ঢাকা মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩

তিন বছরের মধ্যে চায়ের উৎপাদনে রেকর্ড

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৫৪ পিএম
প্রতীকী ছবি

চলতি বছরের শুরু থেকেই চা উৎপাদনে আশাব্যঞ্জক ধারা অব্যাহত রয়েছে। বছরের প্রথম ছয় মাসে বড় ধরনের প্রবৃদ্ধির পর জুলাইয়েও উৎপাদনে ইতিবাচক চিত্র দেখা গেছে। যদিও গত বছরের জুলাইয়ের তুলনায় চলতি বছরের একই মাসে উৎপাদন কিছুটা কমেছে, তবে বছরের প্রথম সাত মাসের সামগ্রিক হিসাবে গত তিন বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ চা উৎপাদিত হয়েছে। এতে চলতি বছরের নির্ধারিত উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের সম্ভাবনাও আরও জোরালো হয়েছে।

চা বোর্ডের কর্মকর্তা ও বাগান মালিকরা বলছেন, চলতি বছর আগাম বৃষ্টিপাত, অনুকূল আবহাওয়া, পর্যাপ্ত সার বরাদ্দসহ বিভিন্ন পদক্ষেপের কারণে চা উৎপাদনে গতি এসেছে। এর সঙ্গে চায়ের ন্যূনতম মূল্যস্তর নির্ধারণ, বাজারে ভালো দাম ও চাহিদা থাকায় বাগান মালিকরাও চা চাষ ও পরিচর্যায় আগ্রহ বাড়িয়েছেন। ফলে উৎপাদনের ধারাও ইতিবাচক রয়েছে।

বাংলাদেশ চা বোর্ডের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মো. মেসবাহ উদ্দিন আহমেদ বলেন, চায়ের ধারাবাহিক চাহিদা ও রপ্তানি সম্ভাবনাকে বিবেচনায় নিয়ে এ খাতে সর্বোচ্চ প্রবৃদ্ধি অর্জনে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। মাঠপর্যায়ে তদারকি বাড়ানোর পাশাপাশি বাগানগুলোতে সার, কীটনাশকসহ প্রয়োজনীয় উপকরণ যথাসময়ে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। বৃষ্টিপাত না থাকলে কৃত্রিমভাবে পানি ছিটানোর ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে চায়ের দামও ভালো। সব মিলিয়ে এর ইতিবাচক ফল পাওয়া যাচ্ছে।

চা বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালে দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ১০ কোটি ২৯ লাখ ১৮ হাজার কেজি চা উৎপাদিত হয়। এরপর ২০২৪ সালে উৎপাদন নেমে আসে ৯ কোটি ৩০ লাখ ৪২ হাজার কেজিতে। ২০২৫ সালে উৎপাদন কিছুটা বেড়ে দাঁড়ায় ৯ কোটি ৪৯ লাখ ২৭ হাজার কেজি। তবে ২০২৪ ও ২০২৫— দুই বছরই নির্ধারিত উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়নি।

চলতি বছরে চা উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ কোটি ৪০ লাখ কেজি। এর মধ্যে জানুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্ত প্রথম সাত মাসে উৎপাদন হয়েছে ৪ কোটি ২৭ লাখ ৪১ হাজার কেজি।

চা বোর্ডের বুলেটিনের তথ্য বলছে, ২০২৫ সালের জুলাই পর্যন্ত দেশে চা উৎপাদিত হয়েছিল ৩ কোটি ৫৯ লাখ ৮ হাজার কেজি। ২০২৪ সালের একই সময়ে উৎপাদন ছিল ৩ কোটি ৫৭ লাখ ৪০ হাজার কেজি। সেই হিসাবে চলতি বছরের প্রথম সাত মাসে ২০২৫ সালের তুলনায় উৎপাদন বেড়েছে ১৯ দশমিক ০৩ শতাংশ বা ৬৮ লাখ ৩৩ হাজার কেজি। আর ২০২৪ সালের তুলনায় বেড়েছে ১৯ দশমিক ৫৯ শতাংশ বা ৭০ লাখ ১ হাজার কেজি।

তবে শুধু জুলাই মাসের হিসাবে গত বছরের তুলনায় কিছুটা পিছিয়েছে চলতি বছর। এ বছরের জুলাইয়ে ১ কোটি ২১ লাখ ১০ হাজার কেজি চা উৎপাদিত হয়েছে। অথচ ২০২৫ সালের জুলাইয়ে উৎপাদন হয়েছিল ১ কোটি ৩৪ লাখ ৮৯ হাজার কেজি। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে জুলাইয়ে উৎপাদন কমেছে ১৩ লাখ ৭৯ হাজার কেজি।

অন্যদিকে, ২০২৪ সালের জুলাইয়ে চা উৎপাদিত হয়েছিল ১ কোটি ১৪ লাখ ৩৫ হাজার কেজি। সে হিসাবে চলতি বছরের জুলাইয়ে ওই বছরের তুলনায় উৎপাদন ৬ লাখ ৭৫ হাজার কেজি বেশি হয়েছে।

