ঢাকা রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩

সর্বজনীন পেনশন নিয়ে বড় সুখবর!

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৫২ পিএম
প্রতীকী ছবি

সর্বজনীন পেনশন স্কিমের গ্রাহকদের মাঝে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বিনিয়োগ মুনাফা বণ্টনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষ। এই অর্থবছরে বিনিয়োগের বিপরীতে স্কিমভেদে সর্বনিম্ন ১১ দশমিক ৬৮ শতাংশ থেকে সর্বোচ্চ ১১ দশমিক ৭২ শতাংশ মুনাফা অর্জিত হয়েছে।

সোমবার (১৯ অক্টোবর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষ।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে সর্বজনীন পেনশন স্কিমগুলোর আওতায় বিনিয়োগ করা অর্থ থেকে মোট ২৮ কোটি ৯৬ লাখ ৫৫ হাজার ৪৮ টাকা ৮০ পয়সা মুনাফা অর্জিত হয়েছে। কর্তৃপক্ষের পরিচালনা পর্ষদের চতুর্থ সভায় এ মুনাফা গ্রাহকদের মধ্যে বণ্টনের প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়।

আইন ও বিধিমালা অনুসারে, প্রত্যেক গ্রাহকের জমার পরিমাণ ও জমা রাখার সময়কাল বিবেচনায় নিয়ে অর্জিত মুনাফা তাদের নিজ নিজ পেনশন হিসাব বা করপাস হিসাবে যুক্ত করার সিদ্ধান্ত সর্বসম্মতিক্রমে নেয়া হয়েছে।

জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. মো. সুরাতুজ্জামান বলেন, সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থার প্রতি জনগণের আস্থা আরও সুদৃঢ় করা এবং গ্রাহকদের জমাকৃত অর্থের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ও যৌক্তিক মুনাফা নিশ্চিত করতে কর্তৃপক্ষ নিষ্ঠা ও স্বচ্ছতার সঙ্গে কাজ করছে।তিনি আরও বলেন, মুনাফা বণ্টনের ফলে স্কিমের গ্রাহকেরা সরাসরি উপকৃত হবেন এবং এ কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে।

সংশ্লিষ্ট গ্রাহকদের পেনশন হিসাবে অর্জিত মুনাফার হিসাব ইতোমধ্যে যুক্ত করা হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে।

