ঢাকা শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩

পোশাক শিল্পের প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা ধরে রাখতে নীতি সহায়তার আহ্বান বিজিএমইএ’র

বাসস

প্রকাশ : ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:০৬ এএম
বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের সঙ্গে বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খানের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল সৌজন্য সাক্ষাৎ করে। ছবি: সংগৃহীত

দেশের তৈরি পোশাক শিল্পের প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা ধরে রাখতে সরকারের নীতি সহায়তা জোরদারের আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ)।

বুধবার (১৫ এপ্রিল) সচিবালয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের সঙ্গে বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খানের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল সৌজন্য সাক্ষাৎকালে এ আহ্বান জানায়।

বৈঠকে দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে তৈরি পোশাক শিল্পের বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ এবং খাতটির টেকসই প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় নীতি সহায়তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
বিজিএমইএ’র এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বৈঠকে বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বলেন, বিশ্ব অর্থনীতির অস্থিরতা, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতি এবং দেশে গ্যাস-বিদ্যুতের তীব্র সংকটের কারণে পোশাক শিল্পের উৎপাদন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। একইসঙ্গে কাঁচামালের মূল্যবৃদ্ধি ও উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি শিল্পের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করছে। এ অবস্থায় আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ ও কার্যকর নীতি সহায়তা জরুরি।

বৈঠকে আরএমজি সাসটেইনেবল কাউন্সিল (আরএসসি)-এর কার্যক্রম ও ভবিষ্যৎ ভূমিকা নিয়েও আলোচনা হয়।

আরও পড়ুন

বিজিএমইএ সভাপতি জানান, আরএসসি মূলত ভবন, অগ্নি ও বৈদ্যুতিক নিরাপত্তা (ওএসএইচ) তদারকির জন্য গঠিত। বেতন, ছুটি বা ট্রেড ইউনিয়নের মতো সামাজিক কমপ্লায়েন্স বিষয়গুলো এর আওতার বাইরে থাকা উচিত। এ ধরনের দায়িত্ব আরএসসির ওপর আরোপ করলে শিল্পে অতিরিক্ত প্রশাসনিক ও আর্থিক চাপ তৈরি হবে।

বিজিএমইএ সভাপতি স্পষ্ট করে বলেন যে, এ বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে অবশ্যই মালিকপক্ষ ও স্থানীয় আইনের সঙ্গে সামঞ্জস্যতা নিশ্চিত করতে হবে।

বিজিএমইএ নেতারা শিল্পের টেকসই অগ্রযাত্রা নিশ্চিত করতে কয়েকটি প্রস্তাব তুলে ধরেন। এর মধ্যে রয়েছে: আমদানি ও বন্ড নীতি সহজীকরণ, এফওসি ভিত্তিতে কাঁচামাল আমদানির প্রক্রিয়া সহজ করা, বন্ডেড ও নন-বন্ডেড প্রতিষ্ঠানের মধ্যে পণ্য সরবরাহে বিধিনিষেধ শিথিল করা এবং সংশ্লিষ্ট অনুচ্ছেদ দ্রুত সংশোধন।

এ ছাড়া রপ্তানি প্রণোদনার ওপর ১০ শতাংশ আয়কর কর্তন প্রত্যাহার, ভারতের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক স্বাভাবিক করা এবং স্থলবন্দর দিয়ে সুতা আমদানি ও পণ্য রপ্তানিতে প্রতিবন্ধকতা দূর করার আহ্বান জানানো হয়।

বিজিএমইএ আরও প্রস্তাব করে, তৈরি পোশাক রপ্তানি বাণিজ্য সহজীকরণে ‘আমদানি নীতি ২০২৪-২০২৭’-এর সংশ্লিষ্ট অংশ সংশোধন এবং শিল্প উদ্যোক্তাদের সিআইপি মর্যাদা নির্ধারণ প্রক্রিয়া স্বয়ংক্রিয় করা।

বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বিজিএমইএ’র উত্থাপিত বিষয়গুলো গুরুত্বসহকারে শোনেন এবং দেশের প্রধান বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী এ খাতের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে পোশাক শিল্পের সংকট নিরসন ও আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের অবস্থান শক্তিশালী করতে সরকার প্রয়োজনীয় নীতি সহায়তা প্রদান করবে।

বৈঠকে বিজিএমইএ’র সিনিয়র সহ-সভাপতি ইনামুল হক খান, সহ-সভাপতি মো. শিহাব উদ্দোজা চৌধুরী এবং পরিচালক মো. হাসিব উদ্দিন উপস্থিত ছিলেন।

