ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩

অর্থনীতির বাস্তব চিত্র তুলে ধরবে ডিসিসিআই’র ইপিআই সূচক: তাসকীন আহমেদ

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৬ মে ২০২৬, ০৮:২৭ পিএম
‘অর্থনৈতিক অবস্থান সূচক (ইপিআই): ঢাকার সামষ্টিক অর্থনীতির ত্রৈমাসিক মূল্যায়ন’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত। ছবি: সংগৃহীত

প্রচলিত সামষ্টিক অর্থনৈতিক সূচক ও পরিমাপক ব্যবস্থা স্বল্পমেয়াদে অর্থনীতির প্রকৃত অবস্থা ও তাৎক্ষণিক পরিবর্তনের প্রতিফলন ঘটানো যাচ্ছে না। এ প্রেক্ষাপটে ডিসিসিআই প্রণীত ‘অর্থনৈতিক অবস্থান সূচক (ইপিআই)’ নীতিনির্ধারক, উদ্যোক্তা ও গবেষকদের জন্য সময়োপযোগী ও কার্যকর উদ্যোগ হিসেবে কাজ করবে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (ডিসিসিআই) সভাপতি তাসকীন আহমেদ।

শনিবার (১৬ মে) রাজধানীতে ডিসিসিআই অডিটোরিয়ামে আয়োজিত ‘অর্থনৈতিক অবস্থান সূচক (ইপিআই): ঢাকার সামষ্টিক অর্থনীতির ত্রৈমাসিক মূল্যায়ন’ শীর্ষক সেমিনারে স্বাগত বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

এছাড়া উচ্চ মূল্যস্ফীতি, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের চাপ, বিনিয়োগের মন্থরতা, জ্বালানি অনিশ্চয়তা ও উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধির কারণে দেশের সামষ্টিক অর্থনীতিতে এক ধরনের চাপ বিরাজ করছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ডিসিসিআই মহাসচিব (ভারপ্রাপ্ত) ড. একেএম আসাদুজ্জামান পাটোয়ারী।

পাটোয়ারী তার প্রবন্ধে বলেন, ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগ পরিকল্পনায় তথ্য ঘাটতি পূরণ ও অর্থনীতির স্বল্পমেয়াদি পূর্বাভাস মূল্যায়নের লক্ষ্যেই ডিসিসিআই ত্রৈমাসিক ভিত্তিতে ইপিআই প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছে।

তিনি আরও বলেন, এই গবেষণায় ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম ও দ্বিতীয় প্রান্তিকের তথ্য ব্যবহার করা হয়েছে।

এতে ৭৬২ জন প্রতিনিধির মতামত নেওয়া হয়, যার মধ্যে উৎপাদন খাতের ৩৩০ জন ও সেবা খাতের ৪৩২ জন প্রতিনিধি ছিলেন।

গবেষণার ফলাফলে দেখা গেছে, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে কৃষিখাতে খাদ্য উৎপাদন হ্রাস পাচ্ছে, জ্বালানি সংকটের কারণে শিল্পখাতে উৎপাদন স্থবির হয়ে পড়েছে ও মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমে যাওয়ায় সেবা খাতের অগ্রগতি বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

ড. একেএম আসাদুজ্জামান পাটোয়ারী কৃষিপণ্যের বাজারমূল্য স্থিতিশীল রাখা, সরবরাহ ব্যবস্থা উন্নয়ন, এসএমই উদ্যোক্তাদের স্বল্পসুদে ঋণ সুবিধা প্রদান, শিল্পখাতে নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত, অবকাঠামো উন্নয়ন, সরকারি লাইসেন্সিং সেবায় হয়রানি কমানো, ভ্যাট হার হ্রাস ও বন্দর ব্যবস্থাপনায় গতি আনার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

