ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩

বাংলাদেশের জাহাজ নির্মাণ ও মেরিটাইম খাতে বিনিয়োগ করতে চায় চীনা প্রতিষ্ঠান

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ : ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:৩৩ পিএম
বাংলাদেশের জাহাজ নির্মাণ খাতে সরাসরি বিনিয়োগের আগ্রহ প্রকাশ করেছে চীনের খ্যাতনামা প্রতিষ্ঠান জুলং গ্রুপ।  ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশের জাহাজ নির্মাণ ও মেরিটাইম খাতের সার্বিক উন্নয়নে সরাসরি বিনিয়োগের আগ্রহ প্রকাশ করেছে চীনের খ্যাতনামা প্রতিষ্ঠান জুলং গ্রুপ।

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় ও সেতু বিভাগের প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসানের সঙ্গে তার দপ্তরে অনুষ্ঠিত এক দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে এই আগ্রহ প্রকাশ করেন জুলং গ্রুপের চেয়ারম্যান বেন ওয়াং।

বৈঠকে উভয় পক্ষ বাংলাদেশে আধুনিক নৌযান নির্মাণ এবং এ খাতের প্রযুক্তিগত অগ্রগতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।

বৈঠকে জুলং গ্রুপের চেয়ারম্যান বেন ওয়াং জানান, বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান এবং দক্ষ জনশক্তিকে কাজে লাগিয়ে তার প্রতিষ্ঠান এখানে বিভিন্ন ধরনের অত্যাধুনিক নৌযান ও জাহাজ নির্মাণ করতে চায়। আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন এসব নৌযান দিয়ে দেশের অভ্যন্তরীণ চাহিদা পূরণের পাশাপাশি বিশ্বের বিভিন্ন দেশে রপ্তানির লক্ষ্য রয়েছে প্রতিষ্ঠানটির।

চীনা প্রতিষ্ঠানটির এই বিনিয়োগ প্রস্তাবকে স্বাগত জানিয়ে নৌপরিবহন ও সেতু প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ সরকার বিদেশি বিনিয়োগের জন্য চমৎকার এবং ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি করেছে। জাহাজ নির্মাণ শিল্পে চীনের এই বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত অত্যন্ত সময়োপযোগী।

একইসঙ্গে তিনি আশ্বাস দেন, বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক মানের জাহাজ নির্মাণ এবং তা বিদেশে রপ্তানির উদ্যোগ সফল করতে সরকারের পক্ষ থেকে নীতিগত, প্রশাসনিকসহ প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা দেওয়া হবে।

বৈঠকে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। তাদের আশা, এ ধরনের যৌথ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে দেশের মেরিটাইম খাতে নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে। একইসঙ্গে জাহাজ রপ্তানির মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের নতুন সম্ভাবনাও তৈরি হতে পারে।

