ঢাকা শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩

সংবাদ সম্মেলনে স্ত্রীর দাবি

`রাষ্ট্রীয় সম্মাননা বর্জন করা মুক্তিযোদ্ধার সেই চিঠিটি তার লেখা নয়’

দিনাজপুর প্রতিনিধি, আরটিভি অনলাইন

প্রকাশ : ০৫ নভেম্বর ২০১৯, ০২:৫১ পিএম
সংবাদ সম্মেলনে মুক্তিযোদ্ধা ইসমাইল হোসেনের তৃতীয় স্ত্রী মর্জিনা বেগমসহ পরিবারের সদস্যরা

দিনাজপুরের আলোচিত প্রয়াত মুক্তিযোদ্ধা ইসমাইল হোসেন মৃত্যুর আগে রাষ্ট্রীয় সম্মাননা না নেওয়া বিষয়ে যে চিঠি লিখেছিলেন বলে খবর প্রকাশিত হয়েছিল তা তার লেখা নয়। ইসমাইল হোসেনের তৃতীয় স্ত্রী মোছা. মর্জিনা বেগম সংবাদ সম্মেলনে এমন দাবি করেন।

গতকাল সোমবার দুপুর ১২টায় দিনাজপুরের বোচাগঞ্জ উপজেলা পরিষদের ডাক বাংলোতে সংবাদ সম্মেলন করে ২৫ বছর সংসার জীবনের কথা তুলে ধরে নিজের সংসার ও জীবনের করুণ বাস্তবতা সাংবাদিকদের কাছে জানান তিনি।

প্রয়াত মুক্তিযোদ্ধা ইসমাইল হোসেনের তৃতীয় স্ত্রী মর্জিনা বেগমের পক্ষে তার ছেলে দশম শ্রেণির ছাত্র মো. মুছাদ্দেক হোসেন লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন।

লিখিত বক্তব্যে মর্জিনা বেগম জানান, আমি মরহুম বীর মুক্তিযোদ্ধা ইসমাইল হোসেনের তৃতীয় স্ত্রী মর্জিনা বেগম। আমার স্বামী বীর মুক্তিযোদ্ধার রাষ্ট্রীয় সম্মান থেকে বঞ্চিত করার বিষয়ে প্রকৃত সত্য ঘটনা প্রকাশ করছি।

মর্জিনা বেগম জানান, আমাদের বিয়ে হওয়ার পর ২৫ বছর ধরে আমরা দিনাজপুরের বোচাগঞ্জ উপজেলার সেতাবগঞ্জ বাজারে বসবাস করে আসছি। আমার স্বামীও বোচাগঞ্জের বৈধ ভোটার। তিনি সুস্থ থাকা অবস্থায় একটি বিমা কোম্পানিতে চাকরি করতেন। সেই চাকরির টাকা ও মুক্তিযোদ্ধা ভাতা দিয়েই আমাদের সংসার চলত। কিন্তু আমার স্বামী অসুস্থ হওয়ার পর সেই চাকরিও চলে যায় এবং সামান্য মুক্তিযোদ্ধার ভাতা দিয়েই আমাদের সংসার কোনোরকম করে চলত। মুক্তিযোদ্ধার ভাতা বৃদ্ধির আগে আমি অন্যের বাড়িতে ঝিয়ের কাজ করে সংসার চালিয়েছি। আমি স্বামী-সন্তান নিয়ে অনেক কষ্টে দিনাতিপাত করেছি।

তিনি বলেন, আমার স্বামীর মৃত্যুর পর জেনে অবাক হয়েছি যে, আমার স্বামী নাকি একটি চিঠি লিখে গেছেন। যেখানে বলে গেছেন, আমার মৃত্যুর পর তাকে যেন রাষ্ট্রীয় সম্মাননা দেওয়া না হয়! মৃত্যুর পর আমার স্বামীর প্রথম স্ত্রীর ছেলেরা হাসপাতালে এসে আমার স্বামীর মৃতদেহ তাদের গ্রামের বাড়িতে নিয়ে যায়। সঙ্গে থাকা মুক্তিযোদ্ধার সব কাগজপত্র, ব্যাংকের চেক বইসহ যাবতীয় কাগজ তারা নিয়ে যায়। আমি এবং আমার দুই সন্তানকে নিয়ে যখন আমার স্বামীর গ্রামের বাড়ি যাই, তখন সবাই বলাবলি করলে আমি জানতে পারি যে, আমার স্বামী নাকি এই বিষয়ে চিঠি লিখে গেছেন। অথচ আমার স্বামী আমার সন্তানদের গর্ব করে বলতেন, আমার মৃত্যুর পর আমার জানাজার আগে আমাকে পুলিশ বাহিনীর সদস্যরা সম্মান জানাবে এবং আমার কফিনের ওপর বাংলাদেশের পতাকা দেওয়া হবে।

