
চট্টগ্রামে ব্যবসায়ীর কাছ থেকে ৫০ লাখ টাকা চাঁদাদাবি, মারধর ও বিপুল পরিমাণ সিগারেট লুটের অভিযোগে দায়ের করা মামলার প্রধান আসামিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে গ্রেপ্তার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)-৯ ও এসআরবি-৭-এর যৌথ দল।
বুধবার (৭ অক্টোবর) রাতে এসআরবি-৯-এর দেওয়া সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তির নাম হৃদয় (২৭)। তিনি চট্টগ্রাম নগরের কোতোয়ালি থানার তুলাতুলি বস্তি এলাকার বাসিন্দা।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ১৯ সেপ্টেম্বর দুপুরে চট্টগ্রামের কোতোয়ালি থানাধীন কাজীর দেউড়ি এলাকার এসএ পরিবহন অফিস থেকে ব্যবসায়ী আমিনুল ইসলাম ও তার ব্যবসায়িক অংশীদারদের বিভিন্ন ব্র্যান্ডের বাংলাদেশি সিগারেট একটি পিকআপে করে রিয়াজ উদ্দিন বাজারের দিকে নেওয়া হন। পথে লাভলেইন মোড়ের অ্যাপোলো-১১ পেট্রল পাম্পের পাশে পৌঁছালে একদল ব্যক্তি দেশীয় অস্ত্র নিয়ে পিকআপটির গতিরোধ করে।
এ সময় তারা পিকআপচালক মো. আনোয়ার হোসেনের কাছে ৫০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। চাঁদার টাকা না দিলে চালক ও হেলপারকে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়। চালক চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাকে কিল-ঘুষি ও লাথি মেরে আহত করা হয়। একপর্যায়ে হেলপার মো. জাহিদ বাধা দিতে গেলে তাকেও মারধর করা হয়। পরে চাঁদার টাকা না পেয়ে পিকআপে থাকা বিভিন্ন ব্র্যান্ডের বিপুল পরিমাণ সিগারেট অন্য একটি অজ্ঞাত গাড়িতে তুলে নিয়ে যায় অভিযুক্তরা।
পরে স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থলে এসে চালক ও হেলপারকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান। এ ঘটনায় আমিনুল ইসলাম বাদী হয়ে চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের (সিএমপি) কোতোয়ালি থানায় ২০ সেপ্টেম্বর মামলা করেন।
মামলার আসামিদের গ্রেপ্তারে এসআরবি-৯ ছায়া তদন্ত ও গোয়েন্দা তৎপরতা শুরু করে। এরই ধারাবাহিকতায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এসআরবি-৯-এর সিপিসি-১, ব্রাহ্মণবাড়িয়া এবং এসআরবি-৭-এর সিপিএসসি, চট্টগ্রামের একটি যৌথ দল অভিযান চালায়।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, গত ৬ অক্টোবর সন্ধ্যা সোয়া ৭টার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার সরাইল সদর ইউনিয়নের তিতাস গ্যাস ফিল্ডের সামনে পাকা সড়কে অভিযান চালিয়ে হৃদয়কে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি চট্টগ্রামের কোতোয়ালি থানায় দায়ের করা মামলার এজাহারনামীয় এক নম্বর আসামি। পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য গ্রেপ্তার হৃদয়কে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
আরটিভি/এমএম