আরটিভি/এসএইচএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
নবায়নযোগ্য জ্বালানির জন্য ১৫০০ কোটি টাকা ঋণ দিচ্ছে সরকার
দেশে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়াতে ১ হাজার ৫০০ কোটি টাকা ঋণ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এ কর্মসূচির আওতায় তিনটি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে গৃহস্থালি, প্রাতিষ্ঠানিক ও শিল্প পর্যায়ে নবায়নযোগ্য জ্বালানি স্থাপনায় ঋণ দেওয়া হবে।
নবায়নযোগ্য জ্বালানির জন্য ১৫০০ কোটি টাকা ঋণ দিচ্ছে সরকার
আনন্দ হাউজিং সোসাইটিতে বাড়ছে প্লট ক্রেতা ও বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ
আধুনিক নগর পরিকল্পনা, আইনগত স্বচ্ছতা এবং ধারাবাহিক অবকাঠামোগত উন্নয়নের সমন্বয়ে পুলিশ পরিবার কল্যাণ বহুমুখী সমবায় সমিতি লিমিটেডের আওতাধীন আনন্দ হাউজিং সোসাইটি আবাসন খাতে একটি সম্ভাবনাময় প্রকল্প হিসেবে ক্রমশ বিনিয়োগকারী ও প্লট ক্রেতাদের আস্থা অর্জন করছে।  সংশ্লিষ্টদের মতে, চলমান উন্নয়ন কার্যক্রম এবং দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার কারণে দেশ-বিদেশের বিনিয়োগকারীদের আগ্রহও উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। প্রকল্প কর্তৃপক্ষ জানায়, শুরু থেকেই একটি স্বচ্ছ, নিরাপদ এবং নির্ভরযোগ্য আবাসন ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যে পরিকল্পিতভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে উল্লেখযোগ্যসংখ্যক ব্যক্তি ও পরিবার এই প্রকল্পে প্লট ক্রয় করেছেন। অনেক ক্রেতা জমির বাজারমূল্য বৃদ্ধি এবং প্রকল্পের অগ্রগতিতে সন্তোষ প্রকাশ করায় নতুন বিনিয়োগকারীদের মধ্যেও ইতিবাচক মনোভাব তৈরি হয়েছে।   নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রকল্প এলাকায় একটি পুলিশ ফাঁড়ির কার্যক্রম ইতোমধ্যে চালু রয়েছে। সার্বক্ষণিক আইন-শৃঙ্খলা তদারকির ফলে প্রকল্পটি বিনিয়োগকারী ও ভবিষ্যৎ বাসিন্দাদের জন্য আরও নিরাপদ ও নির্ভরযোগ্য আবাসিক পরিবেশে পরিণত হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।   আবাসন খাতের সংশ্লিষ্টদের অভিমত, নগরায়ণের বর্তমান প্রেক্ষাপটে পরিকল্পিত সড়ক ব্যবস্থা, আধুনিক নাগরিক সুবিধা এবং নিরাপদ আবাসন পরিবেশসম্পন্ন প্রকল্পের চাহিদা দিন দিন বাড়ছে। সেই বাস্তবতায় আনন্দ হাউজিং সোসাইটির উন্নয়ন পরিকল্পনা ও অবকাঠামোগত অগ্রগতি ভবিষ্যতে প্রকল্পটির বাজারমূল্য এবং গ্রহণযোগ্যতা আরও বাড়াবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বর্তমানে পল্লী বিদ্যুৎ ব্যবস্থা চলমান থাকলেও প্রকল্পের অবকাঠামো উন্নয়নের অংশ হিসেবে শিগগিরই একটি বিদ্যুৎ উপকেন্দ্র (সাব-স্টেশন) নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এটি চালু হলে নিরবচ্ছিন্ন ও মানসম্মত বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি ভবিষ্যতের আবাসিক, বাণিজ্যিক ও অন্যান্য উন্নয়ন কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে বলে আশা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে প্রকল্প বাসীদের ধর্মীয় ও সামাজিক চাহিদা বিবেচনায় একটি আধুনিক স্থাপত্যশৈলীর মসজিদ নির্মাণের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। এটি শুধু ধর্মীয় উপাসনার স্থানই নয়, বরং স্থানীয় বাসিন্দাদের সামাজিক সম্প্রীতি ও পারস্পরিক যোগাযোগের একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।   