ঢাকা শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩

এইচএসসিতে কুড়িগ্রামের ৯ কলেজে পাস করেননি কেউ

কুড়িগ্রাম (দক্ষিণ) প্রতিনিধি, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:১৭ পিএম
মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, দিনাজপুর। ছবি: সংগৃহীত

কুড়িগ্রামে ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে বড় ধরনের বিপর্যয় ঘটেছে। জেলার ৯টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কোনো পরীক্ষার্থীই পাস করতে পারেননি। এসব প্রতিষ্ঠান থেকে মোট ৭০ জন পরীক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিলেও অকৃতকার্য হয়েছেন সবাই। দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের অধীনে আট জেলার মধ্যে একক জেলা হিসেবে কুড়িগ্রামেই সবচেয়ে বেশি ৯টি প্রতিষ্ঠানে শতভাগ ফেল করার ঘটনা ঘটেছে।

মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, দিনাজপুরের প্রকাশিত শূন্য শতাংশ (০%) পাসের কলেজের তালিকা বিশ্লেষণ করে এ তথ্য পাওয়া গেছে। বোর্ডের অধীনে আট জেলার মোট ৪৯টি প্রতিষ্ঠানে কোনো শিক্ষার্থী পাস করতে পারেননি।

শতভাগ অকৃতকার্য হওয়া কুড়িগ্রামের প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে—উলিপুর উপজেলার হযরত ফাতিমা (রা.) পৌর গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজে ৩ জন, চিলমারীর দক্ষিণ খাওরিয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজে ২ জন, রৌমারীর চর শৌলমারী আদর্শ মহিলা কলেজে ২৪ জন, নাগেশ্বরীর নাগেশ্বরী মডেল কলেজে ১৫ জন, রাজারহাটের সিঙ্গার ডাবরীহাট কলেজে ১০ জন, একই উপজেলার সিঙ্গার ডাবরীর হাট বি. এল. হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজে ৬ জন এবং পাঙ্গারানী লক্ষ্মীপ্রিয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজে ১ জন। এছাড়া নাগেশ্বরীর কুটি পেয়ারা ডাঙ্গা স্কুল অ্যান্ড কলেজে ৫ জন এবং চিলাখানা মডেল কলেজে ৪ জন পরীক্ষার্থীর সবাই অকৃতকার্য হয়েছেন।

শুধু এসব প্রতিষ্ঠান নয়, পুরো জেলার ফলাফলও হতাশাজনক। এবার কুড়িগ্রাম থেকে ১১ হাজার ৭২২ জন পরীক্ষার্থী—৫ হাজার ৬৮৩ জন ছাত্র ও ৬ হাজার ৩৯ জন ছাত্রী—পরীক্ষায় অংশ নেন। পাস করেছেন মাত্র ৪ হাজার ৭৭৩ জন। ফলে জেলার গড় পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৪০.৭২ শতাংশ। ছাত্রদের পাসের হার ৩৫ দশমিক ৯৫ শতাংশ, আর ছাত্রীদের ৪৫ দশমিক ২১ শতাংশ। জেলায় জিপিএ-৫ পেয়েছেন মাত্র ১৩৬ জন; এর মধ্যে ৫৯ জন ছাত্র ও ৭৭ জন ছাত্রী।

শিক্ষা সংশ্লিষ্টদের মতে, চরাঞ্চল ও সীমান্তবর্তী এলাকার এসব প্রতিষ্ঠানে প্রয়োজনীয় অবকাঠামোর ঘাটতি, শিক্ষক সংকট এবং শিক্ষার্থীদের নিয়মিত ক্লাসে অনুপস্থিতির কারণে ফলাফলে এমন বিপর্যয় ঘটেছে। দিনাজপুর বোর্ডের আট জেলার ফলাফলে ৪০.৭২ শতাংশ পাসের হার নিয়ে কুড়িগ্রাম ষষ্ঠ স্থানে রয়েছে।

কুড়িগ্রাম জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম বলেন, এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শতভাগ অকৃতকার্যের কারণ তদন্ত করে সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তরে প্রতিবেদন পাঠানো হবে।

