ঢাকা বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩

রিমার্কের পণ্য কিনে লাখ টাকা জিতলেন সিরাজগঞ্জের আবুল হাসেম 

নিজস্ব প্রতিবেদক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৪ জুন ২০২৬, ০৯:৫৫ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

রিমার্কের বিক্রেতাবান্ধব ও ব্যতিক্রমী ‘ডাবল লাখপতি’ ক্যাম্পেইনের দ্বিতীয় লাখপতি বিজয়ী হয়েছেন সিরাজগঞ্জের সলঙ্গা বাজারের হাসেম স্টোরের স্বত্বাধিকারী আবুল হাসেম। দেশের অন্যতম আন্তর্জাতিক মানের স্কিনকেয়ার, হোমকেয়ার ও কসমেটিকস পণ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান রিমার্কের এ বিশেষ ক্যাম্পেইনের আওতায় তিনি নগদ এক লাখ টাকার পুরস্কার লাভ করেছেন।

সম্প্রতি রাজধানীর গুলশানে রিমার্কের কর্পোরেট অফিসে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে আবুল হাসেমের হাতে এক লাখ টাকার পুরস্কারের চেক তুলে দেন রিমার্কের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর ও জনপ্রিয় অভিনেত্রী শবনম ফারিয়া। এসময় রিমার্কের ন্যাশনাল সেলস ডিরেক্টর কামাল হোসেন, রিজিওনাল সেলস ডিরেক্টর রাফিজুল ইসলামসহ প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে শবনম ফারিয়া বলেন, দেশের ব্যবসায়ীদের উৎসাহিত করতে রিমার্কের ‘ডাবল লাখপতি’ ক্যাম্পেইন একটি প্রশংসনীয় উদ্যোগ। এ ধরনের আয়োজন বিক্রেতাদের অবদানকে স্বীকৃতি দেওয়ার পাশাপাশি তাদের সামনে নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দেয়। আবুল হাসেমের এই সাফল্য অন্যদেরও অনুপ্রাণিত করবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

আরও পড়ুন

লাখপতি বিজয়ী হওয়ায় উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে আবুল হাসেম বলেন, পুরস্কার পেয়ে আমি অত্যন্ত আনন্দিত। এই অর্জন আমার ব্যবসায় আরও উৎসাহ যোগাবে। এমন একটি স্বচ্ছ ও আকর্ষণীয় উদ্যোগের জন্য রিমার্ককে ধন্যবাদ।

রিমার্কের ন্যাশনাল সেলস ডিরেক্টর কামাল হোসেন বলেন, ‘ডাবল লাখপতি’ ক্যাম্পেইন শুধু একটি পুরস্কার কর্মসূচি নয়; এটি বিক্রেতাদের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি আস্থা, সহযোগিতা ও পারস্পরিক উন্নয়নের সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার একটি কৌশলগত উদ্যোগ। দেশের বিভিন্ন প্রান্তের রিটেইলারদের ব্যবসায়িক অগ্রযাত্রায় উৎসাহ জোগানো এবং বিক্রয় কার্যক্রমে নতুন গতি সৃষ্টিই এ আয়োজনের মূল লক্ষ্য বলে তিনি উল্লেখ করেন।

রিজিওনাল সেলস ডিরেক্টর রাফিজুল ইসলাম বলেন, আবুল হাসেমের এই সাফল্য শুধু ব্যক্তিগত অর্জন নয়, বরং পুরো অঞ্চলের বিক্রেতাদের জন্য অনুপ্রেরণার বার্তা। এর ফলে ক্যাম্পেইনে অংশগ্রহণ ও আগ্রহ আরও বৃদ্ধি পাবে বলে আমরা আশা করছি।

রিমার্ক সূত্রে জানা গেছে, ‘ডাবল লাখপতি’ ক্যাম্পেইনের আওতায় দেশের বিভিন্ন প্রান্তের তালিকাভুক্ত রিটেইলাররা ন্যূনতম দুই হাজার টাকার রিমার্ক পণ্য ক্রয়ের মাধ্যমে আকর্ষণীয় পুরস্কার জয়ের সুযোগ পাচ্ছেন। ক্যাম্পেইনে সর্বোচ্চ দুই লাখ টাকা নগদ পুরস্কারের পাশাপাশি রয়েছে তাৎক্ষণিক ক্যাশব্যাক, ফ্রিজ, টেলিভিশনসহ বিভিন্ন আকর্ষণীয় উপহার।

