ঢাকা রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩

এল‌ডি‌সি উত্তর‌ণের পরও বাংলাদেশকে শুল্কমুক্ত সুবিধা দেবে যুক্তরাজ্য

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৩৯ পিএম
ঢাকায় নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক। ছবি: সংগৃহীত

স্বল্পোন্নত দেশের তালিকাভুক্ত (এলডিসি) হিসেবে বর্তমানে বাংলাদেশকে ৯৯.৮ শতাংশ পণ্যে শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার দিচ্ছে যুক্তরাজ্য। তবে, এই এলডিসি থেকে উত্তরণের পরেও পরবর্তী তিন বছর বাংলাদেশের জন্য এই সুবিধা অব্যাহত রাখবে দেশটি। এমনকি এই মেয়াদের পরও সুবিধা খুব একটা কমানো হবে না। বাংলাদেশের ৯২ শতাংশ পণ্যের ক্ষেত্রে বহাল রাখা হবে এই শুল্কমুক্ত সুবিধা, যার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত থাক‌বে তৈরি পোশাকও।

রোববার (৪ অক্টোবর) রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত বে অব বেঙ্গল কনভারসেশন-২০২৬-এর দ্বিতীয় দিনে দেওয়া বক্তব্যে এসব আশ্বাস দেন ঢাকায় নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক।

তিনি বলেন, যুক্তরাজ্যের কাছে বাংলাদেশ একটি কৌশলগত ও বিশ্বস্ত অংশীদার। বর্তমানে আমাদের সম্পর্ক আরও আধুনিক ও কৌশলগত অংশীদারিত্বে উন্নীত হয়েছে, যা বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান ভূমিকাকে প্রতিফলিত করে। এই সম্পর্কের মূলে রয়েছে আমাদের দুই দেশের মানুষকে সংযুক্তকারী জনগোষ্ঠী।

সারাহ কুক ব‌লেন, আমাদের দুই দেশের মধ্যে শক্তিশালী অর্থনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে। যুক্তরাজ্য বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ বিনিয়োগকারী দেশ। অর্থ খাত থেকে শুরু করে ফ্যাশন, শিক্ষা ও জ্বালানি—বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্রিটিশ কোম্পানিগুলো বাংলাদেশের অর্থনৈতিক রূপান্তরে সহায়তা করেছে এবং প্রচুর কর্মসংস্থান সৃষ্টি করেছে।

ব্রিটিশ হাইকমিশনার বলেন, বাংলাদেশ যখন স্বল্পোন্নত দেশের (এল‌ডি‌সি) তালিকা থেকে উত্তরণের প্রস্তুতি নিচ্ছে, তখন আমাদের মূল লক্ষ্য হলো-এই উত্তরণ প্রক্রিয়াকে মসৃণ ও টেকসই করে তোলা। যুক্তরাজ্যের ডেভেলপিং কান্ট্রিজ ট্রেডিং স্কিমকে বিশ্বের অন্যতম সহজ ও উদার বাণিজ্য সুবিধা দেওয়ার ব্যবস্থা হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

সারাহ কুক বলেন, আমাদের সহযোগিতার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র হলো নিরাপত্তা অংশীদারিত্ব, যা পারস্পরিক আস্থা ও অভিন্ন লক্ষ্যের ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে। একটি অবাধ ও উন্মুক্ত ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চল গড়ে তোলার ক্ষেত্রে আমাদের অভিন্ন স্বার্থ রয়েছে। ক্রমবর্ধমান কৌশলগত গুরুত্বসম্পন্ন অঞ্চল হিসেবে বঙ্গোপসাগরে বাংলাদেশের যে দায়িত্ব ও ভূমিকা রয়েছে, তা আমরা স্বীকার করি।

তি‌নি ব‌লেন, আমাদের উভয় দেশই মনে করে যে অর্থনৈতিক নিরাপত্তা, সাইবার নিরাপত্তা এবং জলবায়ু-জনিত ঝুঁকির মতো সমসাময়িক নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলায় প্রথাগত গণ্ডি ছাড়িয়ে সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণ করা প্রয়োজন।

