, তারা দিনমজুরি করে জীবিকা নির্বাহ করেন। সরকারি আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘরই ছিল তাদের মাথাগোঁজার একমাত্র জায়গা। নদীভাঙনের কারণে এখন সেই ঘর হারানোর আতঙ্কে রয়েছেন তারা। আরেক বাসিন্দা আকতার জাহান বিথী বলেন, ড্রেজার দিয়ে নদী থেকে বালু উত্তোলনের কারণে আশপাশের আবাদি জমি ও আশ্রয়ণ প্রকল্পও ঝুঁকিতে পড়ছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, তীর সংরক্ষণকাজে নদীর বালু ও মাটি ব্যবহার করা হয়েছে। কোথাও দেড় ইঞ্চি, আবার কোথাও আড়াই ইঞ্চির বেশি ব্লক বসানো হয়েছে। এ কারণে বৃষ্টির পানি ও নদীর স্রোতে ব্লক ভেঙে ও দেবে যাচ্ছে। তবে কাজের সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের পরামর্শেই ড্রেজার দিয়ে নদী থেকে বালু তুলে সংস্কারকাজ করা হচ্ছে। রংপুরের শুল্কা এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী ভরদ প্রসাদ জানান, তারা স্থানীয় রাজনৈতিক নেতা সঙ্গে পরামর্শ করে ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলন করে সংস্কারকাজ করছেন। পানি উন্নয়ন বোর্ডের রংপুর কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, আখিরা শাখা নদী রক্ষায় চতরা ইউনিয়নের ইকলিমপুর এলাকায় ৮০০ মিটার তীর সংরক্ষণ বাঁধ নির্মাণের কাজ পেয়েছেন হাসিবুল হাসান নামে এক ঠিকাদার। প্রকল্পটির ব্যয় ধরা হয়েছে ৫ কোটি ৩৮ লাখ টাকা। ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে কাজ শুরু হয়ে ওই বছরের ৩০ নভেম্বরের মধ্যে শেষ করার কথা ছিল। তবে স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, কাজ শুরু হয়েছে ২০২৫ সালের মাঝামাঝি সময়ে। ২০২১ সালের ১৬ অক্টোবর জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় ‘রংপুর জেলার পীরগঞ্জ উপজেলার নদীতীর সংরক্ষণ, ছোট নদী, খাল-বিল পুনঃখনন ও জলাবদ্ধতা নিরসন’ শীর্ষক প্রকল্পটি অনুমোদন করা হয়। এর অংশ হিসেবে আখিরা শাখা নদীর তীর সংরক্ষণ ও সৌন্দর্যবর্ধনের কাজ শুরু হয়। নির্মাণকাজে অনিয়মের অভিযোগ ও নদী থেকে বালু উত্তোলনের বিষয়ে জানতে রংপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী হাফিজুল হকের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি। স্থানীয়দের দাবি, কোটি টাকা ব্যয়ে নদীর তীর সংরক্ষণকাজের উদ্দেশ্য ছিল ভাঙন রোধ ও আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। কিন্তু কাজ শেষ হওয়ার আগেই বাঁধের অংশ ধসে পড়ায় প্রকল্পের মান ও বাস্তবায়ন নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। তাদের দাবি, বিষয়টি তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘরগুলো রক্ষায় দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হোক। আরটিভি/এমএইচজে
‘জোড়াতালিতে’ চলছে আখিরা নদীর সৌন্দর্যবর্ধন কাজ
সাঁথিয়ায় ২০ দিনে ডেঙ্গু আক্রান্ত ৩৩ জন, হাসপাতালে নেই পর্যাপ্ত সুবিধা
পাবনার সাঁথিয়ায় চলতি মাসে ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত হয়েছেন ওসি, সাংবাদিকসহ ৩৩ জন মানুষ। এতে জনমনে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
সাঁথিয়ায় ২০ দিনে ডেঙ্গু আক্রান্ত ৩৩ জন, হাসপাতালে নেই পর্যাপ্ত সুবিধা
চাঁদপুরে ট্রাক-অটোরিকশার সংঘর্ষে নারীর মৃত্যু
চাঁদপুরে দ্রুতগামী ট্রাকের সঙ্গে সিএনজিচালিত রিকশার (অটোরিকশা) মুখোমুখি সংঘর্ষে মাহীনুর বেগম (৩৮) নামে এক নারী নিহত হয়েছেন। এছাড়া তার ভাইসহ অটোরিকশার আরও দুই যাত্রী আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় ট্রাকের চালক ও হেলপারকে আটক করেছে পুলিশ।
চাঁদপুরে ট্রাক-অটোরিকশার সংঘর্ষে নারীর মৃত্যু
প্রচণ্ড ভিড়ে চলন্ত ট্রেন থেকে শিশুসন্তানকে নামাতে ব্যর্থ মা, অতঃপর...
চলন্ত ট্রেনে ৪ বছরের এক শিশুকে একা পাওয়ার পর জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে সহায়তা চেয়েছেন এক যাত্রী। পরে নরসিংদী রেলওয়ে থানার পুলিশ শিশুটিকে উদ্ধার করে পরিবারের কাছে বুঝিয়ে দিয়েছে।
প্রচণ্ড ভিড়ে চলন্ত ট্রেন থেকে শিশুসন্তানকে নামাতে ব্যর্থ মা, অতঃপর...
আশুলিয়ায় পোশাক কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে নিহত ৭
সাভারের আশুলিয়ার একটি পোশাক কারখানার গ্যাস সিলিন্ডারবাহী কাভার্ডভ্যানের সিলিন্ডার বিস্ফোরণ হয়ে কারখানা চত্বরে ছড়িয়ে পড়া আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে। এ ঘটনায় ৭ জন নিহত এবং দগ্ধসহ আহত হয়েছেন অন্তত ২০ জন।
আশুলিয়ায় পোশাক কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে নিহত ৭
আরও পড়ুন
বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের বাড়িতে দুর্ধর্ষ চুরি
২৬ বছরের চলাচলের পথ বন্ধ করে বাউন্ডারি নির্মাণ, ইউএনওর চিঠি
সড়ক দুর্ঘটনাতেও দায়িত্ববিচ্যুত হননি ইউএনও মেহেদী হাসান
নারীদের গোসলের ছবি তোলা নিয়ে উত্তেজনার পর তুমুল মারামারি