ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩

নবায়নযোগ্য জ্বালানির জন্য ১৫০০ কোটি টাকা ঋণ দিচ্ছে সরকার

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:২১ পিএম
আপডেট : ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:২২ পিএম
ছবি : সংগৃহীত

দেশে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়াতে ১ হাজার ৫০০ কোটি টাকা ঋণ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এ কর্মসূচির আওতায় তিনটি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে গৃহস্থালি, প্রাতিষ্ঠানিক ও শিল্প পর্যায়ে নবায়নযোগ্য জ্বালানি স্থাপনায় ঋণ দেওয়া হবে।

সরকারের দেওয়া ঋণের সুদহার নির্ধারণ করা হয়েছে বার্ষিক মাত্র দশমিক ৫ শতাংশ। তবে অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলো সুবিধাভোগীদের যে ঋণ দেবে, তাতে সব ধরনের ফি ও চার্জসহ কার্যকর বার্ষিক সুদহার সর্বোচ্চ ৬ শতাংশের মধ্যে রাখতে হবে। কোনো অবস্থাতেই এ সীমা অতিক্রম করা যাবে না।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের সামষ্টিক অর্থনীতি অনুবিভাগের জারি করা এক পরিপত্রে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়েছে। গত সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) জারি করা ওই পরিপত্রে বলা হয়, বিদ্যুৎ উৎপাদনে আমদানিনির্ভর জীবাশ্ম জ্বালানির উচ্চমাত্রার ব্যবহার উৎপাদন ব্যয়, ভর্তুকির চাপ ও জ্বালানি নিরাপত্তাঝুঁকি বাড়িয়েছে। এ পরিস্থিতিতে নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রসারে সহজ শর্তে ও স্বল্প ব্যয়ে দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়ন নিশ্চিত করতে এ কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে।

সরকারের জাতীয় নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কৌশলপত্র (২০২৬–২০৩০) অনুযায়ী, ২০৩০ সালের মধ্যে বিদ্যুৎ উৎপাদনে নবায়নযোগ্য জ্বালানির অংশ ২০ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য রয়েছে। একই সঙ্গে ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন দ্রুত সম্প্রসারণের লক্ষ্যও নির্ধারণ করা হয়েছে।

পরিপত্র অনুযায়ী, সরকারের অগ্রাধিকার বিবেচনায় এ কর্মসূচির জন্য মোট ১ হাজার ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হবে। এর মধ্যে ১ হাজার কোটি টাকা চলতি ২০২৬–২৭ অর্থবছরের বাজেটে ক্ষুদ্র, অতিক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের (এমএসএমই) জন্য সংরক্ষিত ২ হাজার কোটি টাকার থোক বরাদ্দ থেকে পুনর্বিন্যাস করে সংস্থান করা হবে। বাকি ৫০০ কোটি টাকা পরিচালন বাজেট থেকে সংস্থান করা হবে।

এই অর্থ তিনটি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে বিতরণ করা হবে। প্রতিষ্ঠানগুলো হলো—ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড (আইডকল), বাংলাদেশ ইনফ্রাস্ট্রাকচার ফাইন্যান্স ফান্ড লিমিটেড (বিআইএফএফএল) এবং পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ)। প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে ৫০০ কোটি টাকা করে সরকারি ঋণ দেওয়া হবে।

এ জন্য অর্থ বিভাগ ও প্রতিটি অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানের মধ্যে পৃথক ঋণচুক্তি হবে। ওই চুক্তিতে ঋণের পরিমাণ, অর্থ ব্যবহারের অনুমোদিত খাত, ঋণ পরিশোধ, প্রতিবেদন, নিরীক্ষা এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় শর্ত উল্লেখ থাকবে। অর্থ বিভাগ প্রয়োজন অনুযায়ী অথবা অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানের চাহিদার ভিত্তিতে চুক্তি সম্পাদন ও অন্যান্য শর্ত পূরণের পর অর্থ ছাড় করবে।

সরকারি ঋণের সুদহার হবে বার্ষিক দশমিক ৫ শতাংশ। তবে অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠান পর্যায়ে সুবিধাভোগীদের কাছ থেকে নেওয়া সব ধরনের ফি ও চার্জসহ কার্যকর বার্ষিক হার (অল-ইনক্লুসিভ ইফেকটিভ অ্যানুয়াল রেট) সর্বোচ্চ ৬ শতাংশ হতে পারবে। অর্থাৎ ঋণ ব্যবস্থাপনার নামে অতিরিক্ত ফি বা চার্জ নিয়ে নির্ধারিত ৬ শতাংশের সীমা অতিক্রম করা যাবে না।

