ঢাকা বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩

ভারত-ওয়েস্ট ইন্ডিজ ম্যাচে সেঞ্চুরির বিশ্বরেকর্ড

স্পোর্টস ডেস্ক

প্রকাশ : ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:১২ পিএম
ভারত-ওয়েস্ট ইন্ডিজ ম্যাচের পাঁচ সেঞ্চুরিয়ান। ছবি: আরটিভি কোলাজ

গুয়াহাটিতে তিন সেঞ্চুরিতে ভারতকে ৪০৫ রানের লক্ষ্য দিয়েছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। জবাব দিতে নেমেই সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছিলেন ভারতের দুই ওপেনার রোহিত শর্মা ও শুভমান গিল। এতে ওয়ানডেতে এক ম্যাচে সবচেয়ে বেশি সেঞ্চুরির রেকর্ড গড়েছে তারা।

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) গুয়াহাটিতে আগে ব্যাটিংয়ে নামে জন ক্যাম্পবেল, শাই হোপ ও আমির জাঙ্গু সেঞ্চুরি করেন। ওয়ানডের এক ইনিংসে সর্বোচ্চ তিনটি শতরানের যৌথ রেকর্ড গড়েন তারা।

তারপর শুবমান গিলও সেঞ্চুরির দেখা পান। ভারতের এই ব্যাটার ৬২ বলে তার ১১তম সেঞ্চুরি হাঁকান। ওয়ানডে ইতিহাসে এক ম্যাচে যৌথভাবে সর্বোচ্চ চারটি সেঞ্চুরির দেখা মেলে।

১৯৯৮ সালে পাকিস্তান-অস্ট্রেলিয়া ম্যাচে প্রথমবার চারটি সেঞ্চুরি হয়েছিল। পাকিস্তানের ইজাজ আহমেদ, মোহাম্মদ ইউসুফ এবং অস্ট্রেলিয়ার অ্যাডাম গিলক্রিস্ট ও রিকি পন্টিং সেঞ্চুরি করেন।

তারপর দীর্ঘদিন পর এক ম্যাচে চার সেঞ্চুরি হয়েছিল। ২০১৩ সালে নাগপুরে অস্ট্রেলিয়া-ভারত ম্যাচে সেঞ্চুরি করেন শেন ওয়াটসন, জর্জ বেইলি ও স্বাগতিকদের শিখর ধাওয়ান ও বিরাট কোহলি।

তারপর এক ম্যাচে চার সেঞ্চুরি হয়েছিল ২০২৩ সালে, হায়দরাবাদে শ্রীলঙ্কা ও পাকিস্তানের বিশ্বকাপ ম্যাচে। শ্রীলঙ্কার কুশল মেন্ডিস ও সাদিরা সামারাবিক্রমা এবং পাকিস্তানের আব্দুল্লাহ শফিক ও মোহাম্মদ রিজওয়ান তিন অঙ্কের ঘরে পৌঁছান। এবার সব রেকর্ড ভেঙে দিলো ভারত ওয়েস্ট ইন্ডিজ ম্যাচ।

গিলের পর রোহিত ৭২ বলে সেঞ্চুরি করেন। তাতে ওয়ানডেতে প্রথমবার এক ম্যাচে পাঁচ সেঞ্চুরিতে ইতিহাসের পাতায় নাম লিখল ভারত-ওয়েস্ট ইন্ডিজের এই ম্যাচ।

