ঢাকা মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩

একনেকে অনুমোদন পেল ১ লাখ ৬৮ হাজার ৭৮০ কোটি টাকার ১২ প্রকল্প

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৪৯ পিএম
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত একনেক সভায় সভাপতিত্ব করেন একনেক চেয়ারপারসন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ছবি: সংগৃহীত

মেট্রোরেলের তিনটি নতুন রুট ও ইলেকট্রিক ট্রেনসহ ১২টি প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)। প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নের জন্য ব্যয় ধরা হয়েছে ১ লাখ ৬৮ হাজার ৭৮০ কোটি টাকা।

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত একনেকের বৈঠকে প্রকল্পগুলো অনুমোদন দেওয়া হয়। বৈঠক শেষে শেরেবাংলা নগরে এনইসি ভবনে সংবাদ সম্মেলন করে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানান পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ সাকী।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, একনেকে অনুমোদিত প্রকল্পগুলোর মোট প্রাক্কলিত ব্যয়ের মধ্যে সরকারি অর্থায়ন ৪৮ হাজার ২৫৬ কোটি ৩০ লাখ টাকা। অন্যদিকে প্রকল্প ঋণ হিসেবে পাওয়া যাবে ১ লাখ ২০ হাজার ৪৬৬ কোটি ৩৯ লাখ টাকা এবং সংস্থার নিজস্ব অর্থায়ন থেকে পাওয়া যাবে ৫৭ কোটি ৭১ লাখ টাকা। অনুমোদিত ১২টি প্রকল্পের মধ্যে সাতটি নতুন এবং পাঁচটি সংশোধিত।

অনুমোদিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের পাঁচটি প্রকল্প রয়েছে। এগুলো হলো—ঢাকা ম্যাস র‌্যাপিড ট্রানজিট ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট (লাইন-৫): সাউদার্ন রুট, রাজশাহী সড়ক জোনের জেলা মহাসড়কসমূহ যথাযথ মান ও প্রশস্ততায় উন্নীতকরণ, চট্টগ্রাম সড়ক জোনের জেলা মহাসড়কসমূহ মান ও প্রশস্ততায় উন্নীতকরণ (৩য় পর্যায়), ঢাকা ম্যাস র‌্যাপিড ট্রানজিট ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট (লাইন-৫): নর্দান রুট (১ম সংশোধিত) এবং ঢাকা ম্যাস র‌্যাপিড ট্রানজিট ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট (লাইন-১) (১ম সংশোধিত)।

এছাড়া রেলপথ মন্ত্রণালয়ের দুটি প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এগুলো হলো—নারায়ণগঞ্জ-ঢাকা-জয়দেবপুর সেকশনে ইলেকট্রিক ট্রাকশন চালুকরণ এবং বগুড়া থেকে সিরাজগঞ্জ পর্যন্ত নতুন ডুয়েলগেজ রেলপথ নির্মাণ (১ম সংশোধিত)।

সেইসঙ্গে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে বরিশাল সেনানিবাস স্থাপন (২য় পর্যায়) এবং খুলনা নৌ অঞ্চলে নৌ সদস্যদের আবাসন সুবিধাসহ অন্যান্য পরিকাঠামো নির্মাণ প্রকল্পও অনুমোদন পেয়েছে বুধবারের একনেক সভায়। এছাড়া শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের টেক্সটাইল ও চামড়া খাতের শ্রমিকদের কর্মপরিবেশ ও সামাজিক সুরক্ষা উন্নয়ন প্রকল্পও অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

পাশাপাশি খুলনা পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা উন্নয়ন প্রকল্প (১ম সংশোধিত) এবং মনপুরা দ্বীপাঞ্চলে বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থা আপগ্রেডেশন ও সম্প্রসারণ (১ম সংশোধিত) প্রকল্প চূড়ান্ত অনুমোদন পেয়েছে।

এদিকে ৫০ কোটি টাকার কম ব্যয়ের ১৫টি প্রকল্প নিজস্ব ক্ষমতাবলে অনুমোদন করেছেন পরিকল্পনামন্ত্রী। এসব প্রকল্পের বিষয়ে বুধবারের (১৬ সেপ্টেম্বর) একনেক বৈঠকে অবহিত করা হয়েছে।