রো‌হিঙ্গা সংকট নি‌য়ে ব্রিটিশ হাইক‌মিশনার ব‌লেন, রো‌হিঙ্গা সংকটের বিষয়ে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মনোযোগ বজায় রাখা এবং একমাত্র টেকসই সমাধানের লক্ষ্যে কাজ করে যাওয়ার বিষয়ে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আর সেই সমাধানটি হলো পরিস্থিতি অনুকূল হলে রোহিঙ্গাদের স্বেচ্ছায়, নিরাপদে ও মর্যাদাপূর্ণভাবে মিয়ানমারে ফিরে যাওয়া।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রসঙ্গে সারাহ কুক ব‌লেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রসঙ্গে আসা যাক। এটি এমন একটি চ্যালেঞ্জের অন্যতম স্পষ্ট উদাহরণ যেখানে আমাদের স্বার্থ অভিন্ন। জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকির বাস্তবতা বাংলাদেশের চেয়ে ভালো আর খুব কম দেশই বোঝে। সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, আবহাওয়ার ধরন পরিবর্তন এবং চরম আবহাওয়া পরিস্থিতির প্রভাব কোনো তাত্ত্বিক বিষয় নয়; দেশের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষ ইতোমধ্যেই এর প্রভাব অনুভব করছে এবং এর ফলাফল প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে অনুভূত হতে থাকবে।

