ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩

ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে অর্থায়ন করতে চায় চীনের ৩ প্রতিষ্ঠান

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ৩০ জুলাই ২০২৬, ১১:৫২ এএম
ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে। ফাইল ছবি

ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পে অর্থায়ন করতে আগ্রহ দেখিয়েছে চীনের শ্যানডং প্রদেশের দুটি শীর্ষস্থানীয় ব্যাংক ও একটি বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান। প্রকল্পের চলমান আর্থিক জটিলতা কাটিয়ে দ্রুত নির্মাণকাজ সম্পন্নের লক্ষ্যে সেতু বিভাগের সঙ্গে এ বিষয়ে আলোচনা হয়েছে প্রতিষ্ঠানগুলোর।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের উপপরিচালক ও জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. মাসুদ রানা শিকদারের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রকল্পের বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান ফার্স্ট ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে (এফডিইই)-এর শেয়ার হস্তান্তর-সংক্রান্ত আইনি জটিলতার কারণে সিঙ্গাপুরে সালিশি কার্যক্রম (আরবিট্রেশন) চলছে। এর ফলে গত দুই বছরের বেশি সময় ধরে প্রকল্পে অর্থায়নকারী দুটি চীনা ব্যাংকের ঋণের কিস্তি ছাড় বন্ধ রয়েছে। তবে, এ সময়েও বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানটি নিজস্ব অর্থায়নে প্রকল্পের কাজ চালিয়ে গেছে।

এ অবস্থায় ২৯ জুলাই সেতু বিভাগের সচিব ও বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ আবদুর রউফের সঙ্গে তার কার্যালয়ে চীনের শ্যানডং প্রদেশের দুটি ব্যাংক ও একটি বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদল সৌজন্য সাক্ষাৎ করে। বৈঠকে প্রকল্পের বিকল্প অর্থায়নের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।

আরও পড়ুন

বৈঠকে সেতু সচিব বলেন, ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের আংশিক অংশ চালু হওয়ার পর প্রত্যাশার চেয়েও বেশি যানবাহন চলাচল করছে। পুরো এক্সপ্রেসওয়ে চালু হলে বিনিয়োগ করা অর্থ পুনরুদ্ধার করা সম্ভব হবে।

সভায় বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের পরিচালক (প্রশাসন) আলতাফ হোসেন সেখ, বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের প্রধান প্রকৌশলী এ এইচ এম এস আকতার এবং চীনা প্রতিনিধি দলের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

