ঢাকা রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩
ছাগল খুঁজতে গিয়ে চিতা বাঘের মুখোমুখি শরীফা বেগম
ছাগল খুঁজতে গিয়ে চিতা বাঘের মুখোমুখি শরীফা বেগম
শরীফা বেগমের ছয়টি ছাগল। গোচারণভূমিতে চরা শেষে প্রতিদিন ঘরে ফিরে আসে ছাগলের দল। ২৫ অক্টোবর শরীফা বেগম খেয়াল করেন ছয়টির মধ্যে ফিরেছে পাঁচটি। অন্য ছাগলটির সন্ধানে সীমান্তের কাছে গেলেই পড়েন চিতা বাঘের সামনে। বাঘটির আক্রমণে আহত হন শরীফা বেগম। তাকে উদ্ধার করতে এসে আহত হয় আরও দুজন।
৫ বছরের শিশুকে ধর্ষণের দায়ে যে সাজা পেলেন আলমগীর
৫ বছরের শিশুকে ধর্ষণের দায়ে যে সাজা পেলেন আলমগীর
২৪ ঘণ্টায়ও উদ্ধার হয়নি আমঝোল সীমান্তে হামলাকারী সেই ভারতীয় বাঘ
২৪ ঘণ্টায়ও উদ্ধার হয়নি আমঝোল সীমান্তে হামলাকারী সেই ভারতীয় বাঘ
আমঝোল সীমান্তে ভারতীয় বাঘের আক্রমণ, নারীসহ আহত ৩
আমঝোল সীমান্তে ভারতীয় বাঘের আক্রমণ, নারীসহ আহত ৩
বাংলাদেশি কৃষকদের ধাওয়ায় ‘লেজ গুটিয়ে’ পালাল বিএসএফ সদস্যরা!
বাংলাদেশি কৃষকদের ধাওয়ায় ‘লেজ গুটিয়ে’ পালাল বিএসএফ সদস্যরা!
তিস্তার ভাঙনে দিশেহারা কৃষক, স্বপ্নের ধান খাওয়ানো হচ্ছে গরুকে
তিস্তার ভাঙনে দিশেহারা কৃষক, স্বপ্নের ধান খাওয়ানো হচ্ছে গরুকে
একই আঙিনায় মসজিদ-মন্দির, ১১১ বছরের সহাবস্থানে সম্প্রীতির নজির
একই আঙিনায় মসজিদ-মন্দির, ১১১ বছরের সহাবস্থানে সম্প্রীতির নজির
শাকক্ষেত দেখতে যাওয়া স্কুলছাত্রীকে ভুট্টাক্ষেতে নিয়ে পাসুন দেখান নুরনবী, অতঃপর... 
লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের মামলায় মো. নুরনবী নামে এক আসামিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড- অনাদায়ে আরও তিন মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এ মামলায় অপর দুই আসামি নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় খালাস দিয়েছেন আদালত। সোমবার (১২ অক্টোবর) দুপুরে এ রায় ঘোষণা করেন লালমনিরহাট শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইবুনালের বিচারক নিত্যানন্দ সরকার।  আদালতের রায়ের নথি অনুযায়ী, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ৯(১) ধারায় অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আসামি মো. নুর নবীকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এ ছাড়া পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২-এর ৮(১) ধারায় তাকে তিন বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ৩০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড- অনাদায়ে আরও দুই মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একই আইনের ৮(৩) ধারায় দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড- অনাদায়ে আরও এক মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। আদালতের আদেশ অনুযায়ী, এসব সাজা একইসঙ্গে চলবে। অন্যদিকে একই মামলার অপর দুই আসামি মো. মোবারক আলী ও মো. বেলাল হোসেনের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাদের খালাস দেওয়া হয়েছে। এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ২০১৫ সালে ভুক্তভোগীর বাবা লালমনিরহাটের হাতিবান্ধা থানায় মামলা করেন। মামলার বাদী উল্লেখ করেন, আসামি নুরনবী ও রাকিবুল ইসলাম আমার মেয়েকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে ভিডিও ধারণ করে। পরবর্তীতে সেই ভিডিও দেখিয়ে অজ্ঞাতনামা আরও ২-৩ জন কু-প্রস্তাব দেয়। পরে বিষয়টি জানতে পেরে হাতিবান্ধা থানায় লিখিত অভিযোগ করি। এ বিষয়ে রাস্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট লুৎফর রহমান বলেন, আমরা এ রায়ে সন্তুষ্ট বিজ্ঞ আদালত ন্যায় বিচার দিয়েছেন। এ ন্যক্কারজনক ঘটনায় ভিক্টিমকে তার বাবা শাকক্ষেত দেখতে পাঠিয়েছিল, সেখান থেকে ভিক্টিমকে ভুট্টাক্ষেতে নিয়ে যায় আসামি নুরনবী। পরে পাসুন (জমিতে ছোটখাটো চাষ দিতে এবং ফসল বা বাগানের আগাছা পরিষ্কার বা নিড়ানি দেওয়ার কাজে ব্যবহৃত হয়) নামক অস্ত্র দেখিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে ভিডিও ধারণ করে। ১৯ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে এ মামলার রায় দিয়েছে আদালত। এ রায়ে সমাজের অপরাধপ্রবণতা কমে যাবে। এ ঘটনায় বাদীপক্ষ নুরুল হকের সঙ্গে যোগাযোগ করলেও কোনো মতামত পাওয়া যায়নি। আরটিভি/এমএইচজে
আরও