ঢাকা শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩

বিশ্ববাজারে সোনার দামে বড় লাফ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশ : ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:১৩ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম কমায় টানা দ্বিতীয় দিনের মতো আন্তর্জাতিক বাজারে বেড়েছে সোনার দাম। এই দাম বৃদ্ধির ফলে মূল্যবান ধাতুটির দর এক সপ্তাহের মধ্যে সর্বোচ্চ চূড়ায় পৌঁছেছে।

শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) আন্তর্জাতিক বাজারের লেনদেনে সোনার এই দরবৃদ্ধি ঘটে। বাংলাদেশ সময় বেলা ২টা ২৯ মিনিটে আন্তর্জাতিক স্পট মার্কেটে সোনার দাম ০ দশমিক ৯ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে প্রতি আউন্স দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ৩৭৮ দশমিক ১৯ ডলারে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের ফিউচার মার্কেটেও সোনার দর ০ দশমিক ৪ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৪১৮ দশমিক ২০ ডলারে পৌঁছেছে।

বাজারের সাম্প্রতিক এই গতিপ্রকৃতি নিয়ে আন্তর্জাতিক আর্থিক সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান বাইবিটের প্রধান বাজার বিশ্লেষক হান তান বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেন, মার্কিন কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভ সুদের হার বৃদ্ধি করলেও তা সোনার বাজারে কোনো বড় মন্দা তৈরি করতে পারেনি। ফেডারেল সুদের হার বাড়ানোর এই ধারা খুব বেশি দিন স্থায়ী হবে না—বিনিয়োগকারীদের মধ্যে এমন প্রত্যাশার পাশাপাশি তেলের দাম কমায় তাৎক্ষণিকভাবে স্বস্তি পেয়েছে সোনার বাজার।

সাধারণ অর্থনৈতিক নিয়মে সোনাকে মূল্যস্ফীতি মোকাবিলার অন্যতম প্রধান নিরাপদ মাধ্যম বা সেফ-হেভেন মনে করা হয়। তবে বাজারে সুদের হার বেশি থাকলে অন্যান্য মুনাফাদায়ক আমানত ও সম্পদে বিনিয়োগের আকর্ষণ বৃদ্ধি পায়, যার ফলে সোনা কেনার চাহিদা কিছুটা হ্রাস পাওয়ার কথা। সম্প্রতি মার্কিন ফেড ২৫ বেসিস পয়েন্ট সুদের হার বাড়ালেও মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে দেখা দেওয়া ভূরাজনৈতিক অনিশ্চয়তার কারণে বিনিয়োগকারীরা ঝুঁকি এড়াতে সোনার দিকেই বেশি ঝুঁকছেন।

বিশ্ববাজারে সোনার পাশাপাশি অন্যান্য দামী ধাতুর আকাশছোঁয়া দরবৃদ্ধি পরিলক্ষিত হয়েছে। একদিনেই রুপার দাম ২ দশমিক ৭ শতাংশ লাফিয়ে প্রতি আউন্স ৬৬ দশমিক ৯২ ডলারে ঠেকেছে। এছাড়া প্লাটিনামের দাম ২ দশমিক ৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ১ হাজার ৮১৩ দশমিক ৭০ ডলার এবং প্যালাডিয়ামের দাম ২ দশমিক ৬ শতাংশ বেড়ে ১ হাজার ৩২৪ দশমিক ১২ ডলারে উন্নীত হয়েছে।

আরটিভি/এআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
বাজারে সরবরাহ প্রচুর, তবুও দাম তুঙ্গে
রাজধানীর কাঁচাবাজারে এসেছে শীতকালীন সবজি। বাজারে সরবরাহ বাড়লেও বেশি দামে কিনতে হচ্ছে জানিয়েছেন ক্রেতারা। পাশাপাশি মাছ-মাংসের দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। তবে কমেছে ডিমের দাম।
বাজারে সরবরাহ প্রচুর, তবুও দাম তুঙ্গে
আবারও বাড়লো সোনার দাম, এবার ভরি কত?
