ঢাকা বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩

কমপ্রিহেনসিভ ইকোনমিক পার্টনারশিপ অ্যাগ্রিমেন্টকে স্বাগত জানাল এফবিসিসিআই

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৬ আগস্ট ২০২৬, ১০:৩৩ পিএম
ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার্স অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফবিসিসিআই)। ছবি: সংগ্রহীত

দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে কমপ্রিহেনসিভ ইকোনমিক পার্টনারশিপ অ্যাগ্রিমেন্ট (সিইপিএ) সফলভাবে স্বাক্ষর হওয়ায় সরকারকে অভিনন্দন জানিয়েছে দেশের শীর্ষ ব্যবসায়ী সংগঠন ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার্স অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফবিসিসিআই)।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) এফবিসিসিআইয়ের প্রশাসক মো. ফজলুল হক এক প্রতিক্রিয়ায় বলেন, এ চুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যকার অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও গভীর ও শক্তিশালী হবে।

তিনি জানান, বর্তমানে বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে মোট দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের পরিমাণ প্রায় ১ দশমিক ৩৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। এর মধ্যে বাংলাদেশ কোরিয়া থেকে প্রায় ৯০৩ মিলিয়ন ডলার মূল্যের পণ্য আমদানি করে এবং কোরিয়ায় ৪৯২ মিলিয়ন ডলার মূল্যের পণ্য রপ্তানি করে। বাংলাদেশের বাণিজ্য ঘাটতি প্রায় ৪১১ মিলিয়ন ডলার।

মো. ফজলুল হক বলেন, সিইপিএ কার্যকর হলে বাংলাদেশের প্রায় ৯৭ শতাংশ পণ্য, অর্থাৎ ৮ হাজার ৪২৮টি পণ্য, দক্ষিণ কোরিয়ার বাজারে অগ্রাধিকারমূলক বা শুল্কমুক্ত সুবিধা নিয়ে প্রবেশ করতে পারবে। এর ফলে তৈরি পোশাকের পাশাপাশি অন্যান্য রপ্তানি পণ্যের বাজারও উল্লেখযোগ্যভাবে সম্প্রসারিত হবে, যা এলডিসি থেকে উত্তরণের পর বাংলাদেশের রপ্তানি প্রতিযোগিতা ধরে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। একই সঙ্গে দুই দেশের মধ্যে কারিগরি সহযোগিতাও আরও বাড়বে।

তিনি বলেন, দক্ষিণ কোরিয়া প্রতি বছর বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে প্রায় ১২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের তৈরি পোশাক আমদানি করে। অথচ এর মাত্র ৩ শতাংশ বাংলাদেশ থেকে আসে। নতুন এ চুক্তি কার্যকর হলে দক্ষিণ কোরিয়ার বাজারে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানি উল্লেখযোগ্য হারে বাড়বে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

এছাড়া চামড়াজাত পণ্য, জুতা, ওষুধ, কৃষিপণ্যসহ বিভিন্ন সম্ভাবনাময় খাতের রপ্তানিও বাড়বে বলে তিনি মনে করেন। এতে দক্ষিণ কোরিয়ার বাজার বাংলাদেশের সামগ্রিক রপ্তানি বৃদ্ধির অন্যতম চালিকাশক্তিতে পরিণত হতে পারে।

এফবিসিসিআই প্রশাসক সিইপিএ চুক্তি দ্রুত ও সফলভাবে সম্পন্ন করায় বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এবং সংশ্লিষ্ট সকল কর্মকর্তা ও অংশীজনকে আন্তরিক অভিনন্দন জানান।

তিনি বলেন, এ চুক্তি বাস্তবায়নের অভিজ্ঞতা ভবিষ্যতে অন্যান্য দেশের সঙ্গে আরও বৃহৎ পরিসরের বাণিজ্য চুক্তি সম্পাদনে বাংলাদেশের সক্ষমতা বাড়াবে।