সরকারের কাছ থেকে নেওয়া ঋণের অর্থের মেয়াদ হবে ১০ বছর। এর মধ্যে এক বছর গ্রেস পিরিয়ড থাকবে। গ্রেস পিরিয়ড শেষ হওয়ার পরবর্তী মাস থেকে অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলো সরকারের অনুকূলে আসল ও সুদ পরিশোধ শুরু করবে। ঋণচুক্তিতে পরিশোধের বিস্তারিত কাঠামো নির্ধারণ করা হবে।
ছাদে সৌরবিদ্যুৎ থেকে সেচপাম্প

সরকারি এ অর্থায়নের আওতায় মূলত গৃহস্থালি, প্রাতিষ্ঠানিক ও শিল্প পর্যায়ে নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রযুক্তি স্থাপন, সম্প্রসারণ ও আধুনিকায়নে ঋণ দেওয়া হবে। এর মধ্যে রয়েছে ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা, নেট মিটারিং সংযোগ, সোলার হোম সিস্টেম, সৌরচালিত সেচপাম্প, সংশ্লিষ্ট ইনভার্টার, মিটার ও ব্যাটারি সংরক্ষণ ব্যবস্থা।

অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলো সরাসরি অথবা অংশীদার ও সহযোগী প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে এ ঋণ বিতরণ করতে পারবে। তবে যে পদ্ধতিতেই ঋণ বিতরণ করা হোক, পরিপত্রে নির্ধারিত সব শর্ত মানতে হবে। সুবিধাভোগীর ঋণ পরিশোধে ব্যর্থতার ঝুঁকি বহন করবে সংশ্লিষ্ট অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠান।

ঋণ বিতরণের পদ্ধতি, কিস্তির কাঠামো, পণ্য পরিকল্পনা, কর্মসূচির নির্দেশিকা এবং সুবিধাভোগীর যোগ্যতা ও মূল্যায়নের মানদণ্ড নির্ধারণের দায়িত্ব অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর দেওয়া হয়েছে। তবে এসব নির্ধারণের ক্ষেত্রে যথাযথ যাচাই-বাছাই বা ডিউ ডিলিজেন্স করতে হবে এবং পরিচালনা পর্ষদের অনুমোদন নিতে হবে।

কর্মসূচির অর্থ বিদ্যমান ঋণ পরিশোধ, ঋণ নবায়ন বা ‘লোন এভারগ্রিনিং’, জমি বা শেয়ার কেনা, ব্যক্তিগত ভোগ, প্রতিষ্ঠানের সাধারণ প্রশাসনিক ব্যয় কিংবা অন্য কোনো তহবিল বা কর্মসূচিতে স্থানান্তর করা যাবে না।

এ কর্মসূচি বাস্তবায়নে অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানকে আলাদা ব্যাংক হিসাব ও পৃথক হিসাব কোড রাখতে হবে। পাশাপাশি পর্ষদ অনুমোদিত পরিচালন পদ্ধতি ও ব্যবস্থাপনা তথ্যব্যবস্থা চালু করতে হবে। ঋণ সুবিধাভোগীদের অনুমোদিত ব্যাংক হিসাবে ডিজিটাল পদ্ধতিতে অর্থ বিতরণ করতে হবে।

ঋণ বিতরণের আগে সুবিধাভোগীর যথাযথ যাচাই-বাছাই করতে হবে। কর্মসূচির নীতিমালা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য আইন ও নিয়ন্ত্রক সংস্থার নির্দেশনার পাশাপাশি গ্রাহক পরিচিতি যাচাই (কেওয়াইসি) এবং অর্থপাচার ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধের (এএমএল/সিএফটি) বিধানও পরিপালন করতে হবে।

