ঢাকা মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩

বাংলা কিউআরে ৪০ দিনে লেনদেন হয়েছে ১৫০০ কোটি টাকা

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১০ আগস্ট ২০২৬, ০৮:০১ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

নগদ টাকার ব্যবহার কমিয়ে ডিজিটাল লেনদেনের দিকে ধাবিত হওয়ার প্রবণতা বেড়েছে দেশে। এরই মধ্যে গত ১ জুলাই থেকে ৪০ দিনে প্রায় ৫৬ লাখ লেনদেন হয়েছে বাংলা কিউআর (কুইক রেসপন্স) ব্যবস্থায়। টাকার অঙ্কে গত ৪০ দিনে এই লেনদেনের পরিমাণ প্রায় ১ হাজার ৫০০ কোটি।

বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেন, গত ১ জুলাই থেকে সারা দেশে একক ও সর্বজনীন বাংলা কিউআর ব্যবস্থা বাধ্যতামূলক করার পর থেকেই এই ব্যবস্থায় লেনদেনে গতি রয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের ওই কর্মকর্তা জানান, শুধু ২ থেকে ৮ আগস্ট পর্যন্ত এক সপ্তাহে বাংলা কিউআরের মাধ্যমে প্রায় ১৭ লাখ লেনদেন হয়েছে। এসব লেনদেনের আর্থিক মূল্য প্রায় ৪৮৭ কোটি টাকা।

সবশেষ এক সপ্তাহের হিসাবে, প্রতিদিন গড়ে প্রায় ২ লাখ ৪০ হাজার লেনদেন হয়েছে বাংলা কিউআর ব্যবস্থায়। প্রতিটি লেনদেনের গড় মূল্য ছিল প্রায় ২ হাজার ৮৬৫ টাকা।

দীর্ঘদিন ধরেই ভোক্তা ও ব্যবসায়ীদের নগদ টাকার ওপর নির্ভরতা কমিয়ে দৈনন্দিন কেনাকাটা ও অন্যান্য লেনদেনে ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবহারে উৎসাহ দিয়ে আসছে বাংলাদেশ ব্যাংক। সেই প্রেক্ষাপটে বাংলা কিউআরে লেনদেন বাড়ার এই প্রবণতাকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

বাংলা কিউআর হলো এমন একটি একক কিউআর কোড, যা অংশগ্রহণকারী ব্যাংক ও মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসের (এমএফএস) অ্যাপ দিয়ে স্ক্যান করে গ্রাহকেরা অর্থ পরিশোধ করতে পারেন।

এর ফলে একটি দোকান বা ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানকে বিভিন্ন পেমেন্ট সেবাদাতার জন্য আলাদা আলাদা কিউআর কোড রাখতে হয় না। এতে ব্যবসায়ী ও গ্রাহক উভয় পক্ষের জন্যই ডিজিটাল পেমেন্ট সহজ ও সুবিধাজনক হয়।

সম্প্রতি বাংলা কিউআরের ব্যবহার আরও বাড়ানোর ওপর জোর দিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান। তিনি বলেছেন, নিরাপদ ও কম নগদনির্ভর অর্থনীতির দিকে দেশের অগ্রযাত্রায় ডিজিটাল পেমেন্ট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

গত ৭ ও ৮ আগস্ট চট্টগ্রামে দুই দিনের সরকারি সফরে গিয়ে গভর্নর বাংলা কিউআর প্রচারাভিযানে অংশ নেন। এ সময় ব্যবসায়ী ও গ্রাহকদের ডিজিটাল পেমেন্ট সেবার ব্যবহার বাড়ানোর আহ্বান জানান তিনি।

গভর্নর বলেন, বাংলা কিউআরের ব্যবহার বাড়িয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক নিরাপদ, সহজ, কম খরচের এবং সবার জন্য সহজলভ্য নগদহীন লেনদেনব্যবস্থা গড়ে তুলতে কাজ করছে।

