
রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলার হোটেল, রেস্তোরাঁ ও রিসোর্টগুলোতে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে প্রতিষ্ঠান মালিকদের সাত দিনের সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে জেলা প্রশাসন। যেসব প্রতিষ্ঠানে যথাযথ অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা নেই, সেসব প্রতিষ্ঠানের মালিকদের আগামী সাত দিনের মধ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে।
রোববার (১৮ অক্টোবর) জেলা প্রশাসনের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত এক বিশেষ সভায় এ সিদ্ধান্তের বিষয়ে আলোচনা হয়। জেলা প্রশাসন, রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলার আয়োজনে অনুষ্ঠিত সভায় জেলার হোটেল, রেস্তোরাঁ ও রিসোর্ট মালিকেরা অংশ নেন।
সভায় হোটেল, রেস্তোরাঁ ও রিসোর্টে অগ্নিঝুঁকি মোকাবিলা, অগ্নিকাণ্ডের সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি কমানো এবং অতিথি ও কর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
সভায় যেসব প্রতিষ্ঠানে পর্যাপ্ত অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা নেই, সেসব প্রতিষ্ঠানের মালিকেরা আগামী সাত দিনের মধ্যে নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানে যথাযথ অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দেন।
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মনে করছেন, পর্যটননির্ভর জেলা রাঙ্গামাটির হোটেল, রেস্তোরাঁ ও রিসোর্টগুলোতে কার্যকর অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা নিশ্চিত করা জরুরি। বিশেষ করে পর্যটকদের নিরাপদ আবাসন ও সেবার পরিবেশ বজায় রাখতে অগ্নিনিরাপত্তা সরঞ্জাম স্থাপন এবং জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুতি থাকা প্রয়োজন।
রাঙ্গামাটির আবাসিক হোটেল মালিক সমিতির সভাপতি মোস্তফা কামাল বলেন, সমিতির অধীনস্থ ৫৫টি আবাসিক হোটেল রয়েছে। যেখানে অগ্নিনির্বাপক যন্ত্রসহ সকল ধরণের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া আছে। তারপরও কোনো হোটেলের যেকোনো বিষয়ে ঘাটতি থাকলে আমরা দ্রুত ব্যবস্থা নিব।
রাঙ্গামাটি পর্যটন উদ্যোক্তা ললিত সি চাকমা বলেন, আমাদের রিসোর্ট ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের অধীনে ১৫ টি রিসোর্ট রয়েছে। এসব রিসোর্ট প্রয়োজনীয় নীতিমালা অনুসরণ করেই পরিচালনা করা হচ্ছে। বাকি আরও অনেক রিসোর্ট আছে যারা আমাদের অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য না। তাদের বিষয়ে আমাদের কাছে কোনো তথ্য নেই।
জেলা প্রশাসনের এ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে পর্যটনসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোতে অগ্নিনিরাপত্তা জোরদার হওয়ার পাশাপাশি পর্যটক ও স্থানীয় বাসিন্দাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।
আরটিভি/এমএম