আরটিভি/আইএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
স্বাভাবিক হচ্ছে পোশাকশিল্প, রোববার থেকে পুরোদমে উৎপাদনের প্রস্তুতি 
টানা কয়েক দিনের শ্রমিক অসন্তোষ, বিক্ষোভ ও উৎপাদন ব্যাঘাতের পর ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হয়ে উঠছে দেশের তৈরি পোশাকশিল্প। উত্তেজনা কমে আসায় শিল্পাঞ্চলগুলোর অধিকাংশ কারখানায় আবারও পুরোদমে উৎপাদন শুরুর প্রস্তুতি চলছে। আগামী রোববার (৮ নভেম্বর) থেকে নিয়মিত উৎপাদন কার্যক্রমে ফিরবে অধিকাংশ পোশাক কারখানা বলে আশা করছেন শিল্পমালিকেরা। একই দিনে শ্রমিকদের অক্টোবর মাসের বেতন পরিশোধের কথা রয়েছে।  মালিকদের ধারণা, বেতন হাতে পেলে শ্রমিকদের মধ্যে চলমান অসন্তোষ আরও কমবে এবং কারখানাগুলোতে স্বাভাবিক কর্মপরিবেশ ফিরে আসবে। শুক্রবার (৬ নভেম্বর) সাভার, আশুলিয়া, গাজীপুর, মিরপুর ও নারায়ণগঞ্জের শিল্পাঞ্চলগুলোতে পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে। বিশেষ করে সাভার ও আশুলিয়ার ৮৮টি পোশাক কারখানায় শ্রমিকেরা শান্তিপূর্ণভাবে কাজে যোগ দিয়েছেন। আগের কয়েক দিনের তুলনায় সড়কে বিক্ষোভ, সংঘর্ষ, অবরোধ ও উত্তেজনাও অনেকটা কমেছে। তবে কিছু কারখানায় এখনো উৎপাদন পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি। শিল্প মালিকেরা বলছেন, কয়েক দিনের অস্থিরতায় উৎপাদন ও সরবরাহ ব্যবস্থায় যে ক্ষতি হয়েছে, তা কাটিয়ে উঠতে রবিবার থেকে সর্বোচ্চ সক্ষমতায় কারখানা চালানোর চেষ্টা করবেন তাঁরা। এ জন্য শ্রমিকদের কর্মস্থলে ফিরিয়ে আনা, নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং স্বাভাবিক কর্মপরিবেশ বজায় রাখাকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। শুক্রবার সাপ্তাহিক ছুটির দিন হলেও জরুরি রপ্তানি আদেশ ও পণ্য সরবরাহের প্রয়োজন বিবেচনায় আশুলিয়ার ৮৮টি পোশাক কারখানা চালু রাখা হয়। এসব কারখানায় সকাল থেকেই শ্রমিকেরা কাজে যোগ দেন। কারখানাগুলোতে উৎপাদন কার্যক্রম চলার পাশাপাশি শিল্পাঞ্চলের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিও শান্তিপূর্ণ ছিল। অন্যদিকে শনিবার (৭ নভেম্বর) জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে সরকারি সাধারণ ছুটির সঙ্গে মিল রেখে পোশাক কারখানাগুলো বন্ধ থাকবে। ছুটির পর রোববার থেকে অধিকাংশ কারখানায় নিয়মিত উৎপাদন শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে। শিল্পমালিকদের প্রত্যাশা, শ্রমিকদের অক্টোবর মাসের বেতন পরিশোধের মধ্য দিয়ে কর্মক্ষেত্রে আস্থা ও স্থিতিশীলতা আরও বাড়বে। কয়েক দিন ধরে চলা অসন্তোষের পেছনে মজুরি বৃদ্ধি, বেতন এবং কর্মপরিবেশসংক্রান্ত বিভিন্ন দাবি কাজ করেছে। এসব বিষয়ে আলোচনার উদ্যোগ নেওয়ায় শ্রমিকদের মধ্যে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে। মালিকদের মতে, নির্ধারিত সময়ে বেতন পাওয়া শ্রমিকদের তাৎক্ষণিক আর্থিক চাপ কমাতে সাহায্য করবে। পাশাপাশি কারখানার উৎপাদন সচল রাখতে শ্রমিক ও মালিকপক্ষের মধ্যে সহযোগিতাও বাড়বে। সাভার ও আশুলিয়া শিল্পাঞ্চলে শুক্রবারের পরিস্থিতি আগের