পরিকল্পনামন্ত্রীর অনুমোদিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে— ভূমি ব্যবস্থাপনা অটোমেশন (২য় সংশোধিত), বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির জাতীয় সদর দপ্তর নির্মাণ (১ম সংশোধিত), ভাসানচরে গ্রিন বেল্ট প্রতিষ্ঠা ও কক্সবাজারে রোহিঙ্গা প্রভাবিত এলাকায় পুনর্বনয়ন (১ম সংশোধিত), দেশি মুরগি গবেষণা, সংরক্ষণ ও উন্নয়ন জোরদারকরণ এবং অর্থনৈতিক অঞ্চলসমূহে টেলিযোগাযোগ নেটওয়ার্ক স্থাপন (১ম পর্যায়) (১ম সংশোধিত) প্রকল্প।

এছাড়া রংপুর জোনে ঝুঁকিপূর্ণ বেইলী ও অন্যান্য সেতু প্রতিস্থাপন (১ম সংশোধিত), আরডিএ ভবনের ৫ম থেকে ১০ম তলা নির্মাণ, জালালাবাদ সেনানিবাসে এসআইঅ্যান্ডটির সক্ষমতা বৃদ্ধিতে কোয়ার্টার গার্ড নির্মাণ, সিলেট বিভাগে বন্যা পূর্বাভাসের জন্য থ্রিডি মডেল প্রস্তুতকরণ (১ম সংশোধিত), সৈয়দপুর ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ ও খুলনা মিলিটারি কলেজিয়েট স্কুলের অবকাঠামো উন্নয়ন, সামাজিক সুরক্ষা জোরদারকরণ (এসএসপিআরআইটি) (১ম সংশোধিত) প্রকল্প, বরগুনা ও দিনাজপুর জেলা স্টেডিয়ামের উন্নয়ন এবং সিলেট-১০ নম্বর অনুসন্ধান কূপ খনন (২য় সংশোধিত) প্রকল্প সম্পর্কে একনেককে অবহিত করা হয়।

সভায় অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান, পানি সম্পদ মন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান, সড়ক পরিবহন ও সেতু এবং রেলপথ প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী সরদার এম এ মুহিত, পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি এবং পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য ও সংশ্লিষ্ট সচিবগণ উপস্থিত ছিলেন।

