
গাজীপুরের টঙ্গীতে গেল সোমবার দুপুরে উচ্ছেদের পর বিকেলেই তুরাগ তীরে দোকানিরা দখল করে ব্যবসা শুরু করেছে। এর আগে সোমবার সকাল থেকে গাজীপুর জেলা প্রশাসন ও বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড যৌথভাবে ওই উচ্ছেদ কার্যক্রম শুরু করে। তা চলে দুপুর পর্যন্ত। ভ্রাম্যমাণ আদালতে নেতৃত্ব দেন টঙ্গী রাজস্ব সার্কেলের সহকারী কমিশনার (ভূমি) এ.কে.এম গোলাম মোর্শেদ খান।
এ সময় বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মো. সাজ্জাদ হোসেন, উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো.হুমায়ূন কবির, মো. মোস্তাফিজুর রহমান, কার্য সহকারী সুদর্শন দাস, পুলিশ ও আনসার সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
এদিন বিকেলেই সরেজমিনে টঙ্গীর নদীবন্দর এলাকায় ব্যবসায়ীদের তুরাগ তীর দখল করে আবার ব্যবসা শুরু করেছে। তাদের একজন বলেন, মিলন ও রবিন পানি উন্নয়ন বোর্ডকে খাজনা দেওয়ার কথা বলে প্রতি দোকান থেকে ১০০ টাকা করে নিয়ে তুরাগ তীরে দোকান বসানোর অনুমতি দেয়। তবে মিলন বা রবিনদের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মো. সাজ্জাদ হোসেন আরটিভি অনলাইনকে জানান, ৬৪ জেলায় নদ-নদী, খাল, ছড়াসহ অন্যান্য সরকারি জলাধার তীরবর্তী অবৈধ স্থাপনা-দখলদারদের তালিকা অনুযায়ী উচ্ছেদ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। সোমবার টঙ্গী বাজার (নদী বন্দর) এলাকার তুরাগ পাড়ে অবৈধভাবে গড়ে উঠা শতাধিক দোকানপাট উচ্ছেদ করা হয়েছে।
তারপরও যদি কেউ ওই জমিতে দোকানপাট গড়ে তুলে দখল করে ব্যবসা শুরু করে তবে আবার তা উচ্ছেদ চালানো হবে। মঙ্গলবার জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে এসব নিয়ে সভা হবে। সেখানে বিষয়টি উত্থাপন করা হবে এবং তাদের বিরুদ্ধে স্থায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে। তবে পানি উন্নয়ন বোর্ড থেকে ওই জমি কাউকে লিজ দেয়া হয়নি এবং এ সংস্থা থেকে ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে টাকা আদায় করে না। কেউ যদি পানি উন্নয়ন বোর্ডের কথা বলে টাকা উত্তোলন করে তা খতিয়ে দেখা হবে এবং তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে সারা দেশে সোমবার থেকে এ ধরনের উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়েছে। অবৈধ দখলদার উচ্ছেদ অভিযান অব্যাহত থাকবে।
জেবি