আরটিভি/এমএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
নতুন দামে কোন সিগারেট কত টাকা?
দেশে আবারও বাড়ানো হয়েছে নিম্নস্তরের সিগারেটের দাম। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, নিম্নস্তরের প্রতি ১০ শলাকা সিগারেটের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য ৬২ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৬৫ টাকা নির্ধারণ করেছে সরকার। তবে মধ্যম, উচ্চ ও প্রিমিয়াম স্তরের সিগারেটের দাম অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে।
নতুন দামে কোন সিগারেট কত টাকা?
আনন্দ হাউজিং সোসাইটিতে বাড়ছে প্লট ক্রেতা ও বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ
আধুনিক নগর পরিকল্পনা, আইনগত স্বচ্ছতা এবং ধারাবাহিক অবকাঠামোগত উন্নয়নের সমন্বয়ে পুলিশ পরিবার কল্যাণ বহুমুখী সমবায় সমিতি লিমিটেডের আওতাধীন আনন্দ হাউজিং সোসাইটি আবাসন খাতে একটি সম্ভাবনাময় প্রকল্প হিসেবে ক্রমশ বিনিয়োগকারী ও প্লট ক্রেতাদের আস্থা অর্জন করছে।  সংশ্লিষ্টদের মতে, চলমান উন্নয়ন কার্যক্রম এবং দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার কারণে দেশ-বিদেশের বিনিয়োগকারীদের আগ্রহও উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। প্রকল্প কর্তৃপক্ষ জানায়, শুরু থেকেই একটি স্বচ্ছ, নিরাপদ এবং নির্ভরযোগ্য আবাসন ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যে পরিকল্পিতভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে উল্লেখযোগ্যসংখ্যক ব্যক্তি ও পরিবার এই প্রকল্পে প্লট ক্রয় করেছেন। অনেক ক্রেতা জমির বাজারমূল্য বৃদ্ধি এবং প্রকল্পের অগ্রগতিতে সন্তোষ প্রকাশ করায় নতুন বিনিয়োগকারীদের মধ্যেও ইতিবাচক মনোভাব তৈরি হয়েছে।   নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রকল্প এলাকায় একটি পুলিশ ফাঁড়ির কার্যক্রম ইতোমধ্যে চালু রয়েছে। সার্বক্ষণিক আইন-শৃঙ্খলা তদারকির ফলে প্রকল্পটি বিনিয়োগকারী ও ভবিষ্যৎ বাসিন্দাদের জন্য আরও নিরাপদ ও নির্ভরযোগ্য আবাসিক পরিবেশে পরিণত হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।   আবাসন খাতের সংশ্লিষ্টদের অভিমত, নগরায়ণের বর্তমান প্রেক্ষাপটে পরিকল্পিত সড়ক ব্যবস্থা, আধুনিক নাগরিক সুবিধা এবং নিরাপদ আবাসন পরিবেশসম্পন্ন প্রকল্পের চাহিদা দিন দিন বাড়ছে। সেই বাস্তবতায় আনন্দ হাউজিং সোসাইটির উন্নয়ন পরিকল্পনা ও অবকাঠামোগত অগ্রগতি ভবিষ্যতে প্রকল্পটির বাজারমূল্য এবং গ্রহণযোগ্যতা আরও বাড়াবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বর্তমানে পল্লী বিদ্যুৎ ব্যবস্থা চলমান থাকলেও প্রকল্পের অবকাঠামো উন্নয়নের অংশ হিসেবে শিগগিরই একটি বিদ্যুৎ উপকেন্দ্র (সাব-স্টেশন) নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এটি চালু হলে নিরবচ্ছিন্ন ও মানসম্মত বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি ভবিষ্যতের আবাসিক, বাণিজ্যিক ও অন্যান্য উন্নয়ন কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে বলে আশা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে প্রকল্প বাসীদের ধর্মীয় ও সামাজিক চাহিদা বিবেচনায় একটি আধুনিক স্থাপত্যশৈলীর মসজিদ নির্মাণের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। এটি শুধু ধর্মীয় উপাসনার স্থানই নয়, বরং স্থানীয় বাসিন্দাদের সামাজিক সম্প্রীতি ও পারস্পরিক যোগাযোগের একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।   