ঢাকা বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩

সরকারের বেঁধে দেওয়া দামে মিলছে না এলপিজি, ডিসিদেরকে মাঠে নামার নির্দেশ

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:৫৫ পিএম
সরকার নির্ধারিত দামের চেয়েও ৬০০ থেকে ১০০০ টাকা বেশি দিয়ে এলপিজি সিলিন্ডার কিনতে বাধ্য হচ্ছেন ক্রেতারা। ছবি: সংগৃহীত

প্রতি মাসেই সরকারের পক্ষ থেকে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম নির্ধারণ করে দেওয়া হলেও, সেই দামের চেয়ে বেশিতে ভোক্তাদের কাছে তা বিক্রি আসছেন খুচরা পর্যায়ের বিক্রেতারা। জানতে চাইলেই তারা বলেন, ডিলারদের কাছ থেকে বেশি দামে কিনতে হয় বলে সরকারের বেঁধে দেওয়া দামে বিক্রি করা সম্ভব হয় না তাদের পক্ষে। সম্প্রতি আরও খারাপ হয়েছে পরিস্থিতি।

সবশেষ যেখানে প্রতিটি ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ৫৮৫ টাকা বেঁধে দিয়েছে সরকার, সেখানে সংকটের কথা বলে একেকটি এলপিজির সিলিন্ডারের জন্য ভোক্তাদের কাছ থেকে ২২০০ থেকে ২৬০০ টাকা নিয়ে নিচ্ছেন খুচরা বিক্রেতারা। অর্থাৎ, সরকার নির্ধারিত দামের চেয়েও ৬০০ থেকে ১০০০ টাকা বেশি দিয়ে এলপিজি সিলিন্ডার কিনতে বাধ্য হচ্ছেন ক্রেতারা।

এ পরিস্থিতিতে এলপিজির কৃত্রিম সংকট তৈরি করে অতিরিক্ত দামে বিক্রি করার বিষয়টি খতিয়ে দেখতে জেলা প্রশাসকদেরকে (ডিসি) মাঠে নামার নির্দেশ দিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ।

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে জেলা প্রশাসকদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত অনলাইন বৈঠকে এ নির্দেশ দেন তিনি।

মন্ত্রী বলেন, দেশে এলপিজির সরবরাহে কোনও ঘাটতি নেই। তবে, কিছু এলাকায় কৃত্রিম সংকট তৈরি করে বেশি দামে এলপিজি বিক্রি করা হতে পারে। সরবরাহ স্বাভাবিক থাকার পরও কোথাও কেন সংকটের কথা শোনা যাচ্ছে এবং কেন অতিরিক্ত দাম নেওয়া হচ্ছে, তা খতিয়ে দেখে তথ্য ও প্রমাণসহ প্রতিবেদন পাঠাতে ডিসিদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

তিনি জানান, জেলা প্রশাসকদের কাছ থেকে তথ্য পাওয়ার পর আমদানিকারক ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে বৈঠক করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। যেসব এলাকায় সরবরাহ কম পাওয়া যাবে, সেখানে সরবরাহ বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে।

ইকবাল হাসান মাহমুদ এরপর সতর্ক করে বলেন, কৃত্রিম সংকট তৈরি করা হলে কিংবা বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে এলপিজি বিক্রি করা হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এলপিজির সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে জেলা প্রশাসকদের আরও সজাগ ও সতর্ক থাকার নির্দেশও দেন জ্বালানিমন্ত্রী।

এর আগে, গত সোমবারও (২৮ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে এক মতবিনিময় সভায় এলপিজি আমদানিকারক ও অপারেটররা বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে আশ্বস্ত করেন, দেশের বাজারে এলপিজি সরবরাহ ও মজুদের পরিস্থিতি স্বাভাবিকই রয়েছে; কোনো সংকট নেই।

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ আয়োজিত ওই সভায় দেশের এলপিজি খাতের সার্বিক পরিস্থিতি উপস্থাপন ও পর্যালোচনা করা হয়। সভায় উপস্থাপিত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের আগস্টে দেশে ১ লাখ ৫৭ হাজার ৭৬০ মেট্রিক টন এলপিজি আমদানি হয়েছে। চলতি সেপ্টেম্বর মাসে ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আমদানি হয়েছে ১ লাখ ১৮ হাজার ৭৪২ মেট্রিক টন।