লিখিত বক্তব্যে মর্জিনা বেগম বলেন, যে ব্যক্তি প্রতিনিয়তই এমন কথা বলত, সেই ব্যক্তি মৃত্যুর পর সম্মাননা গ্রহণ করবেন না এটা আমার বিশ্বাস হয় না। এটা একটা ষড়যন্ত্র হতে পারে উল্লেখ করে বলেন, জীবনের শেষ মুহূর্তে এসে তিনি এমন সিদ্ধান্তের কথা আমাকে জানাবেন না এটা মানতে পারছি না।

আমার স্বামীর প্রথম স্ত্রীর সন্তানের চাকরি কেড়ে নেওয়ার বিষয়ে তিনি এমন কঠিন সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে অবশ্যই আমাকে জানাতেন। কিন্তু আমার অসুস্থ স্বামী এরূপ কোনও কথা আমাকে বলেননি।

মুক্তিযোদ্ধার স্ত্রী মর্জিনা বেগম অভিযোগ করে বলেন, আমার স্বামীর প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে এবং তার ছেলেদের সঙ্গে দীর্ঘদিন কোনও যোগাযোগ ছিল না। প্রথম স্ত্রীর সন্তান চাকরি হারিয়েছে এমন কোনও কথাও বলেনি, দুঃখও প্রকাশ করেনি।

প্রথম স্ত্রীর সন্তানরা তার বাবার খোঁজ-খবর নিতেও কোনোদিন সেতাবগঞ্জ আসেনি।

আমার স্বামী হাঁপানির রোগী ছিল। প্রায় অসুস্থ হয়ে পড়তেন। কিন্তু অসুস্থ বাবার কোনও সংবাদ তারা নেয়নি।

---------------------------------------------------------------
আরো পড়ুন: এসপি-ডিআইজিকে দেওয়ার কথা বলে ওসির পরিচয়ে টাকা দাবি !
---------------------------------------------------------------

তিনি বলেন, আমার স্বামী গেল ২১ অক্টোবর অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে প্রথমে আমি বোচাগঞ্চ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাই। সেখানকার চিকিৎসক আমার স্বামীকে দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যেতে বলেন। আমি অ্যাম্বুলেন্সে করে আমার স্বামীকে দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাই। হাসপাতালে আমি এবং আমার দুই সন্তান সবসময় তার কাছে ছিলাম। এই সময় প্রথম পক্ষের কেউ তার সেবা-যত্ন করেনি। অথচ মৃত্যুর পর আমার সঙ্গে কোনও কথা না বলেই তারা গ্রামের বাড়ি নিয়ে আমার স্বামীকে মুক্তিযোদ্ধার প্রাপ্য সম্মান থেকে বঞ্চিত করে লাশ দাফন করেন।

মর্জিনা বেগম বলেন, যেদিন আমার স্বামীর কুলখানি হয় সেদিন আমাদের যেতে বলে এবং সেদিনই স্থানীয় এমপি, বিভাগীয় কমিশনার, দিনাজপুর জেলা প্রশাসকসহ অনেক গণ্যমান্য ব্যক্তি সেখানে উপস্থিত হন। কিন্তু প্রথম পক্ষের ছেলেরা আমাকে এবং আমার দুই সন্তানকে ঘরে বন্দি করে রাখে যাতে আমরা কারও সামনে গিয়ে কথা বলতে না পারি।