আরটিভি/এসএইচএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
এলপিজির সঙ্গে বাড়ল অটোগ্যাসের দামও  
যানবাহনে ব্যবহৃত অটোগ্যাসের দাম লিটারে প্রায় ১২ টাকা বাড়িয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)।
এলপিজির সঙ্গে বাড়ল অটোগ্যাসের দামও  
ফের বাড়ল এলপিজির দাম
আবারও বাড়ল তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) মূল্য। রোববার (৪ অক্টোবর) বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) এ দাম নির্ধারণ করে।
ফের বাড়ল এলপিজির দাম
পুঁজিবাজারে ৮ মাসে বিদেশি লেনদেন বেড়েছে ৩৭.৬ শতাংশ
সংস্কার উদ্যোগ ও বিনিয়োগ প্রক্রিয়া সহজ করার ফলে দেশের পুঁজিবাজারে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণ বাড়ছে। চলতি বছরের প্রথম আট মাসে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের মোট লেনদেন গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৩৭ দশমিক ৬ শতাংশ বেড়েছে। শুধু তাই নয়, জানুয়ারি থেকে আগস্ট পর্যন্ত এই লেনদেনের পরিমাণ গত বছরের পুরো বছরের মোট লেনদেনের প্রায় ৯৪ শতাংশে পৌঁছেছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের প্রথম আট মাসে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের মোট লেনদেন হয়েছে ৩ হাজার ৭০১ কোটি ২৮ লাখ ৯৭ হাজার ৮৯৮ টাকা। গত বছরের একই সময়ে এর পরিমাণ ছিল ২ হাজার ৬৮৭ কোটি ৩৯ লাখ ৪৭ হাজার ৮০৯ টাকা। ফলে এক বছরের ব্যবধানে লেনদেন বেড়েছে ১ হাজার ১৩ কোটি ৮৯ লাখ ৫০ হাজার টাকা বা ৩৭ দশমিক ৬ শতাংশ। বিদেশি বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণ বাড়ার পেছনে বাজার সংস্কারের বিভিন্ন উদ্যোগকে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। পুঁজিবাজারকে ফ্রন্টিয়ার মার্কেট থেকে এমার্জিং মার্কেটে উন্নীত করার প্রস্তুতি, আন্তর্জাতিক সূচক নির্ধারণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ, বিদেশি বিনিয়োগের প্রক্রিয়া সহজ করা এবং লেনদেন নিষ্পত্তির সময় কমিয়ে আনার উদ্যোগ বিনিয়োগকারীদের কাছে ইতিবাচক বার্তা দিচ্ছে। ডিএসই’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক নুজহাত আনোয়ার রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা বাসস’কে বলেন, বিদেশি লেনদেন বৃদ্ধির পেছনে ডিএসইর একক কোনো উদ্যোগ কাজ করছে না। বরং বাজারকে ফ্রন্টিয়ার থেকে এমার্জিং মার্কেটে উন্নীত করার প্রস্তুতি, এমএসসিআইসহ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগ, বাংলাদেশ ব্যাংকের এনআইটিএ-সংক্রান্ত বিধি সহজ করা এবং টি+১ সেটেলমেন্ট ব্যবস্থায় যাওয়ার উদ্যোগ—সব মিলিয়ে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের কাছে ইতিবাচক বার্তা গেছে। তিনি বলেন, বিদেশি পোর্টফোলিও বিনিয়োগকারীদের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের নন-রেসিডেন্ট ইনভেস্টরস টাকা অ্যাকাউন্ট বা এনআইটিএ ব্যবস্থার একটি জটিলতা সম্প্রতি সহজ করা হয়েছে। আগে বাংলাদেশে বিনিয়োগের পর প্রতিটি লেনদেনের সময় এনআইটিএ হিসাবের মাধ্যমে অর্থের হিসাব করতে হতো। ডিএসইর পক্ষ থেকে বিষয়টি সংশ্লিষ্টদের জানানো হলে বাংলাদেশ ব্যাংক নিয়মটি সহজ করে। নতুন ব্যবস্থায় প্রতিটি লেনদেনের সময় আলাদাভাবে হিসাব না করে বিদেশি বিনিয়োগকারী বাংলাদেশ থেকে অর্থ প্রত্যাবাসনের সময় প্রয়োজনীয় হিসাব সম্পন্ন করতে পারবেন। এতে বিদেশি বিনিয়োগের প্রক্রিয়া আগের তুলনায় সহজ হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। এর