
খুলনার সোনাডাঙ্গায় বাসা ভাড়া নেওয়ার কথা বলে এক গৃহকর্ত্রীকে অচেতন করে সাড়ে পাঁচ ভরির বেশি স্বর্ণালঙ্কার লুটের অভিযোগ উঠেছে।
সোমবার (১২ অক্টোবর) সকালে নগরীর নবপল্লী স্কুলের বিপরীতে এ ঘটনা ঘটে। পরে অসুস্থ গৃহকর্ত্রীকে নার্গিস মেমোরিয়াল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
ভুক্তভোগীর স্বজনরা জানান, গত ২৭ সেপ্টেম্বর কয়েকজন বাসা ভাড়া নেওয়ার কথা বলে এক হাজার টাকা অগ্রিম দেন। ১ অক্টোবর তাদের ওঠার কথা থাকলেও তারা আসেননি। পরে সোমবার সকাল ১০টার দিকে তিন নারী মাছ, দুধ ও পেঁপে নিয়ে বাসায় আসেন।
এ সময় গৃহকর্ত্রীর সঙ্গে কথাবার্তা বলার একপর্যায়ে ওই নারীরা তাকে লাচ্ছি বা অন্য কিছু খাওয়ান, যার ফলে তিনি অচেতন হয়ে পড়েন। এরপর তার হাতের চুড়ি, কানের দুল, গলার চেইন ও আংটি খুলে নেওয়া হয়। এসব অলংকারের ওজন সাড়ে পাঁচ ভরির বেশি বলে দাবি পরিবারের।
এদিকে, ভুক্তভোগী গৃহকর্ত্রীর কানে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। ধারণা করা হচ্ছে, দ্রুত অলঙ্কার খুলতে গিয়ে ওই তিন নারী টানাহেঁচড়া করার কারণে এমনটা হয়েছে।
ভুক্তভোগীর জামাতা জানান, দুপুরের পর থেকে ফোন করেও শাশুড়ির সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারছিলেন না তারা। বিকেল ৪টার দিকে বাসায় গিয়ে তাকে সোফায় অচেতন অবস্থায় পান। পরে হাসপাতালে নেওয়া হয়। তিনি মাঝেমধ্যে কথা বললেও আবার অচেতন হয়ে পড়ছেন।
তিনি আরও জানান, অভিযুক্তদের জাতীয় পরিচয়পত্র বা ছবি নেওয়ার আগেই এ ঘটনা ঘটে। তাদের সঙ্গে যোগাযোগের একটি মোবাইল নম্বর পুলিশের কাছে দেওয়ার হয়েছে।
এ বিষয়ে সোনাডাঙ্গা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম গণমাধ্যমকে জানান, অনলাইনে তিনি ঘটনাটি দেখেছেন। তবে এ ঘটনায় থানায় কেউ অভিযোগ নিয়ে আসেননি। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে খোঁজ নিয়ে দেখা হচ্ছে।
আরটিভি/আইএম



