
টেন্ডার পাইয়ে দেয়ার লোভ দেখিয়ে ঘুষ নেয়ার সময় হাতেনাতে গ্রেপ্তার হয়েছেন নরসিংদী ১০০ শয্যার জেলা হাসপাতালের প্রধান সহকারী কাম হিসাবরক্ষক মো. আশরাফুল ইসলাম পাঠান।
আজ মঙ্গলবার বিকেল ৩টার দিকে হাসপাতালের নিজ দপ্তরেই এ ঘটনা ঘটে।
ওই সময় আশরাফুল ইসলাম পাঠানের সঙ্গে থাকা তার এক সহযোগীকেও গ্রেপ্তার করা হয়। ওই সহযোগীর নাম রেজাউল করিম। তিনি একই হাসপাতালের মেডিকেল টেকনোলজিস্ট।
দুর্নীতি দমন কমিশনের(দুদক) বিভাগীয় পরিচালক নাসিম আনোয়ারের তত্ত্বাবধানে এবং সমন্বিত জেলা কার্যালয় ঢাকা-২ এর উপ-পরিচালক মোহাম্মদ মোরশেদ আলমের নেতৃত্বে আট সদস্যের একটি বিশেষ টিম তাদের হাতেনাতে গ্রেপ্তার করে।
দুদক সূত্রে জানা গেছে, টেন্ডার পাইয়ে দেয়ার লোভ দেখিয়ে মো. নাসির মিয়া নামে এক ব্যক্তির কাছে আড়াই লাখ টাকা ঘুষ দাবি করেন আশরাফুল ইসলাম পাঠান।
এর আগে তিনি এক লাখ ৩০ হাজার টাকা ঘুষ আদায় করেন। আজ এক লাখ টাকা দেয়ার দিন ধার্য ছিল।
বিষয়টি দুদকের হটলাইন- ১০৬ এ অভিযোগ করেন নাসির মিয়া।
পরে সব আইনানুগ প্রক্রিয়া শেষে ঘুষ গ্রহণকারীকে গ্রেপ্তারের জন্য দুদক একটি বিশেষ টিম গঠন করে।
টিমের সদস্যরা আজ দুপুর থেকেই মোহাম্মদ মোরশেদ আলমের নেতৃত্বে হাসপাতালের চারদিকে ওৎ পেতে থাকে।
বিকেল ৩টার দিকে ঘুষ গ্রহণের সময় আশরাফুল ইসলাম পাঠানকে ঘুষের এক লাখ টাকাসহ হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা হয়। এসময় ঘুষ গ্রহণে সহযোগিতা এবং ঘুষের টাকা লুকানোর চেষ্টার অভিযোগে রেজাউল করিমকেও গ্রেপ্তার করা হয়।
দুদকের সহকারী পরিচালক মো. ফজলুল বারী বাদী হয়ে এ বিষয়ে নরসিংদী সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।
এসআর/সি