সেমিনারের আলোচনায় অংশ নিয়ে অর্থনীতিবিদ ও পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউট (পিআরআই)’র চেয়ারম্যান ড. জায়েদী সাত্তার বলেন, গবেষণাটি বর্তমানে ঢাকা-কেন্দ্রিক হলেও, এটি সারাদেশে সম্প্রসারণ করা গেলে এর গ্রহণযোগ্যতা আরও বাড়বে এবং উদ্যোক্তারা ব্যবসা পরিবেশ মূল্যায়নে কার্যকর দিকনির্দেশনা পাবেন।

আন্তর্জাতিক বাণিজ্য বিশেষজ্ঞ নেসার আহমেদ বলেন, এলডিসি উত্তরণের পর ইউরোপীয় বাজারে শুল্কমুক্ত সুবিধা হারালে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে এসএমই খাত। তাই ব্যবসা পরিচালনা ব্যয় কমানো ও ব্যবসাবান্ধব নীতি সহায়তা নিশ্চিতের কোনো বিকল্প নেই।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব শিবির বিচিত্র বড়ুয়া বলেন, বর্তমানে দেশের প্রধান অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ হলো উচ্চ মূল্যস্ফীতি, বিনিয়োগে নেতিবাচক প্রবণতা এবং ব্যাংকিং ও আর্থিক খাতের দুর্বলতা।

তিনি জানান, ব্যবসা সহজীকরণে সরকার আমদানি নীতিমালা যুগোপযোগী করার কাজ করছে এবং আগামী কয়েক মাসের মধ্যে তা চূড়ান্ত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ড. মিজানুর রহমান বলেন, বিগত কয়েক বছরে সরকার ও বেসরকারি খাতে ব্যয় আয়ের তুলনায় অনেক বেশি ছিল। একইসঙ্গে বিনিয়োগ স্থবিরতা অর্থনীতির গতি কমিয়ে দিয়েছে।

এ অবস্থা উত্তরণে আর্থিক খাতসহ সরকারি প্রতিষ্ঠানের কাঠামোগত সংস্কারের ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক ড. সৈয়দ মুনতাসির মামুন বলেন, দীর্ঘমেয়াদি শিল্প অর্থায়নে বাংলাদেশ এখনও ব্যাংক খাতের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীল। অথচ এ ক্ষেত্রে পুঁজিবাজারের ভূমিকা আরও বাড়ানো প্রয়োজন ছিল।

বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) যুগ্ম সচিব মো. আরিফুল হক বলেন, সরকারি নীতিমালা বাস্তবায়নে এখনও ঘাটতি রয়েছে। তবে সরকারি সেবায় ডিজিটাল ব্যবস্থার ব্যবহার বাড়ানো গেলে বেসরকারি খাতের ভোগান্তি কমবে।

ইন্টারন্যাশনাল ফাইন্যান্স কর্পোরেশনের (আইএফসি) সিনিয়র প্রাইভেট সেক্টর স্পেশালিস্ট মিয়া রহমত আলী বলেন, যুদ্ধ-বিগ্রহ ও জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বৈশ্বিক অর্থনীতিতে সৃষ্ট অস্থিরতা মোকাবিলায় উদ্যোক্তাদের জন্য প্রয়োজনীয় নীতি ও আর্থিক সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংক-এর প্রধান অর্থনীতিবিদ প্রফেসর ড. আখন্দ মোহাম্মদ আখতার হোসেন বলেন, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বাড়াতে বৈদেশিক বিনিয়োগ আকর্ষণের কোনো বিকল্প নেই, যদিও এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশ এখনও পিছিয়ে রয়েছে।

মুক্ত আলোচনায় ডিসিসিআই’র সাবেক ঊর্ধ্বতন সহ-সভাপতি আলহাজ্ব আব্দুস সালাম ও সাবেক পরিচালক এম বশিরউল্ল্যাহ ভূইয়্যা অংশ নেন।

এ সময় ডিসিসিআই’র ঊর্ধ্বতন সহ-সভাপতি রাজিব এইচ চৌধুরী ও সহ-সভাপতি মো. সালিম সোলায়মানসহ পরিচালনা পর্ষদের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