আরটিভি/এসএইচএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
পোশাকশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নিয়ে সোমবার প্রস্তাব দেবে শ্রমিকপক্ষ
গার্মেন্টস শিল্পে কর্মরত সব শ্রেণির শ্রমিক ও কর্মচারীর নিম্নতম মজুরি নির্ধারণের সুপারিশ করতে দ্বিতীয়বারের মতো সভায় বসছে নিম্নতম মজুরি বোর্ড। সোমবার (৯ নভেম্বর) সকাল ১১টায় ঢাকায় বোর্ডের সভাকক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হবে। সভায় পোশাকশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নিয়ে প্রস্তাব দিতে যাচ্ছে শ্রমিকপক্ষ। তবে এখনো নিজেদের প্রস্তাব চূড়ান্ত করতে পারেনি মালিকপক্ষ, এ বিষয়ে তারা কাজ করছেন বলে জানা গেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সর্বশেষ সভায় উভয় পক্ষকে নতুন মজুরি কাঠামোর প্রস্তাব জমা দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছিল মজুরি বোর্ড। ওই সভায় শ্রমিক ও মালিক— উভয় পক্ষই পরবর্তী সভায় নিজ নিজ প্রস্তাব উপস্থাপনে সম্মত হয়। সেই অনুযায়ী, সোমবারের সভায় শ্রমিকপক্ষ তাদের প্রস্তাব তুলে ধরবে। অন্যদিকে, মালিকপক্ষের প্রস্তাব এখনো চূড়ান্ত না হওয়ায় সভায় তাদের অবস্থান কী হয়, সেদিকে নজর রয়েছে সংশ্লিষ্টদের। ন্যূনতম মজুরি বোর্ডে শ্রমিকপক্ষের প্রতিনিধি বাবুল আখতার বলেন, আগামীকালের সভায় উপস্থাপনের জন্য আমরা এখনো ন্যূনতম মজুরির প্রস্তাব চূড়ান্ত করার কাজ করছি। বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠন এরই মধ্যে বেশ কয়েকটি প্রস্তাব দিয়েছে। সেসব প্রস্তাবের ভিত্তিতে আমরা একটি যৌক্তিক ও বাস্তবসম্মত প্রস্তাব তৈরি করে মজুরি বোর্ডে উপস্থাপন করবো। তিনি বলেন, প্রস্তাবিত ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা, যা শ্রমিকদের বর্তমান দাবি; অথবা এর চেয়েও বেশি হতে পারে। বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠনের সুপারিশ এবং দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি ও পোশাকশিল্পের বর্তমান অবস্থা পর্যালোচনা করে মজুরির চূড়ান্ত পরিমাণ নির্ধারণ করা হবে। মজুরি বোর্ডে মালিকপক্ষের প্রতিনিধি এ বি এম শামসুদ্দিন বলেন, বিভিন্ন শিল্পাঞ্চলে রোববার ৪০টি কারখানা বন্ধ থাকায় চলমান অস্থিরতা নিয়ে আমরা এখনো উদ্বিগ্ন। তবে আমরা সভায় রয়েছি এবং মজুরি বোর্ডের দ্বিতীয় সভার প্রস্তুতি নিচ্ছি। আলোচনার পর আমাদের প্রস্তাব জমা দেওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবো। সেটি সোমবার জমা দেওয়া হতে পারে, আবার না-ও হতে পারে। উল্লেখ্য, সভায় দুটি বিষয় আলোচ্যসূচিতে রাখা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে, গার্মেন্টস শিল্পের শ্রমিকপক্ষ ও মালিকপক্ষের প্রতিনিধিদের পৃথকভাবে মজুরি হারের লিখিত প্রস্তাব দাখিল এবং গার্মেন্টস শিল্পে নিযুক্ত সব শ্রেণির শ্রমিক ও কর্মচারীর নিম্নতম মজুরি হারের সুপারিশ প্রণয়ন নিয়ে আলোচনা। আরটিভি/টিআর
পোশাকশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নিয়ে সোমবার প্রস্তাব দেবে শ্রমিকপক্ষ
বিদেশি ঋণ এক দশকে বেড়েছে প্রায় ৩ গুণ
এক দশক আগে বাংলাদেশের বিদেশি ঋণের পরিমাণ ছিল ৩৮ বিলিয়ন ডলারের মতো। ২০২৫ সালের শেষে তা তিন গুণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১১৩ বিলিয়ন ডলার।
বিদেশি ঋণ এক দশকে বেড়েছে প্রায় ৩ গুণ
অ্যাটকোর বার্ষিক সাধারণ সভায় নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন
অ্যাসোসিয়েশন অব টেলিভিশন চ্যানেল ওনার্সের (অ্যাটকো) বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। 
অ্যাটকোর বার্ষিক সাধারণ সভায় নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন
আগের সরকারের জিডিপির হিসাবে গরমিল পাওয়া গেছে: অর্থমন্ত্রী
