ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩

সবজির বাজারে আগুন ধরিয়েছে শিম, কিছুটা স্বস্তি মরিচে

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৮ আগস্ট ২০২৬, ১২:৩৭ পিএম
শিম ও কাঁচা মরিচ। ছবি: সংগৃহীত

বর্ষার মৌসুমে রাজধানীর কাঁচামালের বাজারে আগুন ধরিয়েছে শীতের আগাম সবজি শিম। ১৮০ থেকে ২০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে এই সবজি। আর সবচেয়ে কম দামে বিক্রি হচ্ছে পেঁপে। সেই সঙ্গে স্বস্তি ফিরেছে কাঁচা মরিচে।

শুক্রবার (২৮ আগস্ট) রাজধানীর রায়ের বাজার ও মোহাম্মদপুর কৃষি বাজার ঘুরে এই চিত্র দেখা গেছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, বাজারে বেগুন, করলা, বরবটি, ঢেঁড়স, পটল ও কাঁকরোলসহ বেশির ভাগ সাধারণ সবজি বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ১২০ টাকা কেজি দরে। তবে তুলনামূলক কিছুটা কম দামে শসা ৫০ থেকে ৬০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। তবে দেশি শসা ৮০ থেকে ১০০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে।

শীতের আগাম সবজি শিম বিক্রি হচ্ছে ১৮০ থেকে ২০০ টাকা কেজিতে। এর মধ্যে সবচেয়ে কম দামে বিক্রি হচ্ছে পেঁপে কেজি ৩০ টাকা।

আরও পড়ুন

এদিকে সবজির উচ্চমূল্যের মধ্যে একমাত্র স্বস্তি এসেছে কাঁচা মরিচের বাজারে। কয়েক সপ্তাহ আগে যে কাঁচা মরিচ কেজিপ্রতি ৪০০ টাকায় ঠেকেছিল, সরবরাহ বৃদ্ধি পাওয়ায় তা এখন মানভেদে ১২০ থেকে ১৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

দাম সবচেয়ে বেশি এমন সবজির মধ্যে লম্বা বেগুন ১০০ টাকা, গোল বেগুন ১২০ টাকা ও টমেটো ১২০ থেকে ১৪০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। বরবটি, ঝিঙে ও করলার কেজি ৮০ টাকা। লাউ প্রতি পিচ ৫০ থেকে ৭০টাকা, কচুরমুখি ৮০ টাকা বিক্রি করা হচ্ছে।

সবজি ক্রেতা আনোয়ার হোসেন বলেন, বেগুন কিনেছি ১০০ টাকা, করলা ৮০ টাকা, ছোট লাউ ৬০ টাকা, একপোয়া মরিচ কিনেছি ৩০টাকায়। সব কিছুর দাম বেশি। আমাদের খাওয়া মতো বাজার নাই।

বাজারে আরও ঘুরে দেখা যায়, মুরগির বাজারেও দামে তেমন পরিবর্তন নেই। রাজধানীর বাজারে ব্রয়লার মুরগি কেজি ১৯০ টাকা এবং সোনালি মুরগি ৩২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে ডিমের দামও আগের উচ্চমূল্যেই রয়েছে। প্রতি ডজন ১৫০ টাকা ও চারটি ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

সপ্তাহে এক ডজন ডিম কিনলে বিক্রেতারা দুই টাকা কম রাখলেও এখন তা হচ্ছে না। ডিম বিক্রেতা মাসুম বলেন, এখন ফার্মের মুরগির ডিম ডজন ১৫০ টাকা বিক্রি করা হচ্ছে।

একই চিত্র দেখা গেছে মাছের বাজারেও। তেলাপিয়া ২৫০ থেকে ২৬০, পাঙাস ২৩০ থেকে ২৫০, রুই-কাতল ৩৮০ থেকে ৪২০ এবং চিংড়ি ১ হাজার থেকে ১ হাজর ৩০০ টাকা কেজি। পাবদা ৩৫০ থেকে ৪০০, বড় আকারের রুই ৪৫০ থেকে ৫০০ ও ট্যাংরা ৭০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। ভেটকি ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকা, মিগেল ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা, বাইন ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা, দেশি কই ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা, চাষের কই ৩০০ টাকা, পোয়া ২৬০ টাকা এবং সইল ৭০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

আকারভেদে চাষের শিং মাছ বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকা দরে। মাঝারি আকারের রুই কেনা যাচ্ছে ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা দরে। এ ছাড়া রূপচাঁদা, শোল ও নদীর বেলে মাছ কিনতে গেলে হাজারের বেশি টাকা গুনতে হবে। তবে মাছের সাইজ ও জীবিত ও মৃত উপর দাম নির্ভর করে। প্রতিটি বাজারে ১০ থেকে ২০ টাকা কেজিপ্রতি কম বেশি হতে পারে।

মাছ বিক্রেতা জালাল বলেন, মাছের দাম আগের মতোই আছে। মাছের দাম নিষিদ্ধ করে কেউ বলতে পারবে না। দাম সরবরাহের উপর নির্ভর করে। এখন এক দাম, বিকেলে আরেক দাম। আবার মাছ বেশি আসলেও দাম কমে যায়। আবার ক্রেতা বেশি আসলেও দাম বেড়ে যায়।