আরটিভি/এসএইচএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
রেমিট্যান্সের পালে হাওয়া, ৬ দিনে এলো ৬৩ কোটি ডলার
চলতি মাসের প্রথম ৬ দিনে দেশে এসেছে ৬৩ কোটি মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স।
রেমিট্যান্সের পালে হাওয়া, ৬ দিনে এলো ৬৩ কোটি ডলার
বাংলাদেশ-সিঙ্গাপুর বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদারে আলোচনা
বাংলাদেশ ও সিঙ্গাপুরের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও জোরদারের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।
বাংলাদেশ-সিঙ্গাপুর বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদারে আলোচনা
দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩৬ দশমিক ১২ বিলিয়ন ডলার
বাংলাদেশ ব্যাংকের নিজস্ব হিসাবে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার মোট রিজার্ভের পরিমাণ কমে ৩৬ দশমিক ১২ বিলিয়ন (তিন হাজার ৬১২ কোটি ৩৫ লাখ) ডলারে দাঁড়িয়েছে।
দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩৬ দশমিক ১২ বিলিয়ন ডলার
দেশের বাজারে আজ যে দামে বিক্রি হচ্ছে সোনা
আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দামের ওঠানামার প্রভাব পড়ছে দেশের বাজারেও। এর ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বাজুস) সর্বশেষ নির্ধারিত দাম অনুযায়ী বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) দেশের বাজারে সোনা বিক্রি হচ্ছে। বাজুসের নতুন মূল্য তালিকা সোমবার (৫ অক্টোবর) থেকে কার্যকর হয়েছে। এতে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ১ হাজার ৬৯১ টাকা কমানো হয়েছে। ফলে ভ্যাটসহ সবচেয়ে ভালো মানের ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার গহনার দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ২৯ হাজার ৮১ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ১ হাজার ৫৭৪ টাকা কমিয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ১৮ হাজার ৮১৭ টাকা। এর আগে এ মানের সোনার দাম ছিল ২ লাখ ২০ হাজার ৩৯১ টাকা। ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দামও কমেছে। এ মানের সোনার দাম ১ হাজার ৩৪১ টাকা কমিয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৮৭ হাজার ৯০৭ টাকা। এর আগের দাম ছিল ১ লাখ ৮৯ হাজার ২৪৮ টাকা। অন্যদিকে, সনাতন পদ্ধতিতে তৈরি প্রতি ভরি সোনার গহনার দাম ৭৫৮ টাকা কমানো হয়েছে। নতুন দর অনুযায়ী, এ ধরনের সোনার প্রতি ভরির দাম ১ লাখ ৫৩ হাজার ৪৯৮ টাকা। আগে দাম ছিল ১ লাখ ৫৪ হাজার ২৫৬ টাকা। সোনার দাম কমানো হলেও রূপার দাম অপরিবর্তিত রেখেছে বাজুস। সর্বশেষ নির্ধারিত দর অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রূপা বিক্রি হচ্ছে ৪ হাজার ৩১৬ টাকা এবং প্রতি গ্রাম ৩৭০ টাকায়। ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি রূপার দাম ৪ হাজার ১৪১ টাকা। প্রতি গ্রামের দাম ৩৫৫ টাকা। ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি রূপার দাম ৩ হাজার ৫৫৮ টাকা এবং প্রতি গ্রামের দাম ৩০৫ টাকা। এ ছাড়া সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রূপার দাম ২ হাজার ৬৮৩ টাকা এবং প্রতি গ্রাম ২৩০ টাকা। বাজুস জানিয়েছে, অলংকারের নকশা ও ধরন অনুযায়ী মজুরি প্রযোজ্য হবে। তবে সোনা ও রৌপ্যের অলংকারের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট অন্তর্ভুক্ত থাকায় গ্রাহকের কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট আদায় করা যাবে না। এ ছাড়া অলংকার এক্সচেঞ্জ ও পুরোনো অলংকার বিক্রির ক্ষেত্রেও নির্ধারিত নিয়ম অনুসরণ করতে হবে। মজুরি ও পাথরের দাম বাদ দেওয়ার পর অলংকার এক্সচেঞ্জের ক্ষেত্রে ১২ শতাংশ এবং পুরোনো অলংকার বিক্রির ক্ষেত্রে ১৮ শতাংশ বাদ দেওয়ার নিয়ম রয়েছে। আরটিভি/এসকে