আরটিভি/টিআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
আজ যে দামে বিক্রি হচ্ছে সোনা
আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দেশের বাজারে সোনার দাম নির্ধারণ করে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। সেই অনুযায়ী, বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সর্বশেষ নির্ধারিত দামেই দেশের বাজারে স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে। সবশেষ শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সোনার দাম ভরিতে ১ হাজার ৬৯১ টাকা বাড়ায় বাজুস। এর আগে এক দফা দাম বাড়ানো হয়েছিল। দুই দফায় ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম বেড়েছে মোট ২ হাজার ৭৪১ টাকা। বাজুস জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি সোনা বা পিওর গোল্ডের দাম বাড়ায় সোনার নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন মূল্য অনুযায়ী, দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনা ২ লাখ ৩৪ হাজার ৬২১ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ২৪ হাজার ৬৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৯২ হাজার ৩৯৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনা ১ লাখ ৫৭ হাজার ১৭২ টাকা দামে বিক্রি হচ্ছে। বাজুসের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, নির্ধারিত সোনার দামের সঙ্গে ৫ শতাংশ ভ্যাট এবং ন্যূনতম ৬ শতাংশ মজুরি যোগ হবে। তবে গহনার নকশা ও মানের ওপর ভিত্তি করে মজুরির পরিমাণ কম-বেশি হতে পারে। এদিকে, দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার দাম ৫ হাজার ১৩২ টাকা। ২১ ক্যারেটের রুপা বিক্রি হচ্ছে ৪ হাজার ৯৫৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৪ হাজার ২৫৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম ৩ হাজার ২০৮ টাকা প্রতি ভরি। অর্থাৎ, আজকের হিসাবে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার মূল দাম ২ লাখ ৩৪ হাজার ৬২১ টাকা। এর সঙ্গে ভ্যাট ও মজুরি যোগ হলে গহনা কিনতে ক্রেতাকে আরও বেশি অর্থ পরিশোধ করতে হবে। আরটিভি/ এমএ
আজ যে দামে বিক্রি হচ্ছে সোনা
জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় চড়া সবজির বাজার
জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির ধাক্কা লেগেছে রাজধানীর সবজির বাজারে। ব্যবসায়ীদের দাবি, পরিবহণ ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় বিভিন্ন সবজির দামও বাড়াতে হয়েছে। এতে বাড়তি দামের চাপে পড়েছেন ক্রেতারা।
জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় চড়া সবজির বাজার
লঞ্চভাড়া ৬০ শতাংশ বাড়ানোর দাবি
জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় এবার যাত্রীবাহী লঞ্চের ভাড়া ৫১ থেকে ৬০ শতাংশ বাড়ানোর দাবি জানিয়েছে অভ্যন্তরীণ নৌপথে যাত্রী পরিবহনকারী লঞ্চ মালিকদের সংগঠন।
লঞ্চভাড়া ৬০ শতাংশ বাড়ানোর দাবি
জ্বালানির দাম বৃদ্ধি: পথে পথে গণপরিবহনের ভাড়া নৈরাজ্য
দেশের বিভিন্ন রুটে সরকার গণপরিবহনের ভাড়া বাড়ানোর আগেই অতিরিক্ত ভাড়া আদায় শুরু হয়ে গেছে। সোমবার (২৩ সেপ্টেম্বর) থেকে শুরু হওয়া এই নৈরাজ্য এখনও চলছে।
জ্বালানির দাম বৃদ্ধি: পথে পথে গণপরিবহনের ভাড়া নৈরাজ্য
মোংলা বন্দরের রাজস্ব আয়ে নতুন রেকর্ড
দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম সমুদ্রবন্দর বাগেরহাটের মোংলা বন্দরে রাজস্ব আয়ে নতুন রেকর্ড করেছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বন্দরের রাজস্ব আয় হয়েছে ৩ হাজার ৮৭৯ কোটি ৫১ লাখ টাকা। বেড়েছে জাহাজ, কার্গো ও কনটেইনার হ্যান্ডলিংও। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকালে মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের অডিটোরিয়ামে বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল আরিফ আহমেদ মোস্তফা বাগেরহাট ও মোংলা প্রেসক্লাবের সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এসব তথ্য জানান। তিনি জানান, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৩ হাজার ৪৭৮ কোটি ৭০ লাখ টাকা। এর বিপরীতে আয় হয়েছে ৩ হাজার ৮৭৯ কোটি ৫১ লাখ ২০ হাজার টাকা। আগের অর্থবছরের তুলনায় আয় বেড়েছে ৪০৮ কোটি ২৬ লাখ টাকা, অর্থাৎ ১১ দশমিক ৭৬ শতাংশ। এ সময়ে বন্দরে এসেছে ৮১৫টি জাহাজ। কার্গো হ্যান্ডলিং হয়েছে ১ কোটি ২২ লাখ ৫১ হাজার মেট্রিক টন, আর কনটেইনার হ্যান্ডলিং হয়েছে ২৯ হাজার ৭১৪ টিইইউজ। এছাড়া আমদানি হয়েছে ১২ হাজার ৭৫টি রিকন্ডিশন্ড গাড়ি। বন্দর কর্তৃপক্ষ বলছে, সক্ষমতা বাড়াতে নতুন সহায়ক জলযান সংগ্রহ এবং কনটেইনার টার্মিনাল ও ইয়ার্ড নির্মাণসহ বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়নাধীন রয়েছে। তবে ১৪৪ কিলোমিটার চ্যানেলের নাব্যতা ধরে রাখা এখনও অন্যতম চ্যালেঞ্জ। চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল আরিফ আহমেদ মোস্তফা আরও জানান, এসব উদ্যোগের মাধ্যমে মোংলা বন্দরের সক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ব্যবসা-বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড আরও গতিশীল হবে। আরটিভি/এসআর  
মোংলা বন্দরের রাজস্ব আয়ে নতুন রেকর্ড
আরও পড়ুন
১০ গোলের পর এবার ৬ গোল হজম বাংলাদেশের
এশিয়ান গেমসে বিছানা নিয়ে দক্ষিণ কোরিয়ার গুরুতর অভিযোগ
বেতন বৃদ্ধির সুযোগে নিত্যপণ্যের দাম না বাড়ানোর আহ্বান এফবিসিসিআইয়ের
বাংলাদেশি কর্মীদের বড় সুখবর দিল দ. কোরিয়া