কয়েক দিনের তুলনায় অনেকটাই স্বাভাবিক ছিল। সাপ্তাহিক ছুটি থাকা সত্ত্বেও জরুরি প্রয়োজনে চালু রাখা ৮৮টি কারখানায় শ্রমিকেরা কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই কাজে যোগ দেন। শিল্পাঞ্চল পুলিশ-১-এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শোয়েব আহম্মেদ জানান, শুক্রবার সাধারণত পোশাক কারখানাগুলো বন্ধ থাকে। তবে জরুরি উৎপাদন ও পণ্য সরবরাহের চাপ থাকলে কিছু কারখানা খোলা রাখা হয়। এবারও একই কারণে আশুলিয়ার ৮৮টি কারখানা চালু রয়েছে। শিল্পাঞ্চলে পরিস্থিতির উন্নতিকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন শ্রমিক নেতারাও। বাংলাদেশ গার্মেন্টস ও সোয়েটার্স শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্রের আইনবিষয়ক সম্পাদক খাইরুল মামুন মিন্টু জানান, বৃহস্পতিবার থেকেই শিল্পাঞ্চলে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বিরাজ করছে। সরকার নতুন মজুরি বোর্ড গঠন করায় শ্রমিকদের মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে দাবি আদায়ের একটি সুযোগ তৈরি হয়েছে। তিনি মনে করেন, এখন শ্রমিকদের মজুরিসংক্রান্ত দাবি ও অসন্তোষ আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা উচিত। মজুরি বোর্ডের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় শ্রমিকদের কর্মস্থলে ফিরে উৎপাদন সচল রাখার আহ্বানও জানান তিনি। শিল্পাঞ্চলগুলোতে পরিস্থিতির উন্নতি হলেও কয়েক দিনের শ্রমিক অসন্তোষ দেশের পোশাকশিল্পে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলেছে। শিল্প পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত বুধবার (৫ নভেম্বর) আশুলিয়া, গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জের প্রায় ১৩০টি পোশাক কারখানায় উৎপাদন বন্ধ ছিল। এর মধ্যে সাভার ও আশুলিয়ায় ৭০টি, গাজীপুরে প্রায় ৫০টি এবং নারায়ণগঞ্জে আটটি কারখানায় উৎপাদন কার্যক্রম ব্যাহত হয়। কয়েকটি কারখানায় শ্রমিকেরা উপস্থিত হলেও কাজে যোগ দিতে রাজি হননি। কোথাও কোথাও শ্রমিকদের বিক্ষোভের কারণে কর্তৃপক্ষ কারখানায় ছুটি ঘোষণা করতে বাধ্য হয়। এ ছাড়া বিভিন্ন স্থানে শ্রমিকদের জমায়েত, সড়ক অবরোধ ও বিক্ষোভের ঘটনাও ঘটে। তবে আগের দিনগুলোর তুলনায় এসব ঘটনার মাত্রা কমেছে। বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রফতানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বাবু জানিয়েছেন, শিল্পাঞ্চলের পরিস্থিতিতে কিছুটা উন্নতি হয়েছে। তবে সব কারখানায় উৎপাদন পুরোপুরি স্বাভাবিক হতে আরও সময় লাগতে পারে। শিল্পসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, পোশাকশিল্পের উৎপাদন কার্যক্রম একটি নির্দিষ্ট সময়সূচির ওপর নির্ভরশীল। প্রতিদিনের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে না পারলে রফতানি আদেশের সময়সীমা মেনে চলা কঠিন হয়ে পড়ে। কয়েক দিনের অস্থিরতার কারণে অনেক কারখানাকে এখন বাড়তি উৎপাদনের মাধ্যমে ঘাটতি পূরণের পরিকল্পনা করতে হচ্ছে। দেশের তৈরি পোশাকশিল্পে সাম্প্রতিক শ্রমিক