সবশেষ দাম কমানোর পর গত কয়েকদিন দেশে অনেকটা স্থিতিশীলই ছিল সোনার বাজার। তবে, আবারও মূল্যবান ধাতুটির দাম বাড়িয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। এবারের দফায় সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) সোনার গহনার দাম বাড়ানো হয়েছে ২ হাজার ২১৬ টাকা। এতে দেশের বাজারে ভ্যাটসহ ভালো মানের এক ভরি সোনার গহনার দাম এখন দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৩১ হাজার ২৯৭ টাকা। শুক্রবার (৯ অক্টোবর) সকাল ৯টায় বাজুস স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং কমিটি বৈঠকে করে এই দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পরে কমিটির চেয়ারম্যান ডা. দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীন সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।  এদিন ১০টা থেকে কার্যকর হয়েছে সোনার নতুন দর। স্থানীয় বাজারে তেজাবী সোনার দাম বাড়ায় সোনার গহনার দাম নতুন করে সমন্বয় করা হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করেছে বাজুস।  নতুন মূল্যতালিকা অনুযায়ী, ভ্যাটসহ সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) সোনার গহনার দাম এখন ২ লাখ ৩১ হাজার ২৯৭ টাকা।  অন্যদিকে,​২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২০ হাজার ৯১৬ টাকা। ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনা এখন বিক্রি হবে এক লাখ ৮৯ হাজার ৭১৫ টাকায় এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার নতুন দাম ১ লাখ ৫৪ হাজার ৯৫৬ টাকা। এর আগে, সবশেষ গত ৫ অক্টোবর দেশের বাজারে সোনার দাম কমিয়েছিল বাজুস। সেই দাম অনুযায়ী, আজ শুক্রবার (৯ অক্টোবর) সকাল ১০টার আগ পর্যন্ত ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) সোনার গহনা ২ লাখ ২৯ হাজার ৮১ টাকা, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার গহনা ২ লাখ ১৮ হাজার ৮১৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার গহনা ১ লাখ ৮৭ হাজার ৯০৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনা ১ লাখ ৫৩ হাজার ৪৯৮ টাকায় বেচাকেনা হয়েছে। এদিকে সোনার দাম বাড়ানো হলেও অপরিবর্তিত রয়েছে রুপার দাম। দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার দাম এখন ৪ হাজার ৩১৬ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা ৪ হাজার ১৪১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা ৩ হাজার ৫৫৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপা ২ হাজার ৬৮৩ টাকায় বেচাকেনা হচ্ছে। বাজুস জানিয়েছে, পরবর্তী সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে এই দাম কার্যকর থাকবে। তবে, অলঙ্কারের ডিজাইন অনুযায়ী মজুরি প্রযোজ্য। স্বর্ণালঙ্কার ও রৌপলঙ্কারের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট যুক্ত থাকায় গ্রাহকদের কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট আদায় করা যাবে না। এছাড়া, সুনির্দিষ্ট ভ্যাট, মজুরি ও পাথর বাদ দিয়ে অলঙ্কার এক্সচেঞ্জ ও পারচেজের ক্ষেত্রে বাজুসের আগের নিয়ম বহাল থাকবে। আরটিভি/এসএইচএম
আবারও বাড়লো সোনার দাম, এবার ভরি কত?