পাশাপাশি টি+১ সেটেলমেন্ট ব্যবস্থায় যাওয়ার উদ্যোগও আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ইতিবাচক বার্তা দিচ্ছে। পুঁজিবাজারে পেশাদার ব্যবস্থাপনা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি বিদেশি বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ করা হচ্ছে। এসব উদ্যোগের সম্মিলিত প্রভাবে বিদেশি বিনিয়োগ বাড়ছে বলে মনে করেন নুজহাত আনোয়ার। ডিএসই’র তথ্য বলছে, চলতি বছরের শুরু থেকেই বিদেশি লেনদেনে উল্লেখযোগ্য ওঠানামা থাকলেও সামগ্রিক প্রবণতা ঊর্ধ্বমুখী। জানুয়ারিতে বিদেশি লেনদেনের পরিমাণ ছিল ৩৭৭ কোটি ২৩ লাখ ৮৩ হাজার ৪৬৬ টাকা। ফেব্রুয়ারিতে তা বেড়ে দাঁড়ায় ৬৬৩ কোটি ২৭ লাখ ৮০ হাজার ৭৯৫ টাকা। মার্চে লেনদেন কমে ২৭২ কোটি ৩ লাখ ৫৭ হাজার ৯৮০ টাকা এবং এপ্রিলে ১৭৫ কোটি ১৫ লাখ ৮৭ হাজার ৪৬০ টাকায় নেমে আসে। তবে মে মাসে বিদেশি লেনদেনে বড় উত্থান ঘটে। ওই মাসে লেনদেন হয় ৮৩১ কোটি ৬৯ লাখ ৯০ হাজার ৭৭১ টাকা, যা চলতি বছরের প্রথম আট মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ। এরপর জুনে বিদেশি লেনদেন হয়েছে ৫৪০ কোটি ১৬ লাখ ৬১ হাজার ৪৭০ টাকা এবং জুলাইয়ে ৫২৩ কোটি ১৪ লাখ ৫২ হাজার ৯৬৬ টাকা। আগস্টে তা কিছুটা কমে ৩১৮ কোটি ৫৭ লাখ ২৭ হাজার ৯৯১ টাকায় দাঁড়ায়। অন্যদিকে, ২০২৫ সালের প্রথম আট মাসে বিদেশি লেনদেনের পরিমাণ ছিল ২ হাজার ৬৮৭ কোটি ৩৯ লাখ ৪৭ হাজার ৮০৯ টাকা। ওই বছরের জানুয়ারিতে লেনদেন ছিল ১৮১ কোটি ৮১ লাখ ৫ হাজার ১০৫ টাকা। ফেব্রুয়ারিতে তা বেড়ে ২৬৪ কোটি ১৩ লাখ ৯৯ হাজার ২৬২ টাকা হলেও মার্চে কমে দাঁড়ায় ১৭১ কোটি ৯৬ লাখ ১৭ হাজার ৭৮৭ টাকা। এপ্রিল ও মে মাসে লেনদেন আবার বাড়ে। এপ্রিলে ৪২৬ কোটি ৯৪ লাখ ১ হাজার ২৯৮ টাকা এবং মে মাসে ৫০৬ কোটি ৭৪ লাখ ১৯ হাজার ১৪২ টাকা লেনদেন হয়, যা ওই বছরের প্রথম আট মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ। জুনে তা কমে ২৮৫ কোটি ৩০ লাখ ৭৭ হাজার ৬১৯ টাকা হলেও জুলাইয়ে বেড়ে ৪৯১ কোটি ৪৩ লাখ ৬৬ হাজার ২১৭ টাকা হয়। আগস্টে লেনদেন দাঁড়ায় ৩৭১ কোটি ৫৬ লাখ ৩ হাজার ৫৪৮ টাকা। ২০২৫ সালের পুরো বছরে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের মোট লেনদেন ছিল ৩ হাজার ৯২০ কোটি ৪২ লাখ ২০ হাজার ২১ টাকা। এর বিপরীতে চলতি বছরের প্রথম আট মাসেই লেনদেন হয়েছে ৩ হাজার ৭০১ কোটি ২৮ লাখ ৯৭ হাজার ৮৯৮ টাকা, যা গত বছরের পুরো বছরের প্রায় ৯৪ শতাংশ। আরটিভি/এসআর
পুঁজিবাজারে ৮ মাসে বিদেশি লেনদেন বেড়েছে ৩৭.৬ শতাংশ
বাংলাদেশ পর্যটন পুরস্কার ২০২৬-এ ‘শ্রেষ্ঠ এমিউজমেন্ট পার্ক’ ফ্যান্টাসি কিংডম
দেশের পর্যটন খাতে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বাংলাদেশ পর্যটন পুরস্কার ২০২৬-এ ‘শ্রেষ্ঠ এমিউজমেন্ট পার্ক’ হিসেবে সম্মাননা অর্জন করেছে দেশের অন্যতম জনপ্রিয় বিনোদনকেন্দ্র ফ্যান্টাসি কিংডম। বিশ্ব পর্যটন দিবস ২০২৬ উপলক্ষে ৩ অক্টোবর ২০২৬ ঢাকার শেরেবাংলা নগরে অবস্থিত বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে দেশের পর্যটন খাতে বিশেষ অবদান রাখার জন্য ১৬ ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান ও উদ্যোগকে বাংলাদেশ পর্যটন পুরস্কার প্রদান করা হয়। বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড এ পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী জনাব এম রাশেদুজ্জামান মিল্লাত এমপি-এর হাত থেকে ‘শ্রেষ্ঠ এমিউজমেন্ট পার্ক’ ক্যাটাগরিতে ফ্যান্টাসি কিংডমের পুরস্কার গ্রহণ করেন