আরটিভি/এসআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
শুভমানের ডাবল সেঞ্চুরি, ৮১১ রানের ম্যাচে ক্যারিবিয়ানদের হারিয়ে ভারতের ইতিহাস
দ্বিতীয় ওয়ানডে ভারত ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ ব্যাটার তাণ্ডবে রান বন্যায় ভেসে গেছে গুয়াহাটির বারসাপাড়া স্টেডিয়াম। প্রথম ইনিংসে ক্যারিবিয়ানরা ৪০৫ রান করলে জবাব দিতে নেমে চার-ছক্কার বৃষ্টি ঝরিয়েছে ভারতীয় ব্যাটাররা। এতে বড় পুঁজি গড়েও হার এড়াতে পারেনি সফরকারীরা।  বিপরীতে রোহিতের সেঞ্চুরি ও গিলের ডাবল সেঞ্চুরিতে ভর করে উইকেটের জয় পায় ভারত। রান তাড়া করে ভারতের এটি সর্বোচ্চ বড় জয়। আর সবমিলিয়ে দ্বিতীয়। সবার উপরে আছে ২০০৬ সালে অনুষ্ঠিত হওয়া দক্ষিণ আফ্রিকা ও অস্ট্রেলিয়ার সেই ঐতিহাসিক ম্যাচ। যেখানে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ৪৩৪ রানের বিশাল দিয়েছিল রিকি পন্টিংয়ের অস্ট্রেলিয়া। জবাব দিতে নেমে ১ বল ও ১ উইকেট হাতে থাকতেই জয় তুলে নিয়েছিল গ্রেমি স্মিথের দক্ষিণ আফ্রিকা। সেই জয়ের পরই ওয়ানডে ইতিহাসের দ্বিতীয় বড় হিসেবে জায়গা পেল ভারত-ওয়েস্ট ইন্ডিজের এই ম্যাচটি। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) আগে ব্যাট করতে নেমে ভারতকে ৪০৫ রানের বড় লক্ষ্য দেয় ক্যারিবিয়ানরা। জবাব দিতে নেমে বল ও উইকেট হাতে থাকতেই জয় তুলে নেয় ম্যান ইন ব্লুরা। পাহাড় সমান লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকে বলে বলে বাউন্ডারি মেরে রান তুলতে থাকেন ভারতের দুই ওপেনার রোহিত শর্মা ও শুভমান গিল। ৬২ বলে সেঞ্চুরি তুলে নেন গিল।  এরপর ৭২ বলে সেঞ্চুরির দেখা পায় রোহিত । কিন্তু এরপরই লেগ বিফোরের ফাঁদে পড়ে সাজঘরে ফেরেন তিনি। তিনে ব্যাট করতে নেমে দ্রুত রান তুলতে থাকেন বিরাট কোহলিও। কিন্তু ১৯ বলে ২৯ রান করে ক্যাচ আউট হন এই তারকা ব্যাটার। তবে অপর প্রান্ত আগলে রেখে ঋতুরাজ গায়কোড়ডকে সঙ্গে নিয়ে ডাবল সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে যান শুভমান গিল। ১১৭ বলে ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় ডাবল সেঞ্চুরি তুলে নেন তিনি। শেষ পর্যন্ত ঋতুরাজের ৩১ রান ও গিলের অপরাজিত ২২৩ রানে ভর করে ৩৯ বল ও ৮ উইকেট হাতে থাকতেই জয় তুলে নিয়েছে ভারত। এর আগে ব্যাট করতে নেমে জন ক্যাম্পবেল, আমির জাঙ্গু ও শাই হোপের সেঞ্চুরিতে ভারতীয় বোলারদের তুলোধুনে করে ৪০৫ রানের পাহাড় গড়েছে ক্যারিবীয়রা। ওয়ানডে ক্রিকেটে এটাই ওয়েষ্ট ইন্ডিজের দলীয় সর্বোচ্চ স্কোর। তারপরও হার এড়াতে পারেনি ক্যারিবিয়ানরা। আরটিভি/এসআর
শুভমানের ডাবল সেঞ্চুরি, ৮১১ রানের ম্যাচে ক্যারিবিয়ানদের হারিয়ে ভারতের ইতিহাস
ভারতীয় বোলারদের নিয়ে ছেলে খেলা করে ক্যারিবিয়ানদের ইতিহাস
