ঢাকা রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩

সমাবেশ ঘিরে কোনো আতঙ্ক নেই : ডিবিপ্রধান

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১০ ডিসেম্বর ২০২২, ০১:১৪ পিএম

পুলিশের কড়া নজরদারির ফলে সমাবেশ ঘিরে আতঙ্ক কেটে গেছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) প্রধান মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ।

তিনি বলেন, সমাবেশ ঘিরে যে আতঙ্ক ছিল, তা আর এখন নেই। নির্বিঘ্নে সমাবেশে আসতে ও যেতে পারছে বিএনপি কর্মীরা। কাউকে আটক করা হচ্ছে না ও বাধা দেওয়া হচ্ছে না।

শনিবার (১০ ডিসেম্বর) সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, শান্তিপূর্ণ সমাবেশ হলে পুলিশ সহায়তা করবে। তবে কেউ নাশকতার চেষ্টা করলে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। যেহেতু এটি বৈধ সমাবেশ, তাই সমাবেশ শেষ করে বিএনপি চলে যেতে পারে।

বিশৃঙ্খলা এড়াতে নগরজুড়ে ৩২ হাজার পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

বিএনপির গণসমাবেশকে ঘিরে রাজধানীর রাস্তাঘাট প্রায় ফাঁকা। সড়কে যানবাহনের পাশাপাশি পথচারীর উপস্থিতিও তেমন একটা দেখা যায়নি। মোড়ে মোড়ে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে পুলিশ।

এদিকে সমাবেশ থেকে বিএনপি যেন বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না করতে পারে, সেজন্য রাজধানীর বিভিন্ন মোড়ে পুলিশ সদস্যরা সর্তক অবস্থানে রয়েছেন। রাজধানীর প্রবেশ পথগুলোতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের তৎপর দেখা গেছে।

আজও পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে রাজধানীর পল্টন এলাকা। নয়াপল্টনের নাইটিঙ্গেল মোড় থেকে ফকিরাপুল মোড় পর্যন্ত রাস্তা ব্যারিকেড দিয়ে বন্ধ রেখেছে পুলিশ। কাউকে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না। এ ছাড়াও যারা ওই এলাকার বাসিন্দা, তাদেরকেও বিকল্প সড়ক ব্যবহার করতে হচ্ছে।