চট্টগ্রামে বাংলা কিউআরবিষয়ক এক কর্মশালায় তিনি নগদ টাকার ব্যবহার কমানোর বৃহত্তর অর্থনৈতিক সুফলের কথাও তুলে ধরেন। মো. মোস্তাকুর রহমান বলেন, ডিজিটাল পেমেন্টের ব্যবহার বাড়লে চাঁদাবাজি কমানো, জাল টাকার ঝুঁকি হ্রাস এবং আর্থিক লেনদেন আরও স্বচ্ছ করা সম্ভব হবে।

গভর্নর বলেন, সরকার প্রতিবছর মুদ্রা ছাপাতে যে বিপুল টাকা ব্যয় করছে, ডিজিটাল লেনদেনের ব্যবহার বাড়লে এই ব্যয়ও কমানো সম্ভব।

এর আগে তিনি বলেছিলেন, ডিজিটাল পেমেন্টের মাধ্যমে নগদ টাকা ব্যবস্থাপনার ব্যয় কমানোর পাশাপাশি গ্রাম ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কাছে প্রযুক্তিনির্ভর আর্থিক সেবা পৌঁছে দেয়া সম্ভব।

আরও পড়ুন

বাংলা কিউআর ব্যবস্থায় লেনদেনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে ফেনী শহরের ডিপার্টমেন্টাল স্টোর সুপার বয়ের ব্যবস্থাপক মো. মামুন ইসলাম বলেন, কিউআরভিত্তিক লেনদেনের কারণে তাদের দৈনন্দিন কাজ সহজ হয়েছে। নগদ টাকা ব্যবস্থাপনার প্রয়োজনও কমেছে।

তিনি বলেন ‘গ্রাহকেরা এখন ক্রমেই কিউআরের মাধ্যমে মূল্য পরিশোধ করতে চাইছেন। এতে সময় বাঁচে এবং আমাদের হাতে নগদ টাকা রাখার প্রয়োজন কমে। খুচরা টাকা দেয়ার সমস্যারও সমাধান হয়।’

মতিঝিল এলাকার মুদি দোকানি মো. সুজন বলেন, দোকানে ভিড়ের সময় কিউআর পেমেন্ট বেশি কাজে আসে। তিনি বলেন, ‘যখন অনেক গ্রাহক থাকেন, তখন ডিজিটাল পেমেন্ট দ্রুত হয়। গ্রাহক কিউআর কোড স্ক্যান করেন এবং টাকা গোনা ও সংরক্ষণ করার প্রয়োজন ছাড়াই আমরা লেনদেনের নিশ্চিতকরণ পেয়ে যাই।’

তবে, ছোট ব্যবসায়ীদের জন্য কিছু সমস্যা এখনও রয়ে গেছে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, লেনদেনের ওপর আরোপিত চার্জ এবং নিরবচ্ছিন্ন ইন্টারনেট সংযোগ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। বিশেষ করে যেসব ছোট ব্যবসা অল্প মুনাফায় পরিচালিত হয়, তাদের জন্য এই বিষয়গুলো বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

কিউআর পেমেন্টের ব্যবহার বাড়ছে দৈনন্দিন কেনাকাটায়ও। ফেনী এলাকার ব্যবসায়ী মো. রাশেদুজ্জামান বলেন, ‘প্রতিটি কেনাকাটার জন্য আমাকে নগদ টাকা সঙ্গে রাখতে হয় না। ব্যাংকিং বা এমএফএস অ্যাপ দিয়ে বাংলা কিউআর কোড স্ক্যান করে কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই টাকা পরিশোধ করতে পারি।’

বেসরকারি খাতের কর্মী মো. সুমন বলেন, বাংলা কিউআরের সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো এর আন্তঃব্যবহারযোগ্যতা। এতে ডিজিটাল পেমেন্ট আরও সহজ হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘আগে কোনো দোকানে আমার পছন্দের পেমেন্ট সেবা গ্রহণ করা হয় কি না, তা দেখে নিতে হতো। বাংলা কিউআরের কারণে এখন পেমেন্ট করা অনেক সহজ হয়েছে। কারণ, অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন অ্যাপ ব্যবহার করা যায়।’