আরটিভি/টিআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
তিন দেশে বাড়ছে পোপা শুঁটকির চাহিদা, সাগরে কমছে মাছ
কক্সবাজার উপকূলে উৎপাদিত পোপা শুঁটকির চাহিদা বাড়ছে যুক্তরাষ্ট্র, হংকং ও চীনে। সুস্বাদু স্যুপের পাশাপাশি পোপা মাছের পটকা ও আঁইশ থেকে কোলাজেন, প্রসাধনী ও ওষুধ তৈরিতে ব্যবহার হয়। চাহিদা থাকলেও সাগরে মাছের সংকটের কারণে কমছে উৎপাদন ও রপ্তানি। ফলে এ বছর নির্ধারিত রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা পূরণ নিয়ে শঙ্কা দেখা দিয়েছে।
তিন দেশে বাড়ছে পোপা শুঁটকির চাহিদা, সাগরে কমছে মাছ
আরও ১১ উড়োজাহাজ কিনতে বোয়িংয়ের সঙ্গে চুক্তি সই বিমানের
বাংলাদেশের জাতীয় পতাকাবাহী বিমান সংস্থা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স এবং যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষস্থানীয় উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোয়িংয়ের মধ্যে আরও ১১টি অত্যাধুনিক বোয়িং উড়োজাহাজ সংগ্রহের লক্ষ্যে একটি সম্পূরক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের সাইডলাইনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান রুমী এ হোসেন এবং বোয়িংয়ের কমার্শিয়াল সেলস অ্যান্ড মার্কেটিং বিভাগের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ব্র্যাড ম্যাকমুলেন নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ূন কবির, ইনভেস্ট বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহ্‌দী আমিন, যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যমন্ত্রী হাওয়ার্ড লুটনিক এবং যুক্তরাষ্ট্রের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী ক্রিস্টোফার ল্যান্ডাউ। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন আন্তর্জাতিক বাণিজ্যবিষয়ক যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য বিভাগের আন্ডার সেক্রেটারি উইলিয়াম কিমিট, বোয়িং গ্লোবালের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ব্রেন্ডান নেলসন, বোয়িং কমার্শিয়াল এয়ারপ্লেনসের প্রেসিডেন্ট ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা স্টেফানি পোপ, দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক যুক্তরাষ্ট্রের সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস. পল কাপুর, বোয়িং কমার্শিয়াল এয়ারপ্লেনসের ইউরেশিয়া, ভারত ও দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের বাণিজ্যিক বিক্রয় ও বিপণন বিভাগের ভাইস প্রেসিডেন্ট পল রিগি এবং উভয় প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্ট অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান রুমী এ হোসেন বলেন, “আজকের এই সম্পূরক চুক্তি বিমানের চলমান বহর আধুনিকায়ন ও নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ কার্যক্রমে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। আমাদের বহর পরিকল্পনার সুনির্দিষ্ট প্রয়োজনীয়তার আলোকে এই ক্রয়াদেশ প্রদান করা হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে বোয়িংয়ের সঙ্গে আমাদের যে কার্যকর ও পারস্পরিক সহযোগিতামূলক সম্পর্ক