
খুলনা মহানগরীর খানজাহান আলী রোডের একটি আবাসিক হোটেল থেকে সোহেল রানা বাবু (৩৫) নামে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় ফাতেমা (২৫) নামে এক নারীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। তারা স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে হোটেলে অবস্থান করছিল বলে পুলিশ জানায়।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) ভোরে সদর থানার খানজাহান আলী রোডের ‘কপোতাক্ষ আবাসিক হোটেল’-এর দ্বিতীয় তলার ১০ নম্বর কক্ষ থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত সোহেল রানা লবণচরা থানার হরিণটানা অটোস্ট্যান্ড রোডের লোকমান ফকিরের ছেলে।
জানা গেছে, শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৭টার দিকে স্বামী-স্ত্রী পরিচয় দিয়ে কপোতাক্ষ আবাসিক হোটেলের ওই কক্ষে ওঠেন তারা। সেখানে বিয়ের দাবি ও নানা বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে বাগবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে ওড়না দিয়ে পেঁচিয়ে সোহেল রানাকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়। পরে বিষয়টি জানাজানি হলে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
খুলনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লোকমান হোসেন রিপন জানান, নিহত সোহেল রানার আগের এক স্ত্রী রয়েছেন। যিনি ঢাকায় থাকেন এবং তাদের মধ্যে কোনো যোগাযোগ নেই। এদিকে ফাতেমার সঙ্গে তার দীর্ঘদিনের সম্পর্ক ছিল এবং ফাতেমা তাকে বিয়ের জন্য চাপ দিচ্ছিলেন। রোববার (২০- সেপ্টেম্বর) বাগবিতণ্ডার একপর্যায়ে ওড়না গলায় পেঁচিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করেছেন বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছেন ফাতেমা। অভিযুক্তকে থানা হেফাজতে রাখা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
আরটিভি/এমএইচজে




