ঢাকা বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩

পাইকগাছায় ১২০০ গাছ রোপণ, প্রতিটি চারার দায়িত্বে এক শিক্ষার্থী

পাইকগাছা প্রতিনিধি, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:১০ পিএম
ছবি: আরটিভি

খুলনার পাইকগাছার লতা ইউনিয়নের চারটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের প্রত্যেকের হাতে একটি করে গাছের চারা তুলে দিয়ে পরিচর্যার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। ইউনিয়নের বিভিন্ন সড়ক, মসজিদ-মন্দির, কমিউনিটি ক্লিনিক ও পরিষদ প্রাঙ্গণ মিলিয়ে মোট ১ হাজার ২০০ গাছের চারা রোপণ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকালে লতা ইউনিয়ন পরিষদের অর্থায়নে এ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি শুরু হয়। ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডে পর্যায়ক্রমে এসব চারা রোপণ ও বিতরণ করা হয়।

কর্মসূচির আওতায় চারটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রত্যেক শিক্ষার্থীর হাতে একটি করে গাছের চারা দেওয়া হয়। গাছের সুরক্ষায় প্রতিটি চারার সঙ্গে নেটের বেড়াও দেওয়া হয়েছে। শিক্ষার্থীদের নিজেদের স্কুল প্রাঙ্গণ ও রাস্তার পাশে চারা রোপণ করে নিয়মিত পরিচর্যার দায়িত্ব নিতে বলা হয়।

চারা বিতরণের সময় শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলা হয়, গাছের পরিচর্যার বিষয়টি তারা যেন একটি অ্যাসাইনমেন্টের মতো গুরুত্ব দিয়ে পালন করে। শুধু চারা রোপণ নয়, গাছটি বাঁচিয়ে রাখাই হবে তাদের দায়িত্ব।

লতা ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. ফজলে রাব্বী শিক্ষকদের অনুরোধ করেন, শিক্ষার্থীদের বৃক্ষ পরিচর্যায় উৎসাহিত করতে। গাছ বাঁচিয়ে রাখার বিষয়টি কৃষিশিক্ষার ব্যবহারিক পরীক্ষার মূল্যায়নে বিবেচনার জন্যও তিনি শিক্ষকদের অনুরোধ জানান।

এ ছাড়া ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যদের মধ্যে চারা বিতরণ করা হয়। তারা নিজ নিজ এলাকায় মসজিদ-মন্দির ও সড়কের পাশে এসব চারা রোপণ করবেন। ইউনিয়ন পরিষদের পেছনের অংশেও নেটের বেড়া দিয়ে গাছ লাগানো হয়েছে। পাশাপাশি পরিষদ প্রাঙ্গণ, কমিউনিটি ক্লিনিকসহ বিভিন্ন স্থানে বৃক্ষরোপণ করা হয়।

বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির সময় শিক্ষার্থীদের নিম, কদবেল, আমলকী, তেঁতুল, অর্জুন, সিরিশসহ বিভিন্ন প্রজাতির চারা বিতরণ করা হয়। গাছের পরিচর্যা ও সংরক্ষণ সম্পর্কে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়।

কর্মসূচি উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার ওয়াসিউজ্জামান চৌধুরী, উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও লতা ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক মো. ফজলে রাব্বী, ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য, প্রশাসনিক কর্মকর্তা, হিসাব সহকারীসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

আরটিভি/এমএইচজে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী 
নেত্রকোনায় মিথ্যা ধর্ষণ মামলা করে এক ব্যক্তিকে কারাভোগে বাধ্য করার দায়ে লিপি আক্তার (৩৯) নামের এক নারীকে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও তিন মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিকেলে নেত্রকোনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ কে এম এমদাদুল হক এ রায় ঘোষণা করেন। ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট নুরুল কবির রুবেল রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত লিপি আক্তার আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন। তিনি জেলার বারহাট্টা উপজেলার বিক্রমশ্রী গ্রামের বাসিন্দা। আদালত ও মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০০৮ সালে একই গ্রামের কামাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেন লিপি আক্তার। মামলায় নিজেকে আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা দাবি করলে পুলিশ কামাল উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে। পরে প্রায় দুই মাস কারাগারে থাকতে হয় তাকে। লিপি আক্তারের সন্তান জন্মের পর শিশুটির পিতৃত্ব নির্ধারণে ডিএনএ পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষার প্রতিবেদনে কামাল উদ্দিনকে শিশুটির জৈবিক পিতা হিসেবে শনাক্ত করা হয়নি। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ২০১৯ সালে আদালত ধর্ষণের অভিযোগ থেকে কামাল উদ্দিনকে খালাস দেন। এরপর মিথ্যা অভিযোগে মামলা করে তাকে কারাভোগে বাধ্য করার প্রতিকার চেয়ে ২০২০ সালে লিপি আক্তারের বিরুদ্ধে পাল্টা মামলা করেন কামাল উদ্দিন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় সাক্ষ্যপ্রমাণ পর্যালোচনা শেষে আদালত লিপি আক্তারকে দোষী সাব্যস্ত করে এ দণ্ডাদেশ দেন। আরটিভি/এসকে
কামালের নামে ধর্ষণের মিথ্যা মামলা করে ফেঁসে গেলেন নারী 
চার মাস ধরে ছাত্রকে বলাৎকার, প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি
সিলেটের গোলাপগঞ্জে এক ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
চার মাস ধরে ছাত্রকে বলাৎকার, প্রধান শিক্ষককে বেধড়ক পিটুনি
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল ছাত্র
চট্টগ্রামের রাউজানে পরীক্ষার হলে চুল লম্বা রাখার কারণ জানতে চেয়ে শাসন করায় এক শিক্ষককে কলম দিয়ে একাধিক আঘাত করে রক্তাক্ত করেছে নবম শ্রেণির এক ছাত্র। আহত শিক্ষককে হাসপাতালে নেওয়া হলে তাঁর মাথায় সেলাই দিতে হয়।
চুল কাটতে বলায় পরীক্ষার হলে কলম দিয়ে শিক্ষককে রক্তাক্ত করল ছাত্র
বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধ, প্রাণ গেল একজনের
নওগাঁর মান্দায় বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধের জেরে শহিদুল ইসলাম (৪২) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় তার ছোট ভাই সাইফুল ইসলাম ও স্ত্রী সাথী আক্তার আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে সাইফুল ইসলামের মাথায় গুরুতর আঘাত লেগেছে বলে জানা গেছে।
বাছুরের খড় খাওয়া নিয়ে বিরোধ, প্রাণ গেল একজনের
সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড়, কে এই ‘বাংলার কৃষ’
দিনে জীবিকার তাগিদে কাজ করেন এসএস পাইপ মিস্ত্রি হিসেবে। আর অবসর পেলেই মেতে ওঠেন সুপারহিরো হওয়ার স্বপ্ন পূরণের সাধনায়। বোনের পুরোনো বোরকাকে কৃষের পোশাকে রূপ দিয়ে নানা কসরত ও স্টান্ট দেখানোর চেষ্টা করেন তিনি।
সামাজিক মাধ্যমে তোলপাড়, কে এই ‘বাংলার কৃষ’
আরও পড়ুন
খুলনার হত্যা মামলার আসামি চট্টগ্রামে ধরা
বাসা ‘ভাড়া নেওয়ার’ কথা বলে ঘরে ঢোকেন তিন নারী, অতঃপর...
ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে বৈষম্যের কোনো সুযোগ নেই: কেসিসি প্রশাসক
দুই দিনের ছুটি নিয়ে ‘হাওয়ায় মিলিয়ে গেলেন’ পৌর সচিব লালু