আরটিভি/এমএইচজে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
সোনারগাঁয় বাকপ্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণ, ফুফা গ্রেপ্তার
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয় ১৩ বছর বয়সী এক বাকপ্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে তার আপন ফুফা আক্তার হোসেন ওরফে খাজাকে (৪৫) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
সোনারগাঁয় বাকপ্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণ, ফুফা গ্রেপ্তার
এইচএসসি পরীক্ষায় অকৃতকার্য, চিরকুটে শিক্ষককে দায় দিয়ে না ফেরার দেশে শিক্ষার্থী
সাতক্ষীরার তালা উপজেলায় এইচএসসি পরীক্ষায় অকৃতকার্য হওয়ার পর হৃদয় সরদার (১৯) নামের এক শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।  শনিবার (৩১ অক্টোবর) দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার ধানদিয়া ইউনিয়নের দক্ষিণ সারসা গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত হৃদয় দক্ষিণ সারসা গ্রামের রইচউদ্দীন সরদারের ছেলে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সদ্য প্রকাশিত এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে প্রত্যাশিত ফল না পেয়ে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন হৃদয়। পরিবারের সদস্যদের অজান্তে আজ দুপুরের দিকে নিজ বাড়িতে গলায় ফাঁস দেন তিনি। পরে বিষয়টি জানাজানি হলে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। এদিকে মরদেহের পাশ থেকে একটি চিরকুট উদ্ধার করা হয়েছে। সেখানে নিজের পরীক্ষার ফলাফল নিয়ে হতাশা ও শিক্ষককে দায় এবং মা-বাবার প্রতি অনুশোচনার কথা লিখেছে হৃদয়। চিরকুটে তিনি উল্লেখ করেছেন, পরীক্ষার ফলাফলের জন্য নিজেকে ক্ষমা করতে পারছে না। মা-বাবা তার জন্য অনেক ত্যাগ স্বীকার করেছেন এবং তিনিও ভালো ফলাফলের জন্য চেষ্টা করেছে। তবে ফলাফলের পেছনে পরীক্ষার হলের দায়িত্বরত শিক্ষকের ভুলের বিষয়টিও চিরকুটে উল্লেখ করেছেন এই শিক্ষার্থী। চিরকুটের শেষে মা-বাবার কাছে ক্ষমাও চেয়েছেন। স্থানীয় বাসিন্দা শেখ ইয়াসিন বলেন, খবরটি ছড়িয়ে পড়ার পর পুরো গ্রাম শোকে স্তব্ধ হয়ে গেছে। হৃদয় ভালো ছেলে ছিল। তার মৃত্যুর ঘটনায় এলাকায় শোকের পরিবেশ বিরাজ করছে। মরদেহের পাশ থেকে একটি চিরকুটও পাওয়া গেছে। পাটকেলঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তোফাজ্জল হোসেন জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করেছে। প্রাথমিক তদন্ত ও উদ্ধার করা চিরকুট পর্যালোচনা করে ঘটনাটি আত্মহত্যা বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। থানায় অপমৃত্যুর মামলা (ইউডি) দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। আরটিভি/এসআর
এইচএসসি পরীক্ষায় অকৃতকার্য, চিরকুটে শিক্ষককে দায় দিয়ে না ফেরার দেশে শিক্ষার্থী
৫০ লাখ চেয়ে হুমকি, ‘শরীর বোলতার বাসা বানিয়ে খেলা শুরু হবে’
সাব্বির ফোন করে নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে চাঁদার জন্য সময়সীমা বেঁধে দিতেন। চাঁদা দিতে রাজি না হলে লোক পাঠিয়ে হামলা কিংবা গুলির হুমকি দিতেন তিনি; হুমকি অনুযায়ী সশস্ত্র হামলাও করতেন।
৫০ লাখ চেয়ে হুমকি, ‘শরীর বোলতার বাসা বানিয়ে খেলা শুরু হবে’
সাজেকে দু’পক্ষের তীব্র গোলাগুলি, আতঙ্কে বাসিন্দারা
রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেকে জেএসএস ও ইউপিডিএফের সশস্ত্র কর্মীদের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে এ সংঘর্ষ চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। শনিবার (৩১ অক্টোবর) দুপুর ১টার দিকে কলাবুনিয়া এলাকার দুর্গম পাহাড়ে এ গোলাগুলি শুরু হয়। এতে আশপাশের এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। এর জেরেই শনিবার দুপুরে গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। উভয়পক্ষের মধ্যে থেমে থেমে গুলিবিনিময় হয়। তবে দুর্গম পাহাড়ি এলাকা হওয়ায় এখন পর্যন্ত হতাহতের কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে সাজেক থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তোফাজ্জল হোসেন বলেন, শনিবার দুপুর ১টা থেকে সাজেকের কলাবুনিয়ার দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় জেএসএস ও ইউপিডিএফের মধ্যে গোলাগুলি হয়। এলাকাটি অত্যন্ত দুর্গম হওয়ায় তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে পৌঁছানো সম্ভব হয়নি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশ ও যৌথ নিরাপত্তা বাহিনী ঘটনাস্থলে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। এদিকে গোলাগুলির ঘটনায় আশপাশের এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনী পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যেও উদ্বেগ ও আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। সর্বশেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত গোলাগুলিতে হতাহতের কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। আরটিভি/এসআর
