ঢাকা শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩

এক টুকরো কাশবনে হাজারো মানুষ, নেই পরিকল্পিত বিনোদনকেন্দ্র

মঠবাড়িয়া (পিরোজপুর) প্রতিনিধি, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০২ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৫৮ পিএম
ছবি: আরটিভি

শরতের নীল আকাশে ভেসে বেড়ানো সাদা মেঘের ভেলা। মৃদু বাতাসে দুলছে সারি সারি কাশফুল। দূর থেকে দেখলে মনে হয়, সবুজ মাঠজুড়ে কেউ যেন বিছিয়ে দিয়েছে শুভ্রতার চাদর। শরতের এমন মনোরম দৃশ্য দেখতে পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের ব্যাপারীবাড়ি-সংলগ্ন মাঠে প্রতিদিন ভিড় করছেন দর্শনার্থীরা।

প্রতিদিন বিকেল হলেই কাশবন ঘিরে বাড়তে থাকে মানুষের আনাগোনা। কেউ পরিবার-পরিজন নিয়ে ঘুরছেন, কেউ বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডায় মেতে উঠছেন। আবার তরুণ-তরুণীদের অনেকেই কাশফুলের সঙ্গে ছবি ও ভিডিও ধারণে ব্যস্ত। শিশুদের ছোটাছুটি আর দর্শনার্থীদের হাসি-আড্ডায় বিকেলের পর পুরো এলাকা হয়ে উঠছে মুখর।

উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষ ছুটে আসছেন এই কাশবন দেখতে। বিশেষ করে ছুটির দিনগুলোতে দর্শনার্থীর সংখ্যা আরও বেড়ে যায়। কাশফুলের শুভ্রতার সঙ্গে মেঘলা আকাশ ও হালকা বাতাস যোগ করছে বাড়তি সৌন্দর্য।

ঘুরতে আসা রাহাত হোসেন বলেন, দিনভর এখানে নানা বয়সী মানুষের উপস্থিতি দেখা যায়। শিশুদের আনন্দ-উচ্ছ্বাস, পরিবার-পরিজনের আড্ডা আর তরুণদের ছবি তোলা—সব মিলিয়ে জায়গাটি বেশ প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে। কাশফুলের সঙ্গে ছবি তুলতে খুব ভালো লাগছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, প্রতিবছর শরৎ মৌসুমে এই মাঠে কাশফুল ফুটলেও এবার দর্শনার্থীর সংখ্যা তুলনামূলক বেশি। দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ আসায় স্থানীয়দের মধ্যেও উৎসাহ তৈরি হয়েছে।

ঘুরতে আসা স্বর্ণালী আক্তার বলেন, মঠবাড়িয়ায় তেমন কোনো বিনোদনকেন্দ্র নেই। শিশুদের এবং পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ঘুরতে বের হতে পারি না। তাই প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে মানুষ এমন জায়গায় ছুটে আসে। কাশফুলের এই সৌন্দর্য দেখতে এসে বেশ ভালো লাগছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, মঠবাড়িয়া উপজেলায় ভালো কোনো বিনোদনকেন্দ্র বা ঘোরাঘুরির উপযোগী জায়গা নেই। তাদের দাবি, মানুষের বিনোদন ও অবসর কাটানোর সুযোগ তৈরি করতে উপজেলায় পরিকল্পিতভাবে একটি ভালো বিনোদনকেন্দ্র গড়ে তোলা উচিত।

আরটিভি/ এসকেডি

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
‘আমার মৃত্যুর একমাত্র কারণ শুধু তুমি’—যুবকের ফেসবুক পোস্ট, অতঃপর...
"আমার মৃত্যুর একমাত্র কারণ শুধু তুমি" বন্ধু হাবিবুর রহমানের যৌথ ছবি দিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক পোস্ট করার কিছুক্ষণ পরেই প্লাবন সরকার (২২) নামের এক যুবেকর রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। তাঁর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। প্লাবন সরকার সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলার আটগাঁও ইউনিয়নের মামুদনগর গ্রামের বাসিন্দা। তিনি মামুদনগর বাজারে টেইলার ব্যবসায়ী ছিলেন। বন্ধু হাবিবুর রহমান তার প্রতিবেশী মুদি দোকানদার। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) বিকেল আনুমানিক ৩টার দিকে ফেসবুকে পোস্ট দেওয়ার কিছুক্ষণ পরেই এই যুবকের মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়। পরে আত্মীয়-স্বজন ও স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তার লাশ উদ্ধার করে। এদিকে প্লাবনের আত্মহত্যার জন্য হাবিবুর রহমান দায়ী বলে দুই লাইনের দুইটি চিরকুটের ছবি পাওয়া গেছে। ওই দুই চিরকুটে লেখা রয়েছে, আমার মৃত্যুর একমাত্র কারণ শুধু হাবিবুর ভাই। হাতের লেখাটি প্লাবন সরকারের বলে জানিয়েছেন তার পরিচিতজনরা। স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার বিকেল আনুমানিক তিনটার দিকে প্লাবন সরকার তার নিজ ফেসবুক আইডিতে একই গ্রামের হাবিবুর রহমানসহ তার দুই জনের বিভিন্ন স্থানের যৌথ কয়েকটি ছবি দিয়ে ক্যাপশনে লিখেন "আমার মৃত্যুর একমাত্র কারণ শুধু তুমি"। এই পোস্ট দেওয়ার কিছুক্ষণ পরেই খবর পাওয়া যায় প্লাবন সরকার মারা গেছে। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গতকাল বিকেলে প্লাবন সরকারের ফেসবুক পোস্টের পর হাবিবুর রহমান ও একই গ্রামের মঈনুল ইসলাম প্লাবন সরকারের বসত ঘরের দরজা ভেঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থা থেকে তার লাশ নিচে নামান। পরে গ্রামের বাজার থেকে একজন পল্লী চিকিৎসককে সাথে নিয়ে প্লাবনের রক্ত সঞ্চালন আছে কি-না চেক করেন। পল্লী চিকিৎসক প্লাবনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করলে হাবিবুর রহমান ও মঈনুল ইসলাম প্লাবনের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি নিয়ে ঘটনাস্থল থেকে দ্রুত পালিয়ে গিয়ে এলাকা ছাড়া হয়ে যান। পল্লী চিকিৎসক প্রদীপ সরকার জানান, হাবিবুর, মঈনুল ও প্লাবন তিনজনই বাজারের ব্যবসায়ী। তাদের মধ্যে ভাল সম্পর্ক ছিল। বৃহস্পতিবার বিকেল আনুমানিক সাড়ে ৩টার দিকে হাবিবুর ও মঈনুল এসে প্লাবনদের বাড়িতে নিয়ে একটি জিনিস দেখানোর কথা বললে আমি তাদের সাথে যাই। মোটরসাইকেলে করে আমাকে নিয়ে যাওয়ার পর তারা প্লাবনের ঘরের পেছনের দিকে যায়। পরে দেখি তারা প্লাবনের লাশ নিচে নামিয়ে খাটের উপরে রাখে। আমাকে তারা বিপি (ব্লাড প্রেসার যন্ত্র) নিয়ে আসার কথা বলে। পরে বিপি লাগিয়ে দেখি তার রেসপন্স নাই। এই কথা বলতেই তারা দুই জন প্লাবনের মোবাইল ফোনটি নিয়ে  দ্রুত পালিয়ে যায়। এ বিষয়ে কথা বলতে চাইলে হাবিবুর রহমান ও মঈনুলের ব্যক্তিগত মোবাইল ফোন বন্ধ থাকায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। মঈনুলের বড় ভাই জহিরুল ইসলাম জানান, আমার ভাই ওদের সাথে বাজারে হাঁস খাইত। প্লাবনের মৃত্যুর ঘটনার সাথে আমার ভাই জড়িত থাকলে তারও শাস্তি হোক। তবে আমরা জানতাম প্লাবন ও হাবিবুর রহমানের মধ্যে একটা খারাপ সম্পর্ক আছে। যা মুখে প্রকাশ করার মত না। কয়েক বার ওদের মধ্যে ঝগড়া বিবাদ হয়েছে। প্লাবনের বড় ভাই প্রণয় সরকার বলেন, হাবিবুর, মইনুল ও প্লাবন এক সাথে চলাফেরা করত। হাবিবুরের কাছে প্লাবনের টাকা পয়সা ছিল। কয়েক দিন তারা প্লাবনকে মারপিট করেছে। গতকাল বিকেলে প্লাবনকে মেরে তার মোবাইল নিয়ে পালিয়ে গেছে। আমরা এই ঘটনার সঠিক তদন্ত চাই। এ বিষয়ে শাল্লা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সোহেল বলেন, স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে প্লাবনের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্ত করা হয়েছে । থানায় অপমৃত্যুর মামলা করা হয়েছে। তার মৃত্যুর পেছনে কি রহস্য রয়েছে এবং এটি প্ররোচিত আত্মহত্যা কি-না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ঘটনার তদন্ত চলছে, আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আরটিভি/ এসকেডি
‘আমার মৃত্যুর একমাত্র কারণ শুধু তুমি’—যুবকের ফেসবুক পোস্ট, অতঃপর...
ডিসেম্বরে শেখ হাসিনার আগমন ঘিরে বরগুনায় ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) সকাল ১০টার দিকে বামনা-পাথরঘাটা সড়কের চাড়াখালী এলাকায় বামনা উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি হাসিবুর রহমানের নেতৃত্বে এ ঝটিকা মিছিল বের করা হয়।
ডিসেম্বরে শেখ হাসিনার আগমন ঘিরে বরগুনায় ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল
গাজীপুরে আবাসিক মাদরাসায় টানা তিন রাত নিপীড়নের শিকার ৮ বছরের ছাত্র
এ ঘটনায় ওই মাদরাসার শিক্ষকসহ তিনজনের বিরুদ্ধে একটি মামলা করেছেন ভুক্তভোগী শিশুর মা।
গাজীপুরে আবাসিক মাদরাসায় টানা তিন রাত নিপীড়নের শিকার ৮ বছরের ছাত্র
ফজরের আগমুহূর্তে ছাত্রীকে ধরে রুমে নিয়ে যান পরিচালক, মাদরাসায় আগুন
ছাত্রীর অভিযোগ, এর আগেও তাকে একাধিকবার অচেতন করে ধর্ষণ করা হয়েছে। এজন্য চেতনানাশক পদার্থ ব্যবহার করা হতো বলেও দাবি তার। ঘটনার পর তাকে জন্মনিয়ন্ত্রণের ওষুধ খাওয়ানো হতো বলেও অভিযোগ করেন ওই ছাত্রী।
ফজরের আগমুহূর্তে ছাত্রীকে ধরে রুমে নিয়ে যান পরিচালক, মাদরাসায় আগুন
ঢাকা থেকে কক্সবাজার যেতে যেসব স্টেশনে থামবে মহানগর এক্সপ্রেস
ঢাকা থেকে কক্সবাজার যেতে চালু হচ্ছে নতুন আরও একটি ট্রেন। আগামী ২৬ অক্টোবর থেকে ঢাকা-কক্সবাজার রুটে চলবে মহানগর এক্সপ্রেস।
ঢাকা থেকে কক্সবাজার যেতে যেসব স্টেশনে থামবে মহানগর এক্সপ্রেস
আরও পড়ুন
মঠবাড়িয়া ফায়ার সার্ভিসে নেই ডুবুরি দল-স্পিডবোট, অ্যাম্বুলেন্সও নেই
নিরাপদ মাতৃত্বের জন্য কেন্দ্র, অথচ চিকিৎসকই নেই
হিমাগারের অভাবে শত বছরের কান্না থামছে না মঠবাড়িয়ার কৃষকদের
লালশাড়িতেই হারিয়ে যাচ্ছে ‘দৌড়ে বেড়ানো’ শৈশব!