ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩

বাটেক্সপো ২০২৬ দিয়ে বিশ্ববাজারে নতুনভাবে বাংলাদেশের পোশাক শিল্পের ব্র্যান্ডিং: বিজিএমইএ

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:৫২ পিএম
ছবি : বিজিএমইএ

বিশ্ববাজারে বাংলাদেশের পোশাক শিল্পকে আধুনিক, উদ্ভাবননির্ভর ও টেকসই শিল্প হিসেবে তুলে ধরতে দীর্ঘ এক যুগেরও বেশি বিরতির পর আগামী নভেম্বরে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ‘বাটেক্সপো ২০২৬’।

একই সঙ্গে নতুন বাজার সৃষ্টি ও উচ্চমূল্যের পণ্য রপ্তানি বাড়াতে জাপানসহ বিভিন্ন বাজারে কৌশলগত উদ্যোগ নিয়েছে তৈরি পোশাকশিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ।

বৃহস্পতিবার(১৭ সেপ্টেম্বর) বিজিএমইএ সভাকক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বাবু এসব উদ্যোগ ও পরিকল্পনার কথা জানান।

তিনি বলেন, আগামী ১৮ ও ১৯ নভেম্বর ঢাকার বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে বাটেক্সপোর রজতজয়ন্তী সংস্করণ অনুষ্ঠিত হবে। পরিবর্তিত বৈশ্বিক পরিস্থিতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বাংলাদেশের পোশাক খাতের রূপান্তর, কর্মপরিবেশের নিরাপত্তা, পরিবেশবান্ধব উৎপাদন এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তানির্ভর আধুনিক শিল্পব্যবস্থা বিশ্ববাসীর সামনে তুলে ধরাই এবারের আয়োজনের অন্যতম লক্ষ্য।

বাটেক্সপোতে গ্লোবাল অ্যাপারেল এক্সপো, গ্লোবাল অ্যাপারেল সামিট, এআই ও ইনোভেশন হাব, সাস্টেইনেবিলিটি ও সার্কুলারিটি এক্সপোজিশন, সাস্টেইনেবিলিটি লিডারশিপ অ্যাওয়ার্ড এবং ফ্যাশন রানওয়ের আয়োজন থাকবে। এতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ক্রেতা, ব্র্যান্ড প্রতিনিধি ও ফ্যাশন ইনফ্লুয়েন্সাররা অংশ নেবেন।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, আগামী ২৮ ও ২৯ অক্টোবর হংকংয়ে বিজিএমইএ ও এইচএসবিসি বাংলাদেশের যৌথ উদ্যোগে ‘বাংলাদেশ অ্যাপারেল রোডশো, হংকং ২০২৬’ অনুষ্ঠিত হবে। এ আয়োজনের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক ক্রেতা ও প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে বাংলাদেশের পোশাক প্রস্তুতকারকদের সরাসরি যোগাযোগ স্থাপন এবং উচ্চমূল্যের পণ্য ও টেকসই অংশীদারত্ব বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এদিকে প্রচলিত বাজারের ওপর নির্ভরতা কমাতে জাপানের বাজারে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে বিজিএমইএ। এ লক্ষ্যে সংগঠনটির কার্যালয়ে ‘বিজিএমইএ-জাপান ডেস্ক’ চালু করা হয়েছে। আগামী ২৩ সেপ্টেম্বর ঢাকায় নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত আনুষ্ঠানিকভাবে ডেস্কটি উদ্বোধন করবেন।

সংগঠনটির সভাপতি বলেন, বর্তমানে বিশ্বের ১৬৭টি দেশে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি হচ্ছে। এখন শুধু রপ্তানির পরিমাণ নয়, ভ্যালু অ্যাডেড বা উচ্চমূল্যের পণ্য উৎপাদন ও রপ্তানির দিকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন, পলিয়েস্টার, নাইলন ও অন্যান্য কৃত্রিম তন্তুভিত্তিক পণ্য, ক্রীড়াবিষয়ক পোশাক এবং উচ্চমূল্যের ফ্যাশন পণ্যের উৎপাদন বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ইন্টারনেট অব থিংস ও ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার, টেক্সটাইল-টু-টেক্সটাইল পুনর্ব্যবহার এবং সার্কুলার অর্থনীতি প্রসারেও কাজ চলছে।