মর্জিনা বেগম চোখের পানি ফেলে বলেন, আমার স্বামীর মৃত্যুর আগে যাদের কোনও খবরই ছিল না তারাই আমার স্বামীর মৃত্যুর পর আমার স্বামীর মালিক হলো! আমার স্বামীকে দীর্ঘদিন ধরে সেবা-যত্ন করে আসছিলাম অথচ তার মৃত্যুর পর কোথায় জানাজা হবে, কোথায় কবর হবে, কখন কুলখানি হবে এসবের কোনও কিছুই আমাকে জানানো হলো না।

মর্জিনা বেগম দাবি করেন, প্রকাশিত চিঠি আমার স্বামীর লেখা নয়! হাসপাতালে যে শারীরিক অসুস্থতা নিয়ে তিনি জীবন-মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করছিলেন, সেখানে এত কথা বলার মতো বা লেখার মতো অবস্থা আমার স্বামীর কোনোভাবেই ছিল না। যে চিঠি নিয়ে বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় এতো হইচই হচ্ছে সেই চিঠিটি আমার স্বামীর লেখা নয়। এটা কেউ অসৎ উদ্দেশে নিজ স্বার্থ হাসিল করার জন্য এমনটা করেছেন।

মর্জিনা বেগম স্বামীর রাষ্ট্রীয় মর্যাদা থেকে বঞ্চিত করার বিষয়ে বলেন, আমার স্বামীকে যারা রাষ্ট্রীয় সম্মাননা থেকে বঞ্চিত করল তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত করে বিচার দাবি করছি। আমার স্বামীকে নিয়ে মিছিল-মিটিং হচ্ছে অথচ আমি স্বামীহারা হয়ে অনাহারে-অর্ধাহারে আছি আমার খোঁজও কেউ করেনি। আমার স্বামীর রাষ্ট্রীয় সম্মাননা যারা দিতে দিল না এবং আমার স্বামীকে চিকিৎসাসেবা হতে বঞ্চিত করল তাদের তদন্ত সাপেক্ষে বিচার দাবি করছি। সেইসঙ্গে আমার সন্তানের মুখের দিকে চেয়ে আমার স্বামীর মুক্তিযোদ্ধা ভাতা ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা প্রাপ্তির জন্য সরকার এবং জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন জানাচ্ছি।

