ঢাকা বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩

দেশে প্রথমবার কলমসদৃশ আগ্নেয়াস্ত্র ‘পেনগান’ উদ্ধার

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:০৩ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

‘পেনগান’ নামে পরিচিত কলমের মতো দেখতে বিপজ্জনক আগ্নেয়াস্ত্র প্রথমবারের মতো ঢাকার কেরানীগঞ্জ এলাকা থেকে উদ্ধার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

পুলিশ গণমাধ্যমকে জানায়, গত ৩ এপ্রিল পুরান ঢাকার নয়াবাজার এলাকায় যুবদল নেতা রাসেলের ওপর গুলিবর্ষণের ঘটনায় এই অস্ত্র ব্যবহার করা হয়। ওইদিন রাতে পার্ক এলাকায় অবস্থানকালে দুর্বৃত্তরা তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালালে একটি গুলি তার বুকের বাম পাশে লাগে। হামলার পরপরই অভিযুক্তরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় কোতোয়ালি থানায় চারজনকে আসামি করে হত্যাচেষ্টা মামলা করা হয়েছে।

তদন্তে নেমে পুলিশ সায়মন ও সোহেল ওরফে কাল্লু নামে দুজনকে গ্রেপ্তার করে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদে কেরানীগঞ্জ থেকে ‘পেনগান’ উদ্ধার করা হয়। তারা জানিয়েছে, প্রায় ৮০ হাজার টাকায় অস্ত্রটি সংগ্রহ করা হয়েছিল।

ডিবি কর্মকর্তারা বলেন, ছোট আকারের হওয়ায় এই অস্ত্র সহজেই পকেট বা ব্যাগে লুকিয়ে বহন করা যায়, যা তল্লাশির সময় অনেক ক্ষেত্রে চোখ এড়িয়ে যেতে পারে। এটি মূলত স্বল্প দূরত্বে গুলি ছোড়ার উপযোগী একটি বিশেষ ধরনের ক্ষুদ্র আগ্নেয়াস্ত্র।

আরও পড়ুন

এ বিষয়ে ডিবির যুগ্ম কমিশনার (দক্ষিণ) মো. নাসিরুল ইসলাম গণমাধ্যমকে জানান, উদ্ধারকৃত অস্ত্রটিতে কোনো নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের নাম বা চিহ্ন পাওয়া যায়নি। ফলে এর উৎস এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি, তবে ধারণা করা হচ্ছে এটি পার্শ্ববর্তী কোনো দেশ থেকে দেশে এসেছে। রাজধানীতে এর আগে এ ধরনের অস্ত্র ব্যবহারের তথ্য নেই বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

অন্যদিকে ডিবির লালবাগ বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার নূরে আলম গণমাধ্যমকে বলেন, অস্ত্রটি কীভাবে দেশে প্রবেশ করেছে এবং কারা এর সরবরাহের সঙ্গে জড়িত— তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট সরবরাহকারীকে শনাক্ত করা হয়েছে এবং তাকে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। পাশাপাশি দেশের অন্য কোথাও এ ধরনের অস্ত্র ব্যবহারের ঘটনা ঘটেছে কি না, তাও তদন্ত করা হচ্ছে।

