ঢাকা বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩

গঙ্গাচড়ায় পরীক্ষায় ওএমআর বদলের অভিযোগে ৪ শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:০২ পিএম
অভিযুক্ত চার শিক্ষক। ছবি: সংগৃহীত

দাখিল পরীক্ষায় টাকার বিনিময়ে পরীক্ষার্থীদের বহুনির্বাচনি প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার চেষ্টা এবং টাকা না পেয়ে এক পরীক্ষার্থীর ওএমআর শিট বদলে দেওয়ার অভিযোগে রংপুরের গঙ্গাচড়ায় চার শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। মামলার পর আসামিরা পলাতক রয়েছেন বলে পুলিশ জানিয়েছে।

গত ১৭ সেপ্টেম্বর গঙ্গাচড়া মডেল থানায় বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষাবোর্ডের রংপুর আঞ্চলিক কার্যালয়ের উপ-পরিদর্শক মো. মোশারফ হুসেন বাদী হয়ে মামলাটি করেন।

মামলায় গঙ্গাচড়া সিনিয়র আলিম মাদরাসার উপাধ্যক্ষ ও দাখিল পরীক্ষা-২০২৬-এর সহকারী কেন্দ্র সচিব মো. আব্দুল বাকী ওরফে লিটন, সাউদপাড়া আলিম মাদরাসার অধ্যক্ষ ও হল সুপার মো. রোকনুজ্জামান, গঙ্গাচড়া সিনিয়র আলিম মাদরাসার অধ্যক্ষ ও কেন্দ্র সচিব মো. অলিউল্লাহ এবং ধনতোলা বাজার দাখিল মাদরাসার সুপার মো. ইব্রাহিম খলিলকে আসামি করা হয়েছে।

জানা গেছে, ২০২৬ সালের দাখিল পরীক্ষায় কোলকোন্দ তাকিয়া শরীফ আলিম মাদরাসার শিক্ষার্থী মো. হাবিবুল বাশার মুবিন গঙ্গাচড়া ডিগ্রি কলেজ পরীক্ষা কেন্দ্রে জীববিজ্ঞান বিষয়ে পরীক্ষা দেন। ২০ মে পরীক্ষা চলাকালে প্রথম আসামি আব্দুল বাকী ওরফে লিটন পরীক্ষার্থীদের টাকার বিনিময়ে বহুনির্বাচনি পরীক্ষার উত্তর সরবরাহ করেন। মুবিন টাকা দিয়ে উত্তর নিতে অস্বীকৃতি জানালে তার সঙ্গে লিটনের বাক্‌বিতণ্ডা হয় বলেও এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

এরপর পরীক্ষা শেষে মুবিনের বহুনির্বাচনি অংশের ওএমআর শিট পরিবর্তন করে অন্য একটি ওএমআর শিট শিক্ষাবোর্ডে পাঠানো হয় বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে।

১০ আগস্ট দাখিল পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর মুবিন দেখতে পান, অন্যান্য বিষয়ে এ প্লাস পেলেও জীববিজ্ঞান বিষয়ে তিনি অকৃতকার্য হয়েছেন। ফল পুনর্মূল্যায়নের আবেদন করেও ফল পরিবর্তন না হওয়ায় ১৩ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষাবোর্ডে লিখিত অভিযোগ করেন তিনি। পরে শিক্ষাবোর্ডের কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে তার জীববিজ্ঞান বিষয়ের লিখিত উত্তরপত্র ও বহুনির্বাচনি অংশের ওএমআর শিট পর্যালোচনা করা হলে মুবিন দাবি করেন, দেখানো ওএমআর শিটটি তার নয়।

এর পরিপ্রেক্ষিতে শিক্ষাবোর্ডের রেজিস্ট্রারের অফিস আদেশে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। তদন্ত কমিটি পরীক্ষার্থীর আবেদন, লিখিত ও বহুনির্বাচনি পরীক্ষার ওএমআর শিট, হাজিরা শিটসহ সংশ্লিষ্ট নথি পর্যালোচনা করেন। এ সময় পরীক্ষার্থীর হাজিরা শিটে থাকা ওএমআর শিটের স্বাক্ষরের সঙ্গে শিক্ষাবোর্ডে জমা দেওয়া ওএমআর শিটের স্বাক্ষরে গরমিল পাওয়া যায় বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