কনকর্ড এন্টারটেইনমেন্ট কোম্পানি লিমিটেডের চিফ মার্কেটিং অফিসার জনাব অনুপ কুমার সরকার। ফ্যান্টাসি কিংডম বাংলাদেশের বিনোদন ও পর্যটন খাতে দীর্ঘদিন ধরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। পরিবারকেন্দ্রিক বিনোদন, বিভিন্ন আকর্ষণীয় রাইড, অবকাশযাপনের সুযোগ এবং দর্শনার্থীদের জন্য আনন্দময় অভিজ্ঞতা তৈরির মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি দেশের অভ্যন্তরীণ পর্যটন বিকাশে অবদান রেখে চলেছে। ‘শ্রেষ্ঠ এমিউজমেন্ট পার্ক’ হিসেবে এই জাতীয় স্বীকৃতি ফ্যান্টাসি কিংডমের দীর্ঘ পথচলার একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্জন। একই সঙ্গে এটি প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তা-কর্মচারী, সংশ্লিষ্ট অংশীজন এবং ফ্যান্টাসি কিংডমের প্রতি আস্থাশীল অসংখ্য দর্শনার্থীর জন্যও একটি গর্বের বিষয়। ফ্যান্টাসি কিংডম কর্তৃপক্ষ মনে করে, এই অর্জন দেশের বিনোদন ও পর্যটন শিল্পে আরও উন্নত সেবা, নতুনত্ব এবং দর্শনার্থীবান্ধব উদ্যোগ গ্রহণে নতুন অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করবে। ভবিষ্যতেও দর্শনার্থীদের জন্য মানসম্মত ও আনন্দময় বিনোদনের অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি বাংলাদেশের পর্যটন শিল্পের বিকাশে অবদান রাখার ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকবে। বাংলাদেশ পর্যটন পুরস্কার ২০২৬-এর এই সম্মাননা ফ্যান্টাসি কিংডমের জন্য শুধু একটি পুরস্কার নয়; এটি দেশের বিনোদন ও পর্যটন খাতে প্রতিষ্ঠানটির দীর্ঘদিনের অবদানের একটি গুরুত্বপূর্ণ স্বীকৃতি। আরটিভি/এসআর
বাংলাদেশ পর্যটন পুরস্কার ২০২৬-এ ‘শ্রেষ্ঠ এমিউজমেন্ট পার্ক’ ফ্যান্টাসি কিংডম
বুধবার শুরু হচ্ছে বিসিকের শরৎ মেলা 
দেশীয় ক্ষুদ্র, কুটির ও হস্তশিল্পের প্রচার এবং উদ্যোক্তাদের উৎসাহিত করতে পাঁচ দিনব্যাপী ‘বিসিক শরৎ মেলা-২০২৬’ আয়োজন করেছে বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন (বিসিক)। আগামী ৭ অক্টোবর রাজধানীর তেজগাঁও শিল্প এলাকায় অবস্থিত বিসিক ভবনের নিচতলায় এই মেলা উদ্বোধন করা হবে। বিসিকের এই মেলা চলবে ১১ অক্টোবর পর্যন্ত। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত সর্বসাধারণের জন্য মেলা প্রাঙ্গণ খোলা থাকবে। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিসিক জানিয়েছে, ৭ অক্টোবর ঢাকা-৩ আসনের সংসদ সদস্য এবং কৃষি মন্ত্রণালয়–সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের মেলা উদ্বোধন করার কথা রয়েছে। এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে থাকবেন শিল্পসচিব আবদুন নাসের খান। এ বিষয়ে বিসিকের কর্মকর্তারা জানান, দেশীয় ঐতিহ্য, সৃজনশীলতা ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের কর্মপ্রয়াসকে উৎসাহিত করতেই এই মেলার আয়োজন করা হয়েছে। মেলায় দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের ক্ষুদ্র, কুটির ও হস্তশিল্প উদ্যোক্তারা তাঁদের নান্দনিক ও মানসম্পন্ন ঐতিহ্যবাহী পণ্যের প্রদর্শনী ও বিক্রির সুযোগ পাবেন। আরটিভি/এসআর
বুধবার শুরু হচ্ছে বিসিকের শরৎ মেলা 
আরও পড়ুন
মালয়েশিয়ার ব‍্যবসায়ীদের বাংলাদেশ ভ্রমণের আহ্বান দূতাবাসের
বাংলাদেশ থেকে ১০ হাজার শ্রমিক নেবে মালয়েশিয়া: শ্রমমন্ত্রী
জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে জামায়াত
পাকিস্তানি ও ভারতীয়দের চেয়ে গড় আয়ু বেশি বাংলাদেশিদের: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা