ঢাকা বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩

চরফ্যাশন হাসপাতালের প্রধান সহকারীর সম্পদের অনুসন্ধান চেয়ে দুদকে অভিযোগ

চরফ্যাশন (ভোলা) প্রতিনিধি, আরটিভি

প্রকাশ : ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৪৬ এএম
মো. জাহাঙ্গীর আলম। ছবি: সংগৃহীত

ভোলার চরফ্যাশন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প্রধান সহকারীর পদে থাকা মো. জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে চাকরির আয়ের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ বিপুল সম্পদ অর্জনের অভিযোগ উঠেছে। তার নামে-বেনামে থাকা এসব সম্পদের পরিমাণ কোটি টাকার বেশি বলে দাবি করে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) লিখিত অভিযোগ দিয়েছে হাসিব নামে এক ব্যক্তি। এছাড়া ভোলা সিভিল সার্জন বরাবরও অভিযোগ দেওয়া হয়েছে।

দুদকে দেওয়া অভিযোগপত্রে বলা হয়, মো. জাহাঙ্গীর আলম দীর্ঘদিন ধরে সরকারি চাকরি করলেও তার নামে ও পরিবারের সদস্যদের নামে বিপুল পরিমাণ স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ রয়েছে। চাকরিজীবনে সরকারি কোষাগার থেকে পাওয়া বেতন-ভাতার সঙ্গে এসব সম্পদের কোনো সামঞ্জস্য নেই বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিযোগে আরও বলা হয়, ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানাধীন শুভাঢ্যা পশ্চিম পাড়ায় জাহাঙ্গীর আলমের প্রায় ১ হাজার ৪০০ বর্গফুট আয়তনের দুটি ফ্ল্যাট এবং শুভাঢ্যা বেগুন বাড়ির দিকে প্রায় ১ হাজার ৫০০ বর্গফুটের আরও একটি ফ্ল্যাট রয়েছে।

এ ছাড়া চরফ্যাশন পৌরসভার শরীফ পাড়ায় তার একটি ডুপ্লেক্স বাড়ি রয়েছে, যার মূল্য আনুমানিক ৪৫ লাখ টাকা বলে অভিযোগপত্রে দাবি করা হয়েছে। তার নামে আরও অনেক জমি রয়েছে, যা তদন্ত করলে বেরিয়ে আসবে বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

দুদকে দেওয়া অভিযোগে আরও দাবি করা হয়, ভোলার জেলা ডাকঘরে জাহাঙ্গীর আলম ও তার স্ত্রীর নামে প্রায় ২৫ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র রয়েছে। সঞ্চয়পত্রের সুদ যুক্ত হলে এ অর্থের পরিমাণ আরও বাড়তে পারে বলে অভিযোগকারী উল্লেখ করেছেন।

এছাড়া অভিযোগপত্রে জাহাঙ্গীর আলমের স্ত্রীর প্রায় ১০০ ভরি স্বর্ণালংকার থাকার কথাও বলা হয়েছে। এসব সোনা অবৈধ ঘুষের টাকা দিয়ে অর্জন করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন হাসিব।

অভিযোগকারী আরও দাবি করেছেন, চাকরির বেতন-ভাতার সঙ্গে উল্লিখিত সম্পদের কোনো সামঞ্জস্য নেই। তাই জাহাঙ্গীর আলমের সম্পদের উৎস, আয়-ব্যয়ের হিসাব ও সম্পদ অর্জনের বৈধতা তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।

এ বিষয়ে জাহাঙ্গীর বলেন, আমার ক্রয় করা কোনো সম্পত্তি নাই। সব পৈতৃক সূত্রে মালিক।

ভোলার সিভিল সার্জন মনিরুল ইসলাম বলেন, এ বিষয়ে আমি দেখব তদন্ত কমিটি গঠিত হয়েছে কিনা।

দুর্নীতি দমন কমিশন বরিশালের উপসহকারী পরিচালক সুশান্ত রায় বলেন, কমিশনের অনুমতি ছাড়া তদন্ত করা সম্ভব নয়। কমিশনের অনুমতি পেলে তদন্ত শুরু করব।

আরটিভি/এমএইচজে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ফ্যামিলি কার্ডের জন্য টিপসই নিয়ে বিধবার ভুয়া কাবিননামা তৈরি, অতঃপর...
ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলার পুটিজানা ইউনিয়নে ফ্যামিলি কার্ড করে দেওয়ার কথা বলে বিধবা নারীর টিপসই নিয়ে এফিডেভিট ও জাতৗয় পরিচয়পত্র দিয়ে ভুয়া কাবিননামা তৈরির অভিযোগ উঠেছে।  পাটুলী গ্রামের এক নারীর স্বামী মারা যান প্রায় এক যুগ আগে। প্রায় চার বছর আগে তার দ্বিতীয় ছেলের বিয়ে হয়। বিয়ের সময় এলাকার আব্দুল কদ্দুছকে তার উকিল শ্বশুর করা হয়। এই সুবাদে তাদের বাড়িতে যাতয়াত ছিল আব্দুল কুদ্দুছের। স্থানীয় আব্দুস ছাত্তারের মাধ্যমে মাঝে মধ্যে ওই বিধবা নারীকে বিয়ের প্রস্তাব দিতেন তিনি। প্রতিবারই বিয়ের প্রস্তাব নাকচ করে দিতেন ওই নারী।  প্রায় দেড় মাস আগে তাকে ফ্যামিলি কার্ড করে দেওয়ার কথা বলেন আব্দুস ছাত্তার। কৌশলে তার দোকানে নিয়ে নিরক্ষর ওই নারীর কাছ থেকে জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি, পাসপোর্ট ছবি নেন। কয়েকদিন পর একটি খাতায় দুটি টিপসইও নেন ছাত্তার। সম্প্রতি আব্দুল কুদ্দুছের সঙ্গে ওই বিধবা নারীর বিয়ের একটি এফিডেভিট ও কাবিননামার কাগজ দেখিয়ে গ্রামের মানুষের মাঝে প্রচার করা হয়। পরে স্থানীয় মসজিদের ইমাম ও সভাপতির কাছে বিচার দেন ভুক্তভোগী নারী।  গত সোমবার সন্ধ্যায় পাটুলী গ্রামে শালিস বসে। শালিসে নারীর মুখ থেকে বিস্তারিত শোনেন উপস্থিত লোকজন। কিন্তু শালিসে অভিযুক্ত ছাত্তার উপস্থিত না থাকায় আবারও আগামীকাল বুধবার শালিস হওয়ার কথা রয়েছে। জানা গেছে, হতদরিদ্র ওই নারীকে বিয়ের প্রস্তাব দিয়ে ব্যর্থ হয়ে ফ্যামিলি কার্ড করে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে কৌশলে এফিডেভিট ও ভুয়া কাবিননামা করেছেন আব্দুর কুদ্দুছ। পৌরসভার ১, ২ ও ৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাজী অফিসের সীল যুক্ত একটি কাবিননামায় ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা দেনমোহর ধার্য ও ৫০ হাজার টাকা আদায় দেখানো হয়েছে। কাবীননামায় স্বাক্ষী হিসেবে আব্দুল মান্নান ও সাইফুল ইসলামের নাম রয়েছে। অথচ তারা কেউ বিষয়টি জানেন না বলে দাবি করেছেন।  কাবীননামায় স্বাক্ষীরা বলেন, আব্দুস ছাত্তার টাকার বিনিময়ে এই কাজ করেছেন। তার সঙ্গে আব্দুল হেকিম মাস্টার নামে একজন জড়িত রয়েছেন। শালিসে আব্দুস ছাত্তারকে উপস্থিত থাকতে বলা হলেও তিনি আসেননি। ভুক্তভোগী নারী বলেন, ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার কথা বলে একদিন জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি ও ছবি নিয়েছেন ছাত্তার। আরেকদিন ফোন দিয়ে ছাত্তারের দোকেনে নিয়ে কাগজে টিপসই নিয়েছেন। এখন গ্রামে ছড়িয়ে বেড়াচ্ছেন আমাকে কদ্দুছ বিয়ে করেছেন। আমার পাঁচ সন্তান ও নাতনি রয়েছে, গ্রামে মানুষের মাঝে মুখ দেখাতে পারছি না। আমি বিচার চাই। বিয়ের কাবিনে সাক্ষী হিসেবে নাম উল্লেখ থাকা আব্দুল মান্নান ও সাইফুল ইসলাম জানান, ওই বিয়ের বিষয়ে কিছুই জানতেন না তারা। আব্দুস ছাত্তার টাকার বিনিময়ে এসব করেছেন। তার সঙ্গে জড়িত রয়েছেন আব্দুল হেকিম মাস্টার নামে আরেক ব্যক্তি। পৌরসভার ১, ২ ও ৩ ওয়ার্ডের নিকাহ রেজিস্ট্রার গোলাম মোস্তফা দাবি করেছেন, তার সীল ও স্বাক্ষর জাল করে কাবিননামাটি করেছেন কেউ। বিষয়টি সম্পর্কে কিছুই জানেন না তিনি। উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আখতারুল আলম ফারুক বলেন, ‘আমার বিএনপির কেউ ফ্যামিলি কার্ড করে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়েছে এমন কিছুর সত্যতা পাইনি।’ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শহীদুল ইসলাম সোহাগের ভাষ্য, ভুক্তভোগী নারীর সম্মানহানীর বিষয়ে থানায় অভিযোগ দেওয়ার পরামর্শ দেন তিনি। ফুলবাড়িয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাশেদুল হাসান জানান, লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আরটিভি/এসআর
ফ্যামিলি কার্ডের জন্য টিপসই নিয়ে বিধবার ভুয়া কাবিননামা তৈরি, অতঃপর...
ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ের সার্ভিস লেনে গাড়ির চাকায় পিষ্ট হয়ে অজ্ঞাত ব্যক্তির মৃত্যু
মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানে ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ের সার্ভিস লেনে অজ্ঞাত গাড়ির চাকায় পিষ্ট হয়ে অজ্ঞাতপরিচয় এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন।
ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ের সার্ভিস লেনে গাড়ির চাকায় পিষ্ট হয়ে অজ্ঞাত ব্যক্তির মৃত্যু
পেটে ‘টিউমার’ সন্দেহে কিশোরীর মেডিকেল টেস্ট, পরে মিলল গা শিউরে ওঠা তথ্য
কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে হত্যার হুমকি দিয়ে এক কিশোরীকে (১৪) ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে রইচ উদ্দিন (৫৫) নামে সৎ নানার বিরুদ্ধে। পেটে ব্যথা নিয়ে চিকিৎসকের কাছে গেলে পরীক্ষায় জানা যায়, শিশুটি প্রায় সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা। এ ঘটনায় অভিযুক্ত স্থানীয়দের হাতে আটক হলেও পুলিশ পৌঁছানোর আগেই কৌশলে পালিয়ে যান।
পেটে ‘টিউমার’ সন্দেহে কিশোরীর মেডিকেল টেস্ট, পরে মিলল গা শিউরে ওঠা তথ্য
অনুমতি ছাড়া চট্টগ্রাম বন্দরে ছবি-ভিডিও ধারণ ও প্রচারে নিষেধাজ্ঞা
চট্টগ্রাম বন্দরের সংবেদনশীল স্থাপনা, নিরাপত্তাব্যবস্থা ও গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোর ছবি-ভিডিও ধারণ এবং বিভিন্ন মাধ্যমে তা প্রচারে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে কর্তৃপক্ষ।
অনুমতি ছাড়া চট্টগ্রাম বন্দরে ছবি-ভিডিও ধারণ ও প্রচারে নিষেধাজ্ঞা
আরটিভিতে সংবাদ প্রকাশ / দূতাবাসের হেফাজতে গোপনে ভিডিও পাঠানো সেই রেহেনা
গৃহকর্মী ভিসায় সৌদি আরবের জেদ্দায় গিয়ে নির্যাতনের শিকার হওয়া হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার চৌমুহনী ইউনিয়নের কমলপুর গ্রামের রেহেনা খাতুনকে অবশেষে বাংলাদেশ দূতাবাসের হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
দূতাবাসের হেফাজতে গোপনে ভিডিও পাঠানো সেই রেহেনা
আরও পড়ুন
দুই চোখ উপড়ে নেওয়ার পর যুবককে বিবস্ত্র করে রাস্তায় নিক্ষেপ
মনপুরায় ইউপি সদস্যের হাত-পা ভেঙে দিল দুর্বৃত্তরা  
যবিপ্রবির সাবেক উপাচার্য আনোয়ারসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা করবে দুদক
ভোলার গ্যাস বদলে দিতে পারে দেশের জ্বালানির ভবিষ্যৎ