অসন্তোষের অন্যতম প্রধান কারণ ছিল মজুরি বৃদ্ধি। শ্রমিকেরা দীর্ঘদিন ধরে ন্যূনতম মাসিক মজুরি ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণের দাবি জানিয়ে আসছেন। তাদের অভিযোগ, বর্তমান বেতন দিয়ে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাড়তি দাম, বাড়িভাড়া, চিকিৎসা ও অন্যান্য খরচ সামাল দেওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। এমন পরিস্থিতিতে সরকার নতুন করে ন্যূনতম মজুরি বোর্ড গঠন করেছে। গত বুধবার (৪ নভেম্বর) বোর্ডের প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরিকাঠামো কার্যকরের বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছে।  পরিকল্পনা অনুযায়ী, জানুয়ারি থেকে শ্রমিকেরা নতুন কাঠামো অনুসারে বেতন পাবেন। মজুরি বোর্ড গঠনের বিষয়টিকে শ্রমিকদের দাবি পূরণের পথে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।  তাদের মতে, দীর্ঘদিনের মজুরি নিয়ে অনিশ্চয়তা কিছুটা কমলে শ্রমিকদের মধ্যে আস্থা ফিরতে পারে। তবে নতুন মজুরিকাঠামো চূড়ান্ত না হওয়া পর্যন্ত শ্রমিকদের প্রত্যাশা ও মালিকপক্ষের সক্ষমতার মধ্যে সমন্বয় তৈরি করা জরুরি। শ্রমিক প্রতিনিধিরা বলছেন, শুধু মজুরি বোর্ড গঠন করলেই হবে না, শ্রমিকদের দাবি যথাযথভাবে বিবেচনা করে বাস্তবসম্মত সিদ্ধান্ত নিতে হবে। অন্যদিকে শিল্পমালিকদেরও উৎপাদন ব্যয়, আন্তর্জাতিক বাজারের প্রতিযোগিতা এবং রফতানি আদেশের বিষয়গুলো বিবেচনায় রাখতে হচ্ছে। আরটিভি/এসআর  
স্বাভাবিক হচ্ছে পোশাকশিল্প, রোববার থেকে পুরোদমে উৎপাদনের প্রস্তুতি 
স্বাভাবিক হচ্ছে পোশাকশিল্প, রোববার থেকে পুরোদমে উৎপাদনের প্রস্তুতি 
টানা কয়েক দিনের শ্রমিক অসন্তোষ, বিক্ষোভ ও উৎপাদন ব্যাঘাতের পর ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হয়ে উঠছে দেশের তৈরি পোশাকশিল্প। উত্তেজনা কমে আসায় শিল্পাঞ্চলগুলোর অধিকাংশ কারখানায় আবারও পুরোদমে উৎপাদন শুরুর প্রস্তুতি চলছে। আগামী রোববার (৮ নভেম্বর) থেকে নিয়মিত উৎপাদন কার্যক্রমে ফিরবে অধিকাংশ পোশাক কারখানা বলে আশা করছেন শিল্পমালিকেরা। একই দিনে শ্রমিকদের অক্টোবর মাসের বেতন পরিশোধের কথা রয়েছে।  মালিকদের ধারণা, বেতন হাতে পেলে শ্রমিকদের মধ্যে চলমান অসন্তোষ আরও কমবে এবং কারখানাগুলোতে স্বাভাবিক কর্মপরিবেশ ফিরে আসবে। শুক্রবার (৬ নভেম্বর) সাভার, আশুলিয়া, গাজীপুর, মিরপুর ও নারায়ণগঞ্জের শিল্পাঞ্চলগুলোতে পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে। বিশেষ করে সাভার ও আশুলিয়ার ৮৮টি পোশাক কারখানায় শ্রমিকেরা শান্তিপূর্ণভাবে কাজে যোগ দিয়েছেন। আগের কয়েক দিনের তুলনায় সড়কে বিক্ষোভ, সংঘর্ষ, অবরোধ ও উত্তেজনাও অনেকটা কমেছে। তবে কিছু কারখানায় এখনো উৎপাদন পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি। শিল্প মালিকেরা বলছেন, কয়েক দিনের অস্থিরতায় উৎপাদন ও সরবরাহ ব্যবস্থায় যে ক্ষতি হয়েছে, তা কাটিয়ে উঠতে রবিবার থেকে সর্বোচ্চ সক্ষমতায় কারখানা চালানোর চেষ্টা করবেন তাঁরা। এ জন্য শ্রমিকদের কর্মস্থলে ফিরিয়ে