বিশ্ববাজারে বাংলাদেশের পোশাক খাতকে ‘উদ্ভাবননির্ভর’ ও আধুনিক শিল্প হিসেবে পুনঃপ্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশ ব্র্যান্ড ফোরামের সঙ্গে কৌশলগত চুক্তি এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের নতুন টেকসইতা-সংক্রান্ত শর্ত মোকাবেলায় ওপেন সাপ্লাই হাব ও জিআইজেডের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের কথাও সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।

তিনি বলেন, এসব উদ্যোগের মাধ্যমে বাংলাদেশের পোশাক শিল্পকে বিশ্ববাজারে আরও শক্তিশালী ও টেকসই অবস্থানে নেওয়ার লক্ষ্য রয়েছে।

আরটিভি/এসকে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
জ্বালানি নিরাপত্তায় আরও দুটি এফএসআরইউ ও উপকূলীয় গ্যাস অনুসন্ধানের দাবি বিজিএমইএ’র
শিল্পে নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে আরও দুটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল বা এফএসআরইউ স্থাপন, স্থলভিত্তিক এলএনজি সংরক্ষণাগার নির্মাণ এবং উপকূলীয় গ্যাস অনুসন্ধান দ্রুত জোরদারের দাবি জানিয়েছে তৈরি পোশাকশিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ।
জ্বালানি নিরাপত্তায় আরও দুটি এফএসআরইউ ও উপকূলীয় গ্যাস অনুসন্ধানের দাবি বিজিএমইএ’র
সিগারেটের দাম বাড়িয়ে প্রজ্ঞাপন জারি
দেশে নিম্নস্তরের বা কম দামি প্রতি ১০ শলাকা সিগারেটের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য ৬২ টাকা থেকে বাড়িয়ে সর্বনিম্ন ৬৫ টাকা করেছে সরকার। বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আহসান হাবিব স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপন থেকে এ তথ্য জানা যায়। তবে প্রজ্ঞাপনে অন্যান্য স্তরের মূল্য অপরিবর্তিত রয়েছে যার মধ্যে মধ্যম স্তরের প্রতি ১০ শলাকা সিগারেট ৯২ টাকা, উচ্চ স্তর ১৬০ টাকা এবং প্রিমিয়াম স্তর ২১০ টাকা ও তদূর্ধ্ব বহাল থাকছে। সম্প্রতি নিম্ন স্তরের সিগারেটের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব অনুমোদন করে মন্ত্রিসভা। এর আগে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে সব স্তরের সিগারেটের দাম বাড়ানো হয়। বাজেটে নিম্নস্তরের প্রতি ১০ শলাকা প্যাকেটের দাম ৬০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৬২ টাকা করা হয়। তবে নতুন সিদ্ধান্তের ফলে এই স্তরে আরও ৩ টাকা বেড়ে ন্যূনতম দাম দাঁড়াল ৬৫ টাকা। এ ছাড়া বাজেটের মধ্যম স্তরের ৮০ টাকা থেকে ৯২ টাকা, উচ্চ স্তরের ১৪০ টাকা থেকে ১৬০ টাকা এবং অতি-উচ্চ বা প্রিমিয়াম স্তরের ১৮৫ টাকা থেকে ২১০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। আরটিভি/এসকে
সিগারেটের দাম বাড়িয়ে প্রজ্ঞাপন জারি
বাংলাদেশের জাহাজ নির্মাণ শিল্পে চীনের বিনিয়োগের আগ্রহ 
নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত এই দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে বাংলাদেশে আধুনিক নৌযান নির্মাণ ও মেরিটাইম খাতের উন্নয়ন নিয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়। 
বাংলাদেশের জাহাজ নির্মাণ শিল্পে চীনের বিনিয়োগের আগ্রহ 
শিল্পাঞ্চল ও আবাসিকে গ্যাস সরবরাহে আরও উন্নতি
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আশ্বাসের পর দেশের অধিকাংশ শিল্পাঞ্চলে গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে। একইসঙ্গে বাসাবাড়িতে রান্নার গ্যাসের চাপ ও সরবরাহ বৃদ্ধি পেয়েছে। সিএনজি ফিলিং স্টেশনগুলোতেও গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হয়ে এসেছে।
শিল্পাঞ্চল ও আবাসিকে গ্যাস সরবরাহে আরও উন্নতি
আগস্টে যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রপ্তানিতে রেকর্ড
যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক (আরএমজি) রপ্তানি গত আগস্টে একক মাস হিসেবে এযাবৎকালের সর্বোচ্চ প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের একই মাসের তুলনায় আগস্টে দেশটিতে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি বেড়েছে ২৫ দশমিক ৬৫ শতাংশ।  চলতি অর্থবছরের আগস্টে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশ ৮১৭ মিলিয়ন ডলারের বেশি মূল্যের তৈরি পোশাক রপ্তানি করেছে। গত অর্থবছরের একই মাসে এর পরিমাণ ছিল ৬৫০ দশমিক ৩৪ মিলিয়ন ডলার। আর ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম দুই মাস জুলাই ও আগস্টে দেশটিতে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানি হয়েছে মোট ১ দশমিক ৬১ বিলিয়ন ডলার, যা আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ১১ দশমিক ৪২ শতাংশ বেশি। চলতি অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানির মাসিক গড় দাঁড়িয়েছে ৮০৬ দশমিক ৪৬ মিলিয়ন ডলার। অন্যদিকে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের মোট রপ্তানিকে ১২ মাসের সমান গড় হিসেবে ধরলে মাসিক গড় ছিল ৬৪৫ দশমিক ৩৮ মিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ, চলতি অর্থবছরের শুরুতেই যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে পোশাক রপ্তানির মাসিক গড় গত অর্থবছরের গড়ের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি হয়েছে। তবে চলতি অর্থবছরের এই বাড়তি গতি মূলত আগস্টের শক্তিশালী প্রবৃদ্ধির কারণে। ওই মাসে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানি বেড়েছে ২৫ দশমিক ৬৫ শতাংশ। যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের সবচেয়ে বড় একক রপ্তানি বাজার। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে দেশটিতে বাংলাদেশের মোট পণ্য রপ্তানি থেকে আয় হয়েছে প্রায় ৯ দশমিক ০৪ বিলিয়ন ডলার, যা আগের অর্থবছরের তুলনায় ৪ দশমিক ০৯ শতাংশ বেশি। এর মধ্যে তৈরি পোশাক থেকেই এসেছে ৭ দশমিক ৭৪ বিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ, পোশাকের বাইরে অন্যান্য পণ্য থেকেও যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশের প্রায় ১ দশমিক ৩০ বিলিয়ন ডলারের রপ্তানি রয়েছে। পোশাকের বাইরে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের মধ্যে রয়েছে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, পাট ও পাটজাত পণ্য, হোম টেক্সটাইল, কৃষি ও প্রক্রিয়াজাত খাদ্য, প্লাস্টিক ও মেলামাইন পণ্য, টেক্সটাইল ও সুতা, ওষুধ, হালকা প্রকৌশল পণ্য, জুতা ও অন্যান্য শিল্পপণ্য। এসব পণ্যের পাশাপাশি তৈরি পোশাকের উচ্চমূল্যের ও বৈচিত্র্যময় পণ্যের রপ্তানি বাড়ানোরও সুযোগ রয়েছে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য সম্প্রসারণে ওষুধ, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, কৃষিপণ্য, হালকা প্রকৌশল এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি খাতকে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা জানিয়েছে। ফলে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশের রপ্তানি শুধু তৈরি পোশাক নির্ভর না রেখে অন্যান্য সম্ভাবনাময় খাতেও সম্প্রসারণের সুযোগ রয়েছে। রপ্তানিকারকরাও আগামী দিনগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশের রপ্তানি আরও বাড়ার সম্ভাবনা দেখছেন। তাঁদের মতে, সামনের মাসগুলোতে বাজারটিতে বাংলাদেশি পোশাকের অর্ডার বাড়তে পারে। দেশের পোশাক শিল্পের অন্যতম বড় উদ্যোক্তা ও বর্তমানে বাংলাদেশ শিল্প ও বণিক সমিতি ফেডারেশনের (এফবিসিসিআই) প্রশাসক মো. ফজলুল হক বাসসকে বলেন, শীতকালীন পোশাকের অর্ডারের কার্যাদেশ দেওয়ার শেষ সময় হওয়ায় গত আগস্টে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশের রপ্তানি বেড়েছে। তিনি বলেন, বৈশ্বিক নানা সংকটের মধ্যেও বাংলাদেশের