ঢাকা শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩

নতুন বাজেটে দেশীয় ‘ইলেকট্রিক গাড়ি-ই-বাইকে’ কর রেয়াত, কমবে অনেক পণ্যের দাম

আরর্টিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৯ জুন ২০২৬, ০৮:৩৫ এএম
স্থানীয়ভাবে তৈরি ইলেকট্রিক গাড়ি, দেশীয় শিল্প সুরক্ষায় বড় ধরনের করছাড় ও শুল্ক সুবিধা দেওয়ার পরিকল্পনা করছে সরকার । ছবি: সংগৃহীত

আসন্ন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে দেশীয় শিল্প সুরক্ষায় বড় ধরনের করছাড় ও শুল্ক সুবিধা দেওয়ার পরিকল্পনা করছে সরকার। এর ফলে দেশে উৎপাদিত অনেক পণ্যের দাম কমতে পারে, আবার কিছু আমদানি নির্ভর পণ্যের দাম বাড়ার আশঙ্কাও রয়েছে।

জানা গেছে, স্থানীয় শিল্পের বিকাশ, নতুন বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং রপ্তানি বাড়াতে বিভিন্ন খাতে কর অব্যাহতি ও শুল্ক ছাড়ের মেয়াদ আরও বাড়ানো হতে পারে। বিশেষ করে ইলেকট্রনিক পণ্য উৎপাদন খাতকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।

প্রস্তাবিত সুবিধার আওতায় দেশে উৎপাদিত টেলিভিশন, শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র, ফ্রিজ, কাপড় ধোয়ার যন্ত্র, মোবাইল ফোন, ল্যাপটপ, কম্পিউটার ও মনিটরের দাম কমতে পারে। একই সঙ্গে সৌর বিদ্যুৎ, ইলেকট্রিক গাড়ি এবং ই বাইক খাতেও কর রেয়াত দেওয়া হতে পারে।

আরও পড়ুন

এছাড়া ওষুধ তৈরির কাঁচামাল, হৃদরোগের রিং, চোখের লেন্স, শিশুখাদ্য এবং চাল, ডাল, পেঁয়াজ, রসুনসহ বিভিন্ন নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যে কর কমানোর পরিকল্পনা রয়েছে। এতে এসব পণ্যের দাম কিছুটা কমতে পারে।

অন্যদিকে কনটেন্ট নির্মাতাদের জন্যও সুখবর আসতে পারে। তাদের ওপর বর্তমানে থাকা মূল্য সংযোজন কর ও আয়কর প্রত্যাহারের প্রস্তাব বিবেচনায় রয়েছে।

তবে দেশীয় শিল্প সুরক্ষার অংশ হিসেবে কিছু আমদানিকৃত পণ্যের ওপর শুল্ক ও কর বাড়ানো হতে পারে। এর মধ্যে রয়েছে কাজুবাদাম, ল্যাপটপ, কম্পিউটার সামগ্রী, সিগারেটের কাগজ, বিদেশি মদ, প্রসাধনী, দামি মাছ এবং নিকোটিনজাত পণ্য। ফলে এসব পণ্যের দাম বাড়তে পারে।

এছাড়া সিগারেটের দামও বাড়তে পারে। পাশাপাশি আমদানি করা বিলাসী পণ্য ও উচ্চমূল্যের খাদ্যপণ্যের ওপর অতিরিক্ত কর আরোপের পরিকল্পনা রয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, দেশীয় শিল্পকে আরও প্রতিযোগিতামূলক করা এবং বিদেশি পণ্যের ওপর নির্ভরতা কমানোর লক্ষ্যেই এবারের বাজেটে এই ধরনের কর ও শুল্ক নীতির পরিবর্তন আনা হচ্ছে।