সোমবারের ওই সভায় ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু আশ্বাস দেন, এলপিজি আমদানির ক্ষেত্রে বিদ্যমান সব ধরনের বাধা দূর করতে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করা হবে। মানুষের জীবনযাত্রা সহজ করতে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

আরটিভি/এসএইচএম


আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ফার্নেস তেলের দামে বড় লাফ
অক্টোবর মাসের জন্য ফার্নেস অয়েলের ভোক্তা পর্যায়ের দাম পুনর্নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) সরবরাহকৃত ফার্নেস অয়েলের দাম প্রতি লিটারে ১১ টাকা ৯২ পয়সা বাড়িয়ে ১০৮ টাকা ৭৮ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) এক বার্তায় এ তথ্য জানায় বিইআরসি। নতুন এ দাম ৩০ সেপ্টেম্বর রাত ১২টা থেকে কার্যকর হবে। বার্তায় বলা হয়, বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন আইন, ২০০৩-এর ৩৪(৪) ও ৩৪(৬) ধারার আওতায় বিপিসি ও তেল বিপণন কোম্পানিগুলোর প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে গণশুনানি ও বিস্তারিত পর্যালোচনার পর ফার্নেস অয়েলের মূল্যহার নির্ধারণ করা হয়েছে। এর আগে ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখের বিইআরসির আদেশে বিপিসি সরবরাহকৃত ফার্নেস অয়েলের ভোক্তাপর্যায়ের দাম, বিপিসির মজুতকরণ ও সরবরাহ চার্জ, তেল বিপণন কোম্পানিগুলোর বিপণন চার্জ এবং সমন্বিত পরিবহন ভাড়া পুনর্নির্ধারণ করা হয়। ওই আদেশে প্রয়োজন অনুযায়ী তিন মাস পরপর ফার্নেস অয়েলের দাম সমন্বয়ের সুযোগ রাখা হয়েছিল। ফার্নেস অয়েলের মূল্য সমন্বয়ের জন্য গত ১৫ মার্চ একটি কমিটি গঠন করে বিইআরসি। কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে আমদানিকৃত পরিশোধিত ফার্নেস অয়েলের প্লাটস রেট, সেপ্টেম্বর মাসের অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের (ক্রুড) সিআইএফ মূল্য এবং মার্কিন ডলারের বিনিময় হারের পরিবর্তন বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। কমিশন জানিয়েছে, এসব বিষয় পর্যালোচনা করে অক্টোবর ২০২৬ মাসের জন্য ফার্নেস অয়েলের মূল্য প্রতি লিটার ১০৮ টাকা ৭৮ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। বিপিসি সরবরাহকৃত ফার্নেস অয়েলের এ সমন্বয়কৃত মূল্যহার ৩০ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাত ১২টা থেকে প্রযোজ্য ও কার্যকর হবে। আরটিভি/এসআর
ফার্নেস তেলের দামে বড় লাফ
নতুন মুদ্রানীতি ঘোষণা করল বাংলাদেশ ব্যাংক
জ্বালানির মূল্য ও পে-স্কেলের কারণে মূল্যস্ফীতিতে ঝুঁকি দেখছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এরকম বাস্তবতায় আপাতত নীতি সুদহার কমাবে না বাংলাদেশ ব্যাংক। অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে নীতি সুদহার ৯ দশমিক ৫০ শতাংশেই অপরিবর্তিত রেখে প্রথমবারের মতো ত্রৈমাসিক ভিত্তিক মুদ্রানীতি ঘোষণা করল বাংলাদেশ ব্যাংক। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর ড. হাবিবুর রহমান এ মুদ্রানীতি ঘোষণা করেন। এ সময় অন্যান্য ডেপুটি গভর্নর, পরিচালক ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। ডেপুটি গভর্নর বলেন, গত ২৩ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত মুদ্রানীতি কমিটির (এমপিসি) ১৪তম সভায় নীতি সুদহার অপরিবর্তিত রাখার সিদ্ধান্ত হয়। একই সঙ্গে স্ট্যান্ডিং লেন্ডিং ফ্যাসিলিটি (এসএলএফ) হার ১১ শতাংশ এবং স্ট্যান্ডিং ডিপোজিট ফ্যাসিলিটি (এসডিএফ) হার ৭ দশমিক ৫০ শতাংশে বহাল রাখা হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের মূল্যায়ন অনুযায়ী, সম্প্রতি মূল্যস্ফীতি কমলেও তা দীর্ঘমেয়াদে নিয়ন্ত্রণে আসার যথেষ্ট প্রমাণ এখনো পাওয়া যায়নি। বৈশ্বিক জ্বালানির দাম বৃদ্ধি, হরমুজ প্রণালীতে অচলাবস্থা, দেশে জ্বালানির নিয়ন্ত্রিত মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী সমন্বয় এবং নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের সম্ভাব্য প্রভাব মূল্যস্ফীতির ওপর চাপ তৈরি করতে পারে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক মনে করছে, এ অবস্থায় আগেভাগে মুদ্রানীতি শিথিল করা হলে মূল্যস্ফীতির প্রত্যাশা বেড়ে যেতে পারে। এতে মূল্যস্ফীতি লক্ষ্যমাত্রায় ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া দীর্ঘায়িত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। প্রবৃদ্ধিতে চাপ, শিল্প উৎপাদনেও সংকোচন দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড এখনো চাপের মধ্যে রয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে মুদ্রানীতিতে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে প্রকৃত জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৪.১৪ শতাংশ প্রাক্কলন করা হয়েছে। তবে একই অর্থবছরের তৃতীয় প্রান্তিকে প্রবৃদ্ধি ২.২ শতাংশ হতে পারে বলে ধারণা করা হয়েছে। ওই সময়ে শিল্প উৎপাদন ০.২৮ শতাংশ সংকুচিত হয়েছে। পুনরুদ্ধারে ৬০ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গতি ফেরাতে বিভিন্ন খাতে সহায়তার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বন্ধ কারখানা পুনরায় চালুর জন্য ২০ হাজার কোটি টাকাসহ মোট ৬০ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ এবং কৃষি, ক্ষুদ্র, কুটির, ছোট ও মাঝারি শিল্প (সিএমএসএমই) ও রপ্তানি বহুমুখীকরণে পুনঃঅর্থায়ন প্রকল্পের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মতে, শুধু মুদ্রানীতির মাধ্যমে অর্থনীতির সরবরাহসংক্রান্ত বাধাগুলো দূর করা সম্ভব নয়। তাই বিনিয়োগ ও উৎপাদন বাড়াতে আর্থিক সহায়তার পাশাপাশি কাঠামোগত সংস্কারও প্রয়োজন। বেসরকারি ঋণে প্রবৃদ্ধি মাত্র ৪.৭৫ শতাংশ মুদ্রানীতি শিথিল করার পর আর্থিক বাজারে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। গত ২ আগস্ট থেকে নীতি সুদহার ৫০ ভিত্তি পয়েন্ট কমিয়ে ৯.৫০ শতাংশ কার্যকর করা হয়। এরপর আন্তঃব্যাংক সুদহার ও সরকারি সিকিউরিটিজের ইল্ড কমেছে। তবে বেসরকারি খাতে ঋণের চাহিদা ও ঋণ বিতরণ এখনো দুর্বল। ২০২৬ সালের আগস্টে বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি ছিল মাত্র ৪.৭৫ শতাংশ। বিনিয়োগে মন্থরতা, ঋণগ্রহীতাদের উচ্চ ঝুঁকি এবং ব্যাংকিং খাতের দুর্বলতা এর অন্যতম কারণ। এদিকে ২০২৬ সালের জুনে ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণের অনুপাত বেড়ে ৩২.