ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৪ কার্তিক ১৪৩৩

আরএসজিটি বাংলাদেশের নতুন রেকর্ড: ঘণ্টায় ৭২ মুভ ও ১২২ টিইইউ’স

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২০ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:২২ পিএম
ছবি : সংগৃহীত

পতেঙ্গা কনটেইনার টার্মিনালে (পিসিটি) জাহাজ পরিচালনায় নতুন উৎপাদনশীলতার রেকর্ড গড়েছে আরএসজিটি বাংলাদেশ। সিএমএ সিজিএমের জাহাজ এমভি আমুরো (MV AMOUREUX) পরিচালনাকালে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৭২ মুভ ও ১২২ টিইইউ'স হ্যান্ডলিংয়ের সক্ষমতা অর্জন করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

এর আগে, গত সেপ্টেম্বরে ঘণ্টায় ৫৮ মুভ ও ৮২ টিইইউ’স হ্যান্ডলিংয়ের রেকর্ড করেছিল আরএসজিটি। ২০২৬ সালের আগস্টে পিসিটিতে শিপ-টু-শোর (এসটিএস) ক্রেন কার্যক্রম চালুর পর এটিই ছিল আগের সর্বোচ্চ উৎপাদনশীলতার মাইলফলক।

গত ১৮ অক্টোবরের জাহাজ পরিচালনা কার্যক্রমে মাত্র ২১ ঘণ্টায় ১ হাজার ৫২৪টি কনটেইনার, যা ২ হাজার ৫৭১ টিইইউ’সের সমপরিমাণ, হ্যান্ডলিং করা হয়। এই অর্জন টার্মিনালের আধুনিক সরঞ্জাম, দক্ষ পরিচালন দল এবং সমন্বিত টার্মিনাল ব্যবস্থাপনা ব্যবস্থার ক্রমবর্ধমান সক্ষমতার প্রতিফলন।

এমভি আমুরো পরিচালনাকালে আরএসজিটি বাংলাদেশের পরিচালনগত সাফল্যের প্রশংসা করেছে সিএমএ সিজিএম কর্তৃপক্ষ। এই সাফল্যের মধ্য দিয়ে পরিচালন দক্ষতা বৃদ্ধি, জাহাজের টার্নঅ্যারাউন্ড সময় কমানো এবং বাংলাদেশের মেরিটাইম খাতে আন্তর্জাতিক মানের কনটেইনার টার্মিনাল পরিচালনা নিশ্চিত করার প্রতি আরএসজিটি বাংলাদেশের ধারাবাহিক অঙ্গীকার আরও সুদৃঢ় হয়েছে।

বাংলাদেশের প্রথম আন্তর্জাতিক কনটেইনার টার্মিনাল অপারেটর হিসেবে আরএসজিটি বাংলাদেশ পরিচালনগত উৎকর্ষ নিশ্চিত করা, দেশের বন্দর অবকাঠামোর প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং বৈশ্বিক শিপিং লাইন ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

আরএসজিটি বাংলাদেশের প্রধান পরিচালনা কর্মকর্তা নাবিল ইউসুফ বলেন, আমাদের প্রতি সংশ্লিষ্ট সবার আস্থা ও বিশ্বাসকে আরএসজিটি বাংলাদেশ গভীরভাবে মূল্যায়ন করে। পরিচালন দক্ষতার নতুন মানদণ্ড প্রতিষ্ঠা, সর্বোচ্চ বৈশ্বিক মান বজায় রাখা এবং টেকসই প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করার অঙ্গীকারে আমরা অবিচল। এর মাধ্যমে বৈশ্বিক মেরিটাইম শিল্পে বাংলাদেশের অবস্থান আরও শক্তিশালী করতে আমরা কাজ করে যাচ্ছি।