গত ৩ জুন শুরু হওয়া ক্যাম্পেইনের প্রথম ধাপ আগামী ৩১ আগস্ট পর্যন্ত চলবে। নির্ধারিত শর্ত পূরণকারী বিক্রেতারা স্বয়ংক্রিয়ভাবে এতে অংশগ্রহণের সুযোগ পাচ্ছেন। প্রতিষ্ঠানটির দাবি, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের বিক্রেতাদের মধ্যে ক্যাম্পেইনটি ইতোমধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।

আরটিভি/এআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
বিদেশে ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ ব্র্যান্ডকে আরও প্রসারের আহ্বান জানালেন বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত
নেপালে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোঃ শফিকুর রহমান কাঠমান্ডুর স্থানীয় একটি হোটেলে অনুষ্ঠিত ওয়ালটনের গ্লোবাল ডিস্ট্রিবিউটরস মিট অনুষ্ঠানে প্রতিযোগিতামূলক ও মানসম্পন্ন পণ্য ও সেবা বিপণনের মাধ্যমে বিদেশে ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ ব্র্যান্ডকে আরও জোরালোভাবে প্রচারের আহ্বান জানান।
বিদেশে ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ ব্র্যান্ডকে আরও প্রসারের আহ্বান জানালেন বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত
‘সোর্ড ব্লেড’-এর ডিলার সম্মেলন অনুষ্ঠিত
সম্মেলনে আমন্ত্রিত ডিলারগণ তাদের মতামত ব্যক্ত করে বলেন, 'সোর্ড ব্লেড'-এর হারানো গৌরব ও ঐতিহ্য পুনরুদ্ধারে পণ্যের সর্বোচ্চ গুণগত মান নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। তারা বাজারে সরবরাহ বৃদ্ধি এবং বাজারজাতকরণ প্রক্রিয়া আরও গতিশীল করার ওপর জোর দেন।
‘সোর্ড ব্লেড’-এর ডিলার সম্মেলন অনুষ্ঠিত
মা দিবস উপলক্ষে অনুষ্ঠিত হলো ‘চপস্টিক ফ্যামিলি ফান ডে’
মা দিবস উপলক্ষে হাসি-আনন্দ-গানে মায়ের সাথে বড় সেলিব্রেশনে প্রতিবারের মতো এবারও চপস্টিক আয়োজন করেছে ‘চপস্টিক ফ্যামিলি ফান ডে’। 
মা দিবস উপলক্ষে অনুষ্ঠিত হলো ‘চপস্টিক ফ্যামিলি ফান ডে’
আনন্দ হাউজিং সোসাইটিতে বাড়ছে প্লট ক্রেতা ও বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ
আধুনিক নগর পরিকল্পনা, আইনগত স্বচ্ছতা এবং ধারাবাহিক অবকাঠামোগত উন্নয়নের সমন্বয়ে পুলিশ পরিবার কল্যাণ বহুমুখী সমবায় সমিতি লিমিটেডের আওতাধীন আনন্দ হাউজিং সোসাইটি আবাসন খাতে একটি সম্ভাবনাময় প্রকল্প হিসেবে ক্রমশ বিনিয়োগকারী ও প্লট ক্রেতাদের আস্থা অর্জন করছে।  সংশ্লিষ্টদের মতে, চলমান উন্নয়ন কার্যক্রম এবং দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার কারণে দেশ-বিদেশের বিনিয়োগকারীদের আগ্রহও উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। প্রকল্প কর্তৃপক্ষ জানায়, শুরু থেকেই একটি স্বচ্ছ, নিরাপদ এবং নির্ভরযোগ্য আবাসন ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যে পরিকল্পিতভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে উল্লেখযোগ্যসংখ্যক ব্যক্তি ও পরিবার এই প্রকল্পে প্লট ক্রয় করেছেন। অনেক ক্রেতা জমির বাজারমূল্য বৃদ্ধি এবং প্রকল্পের অগ্রগতিতে সন্তোষ প্রকাশ করায় নতুন বিনিয়োগকারীদের মধ্যেও ইতিবাচক মনোভাব তৈরি হয়েছে।   নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রকল্প এলাকায় একটি পুলিশ ফাঁড়ির কার্যক্রম ইতোমধ্যে চালু রয়েছে। সার্বক্ষণিক আইন-শৃঙ্খলা তদারকির ফলে প্রকল্পটি বিনিয়োগকারী ও ভবিষ্যৎ বাসিন্দাদের জন্য আরও নিরাপদ ও নির্ভরযোগ্য আবাসিক পরিবেশে পরিণত হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।   