আরটিভি/এসআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
বন্ধ শিল্পের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের বিশেষ স্কিম চালু
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ-১ থেকে এ-সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করা হয়েছে।
বন্ধ শিল্পের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের বিশেষ স্কিম চালু
বাটেক্সপো ২০২৬ দিয়ে বিশ্ববাজারে নতুনভাবে বাংলাদেশের পোশাক শিল্পের ব্র্যান্ডিং: বিজিএমইএ
বিশ্ববাজারে বাংলাদেশের পোশাক শিল্পকে আধুনিক, উদ্ভাবননির্ভর ও টেকসই শিল্প হিসেবে তুলে ধরতে দীর্ঘ এক যুগেরও বেশি বিরতির পর আগামী নভেম্বরে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ‘বাটেক্সপো ২০২৬’।
বাটেক্সপো ২০২৬ দিয়ে বিশ্ববাজারে নতুনভাবে বাংলাদেশের পোশাক শিল্পের ব্র্যান্ডিং: বিজিএমইএ
জ্বালানি নিরাপত্তায় আরও দুটি এফএসআরইউ ও উপকূলীয় গ্যাস অনুসন্ধানের দাবি বিজিএমইএ’র
শিল্পে নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে আরও দুটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল বা এফএসআরইউ স্থাপন, স্থলভিত্তিক এলএনজি সংরক্ষণাগার নির্মাণ এবং উপকূলীয় গ্যাস অনুসন্ধান দ্রুত জোরদারের দাবি জানিয়েছে তৈরি পোশাকশিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ।
জ্বালানি নিরাপত্তায় আরও দুটি এফএসআরইউ ও উপকূলীয় গ্যাস অনুসন্ধানের দাবি বিজিএমইএ’র
বিশ্ববাজারে সোনার দামে হঠাৎ বড় লাফ, দেশে ভরি কত?
ডলার ও তেলের দাম কমে যাওয়াতেই মূলত সোনার দামে হঠাৎ এমন উলম্ফন দেখা যাচ্ছে। সেইসঙ্গে মার্কিন ফেডারেল রিজার্ভের সর্বশেষ সুদহার বৃদ্ধি এবং আরও নীতি কঠোর করার সম্ভাবনাও মূল্যায়ন করছেন বিনিয়োগকারীরা।
বিশ্ববাজারে সোনার দামে হঠাৎ বড় লাফ, দেশে ভরি কত?
বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ারে এমআইএসটি’র সাফল্য
মিলিটারি ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি (এমআইএসটি) রাজধানীর নভোথিয়েটারে ১২ থেকে ১৪ সেপ্টেম্বর আয়োজিত বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার-২০২৬ এ অসাধারণ সাফল্য অর্জন করেছে। দেশের ৭৩টিরও বেশি বিশ্ববিদ্যালয় ও উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান এ আয়োজনে তাদের উদ্ভাবনী প্রকল্প নিয়ে অংশগ্রহণ করে। প্রতিযোগিতামূলক মূল্যায়নের মাধ্যমে নির্বাচিত ৫০টি প্রকল্প প্রধানমন্ত্রীর সামনে প্রদর্শনের জন্য উপস্থাপন করা হয়। এর মধ্যে এমআইএসটি’র ৬টি প্রকল্প স্থান পায়, যা একক কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ অংশগ্রহণ। আরও গৌরবের বিষয় হলো, এমআইএসটি’র দুটি প্রকল্প সেরা ১০-এর মধ্যে স্থান করে নেয়, যা অংশগ্রহণকারী বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ সাফল্য। সেরা ১০-এ স্থান পাওয়া এমআইএসটি’র প্রকল্প দুটি হলো ‘ওয়াটার রিপেলেন্ট জুট ফেব্রিক’ এবং ‘ভয়েস অ্যাসিস্ট ডিভাইস’। এ দুটি প্রকল্পের উদ্ভাবকদের প্রত্যেককে ১ লাখ টাকা করে পুরস্কার প্রদান করা হয়। ‘ওয়াটার রিপেলেন্ট জুট ফেব্রিক’ প্রকল্পের মাধ্যমে পাটের তৈরি শপিং ব্যাগ, ল্যাপটপ ব্যাগ, মোবাইল ক্যারিয়ারসহ বিভিন্ন ব্যবহার্য পণ্যে পরিবেশবান্ধব জলরোধী প্রলেপ দেওয়ার প্রযুক্তি উদ্ভাবন করা হয়েছে। ‘ভয়েস অ্যাসিস্ট ডিভাইস’ প্রকল্পটি কথা বলতে অক্ষম, বিশেষ করে অটিজমে আক্রান্ত শিশুদের দৈনন্দিন প্রয়োজন সহজে প্রকাশের সুযোগ করে দেওয়ার লক্ষ্যে তৈরি করা হয়েছে। বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার-২০২৬-এ এমআইএসটির এ সাফল্য দেশের বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনভিত্তিক গবেষণায় প্রতিষ্ঠানটির ক্রমবর্ধমান সক্ষমতার প্রতিফলন। একই সঙ্গে এ অর্জন এমআইএসটির শিক্ষক, গবেষক ও শিক্ষার্থীদের গবেষণা ও উদ্ভাবনী কর্মকান্ডকে আরও উৎসাহিত করবে এবং জাতীয় উন্নয়নে প্রযুক্তিভিত্তিক সমাধান তৈরির ক্ষেত্রে তাদের ভূমিকা আরও সুদৃঢ় করবে বলে আশা করা যায়। আরটিভি/এসকে
বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ারে এমআইএসটি’র সাফল্য
আরও পড়ুন
দিনে তালা, রাতে ব্যবসা: আবাসিক ভবন থেকে ৩ লাখ সিগারেট জব্দ
প্রেমিকার সঙ্গে অভিমান করে ‘ভয়ংকর সিদ্ধান্ত’ নিলেন রাফসাদ
ঢাকার যেসব এলাকায় আজ মার্কেট বন্ধ থাকবে
বিকাশের দোকানে ‘সেন্ড মানি’ করে টাকা না দিয়েই দৌড়...