আরটিভি/এমএইচজে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
চাঁদা না দেওয়ায় যুবককে কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যা
স্থানীয় সাব্বির, সোহেল, আরমান, কাল্লু, রানা, রমিজসহ আরও কয়েকজন মিলে তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ও গুলি করে ফেলে রেখে যায়। তাদের সঙ্গে ফরহাদের পূর্বশত্রুতা ছিল। বিভিন্ন সময় ফরহাদের কাছে তারা চাঁদা দাবি করত।
চাঁদা না দেওয়ায় যুবককে কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যা
মাদকের টাকার জন্য শিশু বিক্রি হয় চরপুক্ষিয়া গ্রামে
মাদকের টাকা জোগাড় করতে কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলার জালালপুর ইউনিয়নের উত্তর চরপুক্ষিয়া গ্রামে তিন বছরে চার শিশু বিক্রির অভিযোগ উঠেছে।
মাদকের টাকার জন্য শিশু বিক্রি হয় চরপুক্ষিয়া গ্রামে
মোহাম্মদপুরে শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘চুয়া সেলিম’ ও ‘বোমা রতন’ গ্রেপ্তার
রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে কিশোর গ্যাংয়ের সদস্য ও শীর্ষ মাদক কারবারিসহ তিন সন্ত্রাসীকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব-২)। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চালানো পৃথক অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন—জেনেভা ক্যাম্পের শীর্ষ মাদক কারবারি মো. সেলিম আশরাফী ওরফে চুয়া সেলিম, চাঁদ উদ্যান এলাকার কিশোর গ্যাং ‘মাহী গ্রুপ’-এর সেকেন্ড ইন কমান্ড জয় এবং তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী মো. রতন ওরফে বোমা রতন। শুক্রবার (২১ আগস্ট) সকালে বসিলায় র‍্যাব-২-এর কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান র‍্যাব-২-এর অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি নয়মুল হাসান।  র‍্যাব জানায়, বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) সংগৃহীত গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে জেনেভা ক্যাম্পের একটি আস্তানায় অভিযান চালানো হয়। সেখান থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, দুই রাউন্ড তাজা গুলি ও ১১০ গ্রাম হেরোইনসহ ৩৬ মামলার আসামি ও একাধিক পরোয়ানাভুক্ত চুয়া সেলিমকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় মাদক ব্যবসা, খুন ও ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধের প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসেবে পরিচিত। আরও পড়ুন রাষ্ট্রপতির শপথ ঘিরে ডিএমপির জরুরি নির্দেশনা, এড়িয়ে চলবেন যেসব সড়ক একই দিন চাঁদ উদ্যান এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে ‘মাহী গ্রুপ’-এর অন্যতম সদস্য জয়কে গ্রেপ্তার করে র‍্যাব। তার বিরুদ্ধে ডাকাতি, ছিনতাই ও মাদকের ১০টি মামলা রয়েছে। জয় ও তার সহযোগীরা চাঁদ উদ্যান ও নবীনগর এলাকায় ব্যবসায়ী এবং সাধারণ বাসিন্দাদের ভয়ভীতি দেখিয়ে চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছিলেন। এ ছাড়া বিজলী মহল্লা থেকে অপর এক অভিযানে দস্যুতা, ডাকাতি ও ছিনতাইসহ ২০টি মামলার আসামি রতন ওরফে বোমা রতনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি বছিলা ও গজনবী রোড এলাকায় দীর্ঘ দিন অস্ত্রধারী চক্রের নেতৃত্ব দিয়ে আসছিলেন। র‍্যাব-২-এর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে এবং তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অন্যান্য সহযোগীদের ধরতেও র‍্যাবের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। আরটিভি/এআর 