আরটিভি/এসএইচএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার কারণে বাংলাদেশে এখন বিনিয়োগ বাড়াতে চায় জাপান
সোমবার (২৬ অক্টোবর) স্থানীয় সময় বিকেল ৩টায় জাপান সফররত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে এই কথা জানান দেশটির সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও জাপান-বাংলাদেশ সংসদীয় মৈত্রী লীগের সভাপতি তারো আসো।
রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার কারণে বাংলাদেশে এখন বিনিয়োগ বাড়াতে চায় জাপান
৬০ হাজার কোটি টাকায় হচ্ছে কুমিল্লা–ঢাকা নতুন রেলপথ
ঢাকা-কুমিল্লার মধ্যে রেল যোগাযোগ আরও সহজ ও দ্রুত করতে প্রায় ৬০ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে ৯০ কিলোমিটার দীর্ঘ নতুন রেলপথ নির্মাণ হচ্ছে।
৬০ হাজার কোটি টাকায় হচ্ছে কুমিল্লা–ঢাকা নতুন রেলপথ
চার জেলায় ৪৭ কোটি টাকার প্রকল্প, সমৃদ্ধ হবে জেলেদের জীবিকা
দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের চার জেলার ২৯টি বাঁওড়ের মৎস্যসম্পদ উন্নয়ন, মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি ও প্রকৃত মৎস্যজীবীদের জীবনমান উন্নয়নে ৪৭ কোটি ৫৫ লাখ টাকা ব্যয়ে একটি প্রকল্প প্রস্তাব করেছে মৎস্য অধিদপ্তর। পাঁচ বছর মেয়াদি ‘নির্বাচিত বাঁওড় এলাকায় সমাজভিত্তিক মৎস্যসম্পদ ব্যবস্থাপনা’ শীর্ষক এ প্রকল্পের মাধ্যমে বাঁওড় খনন, মাছের অভয়াশ্রম প্রতিষ্ঠা, পোনা উৎপাদন অবকাঠামো উন্নয়ন, প্রশিক্ষণ ও সমাজভিত্তিক ব্যবস্থাপনা জোরদারের পরিকল্পনা রয়েছে।  যশোর, ঝিনাইদহ, চুয়াডাঙ্গা ও কুষ্টিয়া জেলার বাঁওড়গুলোতে মাছের উৎপাদন অন্তত ১০ শতাংশ বাড়ানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫ সালে অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে যশোরের জেলা প্রশাসক ওই অঞ্চলের বাঁওড়গুলোতে মাছের উৎপাদন বাড়াতে প্রকল্প গ্রহণের উদ্যোগ নেন। এর ধারাবাহিকতায় গত বছরের ডিসেম্বরে জেলা প্রশাসকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব, যুগ্ম সচিব, মৎস্য বিভাগের প্রতিনিধি ও স্থানীয় ব্যক্তিবর্গ অংশ নেন এবং প্রকল্প গ্রহণের সিদ্ধান্ত হয়। চলতি বছরের জানুয়ারিতে তৎকালীন সচিবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিষয়টি অনুমোদন পায়। পরবর্তীতে প্রকল্পের জনবলকাঠামো অনুমোদনের জন্য অর্থ বিভাগে প্রস্তাব পাঠানো হয়। বর্তমান সরকারের সময়ে জনবলকাঠামো অনুমোদিত হওয়ার পর প্রকল্পের উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) পরিকল্পনা কমিশনে পাঠানো হয়েছে। বর্তমানে প্রকল্পটির ব্যয় ও কার্যক্রম মূল্যায়নের অপেক্ষায় রয়েছে। জানা গেছে, প্রকল্পের আওতায় পলি জমে ভরাট হয়ে যাওয়া বাঁওড়ের নির্বাচিত অংশ খনন করে গভীরতা ও পানি ধারণক্ষমতা বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে। এ খাতে ১১ কোটি ২১ লাখ ৯৫ হাজার টাকা প্রস্তাব করা হয়েছে। এর ফলে শুষ্ক মৌসুমেও মাছের বসবাস ও বেড়ে ওঠার উপযোগী পরিবেশ তৈরি হবে বলে আশা করা হচ্ছে। দেশীয় প্রজাতির মাছ সংরক্ষণ ও প্রাকৃতিক প্রজনন নিশ্চিত করতে ২৯টি বাঁওড়ে অভয়াশ্রম প্রতিষ্ঠায় ২ কোটি ৩২ লাখ টাকা প্রস্তাব করা হয়েছে। এ ছাড়া বিদ্যমান ৩৫টি পোনা উৎপাদন পুকুর সংস্কারে ১ কোটি ৭৩ লাখ ৩৯ হাজার টাকা, খামার যান্ত্রিকীকরণে ১ কোটি ৪০ লাখ টাকা এবং পানি সরবরাহের জন্য ছয়টি গভীর নলকূপ স্থাপনে ১ কোটি ২০ লাখ টাকা ব্যয়ের পরিকল্পনা রয়েছে। বাঁওড় ব্যবস্থাপনা, প্রশিক্ষণ, পোনা সরবরাহ ও সম্প্রসারণ সেবার অবকাঠামো উন্নয়নের অংশ হিসেবে জরাজীর্ণ ছয়টি বাঁওড় ব্যবস্থাপকের অফিস ভবন পুনর্নির্মাণে ৭ কোটি ৩১ লাখ ৮ হাজার টাকা প্রস্তাব করা হয়েছে। পাশাপাশি পাঁচ বছরে ২৯০টি বিল নার্সারি স্থাপনে ২ কোটি ৯০ লাখ টাকা এবং রুইজাতীয় ও দেশীয় প্রজাতির মাছের পোনা অবমুক্তকরণে পৃথকভাবে ৭ কোটি ৬১ লাখ ৯৩ হাজার টাকার সংস্থান রাখা হয়েছে। বিল নার্সারির মাধ্যমে পোনা লালন-পালন ও উৎপাদন কার্যক্রম বাড়ানোর পাশাপাশি নির্ধারিত জলাশয়ে পোনা অবমুক্ত করে মাছের উৎপাদন বৃদ্ধির উদ্যোগ নেওয়া হবে। প্রকল্পের সরঞ্জাম খাতে আট লাখ টাকা প্রস্তাব করা হয়েছে। এ খাতে চারটি ডেস্কটপ কম্পিউটারের পাশাপাশি দুটি ল্যাপটপ, চারটি প্রিন্টার ও আনুষঙ্গিক সরঞ্জাম অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। প্রস্তাবিত প্রকল্পে জলাশয় খনন, অভয়াশ্রম প্রতিষ্ঠা, পোনা উৎপাদন, পানি সরবরাহ, অবকাঠামো উন্নয়ন ও প্রশিক্ষণের মতো কার্যক্রম অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এর মাধ্যমে শুধু মাছের উৎপাদন বাড়ানো নয়, বরং বাঁওড়ের প্রাকৃতিক পরিবেশ সংরক্ষণ এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠীর অংশগ্রহণে টেকসই মৎস্যসম্পদ ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. দেলোয়ার হোসেন বলেন, বাঁওড়গুলোতে মাছের উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি স্থানীয় মৎস্যজীবীদের সম্পৃক্ত করে কার্যকর ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলাই এ প্রকল্পের প্রধান লক্ষ্য। অভয়াশ্রমের নির্ধারিত এলাকায় মাছ আহরণ নিয়ন্ত্রিত থাকবে, যাতে মাছের প্রাকৃতিক প্রজনন ও বংশবিস্তারের সুযোগ তৈরি হয়। বর্ষায় মাছ আশপাশের নদী ও বিলে ছড়িয়ে পড়লে সেখান থেকেও জেলেরা মাছ আহরণ করতে পারবেন। বর্তমানে প্রকল্পটি মূল্যায়নাধীন রয়েছে। প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটির (পিইসি) সভায় পর্যালোচনার পর পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। মৎস্য অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক মো. খালেদ কনক জানান, এটি একটি সমাজভিত্তিক মৎস্য উন্নয়ন প্রকল্প। দীর্ঘদিন ধরে বাঁওড়ের জেলেদের জীবনমান উন্নয়নে এ ধরনের প্রকল্পের অভাব ছিল। প্রকল্পের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হলো প্রকৃত মৎস্যজীবীদের তালিকা হালনাগাদ করা। নব্বইয়ের দশকে গঠিত মৎস্যজীবী সমিতিগুলোর সদস্য তালিকা দীর্ঘদিন ধরে হালনাগাদ হয়নি। এর মাধ্যমে প্রকৃত মৎস্যজীবীদের অন্তর্ভূক্তি, তাদের অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং সুফল সুষমভাবে বণ্টনের সুযোগ তৈরি হবে। সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে বাঁওড়ের প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণের পাশাপাশি স্থানীয় জেলেদের দীর্ঘমেয়াদি জীবিকা ও আয় বৃদ্ধির পথ সুগম হবে। আরটিভি/টিআর
চার জেলায় ৪৭ কোটি টাকার প্রকল্প, সমৃদ্ধ হবে জেলেদের জীবিকা
যশোরে বিএনপি কার্যালয়ে বসল সোলার প্যানেল, বিদ্যুৎ যাবে জাতীয় গ্রিডে
প্রথমবারের মতো দেশে কোনো রাজনীতিক দলের কার্যালয়ে সৌরবিদ্যুৎ চালু হলো। বুধবার (২১ অক্টোবর) দুপুরে যশোর জেলা বিএনপির কার্যালয়ে দুই কিলোওয়াট উৎপাদন ক্ষমতাসম্পন্ন ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ সিস্টেমের উদ্বোধন করা হয়।
যশোরে বিএনপি কার্যালয়ে বসল সোলার প্যানেল, বিদ্যুৎ যাবে জাতীয় গ্রিডে
চট্টগ্রাম বন্দরে ১০০ কোটি টাকার বিদ্যুৎ বিল সাশ্রয়ে বিশাল উদ্যোগ
৮ দশমিক ৪২ মেগাওয়াট (পিক) উৎপাদন ক্ষমতার রুফটপ সোলার পাওয়ার প্ল্যান্ট স্থাপন করা হচ্ছে বন্দরের বিভিন্ন ভবন ও শেডে। এ প্রকল্পের মাধ্যমে আগামী ২০ বছর সৌরবিদ্যুৎ সরবরাহ করা হবে চট্টগ্রাম বন্দরে।
চট্টগ্রাম বন্দরে ১০০ কোটি টাকার বিদ্যুৎ বিল সাশ্রয়ে বিশাল উদ্যোগ
আরও পড়ুন
সেতুর সংযোগ সড়ক নির্মাণে জমি অধিগ্রহণের অনুমোদন
পুলিশের জন্য এবার দুই মেগা প্রকল্পের প্রস্তাব, সম্পূর্ণ ব্যয় সরকারের
সাতক্ষীরায় মেগা প্রকল্প পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক
চার জেলায় ৪৭ কোটি টাকার প্রকল্প, সমৃদ্ধ হবে জেলেদের জীবিকা