রেমিট্যান্সে সুবাতাস, অক্টোবরের সাতদিনে এলো ৭৭ কোটি ডলার
চলতি মাসের প্রথম সাত দিনে দেশে প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্স এসেছে ৭৭ কোটি ৪০ লাখ মার্কিন ডলার, যা দেশীয় মুদ্রায় ৯ হাজার ৫২০ কোটি ২০ হাজার টাকা (প্রতি ডলার ১২৩ টাকা হিসাবে)।
রেমিট্যান্সে সুবাতাস, অক্টোবরের সাতদিনে এলো ৭৭ কোটি ডলার
পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের চূড়ান্ত অনুমোদন পেল রূপপুর
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (বায়েরা) এই অনুমোদন দিয়েছে।
পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের চূড়ান্ত অনুমোদন পেল রূপপুর
বন্ধ সরকারি কারখানায় ফিরেছে উৎপাদন
বছরের পর বছর বন্ধ পড়ে থাকা সরকারি শিল্পকারখানায় আবারও উৎপাদনের চাকা ঘুরছে। সরকারের উদ্যোগে পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপের (পিপিপি) আওতায় এসব কারখানা ইজারা নিয়ে উৎপাদনে ফিরিয়ে আনছে প্রাণ-আরএফএল গ্রুপ। ইতোমধ্যে রাজশাহীর দুটি বন্ধ কারখানায় উৎপাদন শুরু হয়েছে। সেখানে কর্মসংস্থান হয়েছে প্রায় পাঁচ হাজার মানুষের, যাদের প্রায় ৯০ শতাংশই নারী। বন্ধ হয়ে থাকা সরকারি কলকারখানা পুনরায় চালু করে উৎপাদন ও কর্মসংস্থান বাড়ানোর বিষয়টি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারের অন্যতম অঙ্গীকার ছিল। সেই অঙ্গীকার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবেই বন্ধ সরকারি শিল্পকারখানাগুলোকে বেসরকারি বিনিয়োগের মাধ্যমে আবার উৎপাদনে ফেরানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে ইতোমধ্যে কয়েকটি কারখানা বেসরকারি উদ্যোক্তাদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের বিপণন পরিচালক কামরুজ্জামান কামাল বলেন, রাজশাহীতে বরেন্দ্র রাজশাহী টেক্সটাইল লিমিটেড ও রাজশাহী জুট মিলস লিমিটেড ইজারা নিয়ে সেখানে ফুটওয়্যার, লাগেজ, লেডিস ব্যাগ, তাঁবু ও ছাতা উৎপাদন করা হচ্ছে। এসব কারখানায় উৎপাদিত পণ্য দেশের বাজারের পাশাপাশি বিশ্বের বিভিন্ন দেশে রপ্তানি হচ্ছে। উৎপাদন লাইন আরও সম্প্রসারণ করে আগামী দিনে আরও ১৫ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান তৈরির লক্ষ্য নিয়ে কাজ চলছে। তিনি জানান, গত আগস্টে পাট ও বস্ত্র মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন আরও দুটি জুট মিলও সরকারের কাছ থেকে ইজারা পেয়েছে প্রাণ-আরএফএল। প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে মিল দুটি প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের কাছে হস্তান্তর করা হয়। খুব শিগগিরই এসব মিলেও উৎপাদন শুরু হবে। কামরুজ্জামান কামাল বলেন, দেশের বিভিন্ন স্থানে বছরের পর বছর বন্ধ থাকা সরকারি শিল্পকারখানাগুলোকে আবার উৎপাদনের আওতায় আনার ফলে একদিকে অব্যবহৃত সরকারি সম্পদের ব্যবহার বাড়ছে, অন্যদিকে তৈরি হচ্ছে কর্মসংস্থান ও রপ্তানির নতুন সুযোগ। এসব কারখানায় আগে থেকেই বিদ্যুৎ, গ্যাস, সড়ক যোগাযোগ ও ভবনসহ প্রয়োজনীয় অবকাঠামোর বড় অংশ থাকায় নতুন করে শিল্পাঞ্চল গড়ে তোলার তুলনায় দ্রুত এবং কম খরচে উৎপাদনে যাওয়া সম্ভব হচ্ছে। প্রাণ-আরএফএলের এই পরিচালক জানান, পিপিপি'র আওতায় দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা মিলগুলো পুনরায় চালুর উদ্যোগ নিয়ে সরকার আবেদন আহ্বান করে। প্রাণ-আরএফএল আবেদন করার পর সরকারের নির্ধারিত শর্ত পূরণ সাপেক্ষে প্রাথমিকভাবে ৩০ বছরের জন্য এসব মিল বরাদ্দ পায়। তিনি বলেন, ‘মূলত উৎপাদন দ্রুত বাড়ানো এবং অবকাঠামোগত ব্যয় কমানোর লক্ষ্যেই’ বন্ধ সরকারি শিল্পকারখানাগুলো