উদ্যোক্তাদের একটি অন্তর্নিহিত সক্ষমতা রয়েছে। এ কারণে প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেও যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশের রপ্তানি বাড়ানো সম্ভব হয়েছে। আগের কয়েক মাসের তুলনায় আগামী মাসগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের বাজার থেকে তারা ভালো অর্ডার পাচ্ছেন উল্লেখ করে ফজলুল হক বলেন, পণ্যের বৈচিত্র্য বাড়ানো সম্ভব হলে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশের রপ্তানি কয়েকগুণ বাড়ানো সম্ভব। আগামীতে রপ্তানি আরও বাড়াতে তিনি পণ্যের বৈচিত্র্য আনার ওপর জোর দেন। বিকেএমইএর নির্বাহী সভাপতি ও ফতুল্লা অ্যাপারেলস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফজলে শামীম এহসান বলেন, বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটের কারণে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশের রপ্তানি বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হয়েছে, যা বাংলাদেশের উদ্যোক্তারা কাজে লাগাচ্ছেন। প্রয়োজনমতো জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং সরকারের নীতি-ধারাবাহিকতা বজায় রাখা গেলে এই সুযোগ আরও ভালোভাবে কাজে লাগানো সম্ভব হবে বলে তিনি প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। বাংলাদেশ অ্যাপারেল ভয়েসের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মহিউদ্দিন রুবেল বাসসকে বলেন, বর্তমানে যে গতিতে যুক্তরাষ্ট্রে তৈরি পোশাক রপ্তানি হচ্ছে, তা অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক। এই গতি আগামী ১২ মাস অব্যাহত থাকলে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে দেশটিতে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি আয় ৯ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছাতে পারে। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের একক বৃহত্তম রপ্তানি বাজার। তাই সেখানে রপ্তানি সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে একই সঙ্গে পণ্যের বৈচিত্র্য, উচ্চমূল্য সংযোজন ও মানোন্নয়ন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে পোশাক রপ্তানির সম্ভাবনাকে যথাযথভাবে কাজে লাগাতে জ্বালানিসহ অন্যান্য ইউটিলিটি সেবা নিশ্চিত করার ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি। তৈরি পোশাকের পাশাপাশি চামড়া, পাট, হোম টেক্সটাইল, কৃষি ও প্রক্রিয়াজাত খাদ্য, ওষুধ, প্লাস্টিক ও হালকা প্রকৌশলসহ সম্ভাবনাময় খাতগুলোতে রপ্তানি বাড়াতে পারলে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশের সামগ্রিক রপ্তানি আরও বিস্তৃত হতে পারে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশের মোট পণ্য রপ্তানি আয় ছিল প্রায় ৪৮ বিলিয়ন ডলার। এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র একাই বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় একক বাজার হিসেবে প্রায় ৯ দশমিক ০৪ বিলিয়ন ডলারের পণ্য আমদানি করেছে। চলতি অর্থবছরের শুরুতেই দেশটির বাজারে তৈরি পোশাক রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধির গতি এবং আগস্টে একক মাসে এযাবৎকালের সর্বোচ্চ ২৫ দশমিক ৬৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি বাংলাদেশের রপ্তানি সম্ভাবনাকে নতুন করে সামনে এনেছে। আরটিভি/এসআর  
আগস্টে যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রপ্তানিতে রেকর্ড
আরও পড়ুন
জ্বালানি নিরাপত্তায় আরও দুটি এফএসআরইউ ও উপকূলীয় গ্যাস অনুসন্ধানের দাবি বিজিএমইএ’র
পোশাক শ্রমিকদের দ্রুত সর্বজনীন পেনশনে আনার আহ্বান
গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটে পোশাক কারখানা বন্ধের খবর ভিত্তিহীন: বিজিএমইএ-বিকেএমইএ
বিজিএমইএ’র নতুন মহাসচিব ড. মো. সাহেদুল ইসলাম