জেবি

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
হবিগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি ইসমাঈল ও সম্পাদক জাহির
হবিগঞ্জ প্রেসক্লাবের ১৬ সদস্য বিশিষ্ট নতুন কার্যকরী কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে মো. ইসমাঈল হোসেন (স্বদেশ বার্তা) সভাপতি ও সায়েদুজ্জামান জাহির (আরটিভি) সাধারণ সম্পাদক হিসেবে মনোনীত হয়েছেন। আজ মঙ্গলবার দুপুরে হবিগঞ্জ প্রেসক্লাবের বার্ষিক সাধারণ সভা শেষে সকলের সর্বসম্মতিক্রমে প্রেসক্লাবের আজীবন সদস্য ও হবিগঞ্জ-৩ আসনের এমপি অ্যাডভোকেট আবু জাহির নতুন কমিটি ঘোষণা করেন। নতুন কমিটির অন্যান্যরা হলেন, সহ-সভাপতি আব্দুল মঈন টিপু (দৈনিক করতোয়া), যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শ্রীকান্ত গোপ (নিউজ ২৪ টিভি), কোষাধ্যক্ষ শরীফ চৌধুরী (ইসলামি টিভি), দপ্তর ও প্রকাশনা সম্পাদক এসএম সুরুজ আলী (এশিয়ান টিভি), ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মোহাম্মদ নূর উদ্দিন (জিটিভি)। আর কার্যনির্বাহী  সদস্য হিসেবে মনোনীত হয়েছেন, মনসুর উদ্দিন আহমেদ ইকবাল (ইত্তেফাক), মোহাম্মদ নাহিজ (বাংলাভিশন), মো. ফজলুর রহমান (দৈনিক জনতার এক্সপ্রেস), শোয়েব চৌধুরী (দেশ রূপান্তর), গোলাম মোস্তফা রফিক  (দৈনিক হবিগঞ্জ সমাচার), রাশেদ আহমদ খান (মানবজমিন), আলমগীর খান (বিটিভি), হারুনুর রশিদ চৌধুরী (এনটিভি), সৈয়দ এখলাছুর রহমান খান (যুগান্তর)। এর আগে প্রেসক্লাবের বিদায়ী কমিটির সভাপতি হারনুর রশিদের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ এখলাছুর রহমান খোকনের পরিচালনায় বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে বক্তব্য রাখেন ক্লাবের সিনিয়র সদস্য মনসুর উদ্দিন আহমেদ ইকবাল, গোলাম মোস্তফা রফিক, ফজলুর রহমান, মোহাম্মদ নাহিজ, মোহাম্মদ শাবান মিয়া প্রমুখ। এজে
হবিগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি ইসমাঈল ও সম্পাদক জাহির
ফরিদপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি ইমতিয়াজ, সম্পাদক নির্মলেন্দু
ফরিদপুর প্রেসক্লাবের দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। এতে ইমতিয়াজ হাসান রুবেল সভাপতি  এবং নির্মলেন্দু চক্রবর্তী শঙ্কর সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন। আজ মঙ্গলবার সকাল ৯টা থেকে দুপুর একটা পর্যন্ত ভোট গ্রহণ করা হয়। বিকেল তিনটা থেকে ভোট গণনা শুরু হয়। নির্বাচনে ৯১ জন সদস্যের মধ্যে ৮৪জন সদস্য ভোট দেন। দুই বছর মেয়াদী নতুন কমিটিতে সহ-সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন শেখ ফয়েজ আহমেদ, আমিনুর রহমান ও জুবায়ের জাকির। সহ-সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন শেখ মনির হোসেন, অর্থ সম্পাদক হয়েছেন জাকির হোসেন, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক হয়েছেন সঞ্জিব দাস, দপ্তর সম্পাদক হয়েছেন বি কে সিকদার, সাহিত্য ও সংস্কৃতি সম্পাদক হয়েছেন মাহবুব হোসেন। নির্বাহী সদস্য পদে নির্বাচিত হয়েছেন এস এম মনিরুজ্জামান, রুহুল আমিন, মনিরুল ইসলাম, শফিকুল ইসলাম, বিজয় পোদ্দার ও এম এ আজিজ। এজে
ফরিদপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি ইমতিয়াজ, সম্পাদক নির্মলেন্দু
দেশের উন্নয়নের সঙ্গে ইনস্যুরেন্স সেক্টরও এগিয়ে যাচ্ছে: মোরশেদ আলম (ভিডিও)
ন্যাশনাল লাইফ ইনস্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের চেয়ারম্যান আলহাজ মোরশেদ আলম এমপি বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ সব দিক থেকে এগিয়ে যাচ্ছে, সেই সঙ্গে ইনসুরেন্স সেক্টরও তার সঙ্গে তাল মিলিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে। মঙ্গলবার দুপুরে চট্টগ্রামের ফয়স লেকে ন্যাশনাল লাইফ ইনসুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের বৃহত্তর চট্টগ্রামের কর্মী সম্মেলন ও আনন্দ ভ্রমণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য তিনি এ কথা বলেন।   