তদন্তে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ অসঙ্গতি পাওয়া যায় বলে মামলার নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে। মুবিনের হাজিরা শিটে থাকা বহুনির্বাচনি ওএমআর শিটের প্রকৃত সিরিয়াল নম্বর ২৫০০৫৮৬০২০ হলেও শিক্ষাবোর্ডে জমা দেওয়া ওএমআর শিটের সিরিয়াল নম্বর ২৫০১৫৭৫১৫৩।

এজাহারে আরও বলা হয়েছে, ২০ মে দুপুর আনুমানিক ১টা থেকে বিকেল ৫টার মধ্যে গঙ্গাচড়া ডিগ্রি কলেজের পুরোনো ভবনের দ্বিতীয় তলার পরীক্ষা নিয়ন্ত্রণকক্ষে এ ঘটনা ঘটে।

তদন্ত কমিটির কাছে দ্বিতীয় থেকে চতুর্থ আসামি লিখিত বক্তব্য দিলেও প্রথম আসামি আব্দুল বাকী ওরফে লিটন শিক্ষাবোর্ডে উপস্থিত হয়ে কোনো ব্যাখ্যা দেননি বলে এজাহারে উল্লেখ রয়েছে। তদন্ত কমিটির পর্যবেক্ষণ ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্যের ভিত্তিতে মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে, পরীক্ষা চলাকালে নিয়মবহির্ভূতভাবে উত্তর সরবরাহের চেষ্টা এবং পরে পরীক্ষার্থীর প্রকৃত ওএমআর শিটের পরিবর্তে অন্য একটি ওএমআর শিট জমা দেওয়ার ঘটনা ঘটে।

মামলার দুই নম্বর আসামি সাউদপাড়া আলিম মাদরাসার অধ্যক্ষ ও হল সুপার মো. রোকনুজ্জামান বলেন, ‘হঠাৎ বোর্ড থেকে ফোন করে জানানো হয়, ওএমআর পরিবর্তন হয়েছে। আমি বলি, এ বিষয়ে তো আমি কিছু জানি না। এরপর আমাদের বোর্ডে ডাকা হয়। আমরা গিয়ে বিষয়টি দেখি।

মামলার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি হল সুপার ছিলাম, এজন্যই আমাকে আসামি করা হয়েছে।

বাকি তিন আসামির সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী হাবিবুল বাশার মুবিন গণমাধ্যমকে জানান, পরীক্ষার দিন পরীক্ষা শেষে তাদের সবাইকে থাকতে বলা হয়। এরপর তাদের কাছে টাকা চাওয়া হয়। তিনি টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে লিটন হুজুর তার ওপর ক্ষুব্ধ হন।

মুবিন বলেন, ‘ফল প্রকাশের পর দেখি, সব বিষয়ে এ প্লাস পেলেও শুধু জীববিজ্ঞানে ফেল করেছি। পরে বোর্ডে চ্যালেঞ্জ করেও ফল পরিবর্তন হয়নি। এরপর বোর্ডে গিয়ে চেয়ারম্যান বরাবর লিখিত অভিযোগ দিই। অভিযোগের পর খাতাগুলো বের করে দেখি, আমার ওএমআর শিট পাল্টে দেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ‘বোর্ড আমাকে আশ্বস্ত করেছে, আমি সঠিক বিচার পাব এবং ভর্তির বিষয়েও সহযোগিতা করা হবে। আমি চাই, এর সঙ্গে যারা জড়িত, তাদের সবাইকে শাস্তির আওতায় আনা হোক। ভবিষ্যতে যেন আর কোনো শিক্ষার্থীর এমন ক্ষতি না হয়।

মামলার বাদী বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের রংপুর আঞ্চলিক কার্যালয়ের উপ-পরিদর্শক মো. মোশারফ হুসেন বলেন, ‘বোর্ডের লিখিত আদেশের কারণে থানায় মামলা করেছি। বোর্ডে পাঠানো কাগজপত্র দেখে মনে হয়েছে, শিক্ষার্থীটির সঙ্গে অন্যায় করা হয়েছে। তদন্তে যা পাওয়া গেছে, তার ভিত্তিতেই আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘মামলা হয়েছে। এখন তদন্তে প্রকৃত ঘটনা বেরিয়ে আসবে।

মামলার তদন্তভারের দায়িত্বে থাকা উপ-পরিদর্শক মো. মশিউর রহমান জানান, মামলার পর থেকে আসামিরা গা ঢাকা দিয়েছেন। মামলাটি আমরা গুরত্বসহকারে দেখছি এবং আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