প্রকল্প কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে আনন্দ হাউজিং সোসাইটিতে প্রায় ৯২৭টি রেজিস্ট্রি-যোগ্য প্লট রয়েছে। এর মধ্যে ৪৬২ টি প্লটের রেজিস্ট্রি সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে, যা প্রকল্পের আইনগত স্বচ্ছতা এবং ক্রেতাদের আস্থার প্রতিফলন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। অবশিষ্ট প্লটের আইনানুগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে প্রতি মাসে রেজিস্ট্রেশন প্রদান করা হচ্ছে। কর্তৃপক্ষ আরও জানায়, আনন্দ হাউজিং সোসাইটিকে একটি আধুনিক, পরিবেশবান্ধব ও পূর্ণাঙ্গ আবাসিক কমিউনিটিতে রূপান্তরের লক্ষ্যে দীর্ঘমেয়াদি মাস্টারপ্ল্যান বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। ভবিষ্যতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় স্থাপনা, খেলার মাঠ, উন্মুক্ত সবুজ এলাকা এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করার পরিকল্পনাও রয়েছে। সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, নিরাপদ ও দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগের সুযোগ খুঁজছেন এমন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের জন্য আনন্দ হাউজিং সোসাইটি একটি সম্ভাবনাময় আবাসন প্রকল্প হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। চলমান উন্নয়ন, সফল রেজিস্ট্রি কার্যক্রম এবং ভবিষ্যৎ অবকাঠামো পরিকল্পনা প্রকল্পটির প্রতি বিনিয়োগকারীদের আস্থা আরও শক্তিশালী করছে। প্রকল্প কর্তৃপক্ষ আশাবাদ ব্যক্ত করে জানিয়েছে, নির্ধারিত উন্নয়ন পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়িত হলে আনন্দ হাউজিং সোসাইটি দেশের অন্যতম আধুনিক, সুপরিকল্পিত ও টেকসই আবাসন প্রকল্প হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। একই সঙ্গে, এটি প্লট মালিক ও বিনিয়োগকারীদের জন্য দীর্ঘমেয়াদে মূল্য সংযোজন এবং উন্নত জীবনযাপনের একটি মানসম্মত পরিবেশ নিশ্চিত করতে সক্ষম হবে। আরটিভি/এসএস
আনন্দ হাউজিং সোসাইটিতে বাড়ছে প্লট ক্রেতা ও বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ
বরিশালে উন্নয়নের গতি, পাঁচ মাসে ১৪৯ কোটি টাকার কাজ
বরিশালের ১০ উপজেলায় চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত পাঁচ মাসে সড়ক, হাটবাজার, সামাজিক অবকাঠামো, সেতু-কালভার্ট রক্ষণাবেক্ষণ এবং সেচ খাল খননসহ বিভিন্ন উন্নয়নকাজ বাস্তবায়ন করেছে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)। এসব উন্নয়ন ও রক্ষণাবেক্ষণ কাজে মোট ব্যয় হয়েছে ১৪৯ কোটি ১৮ লাখ ৬২ হাজার ১০০ টাকা।
বরিশালে উন্নয়নের গতি, পাঁচ মাসে ১৪৯ কোটি টাকার কাজ
বাংলাদেশের জাহাজ নির্মাণ ও মেরিটাইম খাতে বিনিয়োগ করতে চায় চীনা প্রতিষ্ঠান
নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় ও সেতু বিভাগের প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসানের সঙ্গে তার দপ্তরে অনুষ্ঠিত এক দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে এই আগ্রহ প্রকাশ করেন জুলং গ্রুপের চেয়ারম্যান বেন ওয়াং। 
বাংলাদেশের জাহাজ নির্মাণ ও মেরিটাইম খাতে বিনিয়োগ করতে চায় চীনা প্রতিষ্ঠান
জনস্বাস্থ্য বিবেচনায় ফ্লেভারিং ক্যাপসুল সিগারেট বিক্রিতে কড়াকড়ি
জনস্বাস্থ্যের ঝুঁকি বিবেচনায় ফ্লেভারিং ক্যাপসুল সংবলিত সিগারেট নিম্ন মূল্যস্তরে সরবরাহের ওপর কড়াকড়ি আরোপ করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। এখন থেকে এ ধরনের সিগারেট মধ্যম মূল্যস্তরের নিচে বাজারে সরবরাহ করা যাবে না।
জনস্বাস্থ্য বিবেচনায় ফ্লেভারিং ক্যাপসুল সিগারেট বিক্রিতে কড়াকড়ি
আরও পড়ুন
বিশ্ব বাজারে আবারও কমল তেলের দাম
অতিরিক্ত ৭ লাখ টন জ্বালানি তেল আমদানির অনুমোদন
ডেঙ্গু প্রতিরোধে যুবদলের ৭ দিনব্যাপী কর্মসূচি
বিশ্ববাজারে আবারও বাড়ল জ্বালানি তেলের দাম