এর আগে জুন মাসেও উৎপাদনে উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি দেখা যায়। ২০২৫ সালের জুনে ৯৮ লাখ ২৫ হাজার কেজি চা উৎপাদিত হলেও চলতি বছরের জুনে উৎপাদন হয়েছে ১ কোটি ২৪ লাখ ৫ হাজার কেজি। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে জুনে উৎপাদন বেড়েছে ৮২ লাখ ১২ হাজার কেজি বা ২৬ শতাংশ।

জুন পর্যন্ত চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে মোট ৩ কোটি ৬ লাখ ৩১ হাজার কেজি চা উৎপাদিত হয়, যা গত বছরের প্রথম ছয় মাসের তুলনায় ৩৬ শতাংশ বেশি। জুলাইয়ে এসে প্রবৃদ্ধির হার কিছুটা কমলেও প্রথম সাত মাসের হিসাবে গত দুই বছরের তুলনায় ১৯ শতাংশের বেশি উৎপাদন প্রবৃদ্ধি ধরে রেখেছে চা।

বাগান মালিকদের সংগঠন বাংলাদেশ টি অ্যাসোসিয়েশনের (বিটিএ) সভাপতি কামরান তানভিরুর রহমান বলেন, চা খাতে ভালো প্রবৃদ্ধির জন্য অনুকূল আবহাওয়ার পাশাপাশি নিলামে ভালো দাম পাওয়াও গুরুত্বপূর্ণ। এবার চায়ের ন্যূনতম মূল্যস্তর থাকায় বাগান মালিকরা ভালো দাম পাচ্ছেন। ফলে বাগানের পরিচর্যাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিনিয়োগের সুযোগ তৈরি হয়েছে। এ কারণেই এবার উৎপাদন ভালো হচ্ছে।

আরও পড়ুন

চা বোর্ডের তথ্যমতে, চলতি বছরের জানুয়ারিতে ৫ লাখ ৭৩ হাজার কেজি, ফেব্রুয়ারিতে ২৪ হাজার কেজি, মার্চে ২৫ লাখ ৫৮ হাজার কেজি, এপ্রিলে ৫৯ লাখ ১৮ হাজার কেজি, মে মাসে ৯১ লাখ ৫৩ হাজার কেজি, জুনে ১ কোটি ২৪ লাখ ৫ হাজার কেজি এবং জুলাইয়ে ১ কোটি ২১ লাখ ১০ হাজার কেজি চা উৎপাদিত হয়েছে।

গত বছরের একই সময়ের তুলনায় চলতি বছরের মার্চে ১২ লাখ ২৩ হাজার কেজি, এপ্রিলে ৩৬ লাখ ৪৬ হাজার কেজি, মে মাসে ৫ লাখ ৫ হাজার কেজি এবং জুনে ২৫ লাখ ৮০ হাজার কেজি বেশি চা উৎপাদিত হয়েছে।

সব মিলিয়ে চলতি বছরের প্রথম সাত মাসের উৎপাদন চা খাতে গত তিন বছরের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার করেছে। বছরের বাকি সময়ে অনুকূল আবহাওয়া ও উৎপাদন সহায়ক পদক্ষেপ অব্যাহত থাকলে নির্ধারিত ১০ কোটি ৪০ লাখ কেজির লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের সম্ভাবনা আরও বাড়বে।

