ঢাকা বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩

ইরানে মার্কিন হামলার আশঙ্কায় টালমাটাল তেলের বাজার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৩:৫৯ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম জ্বালানি তেল মজুদকারী দেশ ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য সামরিক হামলার খবরে আন্তর্জাতিক বাজারে তীব্র অস্থিরতা শুরু হয়েছে। ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনার পারদ চড়তেই বিশ্বজুড়ে জ্বালানি তেলের সরবরাহ ও দাম নিয়ে বড় ধরনের সংকট দেখা দিয়েছে।

গত মঙ্গলবার থেকে আন্তর্জাতিক বাজার আদর্শ ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম প্রায় ৭ শতাংশ বেড়ে প্রতি ব্যারেল ৭০ ডলারের মাইলফলক অতিক্রম করেছে। একই সাথে মার্কিন বাজার আদর্শ ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েটের (ডব্লিউটিআই) দামও গত এক মাসে ব্যারেলপ্রতি প্রায় ১০ ডলার বৃদ্ধি পেয়েছে, যা বিশ্ব অর্থনীতির জন্য একটি বড় উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোয় মধ্যপ্রাচ্যে নজিরবিহীন সামরিক উপস্থিতি জোরদার করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পক্ষ থেকে ইরানে হামলার জোরালো ইঙ্গিত মেলায় বাজার বিশ্লেষকরা ধারণা করছেন, যেকোনো মুহূর্তে এই সংঘাত শুরু হতে পারে। ইরান কেবল তেল উৎপাদনকারী দেশই নয়, বরং তারা বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি সরবরাহ পথ ‘হরমুজ প্রণালি’র নিয়ন্ত্রণকারী দেশগুলোর অন্যতম। এই পথে কোনো ধরনের প্রতিবন্ধকতা তৈরি হলে সারা বিশ্বের জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা স্থবির হয়ে পড়ার ঝুঁকি রয়েছে।

আরও পড়ুন

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সরাসরি সামরিক সংঘাত শুরু হলে তেলের দামের এই ঊর্ধ্বগতি আরও তীব্র ও অনিয়ন্ত্রিত হয়ে উঠতে পারে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রে পেট্রোলের দাম বাড়ার সরাসরি প্রভাব পড়বে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায়। সাম্প্রতিক সময়ে তেলের দাম কিছুটা কমায় যে বৈশ্বিক স্বস্তি তৈরি হয়েছিল, তা এই উত্তেজনার ফলে মুহূর্তেই ধুলিসাৎ হওয়ার পথে। সংঘাতের ফলে যদি হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল পরিবহন বন্ধ হয়ে যায়, তবে বাজারে এমন সরবরাহ সংকট তৈরি হবে যা সামাল দেওয়া কঠিন হয়ে পড়বে।

তবে বাজার সংশ্লিষ্টদের একটি অংশ এখনো আশাবাদী যে, সরাসরি হামলা এড়ানো সম্ভব হতে পারে। তাদের মতে, সরাসরি যুদ্ধ শুরু হলে ইরানও বসে থাকবে না; তারা পাল্টা সামরিক পদক্ষেপ নিলে মধ্যপ্রাচ্যের তেলসমৃদ্ধ অঞ্চলগুলো দীর্ঘমেয়াদী ঝুঁকির মুখে পড়বে। এ ধরনের অস্থিতিশীলতা বিশ্ব অর্থনীতিতে বড় ধরনের মন্দা ডেকে আনতে পারে। হরমুজ প্রণালির উত্তরাংশ ইরানের নিয়ন্ত্রণে থাকায় তারা খুব সহজেই তেলবাহী জাহাজ চলাচলে বিঘ্ন ঘটাতে সক্ষম, যা বিশ্ব জ্বালানি বাণিজ্যের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ নিয়ন্ত্রণ করে।

আরটিভি/এআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
এলপিজি ব্যবসায়ীদের ডাকা ধর্মঘট প্রত্যাহার
এলপিজি ব্যবসায়ীদের ঘোষিত দুই দিনের ধর্মঘট প্রত্যাহার করা হয়েছে। এলজিপির দাম নির্ধারণে আগামী ২৯ অক্টোবর গণশুনানির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এলপিজি ব্যবসায়ীদের ডাকা ধর্মঘট প্রত্যাহার
‘সয়াবিন তেলে বিষাক্ত ধাতু থাকার খবর অপপ্রচার’
দেশের বাজারে বিক্রি হওয়া সয়াবিন তেলে মাত্রাতিরিক্ত লেডসহ (সিসা) বিভিন্ন বিষাক্ত ভারী ধাতুর প্রস্তুতির খবরকে অপপ্রচার বলে জানিয়েছেন শিল্প, বাণিজ্য এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।
‘সয়াবিন তেলে বিষাক্ত ধাতু থাকার খবর অপপ্রচার’
ক্রয় কমিটির ১১ প্রস্তাব অনুমোদন
সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি চিনি, ইউরিয়া ও এমওপি, ডিএপি সার এবং এলএনজিসহ মোট ১১টি ক্রয় প্রস্তাব অনুমোদনের জন্য সুপারিশ করেছে। 
ক্রয় কমিটির ১১ প্রস্তাব অনুমোদন
এলপিজি ব্যবসায়ীদের ধর্মঘট প্রত্যাহার না হলে আইনি ব্যবস্থা: জ্বালানিমন্ত্রী
এলপিজি ব্যবসায়ীদের ধর্মঘট প্রত্যাহার না হলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ। বুধবার (১৪ অক্টোবর) সচিবালয়ে এক বৈঠকে এ কথা জানান তিনি।
এলপিজি ব্যবসায়ীদের ধর্মঘট প্রত্যাহার না হলে আইনি ব্যবস্থা: জ্বালানিমন্ত্রী
‘দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় পাশে থাকবে যুক্তরাষ্ট্র’
বাংলাদেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি বিভাগ সমর্থন ও সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর।
‘দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় পাশে থাকবে যুক্তরাষ্ট্র’