বিগত সরকারের আমলে দেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) হিসাব পর্যালোচনা করে বেশকিছু গরমিল পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। রোববার (৮ নভেম্বর) রাজধানীর বিবিএস মিলনায়তনে জাতীয় পরিসংখ্যান দিবস-২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ জানান বলেন। তিনি বলেন, বিগত সরকারের আমলে দেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) হিসাব পর্যালোচনা করে বেশকিছু গরমিল পাওয়া গেছে। ফরেনসিক অডিটের মাধ্যমে এসব অসংগতি চিহ্নিত করেছে এই সংক্রান্ত কমিটি। বিশেষজ্ঞদের পর্যালোচনা শেষে প্রতিবেদনটি দ্রুত প্রকাশ করা হবে। অর্থমন্ত্রী বলেন, প্রমাণভিত্তিক নীতি প্রণয়ন ও অর্থনৈতিক সুশাসন জোরদার করতে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোকে (বিবিএস) একটি গণমুখী, সম্পূর্ণ স্বাধীন, নির্ভরযোগ্য, বিশ্বাসযোগ্য ও স্বচ্ছ প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করতে চায় সরকার।  অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, আমরা বিবিএসের পূর্ণ স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে চাই, যাতে প্রতিষ্ঠানটি কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ ছাড়াই তার দায়িত্ব পালন করতে পারে। এ বিষয়ে আমরা ইতোমধ্যে সিদ্ধান্ত নিয়েছি এবং তা বাস্তবায়নের পথে এগিয়ে যাচ্ছি। নির্ভরযোগ্য ও সহজলভ্য পরিসংখ্যান টেকসই উন্নয়ন, কার্যকর পরিকল্পনা এবং সুষ্ঠু সরকারি নীতি প্রণয়নের মূল ভিত্তি। তিনি বলেন, সরকারের আয়-ব্যয়ের হিসাবের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ হলো তথ্য। নির্ভুল তথ্য ছাড়া সামনে এগিয়ে যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই। দেশের পরিসংখ্যান ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করা এবং বিশ্বাসযোগ্য তথ্যের প্রাপ্যতা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, রাজনৈতিক গণতান্ত্রিকীকরণের পাশাপাশি অর্থনৈতিক গণতান্ত্রিকীকরণও জরুরি। আমরা হয়তো একটা নির্দিষ্ট মাত্রায় রাজনৈতিক গণতন্ত্রায়ন অর্জন করতে পারি, কিন্তু অর্থনৈতিক গণতন্ত্রায়ন ছাড়া রাজনৈতিক গণতন্ত্র কার্যকরভাবে চলতে পারে না। সেজন্যই বিবিএস’কে ক্ষমতায়ন করা এবং এটিকে আরও গণতান্ত্রিক করা অত্যাবশ্যক। মন্ত্রী বলেন, জাতীয় পরিসংখ্যান সংস্থার দেওয়া তথ্যের ওপর জনগণের আস্থা প্রতিষ্ঠায় সরকারি পরিসংখ্যানকে আরও জনমুখী, পরিমাপযোগ্য, স্বচ্ছ ও বিশ্বাসযোগ্য করতে চায় সরকার। রাজনৈতিক বা প্রশাসনিক উদ্দেশ্যে তথ্য বিকৃত বা হেরফের করার যেকোনো প্রচেষ্টার বিষয়ে সতর্ক করে তিনি বলেন, কোনো সরকার যদি তথ্য-উপাত্তে কারসাজি করে, তাহলে মূলত তারা নিজেদেরই প্রতারিত করে। তারা এমন কিছু বিশ্বাস করাতে চায়, যা প্রকৃতপক্ষে সত্য নয়। এ ধরনের চর্চা সরকারের নেওয়া কর্মসূচি ও নীতিমালার সফল বাস্তবায়নকেও বাধাগ্রস্ত করে। অতীতের পরিসংখ্যান পর্যালোচনার প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা করে আমীর খসরু বলেন, তথ্যের অসংগতি চিহ্নিত করতে এবং অন্তর্নিহিত সমস্যাগুলো বুঝতে সরকার অতীত তথ্যের ফরেনসিক পরীক্ষা শুরু করেছে। তিনি বলেন, সমাধান খুঁজতে হলে আমাদের রোগের গভীরে যেতে হবে। কোথায় সমস্যা রয়েছে তা না বুঝলে আমরা সংশোধনের পথ শুরু করতে পারি না। তবে এই পর্যালোচনা কেবল আগের সরকারের ত্রুটি চিহ্নিত করার অনুশীলন হিসেবে দেখা উচিত নয় বলেও তিনি মন্তব্য করেন। তিনি আরও বলেন, সঠিক তথ্যের সহজলভ্যতা সরকারকে উপযুক্ত নীতি প্রণয়নে, গবেষকদের অর্থপূর্ণ গবেষণা পরিচালনায় এবং কর্তৃপক্ষকে বৈষম্য চিহ্নিত করে সংশোধনমূলক ব্যবস্থা নিতে সহায়তা করে। নতুন নীতি প্রণয়নের চেয়ে বিদ্যমান নীতির বাস্তবায়নের ওপরও গুরুত্বারোপ করে অর্থমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে অনেক নীতি গ্রহণ করা হয়েছে, কিন্তু সেগুলোর বাস্তবায়নই সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। এবার