মোহাম্মদপুরে শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘চুয়া সেলিম’ ও ‘বোমা রতন’ গ্রেপ্তার
বেপরোয়া ‘হানি ট্র্যাপ’ চক্র, কারা পড়ছেন এই ফাঁদে
বিশ্বাস অর্জনের মাধ্যমে শুরু, আর পরিণতিতে ব্ল্যাকমেইল, নির্যাতন কিংবা সর্বস্ব হারানোর মতো ভয়াবহ অভিজ্ঞতা—এমন এক কৌশলে দেশজুড়ে সক্রিয় হয়ে উঠেছে অপরাধী চক্র ‘হানি ট্র্যাপ’।  প্রেম, চাকরি বা বন্ধুত্বের ছলে টার্গেট করা ব্যক্তিকে ফাঁদে ফেলে কোটি কোটি টাকা হাতানো এবং সামাজিকভাবে হেয় করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে চক্রগুলো।  রাজধানী থেকে শুরু করে জেলা শহর পর্যন্ত সাধারণ মানুষ, ব্যবসায়ী, এমনকি বিভিন্ন পেশাজীবীরাও প্রতিনিয়ত এই প্রতারণার শিকার হচ্ছেন। তবে সম্প্রতি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জোরদার অভিযানে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে চক্রের বহু সদস্যকে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সূত্রে জানা যায়, এসব প্রতারণার কৌশল প্রায় একই ধরনের—সুন্দরী নারীর প্রলোভন, ব্যক্তিগত আপত্তিকর দৃশ্য ধারণ, জোরপূর্বক স্ট্যাম্প ও চেকে সই এবং হত্যার ভয় দেখিয়ে মোটা অঙ্কের অর্থ দাবি। বিভিন্ন এলাকায় সম্প্রতি আলোড়ন তোলা কিছু ঘটনা: টঙ্গীতে প্রেমের ফাঁদ: ১৬ জুন গাজীপুরের টঙ্গীর মুদাফা এলাকায় সালেহীন ও তার বন্ধু টিটুকে প্রেমের প্রলোভন দেখিয়ে ডেকে নেয় একটি চক্র। ঘরে ঢোকার পরপরই তাদের আটকে রেখে মারধর, নগদ ৭৬ হাজার টাকা ও মোবাইল ছিনিয়ে নেওয়া হয়। পরবর্তীতে অভিযোগ পেয়ে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দুই নারীসহ চক্রের ৩ সদস্যকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। চাকরির প্রলোভনে ৪১ লাখ টাকা আত্মসাৎ: দিনাজপুরে কাস্টমস কর্মকর্তার ভুয়া পরিচয়ে এক গৃহবধূর মাধ্যমে তার স্বামীকে চাকরির লোভ দেখায় তানজিনা নামের এক নারী। ধাপে ধাপে ৪১ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার পর ভুক্তভোগীকে ডেকে চোখ বেঁধে এক নারীর সঙ্গে আপত্তিকর ভিডিও ধারণ করে চক্রটি। পরে ভয় দেখিয়ে চেক ও স্ট্যাম্পে সই নেওয়া হয়। গত ২৪ জুলাই এই চক্রের মূলহোতা তানজিনাকে গ্রেপ্তার করে কোতোয়ালি থানা পুলিশ। রাজধানীতে ঋণ কর্মকর্তাকে ব্ল্যাকমেইল: ৬ জুলাই ঢাকার একটি বেসরকারি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ঋণ কর্মকর্তা হানি ট্র্যাপের শিকার হন। সম্পর্কের গভীরতা তৈরির ছলে আপত্তিকর ভিডিও তুলে তা ছড়ানোর হুমকি দেওয়া হয়। এ ঘটনায় ডিবি পুলিশ অভিযান চালিয়ে দুই নারীসহ চক্রের ৫ সদস্যকে গ্রেপ্তার করে। যেভাবে পাতা হয় ফাঁদ ও মূল টার্গেট: বিশেষজ্ঞদের মতে, ‘হানি ট্র্যাপ’ একটি মনস্তাত্ত্বিক প্রতারণা। অপরাধীরা ভুয়া আইডি দিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বন্ধুত্ব গড়ে তোলে। ধীরে ধীরে ঘনিষ্ঠতা বাড়িয়ে ভিডিও কল, ছবি বিনিময় বা সরাসরি দেখা করার প্রস্তাব দেওয়া হয়। এরপর গোপনে ধারণ করা ভিডিও বা ছবি ব্যবহার করে শুরু হয় ব্ল্যাকমেইল ও চাঁদাবাজি। সাধারণত একাকী ব্যক্তি, ব্যবসায়ী, সরকারি-বেসরকারি চাকরিজীবী এবং সামাজিকভাবে পরিচিত বা সচ্ছল মানুষেরা এই চক্রের মূল টার্গেটে থাকেন। সম্প্রতি আশুলিয়া, যাত্রাবাড়ী, নরসিংদী, বরিশাল, রংপুর, গাজীপুরসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে হানি ট্র্যাপ বিরোধী অভিযানে গ্রেপ্তার করা হয়েছে অসংখ্য আসামিকে। বিশেষজ্ঞ ও পুলিশের পরামর্শ: দ্রুত ধনী হওয়ার মানসিকতা ও সামাজিক