কিউআর পেমেন্টের আরেকটি সুবিধা হলো, গ্রাহক ঠিক যত টাকা দিতে চান, তত টাকাই পরিশোধ করতে পারেন। ফলে ছোট মূল্যমানের নোট সঙ্গে রাখা বা দোকান থেকে খুচরা ফেরত পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করার প্রয়োজন হয় না।

মূলত, গত ১ জুলাই থেকে দেশে সার্বজনীন বাংলা কিউআর কোডের ব্যবহার বাধ্যতামূলক করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এই নির্দেশনার ফলে দেশের সব মার্চেন্ট পয়েন্ট ও দোকানকে একটি একক ও সমন্বিত কিউআর কোড ব্যবহার করে গ্রাহকদের কাছ থেকে ডিজিটাল পেমেন্ট গ্রহণ করতে হবে। অংশগ্রহণকারী ব্যাংক ও মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসের মাধ্যমে গ্রাহকরা এসব পেমেন্ট করতে পারবেন।

বাধ্যতামূলকভাবে বাংলা কিউআর চালুর পর লেনদেনের পরিমাণ যেভাবে বাড়ছে, তাতে বোঝা যাচ্ছে যে একক কিউআরভিত্তিক ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থা ব্যবসায়ী ও গ্রাহক উভয়ের মধ্যেই দ্রুত জনপ্রিয় হচ্ছে। এর ফলে নগদ টাকার ব্যবহার কমিয়ে আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক ডিজিটাল অর্থনীতির দিকে বাংলাদেশের অগ্রযাত্রাও জোরদার হচ্ছে।