রয়েছে, তা উড়োজাহাজ সরবরাহ ও পরবর্তী সহায়তা ব্যবস্থাপনার বিষয়ে আমাদের আস্থা জুগিয়েছে।” তিনি আরও বলেন, “জাতীয় পতাকাবাহী বিমান সংস্থা হিসেবে বাংলাদেশে বসবাসকারী জনগণ, প্রবাসী বাংলাদেশি, ব্যবসায়ী ও পর্যটকদের ক্রমবর্ধমান যোগাযোগের চাহিদা পূরণে বিমানের নেটওয়ার্ক ও সক্ষমতা উন্নয়নে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আগামী বছরগুলোতে দেশের আন্তর্জাতিক আকাশ যোগাযোগ আরও শক্তিশালী করার জন্য একটি বিস্তৃত ও সুপরিকল্পিত দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই এই চুক্তি সম্পাদিত হয়েছে।” নতুন এই চুক্তি বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের দীর্ঘমেয়াদি বহর আধুনিকায়ন কর্মসূচিকে আরও শক্তিশালী করবে। একই সঙ্গে এটি বিমানের পরিচালন সক্ষমতা, পরিচালনাগত নমনীয়তা ও দক্ষতা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখবে। বিদ্যমান বোয়িং বহরের সঙ্গে প্রয়োজনীয় সামঞ্জস্য ও ধারাবাহিকতা বজায় রাখার ক্ষেত্রেও এই চুক্তি সহায়ক হবে। বাংলাদেশের জাতীয় পতাকাবাহী প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স দেশের ক্রমবর্ধমান আন্তর্জাতিক যোগাযোগের চাহিদা পূরণ এবং দীর্ঘমেয়াদে জাতীয় বিমান পরিবহন সক্ষমতা জোরদারের লক্ষ্যে একটি আধুনিক, দক্ষ ও বাণিজ্যিকভাবে টেকসই বহর গড়ে তুলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। জাতীয় অগ্রাধিকার, প্রযোজ্য আইন ও বিধিবিধান এবং বৈশ্বিক বিমান পরিবহন খাতের ক্রমবিকাশের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ভবিষ্যতেও তার বহর ও নেটওয়ার্কের প্রয়োজনীয়তা নিয়মিতভাবে পর্যালোচনা করবে।
আরও ১১ উড়োজাহাজ কিনতে বোয়িংয়ের সঙ্গে চুক্তি সই বিমানের
সার ও মসুর ডাল আমদানি নিয়ে সরকারের বড় সিদ্ধান্ত
দেশের বর্ধমান চাহিদা মেটাতে সরকার পৃথক প্রস্তাবে ১০ হাজার মেট্রিক টন মসুর ডাল এবং ১ লাখ ৫৫ হাজার মেট্রিক টন এমওপি ও ডিএপি সার কেনার অনুমোদন দিয়েছে।
সার ও মসুর ডাল আমদানি নিয়ে সরকারের বড় সিদ্ধান্ত
জাপানে রপ্তানি বাড়াতে আগ্রহী তৈরি পোশাক রপ্তানিকারকরা
নির্দিষ্ট কিছু বাজারের ওপর মাত্রাতিরিক্ত নির্ভরশীলতা কমিয়ে তৈরি পোশাক খাতকে ঝুঁকিমুক্ত করতে নতুন বাজার হিসেবে জাপানে রপ্তানি বাড়াতে চান বাংলাদেশের উদ্যোক্তারা।
জাপানে রপ্তানি বাড়াতে আগ্রহী তৈরি পোশাক রপ্তানিকারকরা
বিদ্যুতায়ন বাড়িয়ে জ্বালানি আমদানির ঝুঁকি কমাতে পারে বাংলাদেশ: আইইএ
পরিবহন, শিল্প ও কৃষিতে বিদ্যুতের ব্যবহার বাড়িয়ে আমদানি করা জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমাতে পারে বাংলাদেশ। এতে খরচ কমানোর পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বৃদ্ধি ও সরবরাহ সংকটের ঝুঁকিও এড়ানো সম্ভব।
বিদ্যুতায়ন বাড়িয়ে জ্বালানি আমদানির ঝুঁকি কমাতে পারে বাংলাদেশ: আইইএ
আরও পড়ুন
সামগ্রিক রাজস্ব আদায় বৃদ্ধিতে এনবিআরের উদ্যোগ ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে: ডিসিসিআই
টাইফয়েডের টিকা নিয়ে নতুন তথ্য দিলো ইপিআই
ইপিআই টিকা, যক্ষ্মা-এইডসের ওষুধ কিনতে ৪৬৩ কোটি টাকা অনুমোদন
বন্দরগুলোর উন্নয়নে সরকারি-বেসরকারি সমন্বিত উদ্যোগের আহ্বান