অসচেতনতার কারণে অনেকেই সহজে এই ফাঁদে পা দিচ্ছেন বলে মনে করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাধ বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক মো. রেজাউল করিম সোহাগ। তিনি সামাজিক সচেতনতা বাড়ানো এবং অচেনা বা সন্দেহজনক কোনো লিংকে ক্লিক করা থেকে বিরত থাকার ওপর জোর দেন। আরও পড়ুন হরেক রকম ছদ্মবেশে ডাকাত দলের মূলহোতাকে ধরল পুলিশ ডিএমপির সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম বিভাগের উপ-কমিশনার মো. তরিকুল ইসলাম জানান, অপরিচিত কারও সঙ্গে হঠাৎ অতি-ঘনিষ্ঠ না হওয়া, ব্যক্তিগত ছবি-ভিডিও আদান-প্রদান বন্ধ করা এবং ডিজিটাল নিরাপত্তা বজায় রাখাই এই বিপদ থেকে বাঁচার সবচেয়ে বড় উপায়। কোনো ব্যক্তি এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হলে সঙ্গে সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর আইনি সহায়তা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে পুলিশ। আরটিভি/এসএস
বেপরোয়া ‘হানি ট্র্যাপ’ চক্র, কারা পড়ছেন এই ফাঁদে
শীর্ষ সন্ত্রাসী ডেভিড ইমনের পরিচয়
চট্টগ্রামের শীর্ষ সন্ত্রাসী মোবারক হোসেন ইমন ওরফে ডেভিড ইমনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার (২৯ জুলাই) সকালে যশোর থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের একটি দল। কে এই ইমন? ইমন বিদেশে পলাতক আরেক শীর্ষ সন্ত্রাসী সাজ্জাদ আলী ওরফে বড় সাজ্জাদের অন্যতম সহযোগী। তার বিরুদ্ধে অন্তত ১৫টি মামলা রয়েছে। চট্টগ্রামে দুই বছর ধরে বেশি কিছু চাঁদাবাজি ও হুমকির ঘটনায় তার নাম আলোচনায় আসে। মোবারক হোসেন ওরফে ইমন চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার কাঞ্চননগর এলাকার মো. মুসার ছেলে। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, তিনি ২০২৫ সালের ৩০ মার্চ বাকলিয়া এলাকার জোড়া খুন, একই বছরের ২৩ মে রাতে নগরের পতেঙ্গা সমুদ্রসৈকত এলাকায় সন্ত্রাসী ঢাকাইয়া আকবর হত্যা মামলাসহ মোট অন্তত ১৫টি মামলার আসামি। পুলিশের ভাষ্য, ইমন ১৫ থেকে ২০টি আগ্নেয়াস্ত্র বহন করেছেন— এমন তথ্য তাদের কাছে রয়েছে। অস্ত্র ব্যবহারে তিনি দক্ষ। বাকলিয়ার জোড়া খুনের ঘটনায় সন্ত্রাসী ও মোটরসাইকেল ভাড়া করার দায়িত্বও তার ছিল বলে পুলিশের দাবি। আরও পড়ুন যেভাবে গ্রেপ্তার করা হয় শীর্ষ সন্ত্রাসী ডেভিড ইমনকে পুলিশ কর্মকর্তারা জানান, বিদেশে পলাতক সন্ত্রাসী সাজ্জাদ আলী ওরফে বড় সাজ্জাদের হয়ে বর্তমানে চট্টগ্রামে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনায় নেতৃত্ব দিচ্ছেন দুজন। তাদের একজন ইমন। এর আগে দেশে এই দলের নেতৃত্ব দিতেন সাজ্জাদ হোসেন ওরফে ছোট সাজ্জাদ। তিনি বর্তমানে কারাগারে থাকায় ইমন ও মোহাম্মদ রায়হান দলটির নেতৃত্বে রয়েছেন। রায়হানের বিরুদ্ধেও চাঁদাবাজি, অস্ত্র, হত্যাসহ বিভিন্ন অভিযোগে অন্তত আটটি মামলা রয়েছে। পুলিশের দাবি, বড় সাজ্জাদের বাহিনীতে অন্তত ৫০ জন শুটার ও সহযোগী সক্রিয় রয়েছেন। মোহাম্মদ রায়হান ও ইমন তার হয়ে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের কাছে নিয়মিত চাঁদা দাবি করে আসছেন। ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করলেও তাদের গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি। আরটিভি/এমএইচজে
শীর্ষ সন্ত্রাসী ডেভিড ইমনের পরিচয়
আরও পড়ুন
কেরানীগঞ্জে ফ্ল্যাট থেকে তরুণীর মরদেহ উদ্ধার, মৃত্যুর ঘটনা ঘিরে রহস্য
মুক্তি পেলেন সাবেক বিচারপতি খায়রুল হক
কেরানীগঞ্জে ইয়াবা তৈরির ‘কারখানা’
কারাগারে ধরা পড়লো ক্যানসার, অতঃপর...