আরটিভি/জেএমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
চার জেলার ৪৭ কোটি টাকার প্রকল্প, সমৃদ্ধ হবে জেলেদের জীবিকা
দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের চার জেলার ২৯টি বাঁওড়ের মৎস্যসম্পদ উন্নয়ন, মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি ও প্রকৃত মৎস্যজীবীদের জীবনমান উন্নয়নে ৪৭ কোটি ৫৫ লাখ টাকা ব্যয়ে একটি প্রকল্প প্রস্তাব করেছে মৎস্য অধিদপ্তর। পাঁচ বছর মেয়াদি ‘নির্বাচিত বাঁওড় এলাকায় সমাজভিত্তিক মৎস্যসম্পদ ব্যবস্থাপনা’ শীর্ষক এ প্রকল্পের মাধ্যমে বাঁওড় খনন, মাছের অভয়াশ্রম প্রতিষ্ঠা, পোনা উৎপাদন অবকাঠামো উন্নয়ন, প্রশিক্ষণ ও সমাজভিত্তিক ব্যবস্থাপনা জোরদারের পরিকল্পনা রয়েছে।  যশোর, ঝিনাইদহ, চুয়াডাঙ্গা ও কুষ্টিয়া জেলার বাঁওড়গুলোতে মাছের উৎপাদন অন্তত ১০ শতাংশ বাড়ানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫ সালে অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে যশোরের জেলা প্রশাসক ওই অঞ্চলের বাঁওড়গুলোতে মাছের উৎপাদন বাড়াতে প্রকল্প গ্রহণের উদ্যোগ নেন। এর ধারাবাহিকতায় গত বছরের ডিসেম্বরে জেলা প্রশাসকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব, যুগ্ম সচিব, মৎস্য বিভাগের প্রতিনিধি ও স্থানীয় ব্যক্তিবর্গ অংশ নেন এবং প্রকল্প গ্রহণের সিদ্ধান্ত হয়। চলতি বছরের জানুয়ারিতে তৎকালীন সচিবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিষয়টি অনুমোদন পায়। পরবর্তীতে প্রকল্পের জনবলকাঠামো অনুমোদনের জন্য অর্থ বিভাগে প্রস্তাব পাঠানো হয়। বর্তমান সরকারের সময়ে জনবলকাঠামো অনুমোদিত হওয়ার পর প্রকল্পের উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) পরিকল্পনা কমিশনে পাঠানো হয়েছে। বর্তমানে প্রকল্পটির ব্যয় ও কার্যক্রম মূল্যায়নের অপেক্ষায় রয়েছে। জানা গেছে, প্রকল্পের আওতায় পলি জমে ভরাট হয়ে যাওয়া বাঁওড়ের নির্বাচিত অংশ খনন করে গভীরতা ও পানি ধারণক্ষমতা বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে। এ খাতে ১১ কোটি ২১ লাখ ৯৫ হাজার টাকা প্রস্তাব করা হয়েছে। এর ফলে শুষ্ক মৌসুমেও মাছের বসবাস ও বেড়ে ওঠার উপযোগী পরিবেশ তৈরি হবে বলে আশা করা হচ্ছে। দেশীয় প্রজাতির মাছ সংরক্ষণ ও প্রাকৃতিক প্রজনন নিশ্চিত করতে ২৯টি বাঁওড়ে অভয়াশ্রম প্রতিষ্ঠায় ২ কোটি ৩২ লাখ টাকা প্রস্তাব করা হয়েছে। এ ছাড়া বিদ্যমান ৩৫টি পোনা উৎপাদন পুকুর সংস্কারে ১ কোটি ৭৩ লাখ ৩৯ হাজার টাকা, খামার যান্ত্রিকীকরণে ১ কোটি ৪০ লাখ টাকা এবং পানি সরবরাহের জন্য ছয়টি গভীর নলকূপ স্থাপনে ১ কোটি ২০ লাখ টাকা ব্যয়ের পরিকল্পনা রয়েছে। বাঁওড় ব্যবস্থাপনা, প্রশিক্ষণ, পোনা সরবরাহ ও সম্প্রসারণ সেবার অবকাঠামো উন্নয়নের অংশ হিসেবে জরাজীর্ণ ছয়টি বাঁওড় ব্যবস্থাপকের অফিস ভবন পুনর্নির্মাণে ৭ কোটি ৩১ লাখ ৮ হাজার টাকা প্রস্তাব করা হয়েছে। পাশাপাশি পাঁচ বছরে ২৯০টি বিল নার্সারি স্থাপনে ২ কোটি ৯০ লাখ টাকা এবং রুইজাতীয় ও দেশীয় প্রজাতির মাছের পোনা অবমুক্তকরণে পৃথকভাবে ৭ কোটি ৬১ লাখ ৯৩ হাজার টাকার সংস্থান রাখা হয়েছে। বিল নার্সারির মাধ্যমে পোনা লালন-পালন ও উৎপাদন কার্যক্রম বাড়ানোর পাশাপাশি নির্ধারিত জলাশয়ে পোনা অবমুক্ত করে মাছের উৎপাদন বৃদ্ধির উদ্যোগ নেওয়া হবে। প্রকল্পের সরঞ্জাম খাতে আট লাখ টাকা প্রস্তাব করা হয়েছে। এ খাতে চারটি ডেস্কটপ কম্পিউটারের পাশাপাশি দুটি ল্যাপটপ, চারটি প্রিন্টার ও আনুষঙ্গিক সরঞ্জাম অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। প্রস্তাবিত প্রকল্পে জলাশয় খনন, অভয়াশ্রম