আনা, নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং স্বাভাবিক কর্মপরিবেশ বজায় রাখাকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। শুক্রবার সাপ্তাহিক ছুটির দিন হলেও জরুরি রপ্তানি আদেশ ও পণ্য সরবরাহের প্রয়োজন বিবেচনায় আশুলিয়ার ৮৮টি পোশাক কারখানা চালু রাখা হয়। এসব কারখানায় সকাল থেকেই শ্রমিকেরা কাজে যোগ দেন। কারখানাগুলোতে উৎপাদন কার্যক্রম চলার পাশাপাশি শিল্পাঞ্চলের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিও শান্তিপূর্ণ ছিল। অন্যদিকে শনিবার (৭ নভেম্বর) জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে সরকারি সাধারণ ছুটির সঙ্গে মিল রেখে পোশাক কারখানাগুলো বন্ধ থাকবে। ছুটির পর রোববার থেকে অধিকাংশ কারখানায় নিয়মিত উৎপাদন শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে। শিল্পমালিকদের প্রত্যাশা, শ্রমিকদের অক্টোবর মাসের বেতন পরিশোধের মধ্য দিয়ে কর্মক্ষেত্রে আস্থা ও স্থিতিশীলতা আরও বাড়বে। কয়েক দিন ধরে চলা অসন্তোষের পেছনে মজুরি বৃদ্ধি, বেতন এবং কর্মপরিবেশসংক্রান্ত বিভিন্ন দাবি কাজ করেছে। এসব বিষয়ে আলোচনার উদ্যোগ নেওয়ায় শ্রমিকদের মধ্যে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে। মালিকদের মতে, নির্ধারিত সময়ে বেতন পাওয়া শ্রমিকদের তাৎক্ষণিক আর্থিক চাপ কমাতে সাহায্য করবে। পাশাপাশি কারখানার উৎপাদন সচল রাখতে শ্রমিক ও মালিকপক্ষের মধ্যে সহযোগিতাও বাড়বে। সাভার ও আশুলিয়া শিল্পাঞ্চলে শুক্রবারের পরিস্থিতি আগের কয়েক দিনের তুলনায় অনেকটাই স্বাভাবিক ছিল। সাপ্তাহিক ছুটি থাকা সত্ত্বেও জরুরি প্রয়োজনে চালু রাখা ৮৮টি কারখানায় শ্রমিকেরা কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই কাজে যোগ দেন। শিল্পাঞ্চল পুলিশ-১-এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শোয়েব আহম্মেদ জানান, শুক্রবার সাধারণত পোশাক কারখানাগুলো বন্ধ থাকে। তবে জরুরি উৎপাদন ও পণ্য সরবরাহের চাপ থাকলে কিছু কারখানা খোলা রাখা হয়। এবারও একই কারণে আশুলিয়ার ৮৮টি কারখানা চালু রয়েছে। শিল্পাঞ্চলে পরিস্থিতির উন্নতিকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন শ্রমিক নেতারাও। বাংলাদেশ গার্মেন্টস ও সোয়েটার্স শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্রের আইনবিষয়ক সম্পাদক খাইরুল মামুন মিন্টু জানান, বৃহস্পতিবার থেকেই শিল্পাঞ্চলে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বিরাজ করছে। সরকার নতুন মজুরি বোর্ড গঠন করায় শ্রমিকদের মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে দাবি আদায়ের একটি সুযোগ তৈরি হয়েছে। তিনি মনে করেন, এখন শ্রমিকদের মজুরিসংক্রান্ত দাবি ও অসন্তোষ আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা উচিত। মজুরি বোর্ডের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় শ্রমিকদের কর্মস্থলে ফিরে উৎপাদন সচল রাখার আহ্বানও জানান তিনি। শিল্পাঞ্চলগুলোতে পরিস্থিতির উন্নতি হলেও কয়েক দিনের শ্রমিক অসন্তোষ দেশের পোশাকশিল্পে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলেছে। শিল্প পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত বুধবার (৫ নভেম্বর) আশুলিয়া, গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জের প্রায় ১৩০টি পোশাক কারখানায় উৎপাদন বন্ধ ছিল। এর মধ্যে সাভার ও আশুলিয়ায় ৭০টি, গাজীপুরে প্রায় ৫০টি এবং নারায়ণগঞ্জে আটটি কারখানায় উৎপাদন কার্যক্রম ব্যাহত হয়। কয়েকটি কারখানায় শ্রমিকেরা উপস্থিত হলেও কাজে যোগ দিতে রাজি হননি। কোথাও কোথাও শ্রমিকদের বিক্ষোভের কারণে কর্তৃপক্ষ কারখানায় ছুটি ঘোষণা করতে বাধ্য হয়। এ ছাড়া বিভিন্ন স্থানে শ্রমিকদের জমায়েত, সড়ক অবরোধ ও বিক্ষোভের ঘটনাও ঘটে। তবে আগের দিনগুলোর তুলনায় এসব ঘটনার মাত্রা কমেছে। বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রফতানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বাবু জানিয়েছেন, শিল্পাঞ্চলের পরিস্থিতিতে কিছুটা উন্নতি হয়েছে। তবে সব কারখানায় উৎপাদন পুরোপুরি স্বাভাবিক হতে আরও সময় লাগতে পারে। শিল্পসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, পোশাকশিল্পের উৎপাদন কার্যক্রম একটি নির্দিষ্ট সময়সূচির ওপর নির্ভরশীল। প্রতিদিনের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে না পারলে রফতানি আদেশের সময়সীমা মেনে চলা কঠিন হয়ে পড়ে। কয়েক দিনের অস্থিরতার কারণে অনেক কারখানাকে এখন বাড়তি উৎপাদনের মাধ্যমে ঘাটতি পূরণের পরিকল্পনা করতে হচ্ছে। দেশের তৈরি পোশাকশিল্পে সাম্প্রতিক শ্রমিক অসন্তোষের অন্যতম প্রধান কারণ ছিল মজুরি বৃদ্ধি। শ্রমিকেরা দীর্ঘদিন ধরে ন্যূনতম মাসিক মজুরি ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণের দাবি জানিয়ে আসছেন। তাদের অভিযোগ, বর্তমান বেতন দিয়ে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাড়তি দাম, বাড়িভাড়া, চিকিৎসা ও অন্যান্য খরচ সামাল দেওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। এমন পরিস্থিতিতে সরকার নতুন করে ন্যূনতম মজুরি বোর্ড গঠন করেছে। গত বুধবার (৪ নভেম্বর) বোর্ডের প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরিকাঠামো কার্যকরের বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছে।  পরিকল্পনা অনুযায়ী, জানুয়ারি থেকে শ্রমিকেরা নতুন কাঠামো অনুসারে বেতন পাবেন। মজুরি বোর্ড গঠনের বিষয়টিকে শ্রমিকদের দাবি পূরণের পথে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।  তাদের মতে, দীর্ঘদিনের মজুরি নিয়ে অনিশ্চয়তা কিছুটা কমলে শ্রমিকদের মধ্যে আস্থা ফিরতে পারে। তবে নতুন মজুরিকাঠামো চূড়ান্ত না হওয়া পর্যন্ত শ্রমিকদের প্রত্যাশা ও মালিকপক্ষের সক্ষমতার মধ্যে সমন্বয় তৈরি করা জরুরি। শ্রমিক প্রতিনিধিরা বলছেন, শুধু মজুরি বোর্ড গঠন করলেই হবে না, শ্রমিকদের দাবি যথাযথভাবে বিবেচনা করে বাস্তবসম্মত সিদ্ধান্ত নিতে হবে। অন্যদিকে শিল্পমালিকদেরও উৎপাদন ব্যয়, আন্তর্জাতিক বাজারের প্রতিযোগিতা এবং রফতানি আদেশের বিষয়গুলো বিবেচনায় রাখতে হচ্ছে। আরটিভি/এসআর  
স্বাভাবিক হচ্ছে পোশাকশিল্প, রোববার থেকে পুরোদমে উৎপাদনের প্রস্তুতি 