৭৮ শতাংশে পৌঁছেছে। এ পরিস্থিতিতে ব্যাংক পুনর্গঠন, সুশাসন নিশ্চিত করা, মূলধন পুনরুদ্ধার এবং ঋণ শৃঙ্খলা জোরদারের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। রেমিট্যান্সে স্বস্তি, তবে লেনদেন ভারসাম্যে ঘাটতি বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে দেশের বৈদেশিক লেনদেন পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে। ওই অর্থবছরে ব্যালেন্স অব পেমেন্টসের উদ্বৃত্ত দাঁড়িয়েছে ৬.৬ বিলিয়ন ডলার। তবে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে সামগ্রিক লেনদেন ভারসাম্যে ঘাটতি দেখা দিয়েছে। মূলত আর্থিক হিসাবের ঘাটতি এর জন্য দায়ী। এ সময়ে রেমিট্যান্স প্রবাহ ১৮.৯০ শতাংশ বৃদ্ধি পাওয়ায় বৈদেশিক খাতে কিছুটা স্বস্তি এসেছে। পাশাপাশি বিনিময় হার মোটামুটি স্থিতিশীল থাকায় আমদানিজনিত মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণেও সহায়তা মিলেছে। মূল্যস্ফীতি ও প্রবৃদ্ধি নিয়ে বহুমুখী ঝুঁকি মুদ্রানীতিতে আগামী দিনের অর্থনীতির জন্য কয়েকটি প্রধান ঝুঁকি চিহ্নিত করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘস্থায়ী সংঘাত ও হরমুজ প্রণালীতে বিঘ্ন, বিশ্ববাজারে জ্বালানি ও সারের উচ্চমূল্য, কঠোর বৈশ্বিক মুদ্রানীতি এবং দেশের অভ্যন্তরীণ জ্বালানি ও অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা। এ ছাড়া রাজস্ব খাতের চাপ, জাতীয় বেতন কাঠামো বাস্তবায়ন এবং ব্যাংকিং খাতের দুর্বলতাও অর্থনীতির জন্য চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেবে বাংলাদেশ ব্যাংক বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, মূল্যস্ফীতি কমানোর প্রক্রিয়া ব্যাহত না করে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে সহায়তা করাই এখন মুদ্রানীতির প্রধান চ্যালেঞ্জ। এ জন্য বৈশ্বিক ও অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করে তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। আরটিভি/এসআর
নতুন মুদ্রানীতি ঘোষণা করল বাংলাদেশ ব্যাংক
গ্লোবাল ইনোভেশন ইনডেক্স ২০২৬: দক্ষিণ এশিয়ায় সবার নিচে বাংলাদেশ
গ্লোবাল ইনোভেশন ইনডেক্স (জিআইআই) ২০২৬-এ অন্তর্ভুক্ত দক্ষিণ এশিয়ার ছয়টি দেশের মধ্যে সবার নিচে রয়েছে বাংলাদেশ। ১৩৯টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশ ১০৫তম অবস্থানে রয়েছে। যেখানে নেপাল ১০৪তম অবস্থানে উঠে এসেছে। 
গ্লোবাল ইনোভেশন ইনডেক্স ২০২৬: দক্ষিণ এশিয়ায় সবার নিচে বাংলাদেশ
ঘাটতি হবে না এলএনজির, অক্টোবর-নভেম্বরে আসছে ১৯ কার্গো
চাহিদা অনুযায়ী আমদানি নিশ্চিত হওয়ায় আগামী কয়েক মাস এলএনজি সরবরাহে বড় কোনো সমস্যা হবে না।
ঘাটতি হবে না এলএনজির, অক্টোবর-নভেম্বরে আসছে ১৯ কার্গো
রোববার থেকে বিশ্ব বিনিয়োগকারী সপ্তাহ শুরু
বিশ্ব বিনিয়োগকারী সপ্তাহ উপলক্ষে দেশব্যাপী বিনিয়োগকারী শিক্ষা ও সচেতনতা কার্যক্রম পরিচালনার অংশ হিসেবে এ আয়োজন করা হচ্ছে।
রোববার থেকে বিশ্ব বিনিয়োগকারী সপ্তাহ শুরু
আরও পড়ুন
সরকারিভাবে জর্ডানে নারীদের চাকরির সুযোগ
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির সুযোগ কাউকে দেওয়া হবে না: চিফ হুইপ
চাকরিপ্রার্থী ও নিয়োগদাতার দূরত্ব কমাতে ‘এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জ’ চালু করছে সরকার 
বিশ্ববাজারে ফের বাড়ছে জ্বালানি তেলের দাম