আমরা বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছি। আধুনিক পরিসংখ্যান ব্যবস্থার জন্য শক্তিশালী ডিজিটাল অবকাঠামোর প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে তিনি বলেন, একটি আধুনিক ও কার্যকর পরিসংখ্যান ব্যবস্থা গড়ে তুলতে শক্তিশালী ডিজিটাল ভিত্তি প্রয়োজন। সম্প্রতি দক্ষিণ কোরিয়া সফরের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, সরকার ও জনগণের অগ্রযাত্রায় ডিজিটাল অবকাঠামো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সরকারের ‘ওয়ান সিটিজেন, ওয়ান ওয়ালেট, ওয়ান কার্ড’ ব্যবস্থা চালুর ভিশনের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ ধরনের উদ্যোগে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে নির্ভরযোগ্য ও সমন্বিত তথ্য আবশ্যক। অর্থমন্ত্রী বলেন, পরিসংখ্যান ও গবেষণার তথ্য সবার জন্য উন্মুক্ত করতে চায় সরকার, যাতে জনগণের মতামত, পর্যালোচনা এবং স্বাধীন গবেষণার সুযোগ বাড়ে। তিনি বলেন, কোনো কিছুই বন্ধ রাখা উচিত নয়। আমাদের উন্মুক্ত তথ্যপ্রাপ্তির দিকে এগিয়ে যেতে হবে। যত বেশি তথ্য সহজলভ্য করা যাবে, তত বেশি মতামত ও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যাবে। এর মাধ্যমে আমরা নিজেদের ভুলগুলো চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় সংশোধন করতে পারব। একটি গবেষণা কেন্দ্র উদ্বোধনের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে তিনি বলেন, গবেষণার সুযোগ-সুবিধা ও তথ্য অনলাইনে উন্মুক্ত করার পরিকল্পনাও সরকারের রয়েছে, যাতে আরও বেশি মানুষ এসব সুবিধা গ্রহণ করতে পারে। তিনি বলেন, পরিসংখ্যানের তথ্যকে শুধু সরকারের সম্পদ হিসেবে বিবেচনা করা উচিত নয়। কারণ, এসব তথ্যের প্রকৃত মালিক জনগণ এবং তা সামগ্রিকভাবে সমাজের স্বার্থে ব্যবহৃত হয়। তিনি আরও বলেন, সরকারি উদ্যোগে তথ্য সংগ্রহ করা হতে পারে, কিন্তু এর মালিকানা সবার। এসব তথ্যের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করতে আমাদের সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। বিবিএসের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের, বিশেষ করে মাঠপর্যায়ে কর্মরতদের নিষ্ঠা ও সহযোগিতার জন্য ধন্যবাদ জানিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, প্রাতিষ্ঠানিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা এবং নির্বাচিত সরকারের উন্নয়ন কর্মসূচির সঙ্গে কার্যক্রমের সমন্বয় সাধনে তারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। বিবিএসের জনবল সংকট ও অন্যান্য পরিচালনাগত সমস্যার বিষয়েও সরকার বিবেচনা করছে বলে জানান তিনি। এসব সমস্যা সমাধানে ইতোমধ্যে কিছু পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে এবং ভবিষ্যতে আরও উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও উল্লেখ করেন অর্থমন্ত্রী। তিনি আশা প্রকাশ করেন, সরকারি কর্মকর্তা, পরিসংখ্যানবিদ, গবেষক ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় একটি গণমুখী, স্বাধীন ও স্বচ্ছ পরিসংখ্যান ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হবে, যা প্রমাণভিত্তিক নীতি প্রণয়ন ও জাতীয় উন্নয়নে সহায়ক ভূমিকা রাখবে। আরটিভি/টিআর
আগের সরকারের জিডিপির হিসাবে গরমিল পাওয়া গেছে: অর্থমন্ত্রী
রমজানে নিত্যপণ্য আমদানিতে সুখবর দিল বাংলাদেশ ব্যাংক
আসন্ন রমজানে নিত্যপ্রয়োজনীয় ১১টি পণ্য আমদানি সহজ করল বাংলাদেশ ব্যাংক। একইসঙ্গে এ সময় বাজারে পণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
রমজানে নিত্যপণ্য আমদানিতে সুখবর দিল বাংলাদেশ ব্যাংক
আরও পড়ুন
গ্যাস নিয়ে বড় সুখবর দিলো পেট্রোবাংলা
২০২৭ সাল ঘিরে বড় সুখবর, দুই ঈদে থাকছে লম্বা ছুটি
সাড়ে ৬ লাখ জেলে পরিবারকে ‘বড় সুখবর’ দিলো সরকার
সর্বজনীন পেনশনে শরিয়াহভিত্তিক স্কিম, সংসদে যাচ্ছে বিল