দেশে আরও তিনটি নতুন সার কারখানা স্থাপনের পরিকল্পনা সরকারের
এর মধ্যে ভোলায় দৈনিক ১ হাজার ৭০০ মেট্রিক টন ইউরিয়া, চট্টগ্রামে বছরে ৪ লাখ মেট্রিক টন টিএসপি ও নরসিংদীর পলাশে বছরে ২৪ হাজার মেট্রিক টন ইউরিয়া ফরমালডিহাইড-৮৫ (ইউএফ-৮৫) উৎপাদন ক্ষমতার কারখানা স্থাপনের উদ্যোগ রয়েছে। 
দেশে আরও তিনটি নতুন সার কারখানা স্থাপনের পরিকল্পনা সরকারের
হাতিরঝিলে ‘সিএ বাংলাদেশ অ্যাকাউন্টিং ডে রান ২০২৬’ অনুষ্ঠিত
আন্তর্জাতিক হিসাববিজ্ঞান দিবস উদ্‌যাপন উপলক্ষে রাজধানীর হাতিরঝিলে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘সিএ বাংলাদেশ অ্যাকাউন্টিং ডে রান ২০২৬’। শুক্রবার (৬ নভেম্বর) ভোর ৫টায় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক তত্ত্বাবধানে পরিচালিত দেশের শীর্ষস্থানীয় পেশাদার অ্যাকাউন্টিং সংস্থা, ইনষ্টিটিউট অফ চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস অফ বাংলাদেশের (আইসিএবি) ঢাকা আঞ্চলিক কমিটি (ডিআরসি) ঢাকার হাতিরঝিলে ‘স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ডের সৌজন্যে সিএ বাংলাদেশ অ্যাকাউন্টিং ডে রান ২০২৬-এর আয়োজন করেছে। অ্যাসোসিয়েশন অফ ইন্টারন্যাশনাল ম্যারাথনস অ্যান্ড ডিসট্যান্স রেসেস (AIMS)-এর সাথে অনুমোদিত এবং ওয়ার্ল্ড অ্যাথলেটিক্স-স্বীকৃত এই ইভেন্টটির লক্ষ্য হলো অ্যাকাউন্টিং পেশাজীবী এবং বৃহত্তর সম্প্রদায়ের মধ্যে শারীরিক সুস্থতা, মানসিক প্রশান্তি এবং স্বাস্থ্যকর কর্ম-জীবনের ভারসাম্যকে উৎসাহিত করা। আইসিএবি প্রেসিডেন্ট জনাব সাব্বির আহমেদ এফসিএ, স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড বাংলাদেশ-এর সিইও জনাব মোহাম্মদ এনামুল হক, ডিআরসি চেয়ারম্যান মো. কামরুজ্জামান এফসিএ, ডিআরসি সেক্রেটারি মোহাম্মদ এখলাস উদ্দিন এফসিএ, ডিআরসি কোষাধ্যক্ষ রাশিদুল ইসলাম এফসিএ, ইভেন্ট কনভেনার পারুল দাস এফসিএ, ইভেন্ট চেয়ারম্যান মো. মাকসুদুর রহমান এফসিএ এবং ডিআরসি সদস্যবৃন্দসহ অন্যান্য বিশিষ্ট অতিথিরা এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। ‘সুস্থতা ও অ্যাকাউন্টিংয়ের মেলবন্ধন’ প্রতিপাদ্যকে ধারণ করে, ইভেন্টটি স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনকে উৎসাহিত করা, সম্প্রদায়ের সম্পৃক্ততা জোরদার করা এবং পেশাগত উৎকর্ষের পাশাপাশি শারীরিক ও মানসিক সুস্থতার গুরুত্বকে তুলে ধরার লক্ষ্য নিয়ে আয়োজন করা হয়েছে। আয়োজকদের মতে, চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট, তাদের পরিবার, সিএ শিক্ষার্থী, কর্পোরেট পেশাজীবী এবং বিভিন্ন অঙ্গনের দৌড়বিদসহ ৩,৮০০ জনেরও বেশি অংশগ্রহণকারী এই ইভেন্টে অংশ নিয়েছেন। অংশগ্রহণকারীরা ১৫ কিমি, ৭.