ভারতের গুয়াহাটির বারসাপাড়া স্টেডিয়ামে দ্বিতীয় ওয়ানডেতে মাঠে নেমেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ দল। এদিন ব্যাটিং তাণ্ডব চালিয়ে বিরল রেকর্ড গড়েছে ক্যারিবিয়ানরা।  বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) জন ক্যাম্পবেল, আমির জাঙ্গু ও শাই হোপের সেঞ্চুরিতে ভারতীয় বোলারদের তুলোধুনে করে ৪০৫ রানের পাহাড় গড়েছে ক্যারিবীয়রা। ওয়ানডে ক্রিকেটে এটাই ওয়েষ্ট ইন্ডিজের দলীয় সর্বোচ্চ স্কোর।  এর আগে ২০১৯ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সর্বোচ্চ ৩৮৯ রান করেছিল ক্যারিবীয়রা। তবে ওয়ানডে ক্রিকেটে রেকর্ড ৪৯৮ রান করে অনন্য উচ্চতায় আছে ইংল্যান্ড। দ্বিতীয় এবং তৃতীয় সর্বোচ্চ ৪৮১ ও ৪৪৪ রানের মালিকও ব্রিটিশরা। ওয়ানডে ক্রিকেটে চতুর্থ সর্বোচ্চ ৪৪৩ রান করেছে শ্রীলংকা। ভারতের গুয়াহাটির বারসাপাড়া স্টেডিয়ামে রেকর্ড ৪০৫ রান করে উইন্ডিজ। এর আগে এই মাঠে এত রান করতে পারেনি কোনো দল।  এর আগে ২০২৩ সালের ১০ জানুয়ারি শ্রীলংকার বিপক্ষে এই মাঠে রেকর্ড ৩৭৩ রান করেছিল স্বাগতিক ভারত। তার আগে ২০১৮ সালে এই মাঠে সর্বোচ্চ ৩১৮ রান করেছিল ক্যারিবীয়রা।  আরটিভি/এসআর
ভারতীয় বোলারদের নিয়ে ছেলে খেলা করে ক্যারিবিয়ানদের ইতিহাস
অস্ট্রেলিয়া সফরের জন্য শক্তিশালী স্কোয়াড ঘোষণা বাংলাদেশের
অস্ট্রেলিয়া সফরের জন্য ১৬ সদস্যের বাংলাদেশ নারী দল ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। সফরে স্বাগতিকদের বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ খেলবে বাংলাদেশ। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে দল ঘোষণা করে বিসিবি। ৩ অক্টোবর অস্ট্রেলিয়ার উদ্দেশে দেশ ছাড়বে বাংলাদেশ দল। অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে এবারই প্রথম দুই দলের দ্বিপক্ষীয় সিরিজ খেলতে যাচ্ছে বাংলাদেশ নারী দল।  সিরিজের তিনটি ওয়ানডেই হবে ব্রিসবেনের অ্যালান বোর্ডার ফিল্ডে। ম্যাচগুলো ৯, ১১ ও ১৪ অক্টোবর। সিরিজের সূচি। অস্ট্রেলিয়ার স্থানীয় সময় প্রতিটি ম্যাচ শুরু হবে দুপুর ১টা ৫০ মিনিটে। সফরে বাংলাদেশ দলকে নেতৃত্ব দেবেন নিগার সুলতানা জ্যোতি। সহ-অধিনায়ক নাহিদা আক্তার। বাংলাদেশ নারী দল: নিগার সুলতানা জ্যোতি (অধিনায়ক), নাহিদা আক্তার (সহ-অধিনায়ক), স্বর্ণা আক্তার, মারুফা আক্তার, রাবেয়া খান, রিতু মনি, সোবহানা মোস্তারি, শারমিন সুলতানা, শারমিন আক্তার সুপ্তা, শানজিদা আক্তার মেঘলা, সুলতানা খাতুন, দিলারা আক্তার, ফারজানা হক, দিশা বিশ্বাস, মোর্শিদা খাতুন ও হাবিবা ইসলাম পিংকি। আরটিভি/এসআর
অস্ট্রেলিয়া সফরের জন্য শক্তিশালী স্কোয়াড ঘোষণা বাংলাদেশের
বাংলাদেশ সিরিজের জন্য অস্ট্রেলিয়ার স্কোয়াড ঘোষণা
বাংলাদেশের বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজকে সামনে রেখে দল ঘোষণা করেছে অস্ট্রেলিয়ার নারী ক্রিকেট দল। নিয়মিত অধিনায়ক সোফি মলিনেক্স ও পেসার লুসি হ্যামিল্টনকে বাদ রেখেই বাংলাদেশের বিপক্ষে আসন্ন ওয়ানডে সিরিজের এই দল তৈরি করা হয়েছে।