আরটিভি/এমএইচজে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
৮ মাসে বিদেশ গেছেন সাড়ে ৪ লাখ কর্মী, আসছে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার
বিশ্বের ১০৯ দেশে বৈধভাবে কর্মসংস্থানের উদ্দেশে গত ফেব্রুয়ারি থেকে ১০ অক্টোবর পর্যন্ত ৪ লাখ ৪৩ হাজার ২১ জন রেমিট্যান্স যোদ্ধা পাড়ি জমিয়েছেন। একই সময়ে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ২৫ দশমিক ৭৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৮ মাসে বিদেশ গেছেন সাড়ে ৪ লাখ কর্মী, আসছে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার
এলপিজির বাজার তদারকিতে যেসব নির্দেশনা দিল সরকার
বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) সিলিন্ডার বিক্রি বন্ধে জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) একগুচ্ছ নির্দেশনা দিয়েছে সরকার।
এলপিজির বাজার তদারকিতে যেসব নির্দেশনা দিল সরকার
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে নেদারল্যান্ডসের মন্ত্রীর সাক্ষাৎ, বাণিজ্য-বিনিয়োগে আগ্রহ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন নেদারল্যান্ডসের বৈদেশিক বাণিজ্য ও উন্নয়ন সহযোগিতাবিষয়ক মন্ত্রী শুর্দ শুর্দসমার নেতৃত্বাধীন একটি প্রতিনিধিদল। 
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে নেদারল্যান্ডসের মন্ত্রীর সাক্ষাৎ, বাণিজ্য-বিনিয়োগে আগ্রহ
১২ দিনে এলো ১৫ হাজার ৮৬৭ কোটি টাকার প্রবাসী আয়
চলতি অক্টোবর মাসের প্রথম ১২ দিনে ১২৯ কোটি ডলারের রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয় পাঠিয়েছেন বিভিন্ন দেশে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিরা। বাংলাদেশি মুদ্রায় (প্রতি ডলার ১২৩ টাকা ধরে) এর পরিমাণ ১৫ হাজার ৮৬৭ কোটি টাকা।
১২ দিনে এলো ১৫ হাজার ৮৬৭ কোটি টাকার প্রবাসী আয়
ওমানের সঙ্গে সিইপিএ চুক্তির উদ্যোগ, বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে চায় বাংলাদেশ
ওমানের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ঘাটতি কমানো, বাংলাদেশি পণ্যের রপ্তানি বৃদ্ধি এবং বিনিয়োগ সম্প্রসারণে সমন্বিত অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি (সিইপিএ) স্বাক্ষরের উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ।  বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, ওমানের সঙ্গে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে কার্যকর অর্থনৈতিক অংশীদারত্বে রূপ দিতে চায় বাংলাদেশ। এ লক্ষ্যে দুই দেশের ব্যবসায়ীদের মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ বাড়ানো, বাণিজ্য প্রতিবন্ধকতা দূর করা এবং নতুন বিনিয়োগের ক্ষেত্র চিহ্নিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত ওমানের রাষ্ট্রদূত জামিল বিন হাজি বিন ইসমাইল আল বালুশির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এসব কথা বলেন। বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদের (জিসিসি) গুরুত্বপূর্ণ সদস্য ওমান বাংলাদেশের জন্য সম্ভাবনাময় বাণিজ্য ও বিনিয়োগ অংশীদার। সিইপিএ চুক্তি স্বাক্ষরিত হলে দুই দেশের বাণিজ্য সম্প্রসারণ, বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতা জোরদারের নতুন সুযোগ তৈরি হতে পারে। বৈঠকে ওমানের রাষ্ট্রদূত ভারতের সঙ্গে অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তির অভিজ্ঞতা তুলে ধরে বাংলাদেশের সঙ্গেও অনুরূপ চুক্তি সম্পাদনের প্রস্তাব দেন। বাণিজ্যমন্ত্রী এ প্রস্তাবকে স্বাগত জানান। পাশাপাশি প্রয়োজনীয় কারিগরি প্রস্তুতি ও সম্ভাব্যতা সমীক্ষার ভিত্তিতে আলোচনা এগিয়ে নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেন। রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের সঙ্গে ওমানের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে বলেন, দেশটিতে কর্মরত প্রায় সাত লাখ বাংলাদেশি ওমানের অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন। এ সম্পর্ককে কাজে লাগিয়ে দুই দেশের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণের সুযোগ রয়েছে। দুই দেশের ব্যবসায়ীদের মধ্যে যোগাযোগ বাড়াতে ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার্স অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফবিসিসিআই) এবং ওমান চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সমন্বয়ে বাংলাদেশ-ওমান যৌথ বিজনেস কাউন্সিল গঠনের ওপর গুরুত্ব দেন বাণিজ্যমন্ত্রী। এ লক্ষ্যে প্রাথমিকভাবে ভার্চ্যুয়াল বৈঠক এবং পরে দুই দেশের ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদলের পারস্পরিক সফরের বিষয়ে আলোচনা হয়। বৈঠকে ওমানের সোহর, দুকম ও সালালাহ বন্দর এবং বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে বাংলাদেশি উদ্যোক্তাদের বিনিয়োগের সুযোগ তুলে ধরেন রাষ্ট্রদূত। এসব অঞ্চলের সুবিধা কাজে লাগিয়ে মধ্যপ্রাচ্য, আফ্রিকা ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের রপ্তানি বাড়ানোর সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা হয়। এ ছাড়া ওমানের ঐতিহ্যবাহী ‘কুমা’ টুপি তৈরিতে বাংলাদেশের নারী কারিগরদের অবদানের প্রশংসা করেন রাষ্ট্রদূত। তিনি শ্রমবাজার সম্প্রসারণ, ব্যবসায়িক ভিসা প্রক্রিয়া সহজ করা এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দেন। বৈঠকে বাণিজ্যসচিব মো. আতাউর রহমান খান, মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং ওমান দূতাবাসের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। আরটিভি/এসআর
ওমানের সঙ্গে সিইপিএ চুক্তির উদ্যোগ, বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে চায় বাংলাদেশ
আরও পড়ুন
জাল রেকর্ডে প্রায় ২৪ কোটি টাকার সরকারি জমি আত্মসাৎ
স্ত্রীকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি পূরণ করে গিনেস রেকর্ড গড়লেন বৃদ্ধ
ভারত-ওয়েস্ট ইন্ডিজ ম্যাচে সেঞ্চুরির বিশ্বরেকর্ড
পাঁচ বছর বয়সেই যোগব্যায়ামের প্রশিক্ষক, গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে ফিনিক্স