আরটিভি/এমএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
হাজার ডিসেম্বর চলে যাবে, হাসিনা ফিরবেন না: রাশেদ খাঁন
হাজার ডিসেম্বর চলে গেলেও ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আর বাংলাদেশে ফিরবেন না বলে মন্তব্য করেছেন রাশেদ খাঁন।
হাজার ডিসেম্বর চলে যাবে, হাসিনা ফিরবেন না: রাশেদ খাঁন
‘মিথ্যা মামলায়’ ফাঁসানোর হুমকির অভিযোগ এএসআইয়ের বিরুদ্ধে, অতঃপর...
ঢাকার ধামরাইয়ে তিন পিস ইয়াবাসহ এক ব্যক্তিকে আটকের পর তার পরিবারের কাছে ঘুষ দাবির অভিযোগ ওঠায় আল মামুন নামে ধামরাই থানার এক সহকারী উপপরিদর্শককে (এএসআই) প্রত্যাহার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) ওই এএসআইকে প্রত্যাহারের তথ্য নিশ্চিত করেন ধামরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাজমুল হুদা খান। মো. নাজমুল হুদা খান বলেন, ওই পুলিশ কর্মকর্তাকে পুলিশ লাইনে বদলি করা হয়েছে। তবে কী অভিযোগে তাকে বদলি করা হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানাননি তিনি। সম্প্রতি ধামরাইয়ের সানোড়া ইউনিয়নের দ্বিতীয় মহিষাসী এলাকায় মো. হান্নান মৃধা নামে এক ব্যক্তিকে তিন পিস ইয়াবাসহ আটক করেন ধামরাই থানার এএসআই আল মামুন। হান্নান মৃধার পরিবারের দাবি, আটকের পর তাকে ২০০ পিস ইয়াবাসহ আটক দেখিয়ে মামলায় ফাঁসানোর হুমকি দেন ওই পুলিশ কর্মকর্তা। তাকে ছেড়ে দেওয়ার জন্য তার স্ত্রীর কাছে ৭০ হাজার টাকা দাবি করা হয়। একপর্যায়ে ওই এএসআইকে ১৫ হাজার টাকা দেন তার স্ত্রী। তবে পরে আরও ১৫ হাজার টাকা দাবি করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ ঘটনা নিয়ে সম্প্রতি বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে গতকাল এএসআই আল মামুনকে প্রত্যাহার করা হয়। ধামরাই থানার ওসি মো. নাজমুল হুদা খান জানান, এ বিষয়ে তিনি কোনো লিখিত আদেশ পাননি। মৌখিক নির্দেশনার ভিত্তিতে ওই পুলিশ সদস্যকে পুলিশ লাইনে পাঠিয়ে দিয়েছেন। তাকে ক্লোজড করা হয়েছে, নাকি সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে, তা আদেশ পাওয়ার পর বুঝতে পারবেন। অভিযোগের বিষয়টিও তাকে স্পষ্ট করে জানানো হয়নি। আদেশে এ বিষয়ে বিস্তারিত উল্লেখ থাকবে বলে জানান তিনি। আরটিভি/টিআর
‘মিথ্যা মামলায়’ ফাঁসানোর হুমকির অভিযোগ এএসআইয়ের বিরুদ্ধে, অতঃপর...
নিখোঁজের দু’দিন পর বিলের পানিতে মিলল স্কুলছাত্রীর মরদেহ
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে নিখোঁজের দুই দিন পর শাম্মী আক্তার (১২) নামে এক স্কুলছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। 
নিখোঁজের দু’দিন পর বিলের পানিতে মিলল স্কুলছাত্রীর মরদেহ
ঝালকাঠিতে অটোরিকশা উল্টে শিশুর মৃত্যু
ঝালকাঠির রাজাপুরে যাত্রীসহ একটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে উল্টে পড়ে এক শিশু নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় শিশুটির মা ও অটোরিকশাচালক গুরুতর আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে রাজাপুর-পিরোজপুর মহাসড়কের নারিকেলবাড়িয়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত শিশুর নাম মো. আদিব (১০)। সে রাজাপুর উপজেলার দক্ষিণ তারাবুনিয়া এলাকার বাহরাইনপ্রবাসী মো. রিয়াজ বিশ্বাসের ছেলে। দুর্ঘটনায় আদিবের মা নিশাত সুলতানা (৩০) ও অটোরিকশাচালক মো. হেমায়েত তালুকদার (৪৫) আহত হয়েছেন। হেমায়েতের বাড়ি উপজেলার আঙ্গারিয়া এলাকায়। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার বিকেলে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাটি রাজাপুর থেকে দক্ষিণ তারাবুনিয়ার দিকে যাচ্ছিল। পথে নারিকেলবাড়িয়া এলাকায় চালক নিয়ন্ত্রণ হারালে যাত্রীসহ অটোরিকশাটি সড়কের পাশে উল্টে পড়ে। এতে চালক, নিশাত সুলতানা ও তাঁর ছেলে আদিব গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয় লোকজন আহতদের উদ্ধার করে রাজাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে শিশু আদিবকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত শিশুটির মা ওঅটোরিকশাচালককে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। খবর পেয়ে রাজাপুর থানা-পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিদর্শন করে। রাজাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) মো. ফিরোজ কামাল বলেন, পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকায় ময়নাতদন্ত ছাড়াই শিশুটির মরদেহ দাফনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। আরটিভি/টিআর
ঝালকাঠিতে অটোরিকশা উল্টে শিশুর মৃত্যু