প্রকল্প কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে আনন্দ হাউজিং সোসাইটিতে প্রায় ৯২৭টি রেজিস্ট্রি-যোগ্য প্লট রয়েছে। এর মধ্যে ৪৬২ টি প্লটের রেজিস্ট্রি সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে, যা প্রকল্পের আইনগত স্বচ্ছতা এবং ক্রেতাদের আস্থার প্রতিফলন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। অবশিষ্ট প্লটের আইনানুগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে প্রতি মাসে রেজিস্ট্রেশন প্রদান করা হচ্ছে। কর্তৃপক্ষ আরও জানায়, আনন্দ হাউজিং সোসাইটিকে একটি আধুনিক, পরিবেশবান্ধব ও পূর্ণাঙ্গ আবাসিক কমিউনিটিতে রূপান্তরের লক্ষ্যে দীর্ঘমেয়াদি মাস্টারপ্ল্যান বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। ভবিষ্যতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় স্থাপনা, খেলার মাঠ, উন্মুক্ত সবুজ এলাকা এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করার পরিকল্পনাও রয়েছে। সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, নিরাপদ ও দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগের সুযোগ খুঁজছেন এমন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের জন্য আনন্দ হাউজিং সোসাইটি একটি সম্ভাবনাময় আবাসন প্রকল্প হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। চলমান উন্নয়ন, সফল রেজিস্ট্রি কার্যক্রম এবং ভবিষ্যৎ অবকাঠামো পরিকল্পনা প্রকল্পটির প্রতি বিনিয়োগকারীদের আস্থা আরও শক্তিশালী করছে। প্রকল্প কর্তৃপক্ষ আশাবাদ ব্যক্ত করে জানিয়েছে, নির্ধারিত উন্নয়ন পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়িত হলে আনন্দ হাউজিং সোসাইটি দেশের অন্যতম আধুনিক, সুপরিকল্পিত ও টেকসই আবাসন প্রকল্প হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। একই সঙ্গে, এটি প্লট মালিক ও বিনিয়োগকারীদের জন্য দীর্ঘমেয়াদে মূল্য সংযোজন এবং উন্নত জীবনযাপনের একটি মানসম্মত পরিবেশ নিশ্চিত করতে সক্ষম হবে। আরটিভি/এসএস
আনন্দ হাউজিং সোসাইটিতে বাড়ছে প্লট ক্রেতা ও বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ
বরিশালে উন্নয়নের গতি, পাঁচ মাসে ১৪৯ কোটি টাকার কাজ
বরিশালের ১০ উপজেলায় চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত পাঁচ মাসে সড়ক, হাটবাজার, সামাজিক অবকাঠামো, সেতু-কালভার্ট রক্ষণাবেক্ষণ এবং সেচ খাল খননসহ বিভিন্ন উন্নয়নকাজ বাস্তবায়ন করেছে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)। এসব উন্নয়ন ও রক্ষণাবেক্ষণ কাজে মোট ব্যয় হয়েছে ১৪৯ কোটি ১৮ লাখ ৬২ হাজার ১০০ টাকা।
বরিশালে উন্নয়নের গতি, পাঁচ মাসে ১৪৯ কোটি টাকার কাজ
জনস্বাস্থ্য বিবেচনায় ফ্লেভারিং ক্যাপসুল সিগারেট বিক্রিতে কড়াকড়ি
জনস্বাস্থ্যের ঝুঁকি বিবেচনায় ফ্লেভারিং ক্যাপসুল সংবলিত সিগারেট নিম্ন মূল্যস্তরে সরবরাহের ওপর কড়াকড়ি আরোপ করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। এখন থেকে এ ধরনের সিগারেট মধ্যম মূল্যস্তরের নিচে বাজারে সরবরাহ করা যাবে না।
জনস্বাস্থ্য বিবেচনায় ফ্লেভারিং ক্যাপসুল সিগারেট বিক্রিতে কড়াকড়ি
ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরকে আরও শক্তিশালী করা হবে
নিরাপদ, বিশুদ্ধ ও মানসম্মত পণ্য পাওয়ার অধিকার নিশ্চিত করতে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরকে প্রযুক্তি, জনবল ও প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতার দিক থেকে আরও শক্তিশালী করা হবে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।
ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরকে আরও শক্তিশালী করা হবে
আরও পড়ুন
পুলিশের শীর্ষ ও রেঞ্জ পর্যায়ে বড় রদবদল
বাংলাদেশ ব্যাংকে চাকরি, লাগবে যে যে যোগ্যতা
বাংলাদেশের জাহাজ নির্মাণ শিল্পে চীনের বিনিয়োগের আগ্রহ 
এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশের ম্যাচসহ টিভিতে আজকের খেলা