আবাসন খাতের সংশ্লিষ্টদের অভিমত, নগরায়ণের বর্তমান প্রেক্ষাপটে পরিকল্পিত সড়ক ব্যবস্থা, আধুনিক নাগরিক সুবিধা এবং নিরাপদ আবাসন পরিবেশসম্পন্ন প্রকল্পের চাহিদা দিন দিন বাড়ছে। সেই বাস্তবতায় আনন্দ হাউজিং সোসাইটির উন্নয়ন পরিকল্পনা ও অবকাঠামোগত অগ্রগতি ভবিষ্যতে প্রকল্পটির বাজারমূল্য এবং গ্রহণযোগ্যতা আরও বাড়াবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বর্তমানে পল্লী বিদ্যুৎ ব্যবস্থা চলমান থাকলেও প্রকল্পের অবকাঠামো উন্নয়নের অংশ হিসেবে শিগগিরই একটি বিদ্যুৎ উপকেন্দ্র (সাব-স্টেশন) নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এটি চালু হলে নিরবচ্ছিন্ন ও মানসম্মত বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি ভবিষ্যতের আবাসিক, বাণিজ্যিক ও অন্যান্য উন্নয়ন কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে বলে আশা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে প্রকল্প বাসীদের ধর্মীয় ও সামাজিক চাহিদা বিবেচনায় একটি আধুনিক স্থাপত্যশৈলীর মসজিদ নির্মাণের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। এটি শুধু ধর্মীয় উপাসনার স্থানই নয়, বরং স্থানীয় বাসিন্দাদের সামাজিক সম্প্রীতি ও পারস্পরিক যোগাযোগের একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।   প্রকল্প কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে আনন্দ হাউজিং সোসাইটিতে প্রায় ৯২৭টি রেজিস্ট্রি-যোগ্য প্লট রয়েছে। এর মধ্যে ৪৬২ টি প্লটের রেজিস্ট্রি সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে, যা প্রকল্পের আইনগত স্বচ্ছতা এবং ক্রেতাদের আস্থার প্রতিফলন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। অবশিষ্ট প্লটের আইনানুগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে প্রতি মাসে রেজিস্ট্রেশন প্রদান করা হচ্ছে। কর্তৃপক্ষ আরও জানায়, আনন্দ হাউজিং সোসাইটিকে একটি আধুনিক, পরিবেশবান্ধব ও পূর্ণাঙ্গ আবাসিক কমিউনিটিতে রূপান্তরের লক্ষ্যে দীর্ঘমেয়াদি মাস্টারপ্ল্যান বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। ভবিষ্যতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় স্থাপনা, খেলার মাঠ, উন্মুক্ত সবুজ এলাকা এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করার পরিকল্পনাও রয়েছে। সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, নিরাপদ ও দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগের সুযোগ খুঁজছেন এমন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের জন্য আনন্দ হাউজিং সোসাইটি একটি সম্ভাবনাময় আবাসন প্রকল্প হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। চলমান উন্নয়ন, সফল রেজিস্ট্রি কার্যক্রম এবং ভবিষ্যৎ অবকাঠামো পরিকল্পনা প্রকল্পটির প্রতি বিনিয়োগকারীদের আস্থা আরও শক্তিশালী করছে। প্রকল্প কর্তৃপক্ষ আশাবাদ ব্যক্ত করে জানিয়েছে, নির্ধারিত উন্নয়ন পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়িত হলে আনন্দ হাউজিং সোসাইটি দেশের অন্যতম আধুনিক, সুপরিকল্পিত ও টেকসই আবাসন প্রকল্প হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। একই সঙ্গে, এটি প্লট মালিক ও বিনিয়োগকারীদের জন্য দীর্ঘমেয়াদে মূল্য সংযোজন এবং উন্নত জীবনযাপনের একটি মানসম্মত পরিবেশ নিশ্চিত করতে সক্ষম হবে। আরটিভি/এসএস
আনন্দ হাউজিং সোসাইটিতে বাড়ছে প্লট ক্রেতা ও বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ
নেপালে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে মোজো, ৩৫ লাখ টাকার মানবিক সহায়তা
মোজো সবসময় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে। মানুষের প্রতিটি মুহূর্তের সঙ্গী হওয়ার পাশাপাশি যেকোনো সংকট ও মানবিক বিপর্যয়ে মানুষের পাশে থাকাই মোজো-এর অন্যতম অঙ্গীকার।
নেপালে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে মোজো, ৩৫ লাখ টাকার মানবিক সহায়তা