আরটিভি/এসএইচএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
৮ মাসে বিদেশ গেছে সাড়ে ৪ লাখ কর্মী, আসছে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার
বিশ্বের ১০৯ দেশে বৈধভাবে কর্মসংস্থানের উদ্দেশে গত ফেব্রুয়ারি থেকে ১০ অক্টোবর পর্যন্ত ৪ লাখ ৪৩ হাজার ২১ জন রেমিট্যান্স যোদ্ধা পাড়ি জমিয়েছেন। একই সময়ে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ২৫ দশমিক ৭৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৮ মাসে বিদেশ গেছে সাড়ে ৪ লাখ কর্মী, আসছে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার
এলপিজির বাজার তদারকিতে যেসব নির্দেশনা দিল সরকার
বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) সিলিন্ডার বিক্রি বন্ধে জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) একগুচ্ছ নির্দেশনা দিয়েছে সরকার।
এলপিজির বাজার তদারকিতে যেসব নির্দেশনা দিল সরকার
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে নেদারল্যান্ডসের মন্ত্রীর সাক্ষাৎ, বাণিজ্য-বিনিয়োগে আগ্রহ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন নেদারল্যান্ডসের বৈদেশিক বাণিজ্য ও উন্নয়ন সহযোগিতাবিষয়ক মন্ত্রী শুর্দ শুর্দসমার নেতৃত্বাধীন একটি প্রতিনিধিদল। 
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে নেদারল্যান্ডসের মন্ত্রীর সাক্ষাৎ, বাণিজ্য-বিনিয়োগে আগ্রহ
১২ দিনে এলো ১৫ হাজার ৮৬৭ কোটি টাকার প্রবাসী আয়
চলতি অক্টোবর মাসের প্রথম ১২ দিনে ১২৯ কোটি ডলারের রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয় পাঠিয়েছেন বিভিন্ন দেশে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিরা। বাংলাদেশি মুদ্রায় (প্রতি ডলার ১২৩ টাকা ধরে) এর পরিমাণ ১৫ হাজার ৮৬৭ কোটি টাকা।
১২ দিনে এলো ১৫ হাজার ৮৬৭ কোটি টাকার প্রবাসী আয়
ওমানের সঙ্গে সিইপিএ চুক্তির উদ্যোগ, বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে চায় বাংলাদেশ
ওমানের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ঘাটতি কমানো, বাংলাদেশি পণ্যের রপ্তানি বৃদ্ধি এবং বিনিয়োগ সম্প্রসারণে সমন্বিত অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি (সিইপিএ) স্বাক্ষরের উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ।  বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, ওমানের সঙ্গে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে কার্যকর অর্থনৈতিক অংশীদারত্বে রূপ দিতে চায় বাংলাদেশ। এ লক্ষ্যে দুই দেশের ব্যবসায়ীদের মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ বাড়ানো, বাণিজ্য প্রতিবন্ধকতা দূর করা এবং নতুন বিনিয়োগের ক্ষেত্র চিহ্নিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত ওমানের রাষ্ট্রদূত জামিল বিন হাজি বিন ইসমাইল আল বালুশির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এসব কথা বলেন। বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদের (জিসিসি) গুরুত্বপূর্ণ সদস্য ওমান বাংলাদেশের জন্য সম্ভাবনাময় বাণিজ্য ও বিনিয়োগ অংশীদার। সিইপিএ চুক্তি স্বাক্ষরিত হলে দুই দেশের বাণিজ্য সম্প্রসারণ, বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতা জোরদারের নতুন সুযোগ তৈরি হতে পারে। বৈঠকে ওমানের রাষ্ট্রদূত ভারতের সঙ্গে অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তির অভিজ্ঞতা তুলে ধরে বাংলাদেশের সঙ্গেও অনুরূপ চুক্তি সম্পাদনের প্রস্তাব দেন। বাণিজ্যমন্ত্রী এ প্রস্তাবকে স্বাগত জানান। পাশাপাশি প্রয়োজনীয় কারিগরি প্রস্তুতি ও সম্ভাব্যতা সমীক্ষার ভিত্তিতে আলোচনা এগিয়ে নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেন। রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের সঙ্গে ওমানের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে বলেন, দেশটিতে কর্মরত প্রায় সাত লাখ বাংলাদেশি ওমানের অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন। এ সম্পর্ককে কাজে লাগিয়ে দুই দেশের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণের সুযোগ রয়েছে। দুই দেশের ব্যবসায়ীদের মধ্যে যোগাযোগ বাড়াতে ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার্স অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফবিসিসিআই) এবং ওমান চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সমন্বয়ে বাংলাদেশ-ওমান যৌথ বিজনেস কাউন্সিল গঠনের ওপর গুরুত্ব দেন বাণিজ্যমন্ত্রী। এ লক্ষ্যে প্রাথমিকভাবে ভার্চ্যুয়াল বৈঠক এবং পরে দুই দেশের ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদলের পারস্পরিক সফরের বিষয়ে আলোচনা হয়। বৈঠকে ওমানের সোহর, দুকম ও সালালাহ বন্দর এবং বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে বাংলাদেশি উদ্যোক্তাদের বিনিয়োগের সুযোগ তুলে ধরেন রাষ্ট্রদূত। এসব অঞ্চলের সুবিধা কাজে লাগিয়ে মধ্যপ্রাচ্য, আফ্রিকা ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের রপ্তানি বাড়ানোর সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা হয়। এ ছাড়া ওমানের ঐতিহ্যবাহী ‘কুমা’ টুপি তৈরিতে বাংলাদেশের নারী কারিগরদের অবদানের প্রশংসা করেন রাষ্ট্রদূত। তিনি শ্রমবাজার সম্প্রসারণ, ব্যবসায়িক ভিসা প্রক্রিয়া সহজ করা এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দেন। বৈঠকে বাণিজ্যসচিব মো. আতাউর রহমান খান, মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং ওমান দূতাবাসের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। আরটিভি/এসআর
ওমানের সঙ্গে সিইপিএ চুক্তির উদ্যোগ, বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে চায় বাংলাদেশ
আরও পড়ুন
বিনা টিকিটে ট্রেন ভ্রমণ, অনুতপ্ত হয়ে টাকা ও চিরকুট রেখে গেলেন যাত্রী
এবার পুলিশ ইন্সপেক্টরকে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে টাকা-মোবাইল ছিনতাই
ব্যাংকের ৩৪ লাখ টাকা ছিনতাইয়ের নাটক! কর্মকর্তাসহ গ্রেপ্তার ৬
চাঁদপুরে জাল টাকাসহ স্বামী-স্ত্রী গ্রেপ্তার