দেশের বাজারে আজ যে দামে বিক্রি হচ্ছে সোনা
বিশ্বব্যাংকের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বিজিএমইএ’র বৈঠক
বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতের পরিবেশগত সুরক্ষা, পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনা এবং টেকসই রূপান্তরকে ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যে বিশ্বব্যাংকের প্রতিনিধি দলের সাথে বিজিএমইএ এর দ্বিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (৭ অক্টোবর) রাজধানীর উত্তরাস্থ বিজিএমইএ কমপ্লেক্সে অনুষ্ঠিত উচ্চপর্যায়ের এই বৈঠকে বিশ্বব্যাংকের দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের টেকসই উন্নয়ন বিষয়ক আঞ্চলিক পরিচালক মারা কে. ওয়ারউইক এর নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খানের সাথে মতবিনিময় করেন। বিজিএমইএ এর পক্ষ থেকে আলোচনায় আরও অংশ নেন পরিচালক ড. মো. হাসিব উদ্দিন। বৈঠকের শুরুতেই  বিজিএমইএ সভাপতি বলেন যে, পানি ব্যবস্থাপনা এখন কেবল একটি পরিবেশগত বিষয় নয়, বরং এটি আমাদের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য এবং বৈশ্বিক প্রতিযোগিতা সক্ষমতার সাথে সরাসরি জড়িত। বর্তমানে আন্তর্জাতিক ক্রেতারা, বিশেষ করে ইউরোপীয় ব্র্যান্ডগুলো, পোশাক উৎপাদনের প্রতিটি স্তরে পানির ব্যবহার হ্রাস, বর্জ্যপানি পরিশোধন এবং পানি রিসাইক্লিংয়ের ডেটা বা তথ্যকে অন্যতম প্রধান শর্ত হিসেবে দেখছেন। তাই, ঢাকার নদী ও ভূগর্ভস্থ পানির স্তর রক্ষার পাশাপাশি রপ্তানি বাজার টিকিয়ে রাখতে পানি সাশ্রয়ী আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারের কোনো বিকল্প নেই। সভায় বিশ্বব্যাংকের সহায়তায় বাস্তবায়নাধীন ‘ঢাকা ওয়াটার সিকিউরিটি অ্যান্ড রেজিলিয়েন্স প্রোগ্রাম’ এবং এর আওতাধীন ৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের ভিজিএফ পাইলট প্রকল্প নিয়ে বিস্তারিত পর্যালোচনা করা হয়। এই প্রকল্পের আওতায় বিজিএমইএ’র পক্ষ থেকে ৩১টি কারখানার একটি প্রাথমিক তালিকা প্রস্তাব করা হয়েছিল, যার মধ্য থেকে বিশ্বব্যাংক ৮টি কারখানা নিয়ে কাজ শুরু করবে। তবে টেকসই প্রযুক্তির প্রতি দেশীয় পোশাক কারখানাগুলোর বিপুল আগ্রহ ও চাহিদার তুলনায় এই ৫ মিলিয়ন ডলারের তহবিল এবং নির্বাচিত কারখানার সংখ্যা অত্যন্ত অপ্রতুল। এই বাস্তবতায় বিজিএমইএ সভাপতি প্রকল্পের তহবিল এবং সামগ্রিক পরিধি আরও বড় পরিসরে বাড়ানোর জন্য বিশ্বব্যাংকের প্রতি জোরালো আহ্বান জানান। বৈঠক শেষে বিশ্বব্যাংকের প্রতিনিধি দল বিজিএমইএ নেতাদের প্রস্তাবগুলোকে অত্যন্ত ইতিবাচক হিসেবে গ্রহণ করেন এবং বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতের সবুজ রূপান্তর ত্বরান্বিত করতে লজিস্টিকস ও সার্বিক সহযোগিতা অব্যাহত রাখার জোরালো আশ্বাস প্রদান করেন। বিশ্বব্যাংকের প্রতিনিধিদলে অন্যান্যদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন লিড ওয়াটার স্পেশালিস্ট ডেভিড মেলকম লর্ড, সিনিয়র ওয়াটার সাপ্লাই অ্যান্ড স্যানিটেশন স্পেশালিস্ট রোকেয়া আহমেদ, ওয়াটার স্পেশালিস্ট মো. মাহাদী হাসান এবং এনভায়রনমেন্টাল স্পেশালিস্ট বুশরা নিশাত। আরটিভি/টিআর
বিশ্বব্যাংকের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বিজিএমইএ’র বৈঠক
আরও পড়ুন
ছেলের আসক্তি ছাড়াতে গিয়ে নিজেই জনপ্রিয় গেমার, তারকা খ্যাতি পেলেন বৃদ্ধা মা
অত্যাধুনিক কার্গো হ্যান্ডলিং যন্ত্রে বদলে যাচ্ছে পায়রা বন্দর
আজ একনেকে উঠছে ১৬ হাজার কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প
তাইওয়ান প্রেসিডেন্টের ছেলেকে নজরদারি, চীনা এজেন্ট সন্দেহে যুক্তরাষ্ট্রের আদালতে নারী