বাংলাদেশ সিরিজের জন্য অস্ট্রেলিয়ার স্কোয়াড ঘোষণা
এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের সভাপতি হচ্ছেন তামিম!
এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের (এসিসি) বর্তমান সভাপতি মহসিন নাকভি। তার মেয়াদ বাড়ার সম্ভাবনা খুবই কম। গুঞ্জন রয়েছে, নকভির মেয়াদ না বাড়লে আগামী বছরের এপ্রিলেই এসিসি প্রধানের চেয়ারে বসতে যাচ্ছেন তামিম ইকবাল। ২০২৭ সালের এপ্রিলে এসিসির সভাপতি হিসেবে মহসিন নাকভির মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা। তার মেয়াদ বাড়াতে হলে নির্বাহী বোর্ডের সর্বসম্মত সমর্থন দরকার। কিন্তু সূত্রের বরাত দিয়ে ক্রিকবাজ এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, নাকভির পক্ষে সেই সমীকরণ মেলানো প্রায় অসম্ভব। এশিয়ার পাঁচ পূর্ণ সদস্যদেশের মধ্যে প্রতি দুই বছর পরপর ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে এসিসির সভাপতির দায়িত্ব দেওয়ার নিয়ম রয়েছে। এবার সেই পালা বাংলাদেশের। বিসিবি প্রধান তামিম ইকবালও এই দায়িত্ব নিতে আগ্রহী এবং এসিসিকে নিজের মনোভাবের কথা জানিয়েও দিয়েছেন। এসিসির নির্বাহী বোর্ডে রয়েছে ভারত, শ্রীলংকা, পাকিস্তান, বাংলাদেশ ও আফগানিস্তান। নিয়মানুযায়ী মার্চ থেকে মার্চ পর্যন্ত সভাপতির মেয়াদ ধরা হলেও মহসিনের ক্ষেত্রে তা শেষ হবে ২০২৭ সালের ২ এপ্রিল। অবশ্য এর আগে মেয়াদ বাড়ানোর নজিরও আছে।  গত বছর তৃতীয় দফায় দায়িত্ব পালন করেছিলেন জয় শাহ। তবে সে ক্ষেত্রে সব সদস্যের পূর্ণ ঐকমত্য ছিল। শ্রীলংকা ক্রিকেট নিজেদের পালা এক বছর পেছাতে রাজি হয়েছিল বলেই তা সম্ভব হয়েছিল। বর্তমান পরিস্থিতিতে ভারতের সঙ্গে মহসিনের বিরোধের জেরে অন্তত তিনটি পূর্ণ সদস্যদেশ তার মেয়াদ বাড়ানোর বিপক্ষে অবস্থান নিতে পারে। ক্রিকবাজের সঙ্গে আলাপকালে এসিসির এক সদস্য বর্তমান পরিস্থিতির বর্ণনা দিয়ে বলেছেন, ‘নানা জল্পনা থাকতে পারে, কিন্তু নাকভির মেয়াদ ২০২৭ সালের এপ্রিলে শেষ হবে। এরপর বাংলাদেশের দায়িত্ব নেওয়ার কথা এবং এসিসির সদস্যদের মধ্যে এমন একটি ধারণা আছে যে তামিম দায়িত্ব নিতে আগ্রহী। নাকভি হয়তো যুক্তি দিতে পারেন, গত বছর এজিএম হয়েছিল আগস্টে, তখন এসিসির অন্য পদগুলোর নির্বাচন হয়নি; নির্বাচন হয়েছে এ বছর আগস্টে। কিন্তু এসিসি সভাপতির মেয়াদের সঙ্গে এজিএমের কোনো সম্পর্ক নেই।’ আরটিভি/এসআর
এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের সভাপতি হচ্ছেন তামিম!
আরও পড়ুন
ভারত-ওয়েস্ট ইন্ডিজ ম্যাচসহ টিভিতে আজকের খেলা
শেফালি ভার্মার দুর্দান্ত সেঞ্চুরি, বাংলাদেশকে পাহাড় সমান লক্ষ্য দিলো ভারত
চার বছরেই বিশ্বরেকর্ড গড়ল এলেনা
খেলোয়াড় বিক্রিতে চেলসির বিশ্বরেকর্ড