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
থার্টি ফার্স্ট নাইটে ছিনতাইয়ের পরিকল্পনা, গ্রেপ্তার ২৫ 
ইংরেজি নববর্ষ উদযাপন উপলক্ষে থার্টি ফার্স্ট নাইটে রাজধানীতে নাশকতা, বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির মাধ্যমে ছিনতাইয়ের পরিকল্পনা নিয়ে সক্রিয় হওয়া একটি ছিনতাইকারী চক্রের মূলহোতাসহ ২৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। শুক্রবার (৩০ ডিসেম্বর) দুপুরে রাজধানীর টিকাটুলিতে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান র‌্যাব-৩ এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আরিফ মহিউদ্দিন আহমেদ। তিনি বলেন, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকে রাত পর্যন্ত রাজধানীর পল্টন, মতিঝিল, শাহবাগ, মুগদা, ওয়ারী, খিলগাঁও ও শাহজাহানপুর এলাকায় একযোগে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে র‌্যাব-৩। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন— মো. সুজন ফকির (২০), ইউসুফ ঘরামী (২৪), মো. শুভ (২৬), মো. সবুজ (২০), মো. রাজ্জুল মোল্লা (৩৫), মো. হাবিবুর রহমান (২০), মো. মিলন (৩০), মো. স্বপন (২৮), মো. আল আমিন (২১), মো. সিদ্দিকুর রহমান টুটুল ওরফে কালু (২৮), মো. রফিক (৩৬), মো. জাকির (৩০), মো. রুবেল আলম (২৬), মো. সজল (২৫), মো. নুরা (২২), মো. ইব্রাহীম খলিল (২৫), মো. সেলিম রেজা (২৮), মো. আজিম (২৪), মো. মোজ্জাম্মেল হোসেন (২৬), মো. মানিক হোসেন (২৫), মো. শামীম আলী (৩০), ওমর আলী ওরফে মিলন (৪০), মো. রনি (৩৩), মো. রুবেল (৩২) ও মো. জাহাঙ্গীর আলম (৩৮)। র‍্যাবের এই কর্মকর্তা বলেন, রাজধানীর লঞ্চঘাট, বাসস্ট্যান্ড, রেল স্টেশন, রেস্টুরেন্টসহ বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আশপাশে ও অলিগলিতে ওঁৎ পেতে থাকে ছিনতাইকারী চক্রের সদস্যরা। সন্ধ্যা থেকে ভোর পর্যন্ত ছিনতাইকারীরা বেপরোয়া হয়ে ওঠে এবং সুযোগ পেলেই তারা সর্বস্ব লুট করে।  আরিফ মহিউদ্দিন বলেন, ছিনতাইকারী চক্রের সদস্যদের মধ্যে প্রায় সবার বিরুদ্ধেই মাদক ও ছিনতাইসহ একাধিক মামলা রয়েছে। এর আগেও তারা গ্রেপ্তার হয় এবং জামিন পেয়ে আবারও একই অপরাধে জড়িয়ে পড়ে। র‍্যাব-৩ এর অধিনায়ক আরও বলেন, গ্রেপ্তারকৃতদের কাছ থেকে সুইচ গিয়ার, চাকু, এন্টিকাটার, কাঁচি, ব্লেড, মোবাইল ফোন এবং নগদ টাকাসহ বিপুল পরিমাণ দেশীয় অস্ত্র জব্দ করা হয়েছে। রাজধানীতে ছিনতাইকারী চক্রের বিরুদ্ধে সাঁড়াশি অভিযান অব্যাহত থাকবে।
থার্টি ফার্স্ট নাইটে ছিনতাইয়ের পরিকল্পনা, গ্রেপ্তার ২৫ 
রাজধানীতে মাদকবিরোধী অভিযানে গ্রেপ্তার ৪৪ 
রাজধানীতে মাদকবিরোধী অভিযানে ৪৪ জনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। শুক্রবার (৩০ ডিসেম্বর) সকালে ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগ থেকে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। ডিএমপি জানায়, নিয়মিত মাদকবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে বৃহস্পতিবার ভোর ৬টা থেকে শুক্রবার ভোর ৬টা পর্যন্ত রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় গ্রেপ্তারকৃতদের কাছ থেকে ৮ হাজার ৪৫১ পিস ইয়াবা, ৩১ দশমিক ২ গ্রাম হেরোইন, ১৬০ বোতল ফেনসিডিল ও ১৫ কেজি ৪২০ গ্রাম গাঁজা জব্দ করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ৩১টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