সৌদিতে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের আগের দিন মেয়ের সঙ্গে কথা হয় বাবার
সৌদি আরবে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের খবর ও ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর দেশজুড়ে আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। ছড়িয়ে পড়া ছবির একটিতে থাকা নারী টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার নগর ছাওয়ালী চরপাড়া গ্রামের সুইটি আক্তার বলে দাবি করেছে তার পরিবার। মেয়ের জীবিত থাকার আশায় সামান্য স্বস্তি মিললেও বর্তমানে চরম উৎকণ্ঠায় দিন কাটছে স্বজনদের। তবে সুইটি আক্তারের বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে এখনো নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সুইটি আক্তার টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার মহেড়া ইউনিয়নের নগর ছাওয়ালী চরপাড়া গ্রামের ফজল মিয়ার ছোট মেয়ে। দাম্পত্য জীবনে বিচ্ছেদের পর ২০২৩ সালে স্থানীয় এক দালালের মাধ্যমে সৌদি আরবে পাড়ি জমান তিনি। পরিচ্ছন্নতাকর্মীর কাজের কথা বলে তাকে সৌদি আরবে পাঠানো হয়েছিল বলে দাবি স্বজনদের। এ জন্য দালাল নতু মিয়াকে দেড় লাখ টাকা দেওয়া হয়েছিল বলেও জানান তারা। পরিবারের সদস্যরা জানান, সৌদি আরবের মক্কায় ‘আল মাজাল আল আরবি গ্রুপ’ নামের একটি প্রতিষ্ঠানে পরিচ্ছন্নতাকর্মী হিসেবে কাজ করতেন সুইটি। দেশটিতে পৌঁছানোর প্রায় ছয় মাস পর তিনি গ্রেপ্তার হন। তবে গ্রেপ্তারের খবর পরিবার জানতে পারে প্রায় এক বছর পর। মুঠোফোনে যোগাযোগ করে সুইটি নিজেই আটকের বিষয়টি তাদের জানান। সুইটি পরিবারকে মারামারির একটি মামলায় গ্রেপ্তার হওয়ার কথা জানালেও প্রবাসে থাকা তার এক বান্ধবী পরিবারকে জানান, এক বাংলাদেশি যুবকের সঙ্গে সম্পর্কের জেরে তিনি গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। এদিকে, মেয়ের ছবি বুকে জড়িয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েছেন মা জহুরা বেগম। আর নির্বাক বাবা তাকিয়ে আছেন মেয়ের ফিরে আসার অপেক্ষায়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া মৃত্যুদণ্ডের খবর তাদের মনে গভীর শঙ্কার জন্ম দিয়েছে। সুইটি আক্তার বেঁচে আছেন কি না, কিংবা তার পরিণতি কী হয়েছে—এ প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে উদ্বিগ্ন পরিবার। সুইটি আক্তারের বাবা ফজলু মিয়া জানান, গত ১৩ অক্টোবর সকালে তাদের সঙ্গে সুইটির সর্বশেষ যোগাযোগ হয়েছিল। তখন তিনি জানিয়েছিলেন, আড়াই মাসের মধ্যে দেশে ফিরবেন। এর দুই দিন পর সুইটি আক্তারের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়ার খবর ও ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে পরিবারের উদ্বেগ আরও বেড়ে যায়। এখন মেয়ের কোনো নির্ভরযোগ্য খবরের অপেক্ষায় দিন কাটছে মা-বাবার। পরিবার ও স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, সুইটি আক্তার জীবিত থাকলে তাকে দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করা হোক। আর তার মৃত্যুর খবর সত্য হলে মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনতে দ্রুত সরকারি উদ্যোগ নেওয়া হোক। মির্জাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, সুইটি মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ঘটনার সঙ্গে জড়িত কি না, সে বিষয়ে এখন পর্যন্ত নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। সুইটির বাড়িতে পুলিশ পাঠানো হয়েছে এবং প্রকৃত ঘটনার সত্যতা যাচাইয়ের প্রক্রিয়া চলছে। এ বিষয়ে মির্জাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জহিরুল আলম বলেন, আনুষ্ঠানিকভাবে এখন পর্যন্ত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে বিভিন্ন মাধ্যমে তারা বিষয়টি জানতে পেরেছেন। প্রকৃত ঘটনা নিশ্চিত হতে খোঁজ নেওয়া হচ্ছে। উল্লেখ, সৌদি আরবের পবিত্র মক্কা নগরীর একটি মসজিদে অনৈতিক কাজ করার অপরাধে দোষী সাব্যস্ত করার পর দুই বাংলাদেশি নাগরিকের মৃত্যুদণ্ড সম্প্রতি কার্যকর করা হয়েছে। দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে গত বুধবার (১৪ অক্টোবর) এ তথ্য নিশ্চিত করেছে সৌদি প্রেস এজেন্সি (এসপিএ)। যে দুজনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে, তারা হলেন নজরুল ইসলাম ও সুইটি আক্তার। আরটিভি/টিআর
সৌদিতে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের আগের দিন মেয়ের সঙ্গে কথা হয় বাবার
আরও পড়ুন
পোশাক রপ্তানিতে নতুন রেকর্ড
পতেঙ্গায় নতুন কনটেইনার টার্মিনাল, উদ্বোধন আজ
মিয়ানমারে পাচারকালে ৪৫০ বস্তা সার জব্দ
পতেঙ্গা সৈকত সংলগ্ন সড়ক ধস