গঙ্গাচড়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুস ছবুর বলেন, ‘গত ১৭ সেপ্টেম্বর মাদরাসা শিক্ষাবোর্ডের রংপুর আঞ্চলিক কার্যালয়ের উপ-পরিদর্শক বাদী হয়ে মামলা করেছেন। আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

তিনি আরও বলেন, ‘প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করা গেলে এ ঘটনার সঙ্গে কারা কারা জড়িত এবং কীভাবে ঘটনাটি ঘটেছে, সে বিষয়ে আরও বিস্তারিত জানা যাবে।

মামলাটি পাবলিক পরীক্ষা অপরাধ (সংশোধন) ২০২৬-এর ৮/১৩ ধারায় করা হয়েছে। এফআইআর অনুযায়ী, মামলার তদন্তভার গঙ্গাচড়া থানার উপ-পরিদর্শক মো. মশিউর রহমানের ওপর দেওয়া হয়েছে।

আরটিভি/এমএইচজে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
মা-ছেলেকে অমানবিক নির্যাতনের পর ৩ দিন বন্দি বানিয়ে রাখেন চুন্নু
পাঁচ হাজার টাকা চুরির অপবাদে ষষ্ঠ শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে ধরে নিয়ে অমানবিক নির্যাতনের পর গোয়ালঘরে পায়ে শিকল বেঁধে রাখার অভিযোগ উঠেছে। ছেলেকে বাঁচাতে গিয়ে নির্যাতনের শিকার হয়েছেন তার বিধবা মাও।
মা-ছেলেকে অমানবিক নির্যাতনের পর ৩ দিন বন্দি বানিয়ে রাখেন চুন্নু
সীমান্তে দেড় কোটি টাকার ভারতীয় মালামাল জব্দ 
ফেনীর ফুলগাজী ও ছাগলনাইয়া সীমান্ত এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় শাড়ি, থ্রি-পিস ও একটি কাভার্ডভ্যান জব্দ করেছে ফেনী ব্যাটালিয়ন (৪ বিজিবি)।
সীমান্তে দেড় কোটি টাকার ভারতীয় মালামাল জব্দ 
মনপুরার জেলেদের ‘মরার ওপর খাঁড়ার ঘা’, নিষেধাজ্ঞার আগে গভীর নিম্নচাপ
মেঘনার বুকে মাছ ধরেই যাদের সংসার চলে, সেই জেলেদের জীবনে যেন একের পর এক সংকট। সামনে মা ইলিশ রক্ষায় ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা। নিষেধাজ্ঞা শুরুর আগে কয়েকটি দিন মেঘনায় মাছ শিকার করে পরিবারের ভরণপোষণের অর্থ জোগাড়ের আশায় ছিলেন মনপুরার জেলেরা। কিন্তু সেই আশাতেও বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট গভীর নিম্নচাপ। আগামী ৮ অক্টোবর থেকে মা ইলিশ রক্ষায় ২২ দিনের মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞা শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। নিষেধাজ্ঞার আগে শেষ সময়ে নদীতে মাছ শিকারের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন মনপুরার বহু জেলে। তাদের আশা ছিল, নিষেধাজ্ঞার ২২ দিন মাছ ধরতে না পারায় যে আয়-রোজগারের ঘাটতি তৈরি হবে, তার কিছুটা আগে মাছ ধরে পুষিয়ে নেবেন। তবে এরই মধ্যে বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট গভীর নিম্নচাপের প্রভাবে বৈরী আবহাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এতে নদী ও সাগরে মাছ ধরতে যাওয়া নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে জেলেদের মধ্যে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, পশ্চিমমধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন উত্তরপশ্চিম বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থানরত গভীর নিম্নচাপটি পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে বর্তমানে উত্তরপশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন পশ্চিমমধ্য বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থান করছে। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকাল ৬টায় গভীর নিম্নচাপটি চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ৯০০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ৮৮০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে, মোংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ৭২০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ৭৫০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থান করছিল। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, গভীর নিম্নচাপটি আরও পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে বুধবার রাতে ভারতের উত্তর অন্ধ্র প্রদেশ ও দক্ষিণ ওড়িশা উপকূল অতিক্রম করতে পারে। এর প্রভাবে সমুদ্রবন্দর, উত্তর বঙ্গোপসাগর ও বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। গভীর নিম্নচাপের কেন্দ্রের ৪৮ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৫০ কিলোমিটার। যা দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়ার আকারে ঘণ্টায় ৬০ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। নিম্নচাপের কেন্দ্রের কাছাকাছি এলাকায় সাগর উত্তাল রয়েছে। এ কারণে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে। এদিকে নিষেধাজ্ঞার আগে কয়েকদিন নদীতে মাছ ধরে সংসারের প্রয়োজন মেটানোর পরিকল্পনা করেছিলেন মনপুরার জেলেরা। কিন্তু বৈরী আবহাওয়ার কারণে মাছ ধরতে না পারলে তাদের সামনে আরও কঠিন পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা। জেলেদের ভাষ্য, বছরের বড় একটি সময় নদী ও সাগরে মাছ ধরেই তাদের সংসার চলে। মাছ ধরার ওপর নিষেধাজ্ঞা, বৈরী আবহাওয়া এবং নদীতে কাঙ্ক্ষিত মাছ না পাওয়ার কারণে অনেক সময় ধারদেনা করে সংসার চালাতে হয়। নিষেধাজ্ঞার আগে মাছ ধরার সুযোগটুকুও যদি আবহাওয়ার কারণে নষ্ট হয়, তাহলে পরিবারের খাবার, নৌকার জ্বালানি, জাল মেরামত ও অন্যান্য খরচ জোগাড় করা কঠিন হয়ে পড়বে। স্থানীয় জেলেরা বলছেন, একদিকে সামনে ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা, অন্যদিকে তার আগেই গভীর নিম্নচাপ সব মিলিয়ে তাদের জীবনে যেন ‘মরার ওপর খাঁড়ার ঘা’। তবে আবহাওয়া পরিস্থিতি বিবেচনায় নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে জেলেদের দাবি, বৈরী আবহাওয়ার কারণে তারা মাছ ধরতে না পারলে নিষেধাজ্ঞার সময় ও পরবর্তী সময়ে তাদের পরিবারগুলোর জন্য কার্যকর সহায়তা নিশ্চিত করা হোক। মেঘনার তীরে এখন তাই একটাই প্রশ্ন নিষেধাজ্ঞার আগে যে ক’দিন মাছ ধরে পরিবারের মুখে হাসি ফোটানোর স্বপ্ন দেখেছিলেন জেলেরা, গভীর নিম্নচাপের বৈরী আবহাওয়া সেই স্বপ্নকে কতটা অনিশ্চয়তার মধ্যে ঠেলে দেয়। আরটিভি/এসআর  
মনপুরার জেলেদের ‘মরার ওপর খাঁড়ার ঘা’, নিষেধাজ্ঞার আগে গভীর নিম্নচাপ
চাঁদপুরে নিখোঁজ কিশোর রাতুলকে বান্দরবান পাহাড় থেকে উদ্ধার
নিখোঁজের প্রায় ১২ ঘণ্টার মধ্যে ৭ম শ্রেণির শিক্ষার্থী চাঁদপুরের ছেলে রাতুল দেবনাথ (১৩)-কে বান্দরবান থেকে উদ্ধার করেছে মতলব উত্তর থানা পুলিশ। 
চাঁদপুরে নিখোঁজ কিশোর রাতুলকে বান্দরবান পাহাড় থেকে উদ্ধার
প্রবাসীর স্ত্রীকে হত্যার দায়ে যুবকের যাবজ্জীবন
রাজবাড়ীর পাংশায় রুনা খাতুন (৩০) নামে এক প্রবাসীর স্ত্রীকে হত্যা মামলার প্রধান আসামি মিলন শেখকে (২০) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ৫০ হাজার টাকা জরিমানা- অনাদায়ে আরও এক বছরের দণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত।
প্রবাসীর স্ত্রীকে হত্যার দায়ে যুবকের যাবজ্জীবন
আরও পড়ুন
ভাগ্নেবউয়ের ঘরে ঢুকে নিজেকে ‘থামাতে পারলেন না’ মামাশ্বশুর, অতঃপর...
অন্তরঙ্গ অবস্থায় ছাত্রলীগের ফুলবাবু ধরা, অতঃপর...
প্রতিবন্ধী শিশুকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে ৭০ বছরের বৃদ্ধ গ্রেপ্তার
‘জোড়াতালিতে’ চলছে আখিরা নদীর সৌন্দর্যবর্ধন কাজ