রাজধানীতে মাদকবিরোধী অভিযানে গ্রেপ্তার ৪৪ 
থাকেন ভারতে, ডাকাতি করেন বাংলাদেশে
২০১২ সালে সিলেটে ডাকাতি করতে গিয়ে পুলিশের সঙ্গে গোলাগুলিতে পা হারিয়ে তিনি পরিচিত ‘ল্যাংড়া হাসান’ নামে। এরপরে আশ্রয় নেন ভারতে। সেখানে বসে দেশের বিভিন্ন এলাকার সোনার দোকানে নিশানা করতেন। তার সহযোগীদের থেকে সেসব দোকানের বিস্তারিত তথ্য নিয়ে ডাকাতির প্রস্তুতি নিতেন। সব ঠিকঠাক হলে ল্যাংড়া হাসান ভারত থেকে এসে ডাকাতিতে যোগ দিতেন। ওই ডাকাত দলের আট সদস্যের মধ্যে বুধবার (২৮ ডিসেম্বর) রাতে ঢাকা ও আশপাশের এলাকা থেকে হাসানসহ ছয়জনকে গ্রেপ্তারের কথা জানিয়েছে পুলিশ। এ তথ্য জানিয়েছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। গ্রেপ্তার অন্যরা হলেন মো. আরিফ (২৬), মো. আইনুল হক ওরফে ভোলা (৪২), মো. সাইফুল ইসলাম মন্টু (৪৫), মো. আনসার আলী (৫০), মো. শাহীন (৩৫)। গোয়েন্দা পুলিশ বলছে, হাসান জমাদ্দার ওরফে ল্যাংড়া হাছান দীর্ঘ ১০ বছর ধরে ডাকাতির সঙ্গে জড়িত। মূলত সে ভারতে বসে সহযোগিদের সহায়তায় বিভিন্ন এলাকার স্বর্ণের দোকানে ডাকাতির পরিকল্পনা করতো। গত ১০ বছরে ৩০টির বেশি ডাকাতি করেছে ল্যাংড়া হাসানের দল। এ সময় তাদের কাছ থেকে ডাকাতিতে ব্যবহৃত একটি পিস্তল, দুই রাউন্ড গুলি, পাঁচটি চাপাতি উদ্ধার করা হয়। বৃহস্পতিবার দুপুরে (২৯ ডিসেম্বর) ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে গোয়েন্দা প্রধান অতিরিক্ত কমিশনার হারুন অর রশীদ বলেন, ল্যাংড়া হাসান ভারতে বসে সহযোগীদের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন এলাকার স্বর্ণের দোকান টার্গেট করত। এরপর ডাকাতির আগে তারা সেই দোকানের আশপাশে একটি বাসা ভাড়া নেয়। তারপর ডাকাত দলের সদস্যরা দোকানের আশপাশে রেকি করে প্রস্তুতি নিতো। সব কিছু ঠিক হলে হাসান ভারত থেকে এসে দলে যোগ দেয়। প্রথমে বোমা ফাটিয়ে ও গুলি করে আতঙ্ক সৃষ্টি করে ৬ থেকে ৭ মিনিটের মধ্যে দোকানের স্বর্ণালঙ্কার লুট করে আগে থেকে ঠিক করে রাখা গাড়িতে করে পালিয়ে যেতো। তিনি বলেন, এই চক্রটি ডাকাতির মালামাল কোথায় বিক্রি করে সেই তথ্য আমরা পেয়েছি। আপনারা জানেন পুরান ঢাকার তাঁতিবাজারে কিছু চক্র রয়েছে যারা এই সকল মালামাল কিনে থাকেন। আমরা মালিক সমিতিকে অনুরোধ করবো এই সকল অসাধু চক্রকে প্রশ্রয় দেবেন না। তারা এসব মালামাল কেনার কারণেই এই সকল দুর্ধর্ষ চক্র ডাকাতি করছে। আমরা অনেকের নাম পেয়েছি। আমরা তাদেরও আইনের আওতায় আনবো। ল্যাংড়া হাসান ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে কোন প্রক্রিয়ায় ভারতে যেতো জানতে চাইলে হারুন অর রশীদ বলেন, তার পাসপোর্ট ইমিগ্রেশন থেকে ব্লক করে রাখা। তাই সে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে পালিয়ে যেত। একইভাবে আবার ফিরে আসতো। সে ২০০৮ সাল থেকে ডাকাতি করে আসছে। তার আশ্রয়দাতাদের বিষয় খোঁজ খবর নেওয়া হবে। ভারতে সে কিভাবে নাগরিক হলো সে বিষয় আমরা লোক পাঠিয়ে খোঁজ করবো। গ্রেপ্তার চক্রের সদস্যদের স্বীকারোক্তির কথা উল্লেখ করে হারুন