
পতেঙ্গা কনটেইনার টার্মিনালে (পিসিটি) জাহাজ পরিচালনায় নতুন উৎপাদনশীলতার রেকর্ড গড়েছে আরএসজিটি বাংলাদেশ। সিএমএ সিজিএমের জাহাজ এমভি আমুরো (MV AMOUREUX) পরিচালনাকালে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৭২ মুভ ও ১২২ টিইইউ'স হ্যান্ডলিংয়ের সক্ষমতা অর্জন করেছে প্রতিষ্ঠানটি।
এর আগে, গত সেপ্টেম্বরে ঘণ্টায় ৫৮ মুভ ও ৮২ টিইইউ’স হ্যান্ডলিংয়ের রেকর্ড করেছিল আরএসজিটি। ২০২৬ সালের আগস্টে পিসিটিতে শিপ-টু-শোর (এসটিএস) ক্রেন কার্যক্রম চালুর পর এটিই ছিল আগের সর্বোচ্চ উৎপাদনশীলতার মাইলফলক।
গত ১৮ অক্টোবরের জাহাজ পরিচালনা কার্যক্রমে মাত্র ২১ ঘণ্টায় ১ হাজার ৫২৪টি কনটেইনার, যা ২ হাজার ৫৭১ টিইইউ’সের সমপরিমাণ, হ্যান্ডলিং করা হয়। এই অর্জন টার্মিনালের আধুনিক সরঞ্জাম, দক্ষ পরিচালন দল এবং সমন্বিত টার্মিনাল ব্যবস্থাপনা ব্যবস্থার ক্রমবর্ধমান সক্ষমতার প্রতিফলন।
এমভি আমুরো পরিচালনাকালে আরএসজিটি বাংলাদেশের পরিচালনগত সাফল্যের প্রশংসা করেছে সিএমএ সিজিএম কর্তৃপক্ষ। এই সাফল্যের মধ্য দিয়ে পরিচালন দক্ষতা বৃদ্ধি, জাহাজের টার্নঅ্যারাউন্ড সময় কমানো এবং বাংলাদেশের মেরিটাইম খাতে আন্তর্জাতিক মানের কনটেইনার টার্মিনাল পরিচালনা নিশ্চিত করার প্রতি আরএসজিটি বাংলাদেশের ধারাবাহিক অঙ্গীকার আরও সুদৃঢ় হয়েছে।
বাংলাদেশের প্রথম আন্তর্জাতিক কনটেইনার টার্মিনাল অপারেটর হিসেবে আরএসজিটি বাংলাদেশ পরিচালনগত উৎকর্ষ নিশ্চিত করা, দেশের বন্দর অবকাঠামোর প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং বৈশ্বিক শিপিং লাইন ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
আরএসজিটি বাংলাদেশের প্রধান পরিচালনা কর্মকর্তা নাবিল ইউসুফ বলেন, আমাদের প্রতি সংশ্লিষ্ট সবার আস্থা ও বিশ্বাসকে আরএসজিটি বাংলাদেশ গভীরভাবে মূল্যায়ন করে। পরিচালন দক্ষতার নতুন মানদণ্ড প্রতিষ্ঠা, সর্বোচ্চ বৈশ্বিক মান বজায় রাখা এবং টেকসই প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করার অঙ্গীকারে আমরা অবিচল। এর মাধ্যমে বৈশ্বিক মেরিটাইম শিল্পে বাংলাদেশের অবস্থান আরও শক্তিশালী করতে আমরা কাজ করে যাচ্ছি।
আরটিভি/এমএম