ইজারা নেওয়া হয়েছে। এসব কারখানা শুধু ইট-পাথরের স্থাপনা নয়; একসময় এগুলো ছিল হাজারো মানুষের জীবিকার উৎস। উৎপাদন বন্ধ হয়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে স্থানীয় অর্থনীতি, ক্ষুদ্র ব্যবসা এবং সংশ্লিষ্ট পরিবারগুলো। কারখানাগুলো আবার চালু হওয়ায় সেই অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডেও নতুন গতি তৈরি হচ্ছে। বন্ধ কারখানাগুলো পুনরায় চালুর ক্ষেত্রে সরকারের সহযোগিতাকে গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করে কামরুজ্জামান কামাল বলেন, বন্ধ মিলগুলো দ্রুত উৎপাদনে ফিরিয়ে আনতে সরকার প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করার পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের সহযোগিতা করছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের মাধ্যমে সহজ শর্তে ঋণের ব্যবস্থাও করা হচ্ছে, যা এ ধরনের বিনিয়োগ সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। রাজশাহীর কারখানাগুলোতে উৎপাদনের পাশাপাশি স্থানীয় কর্মসংস্থানের ওপরও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। কামরুজ্জামান কামাল বলেন, প্রত্যন্ত অঞ্চলে অবস্থিত এসব শিল্পকারখানা চালু হওয়ায় স্থানীয় মানুষ, বিশেষ করে নারীরা নিজ এলাকাতেই কাজের সুযোগ পাচ্ছেন। ফলে জীবিকার জন্য তাদের ঢাকা বা অন্য বড় শহরে যেতে হচ্ছে না। এতে পরিবারের আয় বাড়ার পাশাপাশি স্থানীয় বাজার ও অর্থনীতিতেও কর্মচাঞ্চল্য তৈরি হচ্ছে। তিনি বলেন, শ্রমঘন এসব শিল্পে ইতোমধ্যে প্রায় পাঁচ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে। এর প্রায় ৯০ শতাংশই নারী কর্মী। উৎপাদন লাইন সম্প্রসারণের মাধ্যমে আরও ১৫ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান তৈরির কাজ চলছে। প্রাণ-আরএফএল মনে করছে, বন্ধ কারখানাগুলো চালুর এই উদ্যোগ আরও বড় পরিসরে নেওয়া গেলে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে শিল্পায়ন ও কর্মসংস্থানের সুযোগ আরও বাড়ানো সম্ভব। বিশেষ করে নারী কর্মসংস্থান বৃদ্ধির ক্ষেত্রে এসব কারখানা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তবে কিছু কারখানায় যোগাযোগ ও অবকাঠামোগত সমস্যা রয়েছে বলেও জানান কামরুজ্জামান কামাল। বিশেষ করে খুলনার স্টার জুট মিলের যোগাযোগ সড়ক দ্রুত সংস্কারের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি অনুরোধ জানান তিনি। তার মতে, সড়ক যোগাযোগের সমস্যা সমাধান করা গেলে সেখানে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ আরও বাড়বে। এছাড়া একটি কারখানায় বড় পরিসরে বিনিয়োগের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থায়ন নিশ্চিত করার ওপরও জোর দেন তিনি। বন্ধ সরকারি কারখানাগুলো পুনরায় চালু করতে আগ্রহী উদ্যোক্তাদের কাঁচামাল আমদানিতে শুল্কমুক্ত সুবিধা, সহজ বন্ডেড ওয়্যারহাউস ব্যবস্থা, প্রণোদনা এবং স্বল্প সুদের ঋণ সুবিধা দেওয়া গেলে এসব শিল্পকারখানায় আরও বেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করা সম্ভব হবে বলে মনে করেন কামরুজ্জামান কামাল। তিনি বলেন, এ ধরনের নীতিসহায়তা নিশ্চিত করা গেলে দীর্ঘদিন অব্যবহৃত সরকারি শিল্পসম্পদকে কাজে লাগিয়ে একই সঙ্গে উৎপাদন, রপ্তানি ও কর্মসংস্থান- তিন ক্ষেত্রেই উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করা সম্ভব। আরটিভি/টিআর
বন্ধ সরকারি কারখানায় ফিরেছে উৎপাদন
আরও পড়ুন
আবারও বাড়লো সোনার দাম, এবার ভরি কত?
বিশ্ববাজারে সোনার দামে পতন
বিশ্ববাজারে বাড়ল সোনার দাম
দেশের বাজারে আজ যে দামে বিক্রি হচ্ছে সোনা