বলেন, চক্রটি হাসানের নেতৃত্বে সারাদেশে ২৫ থেকে ৩০টি ডাকাতি করেছে। এই ডাকাতির মাধ্যমে হাজার হাজার ভরি স্বর্ণ ছিনিয়ে নিয়েছে। উল্লেখ্য, চক্রটি সম্প্রতি কেরানীগঞ্জে ডাকাতি করার পরে ফেনীতে ডাকাতি করে। সেখানে ডাকাতির সময়ে একজনকে গুলিও করে তারা। সেই ব্যক্তি পরে মারা গেছেন। খিলগাঁও এলাকায় ডাকাতির ঘটনায় রামপুরা থানায় ডাকাতি ও অস্ত্র আইনে দুটি মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে জানান কর্মকর্তারা।
থাকেন ভারতে, ডাকাতি করেন বাংলাদেশে
ঢাকায় মাদকবিরোধী অভিযানে গ্রেপ্তার ৩২
রাজধানীতে মাদকবিরোধী অভিযানে ৩২ জনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। বুধবার (২৮ ডিসেম্বর) সকালে ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগ থেকে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। ডিএমপি জানায়, নিয়মিত মাদকবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে মঙ্গলবার ভোর ৬টা থেকে বুধবার ভোর ৬টা পর্যন্ত রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় গ্রেপ্তারকৃতদের কাছ থেকে ৩ হাজার ৭৩৫ পিস ইয়াবা ও ৮ কেজি ৭৬০ গ্রাম গাঁজা জব্দ করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ২৩টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
ঢাকায় মাদকবিরোধী অভিযানে গ্রেপ্তার ৩২
জঙ্গি ছিনতাই : ‘সাবেক রেলমন্ত্রী সুরঞ্জিতের এপিএস ফারুক জড়িত’
ঢাকার আদালত থেকে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুই জঙ্গিকে ছিনতাইয়ের ঘটনায় সাবেক রেলমন্ত্রী সুরঞ্জিত সেন গুপ্তের এপিএস ওমর ফারুক তালুকদার জড়িত বলে জানিয়েছে পুলিশ। ৬ দিন আগে তাকে গ্রেপ্তার করে ২ দফায় ৪ দিন রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের কাউন্টার টেররিজম ইনভেস্টিগেশন বিভাগ। মঙ্গলবার (২৭ ডিসেম্বর) ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম) মো. আসাদুজ্জামান এ তথ্য গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন।    তিনি বলেন, ঘটনার আগে-পরের প্রযুক্তিগত তথ্য পর্যালোচনায় দেখা গেছে, ওমর ফারুক আবু সিদ্দিক সোহেল ও মোজাম্মেল হোসেনের স্ত্রীদের সঙ্গে কথা বলেছেন। আদালত প্রাঙ্গণ থেকে এই দু্ই জঙ্গিকে ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় তার সংশ্লিষ্টতা রয়েছে। যদিও পুলিশের এমন অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ওমর ফারুকের আইনজীবী মো. আবদুল আওয়াল। উল্লেখ্য, গত ২০ নভেম্বর ঢাকার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (সিজেএম) আদালতের প্রধান ফটকের সামনে পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত জঙ্গি আবু সিদ্দিক সোহেল ও মোজাম্মেল হোসেনকে ছিনিয়ে নেন তাদের সঙ্গীরা। এ ঘটনায় কোতোয়ালি থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করে পুলিশ।
জঙ্গি ছিনতাই : ‘সাবেক রেলমন্ত্রী সুরঞ্জিতের এপিএস ফারুক জড়িত’
আরও পড়ুন
ইসলামে জঙ্গিবাদের স্থান নেই : তাজুল ইসলাম
সভা-মিছিলের নামে নাশকতা করলে ছাড় নয় : খুলনা রেঞ্জের ডিআইজি
আমরা সরকারের পতন ঘটাতে চাই: গয়েশ্বর
চতুর্থ গণবিজ্ঞপ্তিতে আবেদনের সুযোগ চেয়ে ইনডেক্সধারীদের গণসমাবেশ