৫ কিমি এবং ১ কিমি—এই তিনটি ক্যাটাগরিতে দৌড়েছেন, যার মধ্যে ১ কিমি ক্যাটাগরিটি বিশেষভাবে মা ও শিশুদের জন্য রাখা হয়েছিল। দৌড়টি শুক্রবার ভোর ৫টায় হাতিরঝিল অ্যাম্ফিথিয়েটার থেকে শুরু হয়। অংশগ্রহণকারীরা হাতিরঝিলের মনোরম পথ ধরে দৌড়ে নির্দিষ্ট ফিনিশ লাইনে ফিরে আসেন, যা সহনশীলতা, দৃঢ়সংকল্প এবং ঐক্যবোধের এক উদযাপনে পরিণত হয়। দৌড়ের দিনটির আগে, ২ নভেম্বর তারিখে ইন্টারকন্টিনেন্টাল ঢাকা বাই আইএইচজি (IHG)-তে দুপুর ১টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত একটি এক্সক্লুসিভ কিট এক্সপো অনুষ্ঠিত হয়। নিবন্ধিত অংশগ্রহণকারীরা এক্সপো চলাকালীন তাদের অফিসিয়াল রেস কিট এবং বিশেষ গুডি ব্যাগ সংগ্রহ করেন। এই ইভেন্টে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড, সিটি ব্যাংক পিএলসি, স্প্রিন্ট বাই অ্যাপেক্স, আমিন মোহাম্মদ এগ্রো, ব্র্যাক ব্যাংক, শাহ সিমেন্ট, বিকাশ, পূবালী ব্যাংক, রানার, ট্রান্সকম লিমিটেড, ফকির টেকনোলজিস, রুচি এবং ডিবিএল সিরামিকসসহ বেশ কিছু শীর্ষস্থানীয় কর্পোরেট পৃষ্ঠপোষক যুক্ত ছিল। ইভেন্টের বিশিষ্ট অংশীদারদের মধ্যে রয়েছে ইন্টারকন্টিনেন্টাল ঢাকা বাই আইএইচজি, এসএমসি প্লাস, গ্লুকোম্যাক্স-ডি, ইস্পাহানি, কোকা-কোলা, আরাম, ম্যাগি, ডেটল, জিরোক্যাল, মাইলো, নেসকাফে, পোলার আইসক্রিম, রিন, ভিম, কল্লোল গ্রুপ অফ কোম্পানিজ, কিটক্যাট, নাফকো ফার্মা, লাক্স, সেনোরা কনফিডেন্স, ব্লেন্ডারস চয়েস টি, জিরোক্যাল, টিকিফাই, আপসাইট বাংলাদেশ, স্পোর্টস বাংলা, ইউসিআর রেস ক্রু, কন্টিনেন্টাল হাসপাতাল এবং কোটপিন বিডি। তাদের অবদান রেস-দিনের সামগ্রিক অভিজ্ঞতাকে আরও সমৃদ্ধ করেছে। আরটিভি এই ইভেন্টের অফিসিয়াল মিডিয়া পার্টনার হিসেবে কাজ করেছে, যা ইভেন্টটির প্রচার প্রসার ঘটিয়েছে এবং দেশব্যাপী দর্শকদের কাছে সুস্থতা ও ফিটনেসের বার্তা পৌঁছে দিয়েছে। কেবল একটি ক্রীড়া ইভেন্ট নয়, স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ডের সৌজন্যে আয়োজিত ‘সিএ বাংলাদেশ অ্যাকাউন্টিং ডে রান ২০২৬’ সুস্থতা, সহনশীলতা এবং সামাজিক সম্পৃক্ততার সংস্কৃতি গড়ে তোলার ক্ষেত্রে আইসিএবি-এর অঙ্গীকারকে তুলে ধরে। পেশাজীবী, পরিবার এবং ফিটনেস উৎসাহীদের একটি অভিন্ন প্ল্যাটফর্মে একত্রিত করার মাধ্যমে, এই উদ্যোগটি শৃঙ্খলার মূল্যবোধ, দৃঢ়সংকল্প এবং পেশাগত উৎকর্ষ উদযাপন করার পাশাপাশি স্বাস্থ্যকর জীবনযাত্রায় অনুপ্রাণিত করার লক্ষ্য নিয়েছে। এই ইভেন্টটি ছিল ফিটনেস, ঐক্য এবং অ্যাকাউন্টিং পেশার এক অসাধারণ উদযাপন, যা এই বার্তাকেই শক্তিশালী করে যে পেশাগত সাফল্য এবং ব্যক্তিগত সুস্থতা একে অপরের পরিপূরক। আরটিভি/টিআর
হাতিরঝিলে ‘সিএ বাংলাদেশ অ্যাকাউন্টিং ডে রান ২০২৬’ অনুষ্ঠিত
রমজানের আগেই বাড়ছে ছোলার দাম, কাটছে না সয়াবিন তেলের সংকট
রমজান শুরু হওয়ার এখনো কয়েক মাস বাকি। এরই মধ্যে ছোলার কৃত্রিম সংকট তৈরি হয়েছে বাজারে। পণ্যটির দাম কেজিতে বেড়ে গেছে  প্রায় ১০ থেকে ১৫ টাকা। কাটছে না সয়াবিন তেলের সংকটও; বিক্রি হচ্ছে বাড়তি দামে। সেইসঙ্গে এখনো চড়া মাছের বাজার।
রমজানের আগেই বাড়ছে ছোলার দাম, কাটছে না সয়াবিন তেলের সংকট
আরও পড়ুন
স্বাভাবিক হচ্ছে পোশাকশিল্প, রোববার থেকে পুরোদমে উৎপাদনের প্রস্তুতি 
স্বাভাবিক হচ্ছে পোশাকশিল্প, রোববার থেকে পুরোদমে উৎপাদনের প্রস্তুতি 
ন্যুনতম মজুরি বোর্ডের দ্বিতীয় সভার তারিখ নির্ধারণ
তৈরি পোশাকের বাইরে রপ্তানিতে সুবাতাস, পাঁচ খাতে প্রবৃদ্ধি ১২-২৭ শতাংশ