
রাজবাড়ীতে খাবার না পেয়ে মানসিক ভারসাম্যহীন ব্যক্তির হামলায় ফজের আলী (৫৫) নামে এক বাবুর্চির মৃত্যুর পর তার মহিলা সহকারী বাবুচি সোনাভান বিবিও (৪৫) মারা গেছেন।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসাপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
এর আগে শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) দৌলতদিয়া আনজুমান কাদেরিয়া খানকাহ শরিফের মাদরাসার রান্নাঘরে খাবার না পেয়ে বাবুর্চি ফজের আলীকে কাঠের চলা দিয়ে পিটিয়ে হত্যা করেন মানসিক ভারসাম্যহীন ওই ব্যক্তি। এ সময় ফজের আলীকে বাঁচাতে এগিয়ে আসে তার সহযোগি সোনাভান বিবি। এ সময় তাকেও পিটিয়ে মারাত্মক জখম কর করা হয়।
পরে স্থানীয়রা দুইজনকেই উদ্ধার করে গোয়ালন্দ উপজেলা হাসপাতালে নিলে কতর্ব্যরত চিকিৎসক ফজের আলী বাবুর্চিকে মৃত ঘোষণা করেন এবং মুমূর্ষু অবস্থায় সোনাভান বিবিকে প্রথমে ফরিদপুর মেডিকেলে ভর্তি করা হয়। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে রাতেই তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফাড করা হয়। সেখানে শনিবার বেলা ১১টার দিকে তার মৃত্যু হয়।
গোয়ালন্দ থানা পুলিশ দৌলতদিয়া ঘাটে মানসিক ভারসাম্যহীন ওই ব্যক্তিকে জনতার হাত থেকে বাঁচিয়ে চিকিৎসা দিয়ে হেফাজতে নিয়েছে।
তবে তার কোনো পরিচয় পুলিশ বা অন্য কেউ এখনও জানাতে পারেনি।
এদিকে অনেকেই বলেছেন, ওই ব্যক্তি প্রায়ই দৌলতদিয়া ঘাটের বিভিন্ন স্থানে মানুষের কাছ থেকে হাত পেতেই খেতেন। দীর্ঘদিন ধরে তাকে ঘাটেই দেখা যাচ্ছিল।
আরটিভি/এমএইচজে