এ সময় আলহাজ মোরশেদ আলম বলেন, ইনসুরেন্স ব্যবসার ভবিষ্যৎ আছে। সরকার বীমা খাত নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে। ন্যাশনাল লাইফ সরকারকে বিরাট অংকের ট্যাক্স দিয়ে থাকে। ন্যাশনাল লাইফে ২০ হাজারের মতো লোক কাজ করে। অনুষ্ঠানে কোম্পানির মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা জামাল এম. এ. নাসের বলেন,  ন্যাশনাল লাইফ ধীরে ধীরে বড় হচ্ছে। সাড়ে সাতশ কোটি টাকার বীমা দাবীর টাকা পরিশোধ করেছে। এ সময় ন্যাশনাল লাইফের বিভিন্ন পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন তিনি।   অনুষ্ঠানে আলহাজ মোরশেদ আলমের সহধর্মিণী বিলকিস নাহার উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়াও কোম্পানির উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক খসরু চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন পরিচালক নাদের খান, ইঞ্জিনিয়ার আলী আহমদসহ কোম্পানির উধ্বর্তন কর্মকর্তারা। এজে/ এমকে
দেশের উন্নয়নের সঙ্গে ইনস্যুরেন্স সেক্টরও এগিয়ে যাচ্ছে: মোরশেদ আলম (ভিডিও)
নিটিং ব্যবসায়ীদের প্রতি মাসে ৮০০ কোটি টাকা লোকসান হচ্ছে
সময়মতো বায়াররা ক্রয়কৃত নিটিং পণ্যের মূল্য পরিশোধ না করায় নারায়ণগঞ্জে নিটিং ব্যবসায় মাসে ৮০০ কোটি টাকা লোকসান গুনছেন ব্যবসায়ীরা। এতে এই ব্যবসা থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছেন প্রায় অর্ধশতাধিক ব্যবসায়ী। সোমবার (৩০ ডিসেম্বর) সকালে ফতুল্লার বিসিক শিল্পনগরীতে অবস্থিত বাংলাদেশ নিটিং ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের ভবনে বার্ষিক প্রতিবেদন সভায় ব্যবসায়ীদের বক্তব্যে এ তথ্য উঠে এসেছে। এ সময় বক্তারা বলেন, ব্যবসায়ীদের মধ্যে ঐক্য না থাকায় কোনও কোনও ব্যবসায়ী কম মজুরিতে ওয়ার্ক অর্ডার নিচ্ছেন। যে মজুরিতে তারা অর্ডার নিচ্ছেন ওই মজুরিতে তাদের লাভ তো দূরের কথা প্রায় ৩ থেকে ৪ টাকা লোকসান গুনতে হয়। ফলে গত ছয় মাসে নারায়ণগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে প্রায় অর্ধশত নিটিং কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে বলে জানা গেছে। এ বিষয়ে বাংলাদেশ নিটিং ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সেলিম সারোয়ার বলেন, নিটিং ব্যবসায়ীদের মধ্যে ঐক্য নেই। ফলে কেউ কেউ গোপনে কম মজুরিতে কাজের অর্ডার নিচ্ছেন। ফলে মাসে প্রায় ৮০০ কোটি টাকা নিটিং ব্যবসায়ীদের লোকসান গুনতে হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, নিটিং ব্যবসায়ীদের মন্দা কাটিয়ে উঠতে নিটিং মূল্য নির্ধারণে ৭৮ সদস্য উপকমিটি গঠন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, সিনিয়র সহ-সভাপতি আবুল বাশার ও রকিবুল হাসান রাকিব, পরিচালক আবু বক্কর সিদ্দিক, নিজাম মুন্সি, নির্মল চন্দ্র রায়সহ আরও অনেকে। এজে
নিটিং ব্যবসায়ীদের প্রতি মাসে ৮০০ কোটি টাকা লোকসান হচ্ছে
কথা বলুন আপনার ওসির সঙ্গে
‘কথা বলুন আপনার ওসির সঙ্গে। আপনার যে কোনও সমস্যা নির্ভয়ে বলুন।’ জনসম্মুখে এমনই ব্যতিক্রমধর্মী অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছেন লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জসীম উদ্দীন। সোমবার (৩০ ডিসেম্বর) দত্তপাড়া ইউনিয়নের আজিজিয়া মাদ্রাসার সামনে ও চন্দ্রগঞ্জ বাজারে ‘কথা বলুন আপনার ওসির সাথে’ এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এ সময় বাজারে আগত জনসাধারণের মধ্যে অনেকে সরাসরি ওসির কাছে তাদের সমস্যা তুলে ধরেন। ওসি জসীম উদ্দীন তাদের সমস্যা লিখে নেন এবং সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দেন। তিনি বলেন, তাদের থানা এলাকায় চুরি, ডাকাতি, সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজি, যৌন হয়রানি, মাদক এ বিষয়ে কাউকে ছাড় দেয়া হবে না। এ সময় তিনি পুলিশকে সহযোগিতা করার জন্য সবার প্রতি আহ্বান জানান। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন চন্দ্রগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. মফিজ উদ্দিন ও চন্দ্রগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. আলী হোসেন। এজে
কথা বলুন আপনার ওসির সঙ্গে
আরও পড়ুন
এমপি লিটনের মৃত্যুর তিন বছর আজ
কাজে যাওয়া হলো না গোলাপের
মাদরাসা থেকে রশি বেয়ে পালানোর সময় ছাত্রের মৃত্যু
রামুতে মাটির ঘরের দেয়াল ধসে গৃহবধূর মৃত্যু