প্রতিষ্ঠা, পোনা উৎপাদন, পানি সরবরাহ, অবকাঠামো উন্নয়ন ও প্রশিক্ষণের মতো কার্যক্রম অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এর মাধ্যমে শুধু মাছের উৎপাদন বাড়ানো নয়, বরং বাঁওড়ের প্রাকৃতিক পরিবেশ সংরক্ষণ এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠীর অংশগ্রহণে টেকসই মৎস্যসম্পদ ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. দেলোয়ার হোসেন বলেন, বাঁওড়গুলোতে মাছের উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি স্থানীয় মৎস্যজীবীদের সম্পৃক্ত করে কার্যকর ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলাই এ প্রকল্পের প্রধান লক্ষ্য। অভয়াশ্রমের নির্ধারিত এলাকায় মাছ আহরণ নিয়ন্ত্রিত থাকবে, যাতে মাছের প্রাকৃতিক প্রজনন ও বংশবিস্তারের সুযোগ তৈরি হয়। বর্ষায় মাছ আশপাশের নদী ও বিলে ছড়িয়ে পড়লে সেখান থেকেও জেলেরা মাছ আহরণ করতে পারবেন। বর্তমানে প্রকল্পটি মূল্যায়নাধীন রয়েছে। প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটির (পিইসি) সভায় পর্যালোচনার পর পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। মৎস্য অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক মো. খালেদ কনক জানান, এটি একটি সমাজভিত্তিক মৎস্য উন্নয়ন প্রকল্প। দীর্ঘদিন ধরে বাঁওড়ের জেলেদের জীবনমান উন্নয়নে এ ধরনের প্রকল্পের অভাব ছিল। প্রকল্পের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হলো প্রকৃত মৎস্যজীবীদের তালিকা হালনাগাদ করা। নব্বইয়ের দশকে গঠিত মৎস্যজীবী সমিতিগুলোর সদস্য তালিকা দীর্ঘদিন ধরে হালনাগাদ হয়নি। এর মাধ্যমে প্রকৃত মৎস্যজীবীদের অন্তর্ভূক্তি, তাদের অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং সুফল সুষমভাবে বণ্টনের সুযোগ তৈরি হবে। সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে বাঁওড়ের প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণের পাশাপাশি স্থানীয় জেলেদের দীর্ঘমেয়াদি জীবিকা ও আয় বৃদ্ধির পথ সুগম হবে। আরটিভি/টিআর
চার জেলার ৪৭ কোটি টাকার প্রকল্প, সমৃদ্ধ হবে জেলেদের জীবিকা
দেশের বাজারে আজ যে দামে বিক্রি হচ্ছে সোনা
দেশের বাজারে সোনার দাম কমেছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) সর্বশেষ মূল্য সমন্বয়ে ভরিপ্রতি সর্বোচ্চ ১ হাজার ৬৯১ টাকা কমিয়েছে সোনার দাম। নতুন কোনো ঘোষণা না আসায় শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) সর্বশেষ নির্ধারিত দামেই বিক্রি হবে সোনা।
দেশের বাজারে আজ যে দামে বিক্রি হচ্ছে সোনা
সাইবার নিরাপত্তাঝুঁকিতে বন্ধ বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট
জরুরি নিরাপত্তাজনিত সমস্যার কারণে বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট বন্ধ রাখা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) বাংলাদেশ ব্যাংকের এক কর্মকর্তা জানান, এটি শুধু বাংলাদেশ ব্যাংকের সমস্যা নয়, বিশ্বব্যাপী সতর্কতামূলক পদক্ষেপের অংশ হিসেবে ওয়েবসাইট বন্ধ রাখা হয়েছে। ঝুঁকি বিশ্লেষণ শেষে এটি চালু করা হবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বলেন, জরুরি নিরাপত্তা সমস্যার কারণে বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট বন্ধ রাখা হয়েছে। নিরাপত্তাঝুঁকি এড়াতে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, ওয়েবসাইটের নিরাপত্তা দুর্বলতা শনাক্ত ও সমাধানে কাজ চলছে। ঝুঁকি পর্যালোচনা এবং প্রয়োজনীয় নিরাপত্তাব্যবস্থা নিশ্চিত করার পর ওয়েবসাইটটি পুনরায় চালু করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। সংশ্লিষ্ট সূত্র ও আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, পিএইচপি প্রোগ্রামিং ভাষার দুটি গুরুতর নিরাপত্তা ত্রুটি নিয়ে বিশ্বব্যাপী সতর্কতা তৈরি হয়েছে। এসব ত্রুটি কাজে লাগিয়ে সম্ভাব্য হামলাকারীরা দূর থেকে সার্ভারে অননুমোদিত নির্দেশনা কার্যকর করার সুযোগ পেতে পারে। এতে সার্ভারের ফাইল, ডেটাবেজ ও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ঝুঁকির মুখে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের পাশাপাশি পিএইচপিভিত্তিক আরও কিছু ব্যাংক ও প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইটেও সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। তবে এসব ত্রুটি কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইটে কোনো সাইবার হামলা হয়েছে কি না, সে বিষয়ে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি। পিএইচপি একটি বহুল ব্যবহৃত সার্ভারভিত্তিক প্রোগ্রামিং ভাষা। বিশ্বের বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠান, সংবাদমাধ্যম, ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম ও অনলাইন সেবা পরিচালনায় এ প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়। তবে কোনো ওয়েবসাইটে পিএইচপি ব্যবহার করা হলেই সেটি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে না। ব্যবহৃত সংস্করণ, নিরাপত্তা হালনাগাদ এবং সার্ভারের সুরক্ষাব্যবস্থার ওপর ঝুঁকির মাত্রা নির্ভর করে। সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের মতে, এ ধরনের পরিস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট সার্ভারে ব্যবহৃত পিএইচপির সংস্করণ শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা হালনাগাদ করা জরুরি। তাৎক্ষণিকভাবে ত্রুটি সংশোধন সম্ভব না হলে ফায়ারওয়াল ব্যবহার, অননুমোদিত সংযোগ সীমিত করা এবং প্রয়োজনে সার্ভার সাময়িকভাবে ইন্টারনেট থেকে বিচ্ছিন্ন রাখার মতো পদক্ষেপ নেওয়া যেতে পারে। বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট বন্ধ থাকায় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিভিন্ন তথ্য ও অনলাইন সেবা ব্যবহারে সাময়িক অসুবিধা হতে পারে। তবে ওয়েবসাইটটি কখন পুনরায় চালু হবে, সে বিষয়ে নির্দিষ্ট সময় জানা যায়নি। আরটিভি/টিআর
সাইবার নিরাপত্তাঝুঁকিতে বন্ধ বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট
সরকারের বড় উদ্যোগ / ৫৯২ কোটি টাকায় দুই কূপ খনন, জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে ‘বিপুল গ্যাস’
দেশের অভ্যন্তরীণ বৃহত্তম গ্যাস উৎপাদন ক্ষেত্র তিতাসে দুটি অনুসন্ধানমূলক ও উন্নয়ন কূপ খননের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে সরকার। এ প্রকল্পে ব্যয় ধরা হয়েছে ৫৯২ কোটি টাকা। 
৫৯২ কোটি টাকায় দুই কূপ খনন, জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে ‘বিপুল গ্যাস’
বিশ্ববাজারে বাড়ল তেলের দাম
মধ্যপ্রাচ্যে হামলা ও সংঘাতের তীব্রতা বৃদ্ধি এবং জ্বালানি সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কায় বিশ্ববাজারে বেড়েছে অপরিশোধিত তেলের দাম।
বিশ্ববাজারে বাড়ল তেলের দাম
আরও পড়ুন
দুই মাসে ৮ হাজার ৬২৬ কোটি টাকা বিদেশি ঋণ পরিশোধ করেছে বাংলাদেশ
কেসিসির ৬০১ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা
চাঁদপুর পৌরসভার ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের বাজেট ঘোষণা
৪ হাজার কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা ডিএসসিসির