সাজেকে দু’পক্ষের তীব্র গোলাগুলি, আতঙ্কে বাসিন্দারা
লোনাপানি কেন্দ্রের গবেষণা কার্যক্রম পরিদর্শন করলেন মহাপরিচালক
খুলনার পাইকগাছায় বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিএফআরআই) লোনাপানি কেন্দ্রের চলমান গবেষণা কার্যক্রম পরিদর্শন করেছেন প্রতিষ্ঠানটির মহাপরিচালক ড. মো. লতিফুল ইসলাম। শনিবার (৩১ অক্টোবর) সকালে তিনি কেন্দ্রের বিভিন্ন গবেষণা প্রকল্প ও চলমান কার্যক্রম ঘুরে দেখেন। এ সময় গবেষণার অগ্রগতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেওয়ার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞানীদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন। পরিদর্শনকালে মহাপরিচালক ড. মো. লতিফুল ইসলাম বলেন, লোনাপানি কেন্দ্রের চলমান গবেষণাগুলো সফলভাবে বাস্তবায়ন করা সম্ভব হলে অদূর ভবিষ্যতে দেশের মৎস্য চাষে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসবে। মৎস্যসম্পদের টেকসই উন্নয়ন, উৎপাদন বৃদ্ধি এবং চাষিদের জন্য নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবনে গবেষণার বিকল্প নেই। এ জন্য গবেষণার মান ও গতি বাড়ানোর পাশাপাশি উদ্ভাবিত প্রযুক্তির কার্যকর প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে। তিনি গবেষণা কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও ফলপ্রসূ করতে বিজ্ঞানীদের বিভিন্ন বিষয়ে পরামর্শ দেন। একই সঙ্গে চলমান গবেষণার ধারাবাহিকতা বজায় রাখা এবং নতুন নতুন গবেষণার মাধ্যমে দেশের মৎস্য খাতের সম্ভাবনাকে কাজে লাগানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন। এ সময় মহাপরিচালকের সফরসঙ্গী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইনস্টিটিউটের পরিচালক (প্রশাসন ও অর্থ) ড. মো. আমিরুল ইসলাম। আরও উপস্থিত ছিলেন লোনাপানি কেন্দ্রের কেন্দ্রপ্রধান ও প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. আজহার আলী, ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. দেবাশীষ কুমার মণ্ডল, ড. গোলাম সাজেদ রিয়ার ও ড. নূর-এ-রওশন। এ ছাড়া বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা গোলাম মোস্তফা, সায়মা সুলতানা সোনিয়া, মাসুদুর রহমান ও ফাল্গুনী বিশ্বাস, কম্পিউটার অপারেটর রাশেদুল হাসান, ক্ষেত্র সহকারী আব্দুল মতিন, খন্দকার সাকির হোসেন, মুশফিকুর রহমান ও সুকেশ বিশ্বাস, হিসাবরক্ষক শাহিনুর রহমান এবং কেয়ারটেকার হাশেম আলী উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, মহাপরিচালকের দায়িত্ব গ্রহণের পর ড. মো. লতিফুল ইসলামের এটি লোনাপানি কেন্দ্রের প্রথম পরিদর্শন। তবে এ কেন্দ্রের সঙ্গে তার সম্পর্ক দীর্ঘদিনের। মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ার আগে তিনি এ কেন্দ্রের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত ছিলেন। দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি এ কেন্দ্রের গবেষণা কার্যক্রমের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। তাঁর দীর্ঘ অভিজ্ঞতা ও গবেষণায় অবদানের মাধ্যমে কেন্দ্রটির গবেষণা কার্যক্রম এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। দীর্ঘদিনের কর্মস্থল লোনাপানি কেন্দ্রে মহাপরিচালক হিসেবে তার এ সফরকে কেন্দ্রের গবেষণা কার্যক্রমের জন্য তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা আশা করছেন, তার দিকনির্দেশনা ও অভিজ্ঞতার আলোকে ভবিষ্যতে এ কেন্দ্রের গবেষণা কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে এবং দেশের মৎস্যসম্পদ উন্নয়নে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হবে। আরটিভি/এমএইচজে
লোনাপানি কেন্দ্রের গবেষণা কার্যক্রম পরিদর্শন করলেন মহাপরিচালক
আরও পড়ুন
চট্টগ্রাম বোর্ডে এইচএসসি পাসের হার ১৫ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন
সোনালি ধানের দিন শেষ, কৃষককে বাঁচিয়ে দিতে পারে কালো ধান
যশোরে এইচএসসিতে পাসের হার ৪৪.৯২ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৩২২৮ জন
এইচএসসির ফলের অপেক্ষায় ১২ লাখ ৭০ হাজার পরীক্ষার্থী